প্রশ্ন ১: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি কার লেখা?
উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিস্তারিত উত্তর: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। এটি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল এবং এর মাধ্যমে তিনি বাংলার ঐক্য ও সংহতি কামনা করেছিলেন।
প্রশ্ন ২: ‘ইলিশ’ গল্পটি কার লেখা?
উত্তর: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত উত্তর: ‘ইলিশ’ গল্পটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি ছোটগল্প, যা তাঁর ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের পটভূমিতে রচিত। এই গল্পে পদ্মাপাড়ের মৎস্যজীবীদের জীবনযাত্রা ও ইলিশ মাছকে কেন্দ্র করে তাদের আনন্দ-বেদনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
প্রশ্ন ৩: ‘আহ্বান’ গল্পের প্রধান চরিত্র কে?
উত্তর: C) বৃদ্ধা
বিস্তারিত উত্তর: ‘আহ্বান’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি মর্মস্পর্শী গল্প। এই গল্পের প্রধান চরিত্র একজন বৃদ্ধা, যিনি তাঁর অকৃত্রিম স্নেহ ও ভালোবাসার মাধ্যমে অপূর্বর মন জয় করে নেন। গল্পটি গ্রামীণ জীবনের সরলতা ও মানবিক সম্পর্কের এক অসাধারণ চিত্র।
প্রশ্ন ৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: A) পত্রপুট
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আফ্রিকা’ কবিতাটি তাঁর ‘পত্রপুট’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার আদিম সত্তা, ঔপনিবেশিক শোষণ এবং মানবতার জয়গান ধ্বনিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৫: ‘অদল বদল’ গল্পটি কে লিখেছেন?
উত্তর: A) পান্নালাল প্যাটেল
বিস্তারিত উত্তর: ‘অদল বদল’ গল্পটি গুজরাটি লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা। এই গল্পে দুই বন্ধু ইসাব ও অমৃতের পোশাক বদলানোর মাধ্যমে এক অসাধারণ মানবিক সম্পর্ক ও সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: A) প্রকৃতি ও মানুষের সংঘাত
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে প্রকৃতির ভয়াল রূপ ও মানুষের সঙ্গে তার সংঘাতকে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষত নদীর বাঁধ ভাঙা এবং মানুষের অসহায়তা এই গল্পের মূল উপজীব্য।
প্রশ্ন ৭: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কীসের আগমন বার্তা দিয়েছেন?
উত্তর: A) নবযুগের
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি বিদ্রোহ ও নবযুগের আগমনী গান। এই কবিতায় কবি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে এক নতুন, উন্নত ও স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন দেখেছেন, যা ধ্বংসের আবরণের মধ্যে দিয়ে আসবে।
প্রশ্ন ৮: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কে?
উত্তর: A) সব্যসাচী মল্লিক
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক। তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক আপসহীন যোদ্ধা, যিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।
প্রশ্ন ৯: ‘আর্থার’ চরিত্রটি কোন গল্পে পাওয়া যায়?
উত্তর: C) পথের দাবী
বিস্তারিত উত্তর: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে আর্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সে ব্রিটিশ অফিসার এবং অপূর্বের বস। তার মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের শোষণ ও নির্যাতন ফুটে উঠেছে।
প্রশ্ন ১০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পটি কার লেখা?
উত্তর: A) আশাপূর্ণা দেবী
বিস্তারিত উত্তর: ‘জ্ঞানচক্ষু’ আশাপূর্ণা দেবী রচিত একটি ছোটগল্প। এই গল্পে তপন নামের এক কিশোরের লেখক হওয়ার স্বপ্ন এবং তার প্রথম গল্প প্রকাশের অভিজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে, যা তার জ্ঞানচক্ষু উন্মোচন করে।
প্রশ্ন ১১: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: B) জল পাষাণ হয়ে আছে
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষ রচিত ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি তাঁর ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় বর্তমান কঠিন সময়ে মানুষের একতা ও পারস্পরিক নির্ভরতার গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। (বিকল্প ‘A’ কিছু পুরনো পাঠ্যসূচিতে দেখা যেত, তবে আধুনিকতম তথ্য অনুযায়ী ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ সঠিক)।
প্রশ্ন ১২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মোহনলাল কোন ভূমিকায় ছিলেন?
উত্তর: B) নবাবের বিশ্বস্ত সেনাপতি
বিস্তারিত উত্তর: শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মোহনলাল ছিলেন নবাব সিরাজদ্দৌলার একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত, দেশপ্রেমিক ও বীর সেনাপতি। তিনি পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পক্ষে সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন।
প্রশ্ন ১৩: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন ছদ্মবেশে জগদীশবাবুর বাড়িতে গিয়েছিলেন?
উত্তর: B) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষ রচিত ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার বিরাগী (সন্ন্যাসী) সেজে জগদীশবাবুর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তার সেই রূপ এতটাই বিশ্বাসযোগ্য ছিল যে জগদীশবাবু মুগ্ধ হয়ে তাকে প্রণামী দিতে চেয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশটি কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত?
উত্তর: A) মনসামঙ্গল
বিস্তারিত উত্তর: ‘লখিন্দরের বাসর’ বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনীর একটি অংশ, যা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্তর্গত। এই কাব্যংশে চাঁদ সদাগরের পুত্র লখিন্দরের বাসর ঘরে মনসার নির্দেশে কালনাগিনীর দংশনে মৃত্যু এবং বেহুলার পতিভক্তি বর্ণিত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৫: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটি কার লেখা?
উত্তর: B) শ্রীপান্থ
বিস্তারিত উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটি শ্রীপান্থ (নিখিল সরকার) রচিত। এই প্রবন্ধে লেখক কলম ও কালির বিবর্তন এবং তার সঙ্গে জড়িত স্মৃতি ও সংস্কৃতির কথা তুলে ধরেছেন।
প্রশ্ন ১৬: ‘অসুখী একজন’ কবিতাটির অনুবাদক কে?
উত্তর: C) নবারুণ ভট্টাচার্য
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার স্প্যানিশ ভাষায় লেখা ‘La Desdichada’ কবিতাটি ‘অসুখী একজন’ নামে বাংলায় অনুবাদ করেন নবারুণ ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন ১৭: ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্’ নাটকের কোন অংশ ‘সাহিত্য সঞ্চয়ন’-এ সংকলিত?
উত্তর: C) শকুন্তলার পতিগৃহে যাত্রা (বিদ্যাসাগর কৃত অনুবাদে ‘শকুন্তলা’ নামে)
বিস্তারিত উত্তর: ‘সাহিত্য সঞ্চয়ন’ পাঠ্যপুস্তকে মহাকবি কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্’ নাটকের অংশবিশেষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদে ‘শকুন্তলা’ নামে সংকলিত হয়েছে, যেখানে শকুন্তলার পতিগৃহে যাত্রার করুণ দৃশ্য বর্ণিত।
প্রশ্ন ১৮: ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধটি কার লেখা?
উত্তর: C) রাজশেখর বসু
বিস্তারিত উত্তর: ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধটি রাজশেখর বসু (পরশুরাম) রচিত। এই প্রবন্ধে তিনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
প্রশ্ন ১৯: ‘আমার বিশ্বাস’ প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধের অংশবিশেষ?
উত্তর: B) সভ্যতার সংকট
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার বিশ্বাস’ অংশটি তাঁর ‘সভ্যতার সংকট’ নামক বিখ্যাত প্রবন্ধের একটি অংশ। এখানে তিনি মানবতা ও মানুষের প্রতি বিশ্বাসকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছেন।
প্রশ্ন ২০: ‘কনি’ উপন্যাসের লেখক কে?
উত্তর: C) মতি নন্দী
বিস্তারিত উত্তর: ‘কনি’ উপন্যাসটি মতি নন্দী রচিত। এটি একটি মেয়ের সাঁতারু হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণামূলক কাহিনী। (এটি ‘সাহিত্য সঞ্চয়ন’-এর সহায়ক পাঠ)।
প্রশ্ন ২১: ‘খেয়া’ কবিতায় “সোনার তরী” কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) জীবন ও কর্ম
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ কবিতায় (এবং ‘সোনার তরী’ কবিতায়) “সোনার তরী” মানুষের মহৎ কর্ম বা সৃষ্টির প্রতীক, যা কালের খেয়ায় স্থান পায়, কিন্তু ব্যক্তিমানুষকে সেই খেয়ায় স্থান দেওয়া হয় না।
প্রশ্ন ২২: ‘নুন’ কবিতায় “আমাদের দিন চলে যায়”—কীভাবে?
উত্তর: C) সাধারণ ভাতকাপড়ে
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় বলা হয়েছে “আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে”। এটি দরিদ্র মানুষের ন্যূনতম চাহিদা নিয়ে বেঁচে থাকার চিত্র তুলে ধরে।
প্রশ্ন ২৩: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ঘসেটি বেগম কে ছিলেন?
উত্তর: B) সিরাজের মাসি (মাতৃभगিনী)
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ঘসেটি বেগম ছিলেন নবাব আলিবর্দি খাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা এবং নবাব সিরাজদ্দৌলার মাসি। তিনি সিরাজের সিংহাসন লাভের অন্যতম বিরোধী ছিলেন।
প্রশ্ন ২৪: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় ‘আমাদের পথ নেই আর’ বলার কারণ কী?
উত্তর: B) চারিদিকে বিপদ ও অনিশ্চয়তা
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় ‘আমাদের পথ নেই আর’ বলার কারণ হলো বর্তমান সময়ের সামাজিক, রাজনৈতিক অস্থিরতা, হিংসা ও বিপদের বাতাবরণ, যেখানে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার কোনো নিরাপদ পথ খোলা নেই।
প্রশ্ন ২৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা মোট কত টাকা রোজগার করেছিলেন বিভিন্ন সাজে?
উত্তর: B) আট টাকা দশ আনা
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিভিন্ন ছদ্মবেশে মোট আট টাকা দশ আনা রোজগার করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল পুলিশ সেজে পাওয়া আট আনা এবং অন্যান্য সাজে পাওয়া দশ টাকা দু আনা।
প্রশ্ন ২৬: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের জামা অদল বদল করার কারণ কী ছিল?
উত্তর: C) অমৃতকে তার মায়ের মারের হাত থেকে বাঁচাতে
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত হোলি খেলার সময় তার নতুন জামা ছিঁড়ে ফেলায় মায়ের মারের ভয়ে ছিল। তার বন্ধু ইসাব তাকে সেই বিপদ থেকে বাঁচাতে নিজেদের জামা অদল বদল করার প্রস্তাব দেয়।
প্রশ্ন ২৭: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর প্রতি কী অনুভব করত?
উত্তর: B) এক ধরনের স্নেহ ও ভালোবাসা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর প্রতি এক গভীর ও অস্বাভাবিক স্নেহ, ভালোবাসা এবং একাত্মতা অনুভব করত। সে নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে দেখত।
প্রশ্ন ২৮: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিক অপূর্বকে কী বলে ডাকতেন?
উত্তর: D) খোকাবাবু
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক অপূর্বকে স্নেহের সঙ্গে ‘খোকাবাবু’ বলে ডাকতেন।
প্রশ্ন ২৯: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “বিদ্রূপ করছিলে ভীষণকে”—কারা?
উত্তর: C) ছায়াবৃতা আফ্রিকা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় বলা হয়েছে, “বিদ্রূপ করছিলে ভীষণকে / বিরূপের ছদ্মবেশে,”। এখানে ‘ছায়াবৃতা’ আফ্রিকা তার আদিম ও অরণ্যময় পরিবেশে প্রকৃতির রুদ্রতাকে যেন বিদ্রূপ করছিল।
প্রশ্ন ৩০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পের নাম কী ছিল?
উত্তর: C) প্রথম দিন
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা প্রথম গল্পের নাম ছিল ‘প্রথম দিন’।
প্রশ্ন ৩১: ‘খেয়া’ কবিতায় “সকাল হইতে না হইতে” কীসের আনাগোনা শুরু হয়?
উত্তর: B) মানুষের
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ কবিতায় বলা হয়েছে, “সকাল হইতে না হইতে খেয়া করে আনাগোনা / পারাপার করে লোক”—অর্থাৎ মানুষের আনাগোনা শুরু হয়।
প্রশ্ন ৩২: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য কী নিয়ে অপেক্ষা করতেন?
উত্তর: C) ফলমূল ও দুধ-দই
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য স্নেহবশত ফলমূল, দুধ, দই ইত্যাদি গ্রামীণ খাবার নিয়ে অপেক্ষা করতেন।
প্রশ্ন ৩৩: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী”—কোন বাণী?
উত্তর: C) “ক্ষমা করো”
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি যুগান্তের কবিকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আফ্রিকার প্রতি করা অন্যায়ের জন্য সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী হোক “ক্ষমা করো”।
প্রশ্ন ৩৪: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখাটি কে “একটু-আধটু কারেকশন” করে দিয়েছিলেন?
উত্তর: D) নতুন মেসোমশাই
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই, যিনি একজন লেখক ছিলেন, তপনের লেখা গল্পটি “একটু-আধটু কারেকশন” করে ছাপানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।
প্রশ্ন ৩৫: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কত বছর ধরে স্টেশন মাস্টারি করছিলেন?
উত্তর: C) চার বছর
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের প্রধান চরিত্র নদেরচাঁদ চার বছর ধরে সেই স্টেশনে মাস্টারি করছিলেন।
প্রশ্ন ৩৬: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের ক’টি ভাই ছিল?
উত্তর: D) তিনটি
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের তিনটি ভাই ছিল। এই কারণেই তার মা তাকে নতুন জামার জন্য বেশি বকাবকি করতেন।
প্রশ্ন ৩৭: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চিরসুন্দর”—কে?
উত্তর: D) মহাকাল (বা নবীন সৃষ্টিকর্তা)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি মহাকাল বা সেই নবীন সৃষ্টিকর্তার কথা বলেছেন, যিনি পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুন সুন্দর জগৎ সৃষ্টি করতে জানেন।
প্রশ্ন ৩৮: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব কোন ট্রেনে চেপে রেঙ্গুন যাচ্ছিল?
উত্তর: C) ফার্স্ট ক্লাস প্যাসেঞ্জার
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব ফার্স্ট ক্লাস প্যাসেঞ্জার কামরায় চেপে রেঙ্গুন যাচ্ছিল।
প্রশ্ন ৩৯: ‘বহুরূপী’ গল্পে জগদীশবাবু কেমন প্রকৃতির লোক ছিলেন?
উত্তর: B) ধার্মিক ও ধনী কিন্তু কিছুটা অহংকারী
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে জগদীशবাবু ছিলেন ধনী, কিছুটা ধার্মিক প্রকৃতির কিন্তু তার মধ্যে সামান্য অহংকারও ছিল। তিনি সাধু-সন্ন্যাসীদের খাতির করলেও হরিদার বিরাগী রূপের কাছে নতি স্বীকার করেন।
প্রশ্ন ৪০: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের সঙ্গী কে ছিল?
উত্তর: A) গণেশ (পদ্মানদীর মাঝি অনুসারে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পটি ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের অংশ। উপন্যাসে কুবেরের প্রধান সঙ্গী ও সহকর্মী ছিল গণেশ। (ছোটগল্পের ফোকাস ভিন্ন হতে পারে, তবে উপন্যাসের প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ)।
প্রশ্ন ৪১: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ডান পাশে” কী?
উত্তর: B) ধস
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় বলা হয়েছে “আমাদের ডান পাশে ধস”। এটি সমকালীন জীবনের বিপদ ও অনিশ্চয়তার প্রতীক।
প্রশ্ন ৪২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে লুৎফুন্নিসা সিরাজকে কী বলে সতর্ক করেছিলেন?
উত্তর: B) মীরজাফরকে অতিরিক্ত বিশ্বাস না করতে
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে লুৎফুন্নিসা বারবার সিরাজকে মীরজাফর এবং অন্যান্য সভাসদদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন এবং তাদের অতিরিক্ত বিশ্বাস না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪৩: ‘নুন’ কবিতায় “রাত্তিরে দু’ভাই মিলে” কী করে?
উত্তর: D) গঞ্জিকাতে টান দেয়
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র জীবনের হতাশা থেকে মুক্তি পেতে বা ক্ষণিকের আমোদের জন্য রাত্তিরে দুই ভাই মিলে গঞ্জিকাতে (গাঁজা) টান দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ৪৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে কে লখিন্দরের জন্য লোহার বাসরঘর তৈরি করেছিলেন?
উত্তর: B) বিশ্বকর্মা
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা চাঁদ সদাগরের আদেশে লখিন্দরের জন্য অভেদ্য লোহার বাসরঘর নির্মাণ করেছিলেন, যাতে মনসার সাপ প্রবেশ করতে না পারে।
প্রশ্ন ৪৫: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথক মেয়েটিকে কোথায় দাঁড় করিয়ে রেখে এসেছিলেন?
উত্তর: B) দরজায়
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথক মেয়েটিকে তার বাড়ির দরজায় দাঁড় করিয়ে রেখে দূর দেশে (যুদ্ধে) চলে গিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪৬: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কোন কলমের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: A) ঝর্ণা কলম (ফাউন্টেন পেন)
বিস্তারিত উত্তর: শ্রীপান্থ রচিত ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক বিভিন্ন ধরনের কলমের কথা বললেও, ফাউন্টেন পেন বা ঝর্ণা কলমের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ এবং তার হারিয়ে যাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ পেয়েছে।
প্রশ্ন ৪৭: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “হায় ছায়াবৃতা”—কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: C) আফ্রিকাকে
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “হায় ছায়াবৃতা” বলে আফ্রিকাকে সম্বোধন করা হয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে অন্ধকারে আচ্ছন্ন, অবহেলিত এবং শোষিত মহাদেশের প্রতি কবির সহানুভূতি এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
প্রশ্ন ৪৮: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”—এই অপেক্ষা কেমন ছিল?
উত্তর: B) অনন্তকালের
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় মেয়েটি কথকের জন্য অনন্তকাল ধরে অপেক্ষা করছিল। এই অপেক্ষা যুদ্ধের ভয়াবহতা ও সময়ের নিষ্ঠুরতাকে অতিক্রম করে এক গভীর বেদনার জন্ম দেয়।
প্রশ্ন ৪৯: ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধে লেখক পরিভাষা রচনার ক্ষেত্রে কিসের উপর জোর দিয়েছেন?
উত্তর: C) প্রচলিত ও সহজবোধ্য বাংলা শব্দ ব্যবহার
বিস্তারিত উত্তর: রাজশেখর বসু ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধে বৈজ্ঞানিক পরিভাষা রচনার ক্ষেত্রে অপ্রচলিত কঠিন সংস্কৃত শব্দের পরিবর্তে প্রচলিত, সহজবোধ্য বাংলা শব্দ ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছেন, যাতে বিজ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হয়।
প্রশ্ন ৫০: ‘কনি’ উপন্যাসে কনির প্রশিক্ষকের নাম কী?
উত্তর: C) ক্ষিতীশ সিংহ (ক্ষিতদা)
বিস্তারিত উত্তর: মতি নন্দীর ‘কনি’ উপন্যাসে কনির সাঁতার প্রশিক্ষকের নাম ছিল ক্ষিতীশ সিংহ, যিনি ক্ষিতদা নামে পরিচিত। তার কঠোর প্রশিক্ষণ ও অনুপ্রেরণায় কনি একজন সফল সাঁতারু হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ৫১: ‘সবুজ দ্বীপের রাজা’ কোন জাতীয় রচনা?
উত্তর: C) কিশোর গোয়েন্দা বা অ্যাডভেঞ্চার কাহিনী
বিস্তারিত উত্তর: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ‘সবুজ দ্বীপের রাজা’ একটি জনপ্রিয় কিশোর অ্যাডভেঞ্চার বা গোয়েন্দা কাহিনী, যেখানে কাকাবাবু ও সন্তুর রোমাঞ্চকর অভিযানের কথা বলা হয়েছে। (এটি সাহিত্য সঞ্চয়নের মূল পাঠ্য না হলেও সহায়ক পাঠ হিসেবে থাকতে পারে)।
প্রশ্ন ৫২: ‘নগ্ন জনম’ কবিতায় কবি কোন বিষয়টিকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন?
উত্তর: C) নাগরিক সভ্যতার কৃত্রিমতা ও মূল্যবোধহীনতা
বিস্তারিত উত্তর: সুভাষ মুখোপাধ্যায় রচিত ‘নগ্ন জনম’ কবিতায় কবি আধুনিক নাগরিক সভ্যতার কৃত্রিমতা, যান্ত্রিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। (এই কবিতাটি সব সংস্করণে নাও থাকতে পারে)।
প্রশ্ন ৫৩: প্রমথ চৌধুরী কোন ছদ্মনামে লিখতেন?
উত্তর: B) বীরবল
বিস্তারিত উত্তর: প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি চলিত বাংলা গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
প্রশ্ন ৫৪: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মীরমদন ও মোহনলাল কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন?
উত্তর: C) ইংরেজদের বিরুদ্ধে
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মীরমদন ও মোহনলাল নবাব সিরাজদ্দৌলার পক্ষে ইংরেজ বাহিনীর বিরুদ্ধে পলাশীর প্রান্তরে সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন।
প্রশ্ন ৫৫: ‘খেয়া’ কবিতায় “সোনার ধান” কে কেটে নিয়ে যায়?
উত্তর: C) কাল (সময়)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ এবং বিশেষত ‘সোনার তরী’ কবিতার ভাবানুসারে, “সোনার ধান” অর্থাৎ মানুষের শ্রেষ্ঠ কর্ম বা সৃষ্টিকে কাল বা সময় তার তরীতে তুলে নেয়, কিন্তু ব্যক্তিকে নয়। ‘খেয়া’ কবিতাতেও এই ভাবনার অনুরণন আছে।
প্রশ্ন ৫৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন রূপে অভিনয় করে আট আনা পেয়েছিলেন?
উত্তর: B) পুলিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার পুলিশ সেজে দয়ালবাবুর লিচুবাগানে স্কুলের ছেলেদের ভয় দেখিয়ে আট আনা বকশিশ আদায় করেছিলেন।
প্রশ্ন ৫৭: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “তোরা সব জয়ধ্বনি কর” – এই আহ্বান কতবার করা হয়েছে?
উত্তর: C) উনিশবার
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “তোরা সব জয়ধ্বনি কর” এই উদ্দীপনামূলক আহ্বানটি মোট উনিশবার করা হয়েছে, যা বিপ্লবের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও উল্লাস প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ৫৮: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে কী খাওয়াতে চেয়েছিলেন যা লেখকের পেটে সয়নি?
উত্তর: C) জমির টাটকা আমন ধানের চালের ভাত ও বেগুনপোড়া
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা স্নেহের আতিশয্যে লেখককে জমির টাটকা আমন ধানের চালের ভাত এবং অন্যান্য গ্রামীণ খাবার খাওয়াতে চেয়েছিলেন, কিন্তু লেখকের শহরে অভ্যস্ত পেটে সেই গুরুপাক খাবার সয়নি।
প্রশ্ন ৫৯: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের ছোটমাসি তপনের থেকে কত বছরের বড় ছিলেন?
উত্তর: C) বছর আষ্টেকের
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের ছোটমাসি তার থেকে বছর আষ্টেকের বড় ছিলেন।
প্রশ্ন ৬০: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিকের ছদ্মনাম কী ছিল?
উত্তর: C) গিরিশ মহাপাত্র
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য ‘গিরিশ মহাপাত্র’ ছদ্মনাম এবং অদ্ভুত বেশ ধারণ করেছিলেন।
প্রশ্ন ৬১: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি কোন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: C) বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচনা করেছিলেন। এই গানটি বাঙালির ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছিল।
প্রশ্ন ৬২: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবের ও গণেশ কোথায় ইলিশ ধরতে গিয়েছিল?
উত্তর: B) পদ্মা নদীতে
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে (যা ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের অংশ) কুবের ও গণেশ পদ্মা নদীতে ইলিশ ধরতে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ৬৩: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার মৃত্যু হয় কোন সময়ে?
উত্তর: B) লেখকের গ্রাম থেকে চলে যাওয়ার পর
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক গ্রাম থেকে শহরে ফিরে যাওয়ার পর বৃদ্ধার মৃত্যু সংবাদ পান। তার মৃত্যু লেখকের মনে গভীর বেদনা ও শূন্যতার সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ৬৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “পঙ্কিল হল ধূলি তোমার রক্তে অশ্রুতে মিশে”—এই পঙ্কিলতা কীসের?
উত্তর: B) ঔপনিবেশিক শোষণ ও অত্যাচারের
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় এই পংক্তিটি ঔপনিবেশিক শক্তির দ্বারা আফ্রিকার মানুষের উপর চালানো নির্মম শোষণ, অত্যাচার এবং তাদের রক্ত ও অশ্রুতে আফ্রিকার মাটি কলঙ্কিত হওয়ার বেদনাদায়ক চিত্র তুলে ধরে।
প্রশ্ন ৬৫: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামাটি কে কিনে দিয়েছিল?
উত্তর: B) মা (বাবা এনে দিয়েছিলেন, মা সেলাই করেছিলেন)
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের বাবা নতুন জামার কাপড় এনে দিয়েছিলেন এবং তার মা সেটি সেলাই করে দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৬৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কাছে কী প্রত্যাশা করত?
উত্তর: C) এক ধরনের মানবিক সাড়া বা সঙ্গ
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কাছে এক ধরনের মানবিক সাড়া, সঙ্গ এবং নদীর জীবন্ত সত্তার প্রকাশ প্রত্যাশা করত। সে নদীর সঙ্গে একাত্ম হতে চাইত।
প্রশ্ন ৬৭: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওই নূতনের কেতন ওড়ে”—কোথায়?
উত্তর: B) কালবোশেখির ঝড়ে
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় বলা হয়েছে “ওই নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড়”। কালবৈশাখী ঝড় এখানে ধ্বংস ও নতুনের আগমনের প্রতীক।
প্রশ্ন ৬৮: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বর সহযাত্রী কারা ছিল, যাদের সে প্রথমে অবজ্ঞা করেছিল?
উত্তর: B) কয়েকজন বাঙালি হিন্দুস্তানি ও ফিরিঙ্গি
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব রেঙ্গুন যাওয়ার ট্রেনে তার কামরায় কয়েকজন বাঙালি হিন্দুস্তানি ও ফিরিঙ্গি সহযাত্রীকে দেখে প্রথমে তাদের প্রতি অবজ্ঞা ও বিরক্তি প্রকাশ করেছিল।
প্রশ্ন ৬৯: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের গল্পটি “কারেকশনের নামে আগাগোড়া বদলে” দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: C) তার নতুন মেসোমশাই
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই, যিনি নিজে একজন লেখক ছিলেন, তপনের লেখা গল্পটি “কারেকশনের নামে আগাগোড়া বদলে” দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৭০: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “ইতিহাস নেই” বলেছেন?
উত্তর: C) সাধারণ, প্রান্তিক মানুষদের
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ, প্রান্তিক মানুষদের কথা বলেছেন, যাদের জীবন সংগ্রাম ও অস্তিত্বের কথা প্রচলিত ইতিহাসে তেমনভাবে স্থান পায় না, তাই তাদের যেন “ইতিহাস নেই”।
প্রশ্ন ৭১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে পলাশীর যুদ্ধের তারিখ কত?
উত্তর: A) ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের পটভূমি ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধ, যা ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন সংঘটিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ৭২: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন রূপে সেজে জগদীশবাবুর কাছ থেকে টাকা নিতে অস্বীকার করেছিলেন?
উত্তর: D) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী (সন্ন্যাসী) সেজে জগদীশবাবুর বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং তাঁর দেওয়া ১০১ টাকা প্রণামী নিতে অস্বীকার করেছিলেন, কারণ বিরাগীর ধর্ম অর্থ গ্রহণ করা নয়।
প্রশ্ন ৭৩: ‘নুন’ কবিতায় “আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক”—এই দাবি কাদের?
উত্তর: C) নিম্নবিত্ত, শ্রমজীবী মানুষের
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় এই দাবিটি নিম্নবিত্ত, শ্রমজীবী মানুষের, যাদের জীবনে সামান্য নুন দিয়ে ভাত খাওয়াটাও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এটি তাদের ন্যূনতম বাঁচার অধিকারের দাবি।
প্রশ্ন ৭৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলার শ্বশুরের নাম কী?
উত্তর: B) চাঁদ সদাগর
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলার শ্বশুর ছিলেন চাঁদ সদাগর, যিনি মনসা দেবীর ঘোর বিরোধী ছিলেন।
প্রশ্ন ৭৫: ‘আর্থার রিমবোর্ড’ কোন দেশের কবি ছিলেন?
উত্তর: A) ফ্রান্স
বিস্তারিত উত্তর: আর্থার রিমবোর্ড (Arthur Rimbaud) ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত ফরাসি কবি, যিনি প্রতীকবাদী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন। (এই প্রশ্নটি ‘সাহিত্য সঞ্চয়ন’-এর সরাসরি পাঠ্য থেকে না-ও হতে পারে, তবে সাধারণ সাহিত্য জ্ঞানের জন্য প্রাসঙ্গিক)।
প্রশ্ন ৭৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধ অনুসারে স্বামীজি কোন পথে হিমালয়ের দিকে যাত্রা করেছিলেন?
উত্তর: C) আলমোড়া হয়ে
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ (পরিব্রাজক গ্রন্থের অংশ) অনুসারে, তিনি আলমোড়া ও তার আশেপাশের অঞ্চলের মধ্য দিয়ে হিমালয়ের দিকে যাত্রা করেছিলেন এবং সেখানকার প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন।
প্রশ্ন ৭৭: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন নদীর তীরে হাঁটার কথা বলেছেন?
উত্তর: C) জলসিড়ি বা ধানসিঁড়ি
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় তিনি বাংলার নদীমাতৃক রূপ তুলে ধরেছেন এবং ধানসিঁড়ি বা জলসিঁড়ি নদীর (তাঁর কল্পনায় বা বাস্তব অভিজ্ঞতায়) তীরে হাঁটার কথা উল্লেখ করেছেন।
প্রশ্ন ৭৮: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “রক্তের একটা কালো দাগ”—কোথায় দেখা গিয়েছিল?
উত্তর: C) পাথরের উপর
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের ভয়াবহতার বর্ণনায় রক্তের একটি কালো দাগ পাথরের উপর দেখার কথা বলা হয়েছে, যা নির্মমতা ও ধ্বংসের প্রতীক।
প্রশ্ন ৭৯: ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধে লেখক কোন ধরনের ভাষারীতি ব্যবহারের পক্ষপাতী?
উত্তর: B) চলিত ভাষা
বিস্তারিত উত্তর: রাজশেখর বসু ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধে বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার জন্য সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল চলিত ভাষারীতি ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছেন, যাতে তা সাধারণ পাঠকের কাছে গ্রহণীয় হয়।
প্রশ্ন ৮০: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার নাতির নাম কী ছিল?
উত্তর: B) নফর (সঠিক উত্তর: গল্পে বৃদ্ধার নাতির সরাসরি উল্লেখ প্রধান নয়, তবে সম্পর্কিত চরিত্র হিসেবে নফর বা কানাইয়ের মতো নাম আসতে পারে। নির্দিষ্ট পাঠ্য থেকে নিশ্চিত করতে হবে। তবে, বৃদ্ধা লেখককে ‘খোকা’ বলে ডাকতেন, যা তাকে নাতির স্থানে বসিয়েছিলেন।)
সংশোধিত বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার এক নাতি ছিল যার উল্লেখ আছে। তবে, তার নাম সুস্পষ্টভাবে গল্পের কেন্দ্রবিন্দু নয়। বৃদ্ধা লেখককে ‘খোকা’ বলে ডেকে তার প্রতি নাতির মতো স্নেহ প্রকাশ করতেন। (গল্পে জমির করাতির ছেলে নফর বা কানাইয়ের উল্লেখ থাকতে পারে, যা বৃদ্ধার পরিচিত)।
প্রশ্ন ৮১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের ছোটমাসি তার থেকে কত বছরের বড়?
উত্তর: B) বছর আষ্টেকের
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে উল্লেখ আছে যে তপনের ছোটমাসি তার থেকে বছর আষ্টেকের বড় ছিলেন।
প্রশ্ন ৮২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের বয়স কত ছিল?
উত্তর: B) ত্রিশ বছর
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের বয়স ছিল ত্রিশ বছর।
প্রশ্ন ৮৩: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের বাবা কী কাজ করতেন?
উত্তর: A) দুজনেই চাষি
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাব উভয়ের বাবাই চাষবাসের কাজ করতেন।
প্রশ্ন ৮৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওই ভাঙা-গড়া খেলা যে তার কিসের তবে ডর?”—এখানে ‘তার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: D) মহাকাল/সৃষ্টিকর্তা
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ভাঙা-গড়া খেলা যে তার” বলতে মহাকাল বা সেই আদিশক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি ধ্বংস ও সৃষ্টির লীলায় মত্ত।
প্রশ্ন ৮৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা মোট কত রকমের বহুরূপী সেজেছিলেন (গল্পে উল্লিখিত)?
উত্তর: B) চার রকম (পুলিশ, পাগল, বাইজি, বিরাগী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার বিভিন্ন রূপের কথা বলা হলেও, যেগুলির বিস্তারিত বর্ণনা ও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় সেগুলি হল—পুলিশ, পাগল, বাইজি এবং বিরাগী (সন্ন্যাসী)।
প্রশ্ন ৮৬: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে জগৎশেঠ কে ছিলেন?
উত্তর: B) একজন ধনী মহাজন ও ব্যাংকার
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে জগৎশেঠ ছিলেন তৎকালীন বাংলার একজন অত্যন্ত ধনী মহাজন ও ব্যাংকার। তিনি নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
প্রশ্ন ৮৭: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের বাঁয়ে” কী?
উত্তর: C) গিরিখাত
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় বলা হয়েছে “আমাদের বাঁয়ে গিরিখাত”। এটিও, ধসের মতো, সমকালীন জীবনের বিপদ ও পতনের আশঙ্কার প্রতীক।
প্রশ্ন ৮৮: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা কার মেয়ে ছিলেন?
উত্তর: A) উজানিনগরের সায় বণিকের
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলা ছিলেন উজানিনগরের বিখ্যাত বণিক সায় বা সায়েবনের কন্যা।
প্রশ্ন ৮৯: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক শৈশবে কী দিয়ে কলম তৈরি করতেন?
উত্তর: B) বাঁশের কঞ্চি
বিস্তারিত উত্তর: শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন যে তিনি শৈশবে বাঁশের কঞ্চি কেটে, মুখটা ছুঁচলো করে কলম তৈরি করতেন।
প্রশ্ন ৯০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে”—কাকে দাঁড়াতে বলা হয়েছে?
উত্তর: C) যুগান্তরের কবিকে
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি যুগান্তরের কবিকে (অর্থাৎ ভবিষ্যতের বিবেকবান কবি বা মানবতাকে) আহ্বান জানিয়েছেন সেই মানহারা, অত্যাচারিত আফ্রিকার দ্বারে এসে ক্ষমাপ্রার্থনা করার জন্য।
প্রশ্ন ৯১: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি কোন উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: C) বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে বাঙালির ঐক্যবদ্ধতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে বাঙালির ঐক্য ও সংহতি প্রকাশের উদ্দেশ্যে রচনা করেন। এটি রাখিবন্ধন উৎসবের দিনে গাওয়া হয়েছিল।
প্রশ্ন ৯২: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের নৌকার নাম কী ছিল?
উত্তর: C) (নির্দিষ্ট নাম গল্পে নেই, তবে সাধারণ ডিঙি নৌকা)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের নৌকার কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করা হয়নি। এটি ছিল পদ্মার জেলেদের ব্যবহৃত সাধারণ ডিঙি বা মাছ ধরার নৌকা।
প্রশ্ন ৯৩: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখককে বৃদ্ধা “আমার তো সব তোরই জন্যে” বলে কী দিতেন?
উত্তর: C) নিজের জমানো সামান্য জিনিস ও খাবার
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা অত্যন্ত স্নেহের সাথে নিজের জমানো সামান্য ফল, দুধ, দই বা অন্য কোনো গ্রামীণ খাবার লেখকের জন্য তুলে রাখতেন এবং বলতেন, “আমার তো সব তোরই জন্যে”।
প্রশ্ন ৯৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “শিশুরা খেলছিল মায়ের কোলে”—কোথাকার শিশুরা?
উত্তর: C) আফ্রিকার (ঔপনিবেশিকতার শিকার হওয়ার আগে)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় আফ্রিকার শান্ত, স্বাভাবিক জীবনের চিত্র তুলে ধরতে বলা হয়েছে যে, ঔপনিবেশিক আক্রমণের আগে সেখানকার শিশুরা নিরাপদে মায়ের কোলে খেলছিল।
প্রশ্ন ৯৫: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা ইসাবকে কী বলে ডাকতেন?
উত্তর: A) ইসাব বাবা
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদل’ গল্পে অমৃতের মা ইসাবকে স্নেহের সঙ্গে “ইসাব বাবা” বলে ডাকতেন, যা তাদের মধ্যেকার আন্তরিক সম্পর্ক ও সম্প্রীতির পরিচয় দেয়।
প্রশ্ন ৯৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের স্ত্রী কোথায় থাকত?
উত্তর: B) শ্বশুরবাড়িতে
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের স্ত্রী তার শ্বশুরবাড়িতে থাকত। নদেরচাঁদ মাঝে মাঝে চিঠি লিখত এবং তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পরিকল্পনা করত।
প্রশ্ন ৯৭: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ” আসছে নবীন”—কীভাবে?
উত্তর: B) জীবনহারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় বলা হয়েছে, নবীন আসছে “জীবনহারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন”। অর্থাৎ, পুরাতন, অসুন্দর ও জীবনহীন যা কিছু, তাকে ধ্বংস করে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে।
প্রশ্ন ৯৮: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহযাত্রী রামদাস তলোয়ারকর কোন প্রদেশের লোক ছিলেন?
উত্তর: C) মহারাষ্ট্র
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহযাত্রী রামদাস তলোয়ারকর ছিলেন মহারাষ্ট্রের মানুষ, যিনি পরে অপূর্বর বন্ধু হয়ে ওঠেন।
প্রশ্ন ৯৯: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের গল্পটি ছাপানোর জন্য কে উদ্যোগ নিয়েছিলেন?
উত্তর: D) তপনের নতুন মেসোমশাই
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই, যিনি নিজে একজন লেখক ছিলেন, তপনের লেখা গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১০০: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কোন সময়ের চিত্র এঁকেছেন?
উত্তর: C) এক অস্থির, বিপদসংকুল ও হিংসার সময়
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি এক অস্থির, বিপদসংকুল, হিংসা ও হানাহানিতে পরিপূর্ণ সময়ের চিত্র এঁকেছেন, যেখানে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রশ্ন ১০১: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার রোজগার খুব বেশি ছিল না কেন?
উত্তর: C) তিনি সপ্তাহে বড়জোর একটা দিন বহুরূপী সেজে বেরোতেন
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার রোজগার খুব বেশি ছিল না কারণ তিনি প্রতিদিন বহুরূপী সাজতেন না। তিনি সপ্তাহে বড়জোর একটা দিন এই কাজ করতেন, বাকি দিনগুলো আড্ডা দিয়ে বা অন্যভাবে কাটাতেন।
প্রশ্ন ১০২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের বিরুদ্ধে কারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল না?
উত্তর: C) মোহনলাল
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মোহনলাল ছিলেন নবাব সিরাজদ্দৌলার একজন বিশ্বস্ত ও বীর সেনাপতি। তিনি নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন না, বরং নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন। মীরজাফর, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ প্রমুখ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।
প্রশ্ন ১০৩: ‘নুন’ কবিতায় “আমরা তো সামান্য লোক”—এই ‘আমরা’ কারা?
উত্তর: C) দরিদ্র, শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় ‘আমরা’ বলতে দরিদ্র, শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষদের বোঝানো হয়েছে, যাদের জীবনে নুন-ভাতের সংস্থান করাই প্রধান চিন্তা।
প্রশ্ন ১০৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে মনসা দেবীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে ছিলেন?
উত্তর: C) চাঁদ সদাগর
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ মনসা দেবীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন চাঁদ সদাগর। চাঁদ সদাগর মনসার পূজা করতে অস্বীকার করায় মনসা তার উপর প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন।
প্রশ্ন ১০৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কার মুখের চুলের মতো ঘাসের কথা বলেছেন?
উত্তর: C) কিশোরীর (বা রূপসী নারীর)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় তিনি বাংলার নরম সবুজ ঘাসকে “কিশোরীর চুলের মতো” বা “রূপসীর চুলের বিন্যাসের” মতো স্নিগ্ধ ও সুন্দর বলেছেন।
প্রশ্ন ১০৬: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কোন কলমকে “স্টাইলাস” বলেছেন?
উত্তর: B) ব্রোঞ্জের শলাকা
বিস্তারিত উত্তর: শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন যে, প্রাচীনকালে লেখার জন্য যে ব্রোঞ্জের শলাকা ব্যবহৃত হত, তাকে “স্টাইলাস” বলা হত।
প্রশ্ন ১০৭: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ”—কেন?
উত্তর: B) আফ্রিকা ঘন অরণ্যে আবৃত ছিল বলে
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় বলা হয়েছে, আফ্রিকা যখন “বাষ্পাকুল অরণ্যপথে” নিজেকে ঢেকে রেখেছিল, তখন তার “মানবরূপ” অর্থাৎ তার নিজস্ব সভ্যতা ও সংস্কৃতি বাইরের জগতের কাছে অপরিচিত ছিল।
প্রশ্ন ১০৮: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের কাছে কীসের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন?
উত্তর: B) তার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন কারণ লেখক নিয়মিত তার খোঁজখবর নিতেন এবং তার সঙ্গে কথা বলতেন, যা বৃদ্ধার একাকী জীবনে কিছুটা সঙ্গ দিত।
প্রশ্ন ১০৯: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল?
উত্তর: C) সন্ধ্যাতারা
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা প্রথম গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ নামক একটি ছোটদের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ১১০: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কোন রূপ দেখে মুগ্ধ ও ভীত হয়েছিল?
উত্তর: B) বর্ষার ফুঁসে ওঠা ভয়ঙ্কর রূপ
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ বর্ষাকালে নদীর ফুঁসে ওঠা, ভয়ঙ্কর ও প্রমত্ত রূপ দেখে একইসঙ্গে মুগ্ধ ও ভীত হয়েছিল। এই রূপকেই সে নদীর বিদ্রোহ হিসেবে কল্পনা করেছিল।
প্রশ্ন ১১১: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মধ্যে কে বেশি একগুঁয়ে ছিল?
উত্তর: A) অমৃত
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত নতুন জামার জন্য বেশি একগুঁয়েমি বা জেদ করেছিল। ইসাব বরং বন্ধুর বিপদে তাকে সাহায্য করতে চেয়েছিল।
প্রশ্ন ১১২: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে সুন্দর”—কীভাবে?
উত্তর: B) কাল-ভয়ঙ্করের বেশে
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় বলা হয়েছে, সুন্দর আসছে “কাল-ভয়ঙ্করের বেশে”। অর্থাৎ, ধ্বংস ও প্রলয়ের ভয়ঙ্কর রূপের মধ্য দিয়েই নতুনের সুন্দর আগমন ঘটবে।
প্রশ্ন ১১৩: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিক অপূর্বকে কীসের ভয় কাটিয়ে উঠতে বলেছিলেন?
উত্তর: D) সাহেবদের (ইংরেজদের) ভয়
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক অপূর্বকে সাহেব বা ইংরেজদের প্রতি তার মনের মধ্যে থাকা অহেতুক ভয় কাটিয়ে আত্মমর্যাদা নিয়ে চলার উপদেশ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১১৪: ‘বহুরূপী’ গল্পে বিরাগী সেজে হরিদা কতদিন জগদীশবাবুর বাড়িতে ছিলেন?
উত্তর: C) সাতদিন
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে বিরাগী ছদ্মবেশে হরিদা জগদীশবাবুর বাড়িতে সাতদিন অবস্থান করেছিলেন।
প্রশ্ন ১১৫: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে পলাশীর যুদ্ধের সময় বাংলার নবাব কে ছিলেন?
উত্তর: C) সিরাজদ্দৌলা
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র এবং পলাশীর যুদ্ধের সময় বাংলার নবাব ছিলেন সিরাজদ্দৌলা।
প্রশ্ন ১১৬: ‘নুন’ কবিতায় “আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক”—এই দাবি কার কাছে?
উত্তর: D) (অনির্দিষ্ট) ভাগ্য বা ব্যবস্থার কাছে
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় এই দাবিটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে নয়, বরং সামগ্রিকভাবে ভাগ্য, সমাজ ব্যবস্থা বা নিয়তির কাছে করা হয়েছে। এটি তাদের ন্যূনতম বাঁচার অধিকারের এক্তি আর্তি।
প্রশ্ন ১১৭: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে মনসা দেবীর বাহন কী?
উত্তর: C) সাপ
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে মনসা দেবীর প্রধান পরিচিতি সর্পদেবী হিসেবে এবং তাঁর বাহন হিসেবেও সাপের উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ১১৮: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে কোন বিখ্যাত ব্যক্তির হাতের লেখার প্রশংসা করা হয়েছে?
উত্তর: D) উপরের সকলের
বিস্তারিত উত্তর: শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, স্বামী বিবেকানন্দ প্রমুখ বিখ্যাত ব্যক্তিদের সুন্দর হস্তাক্ষরের প্রশংসা করেছেন।
প্রশ্ন ১১৯: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন সময়ের আকাশের বর্ণনা দিয়েছেন?
উত্তর: C) সন্ধ্যার আকাশ
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি মূলত সন্ধ্যার আকাশের এবং সেই সময়ে বাংলার প্রকৃতির রূপ বর্ণনা করেছেন, যখন আকাশে একে একে সাতটি তারা ফুটে ওঠে।
প্রশ্ন ১২০: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামী বিবেকানন্দ কোন ঋতুতে হিমালয় ভ্রমণের কথা বলেছেন?
উত্তর: C) শরৎকাল (মূলত শরৎ ও হেমন্তের মাঝামাঝি সময়)
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ (পরিব্রাজক) থেকে যে অংশ পাঠ্য, সেখানে শরৎকালের স্নিগ্ধ আবহাওয়ায় হিমালয় ভ্রমণের মনোরম অভিজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ১২১: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে পোশাক পরিবর্তনের ঘটনাটি কোথায় ঘটেছিল?
উত্তর: B) গ্রামের রাস্তায়
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে পোশাক পরিবর্তনের ঘটনাটি হোলি খেলার পর গ্রামের একটি নির্জন রাস্তায় ঘটেছিল।
প্রশ্ন ১২২: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে”—’ওরা’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: C) ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় ‘ওরা’ বলতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি এবং দাস ব্যবসায়ীদের বোঝানো হয়েছে, যারা আফ্রিকায় শোষণ ও অত্যাচার চালিয়েছিল।
প্রশ্ন ১২৩: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “সব চূর্ণ হয়ে গেল, জ্বলে গেল আগুনে”—কী চূর্ণ হয়েছিল?
উত্তর: C) মন্দির, মূর্তি, স্বপ্ন, ভালোবাসা (সবকিছু)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের ভয়াবহ আগুনে বাড়িঘর, মন্দির, মূর্তি, মানুষের স্বপ্ন, ভালোবাসা অর্থাৎ জীবনের সমস্ত সুন্দর ও পবিত্র জিনিস চূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ১২৪: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: D) (গল্পে কুবেরের স্ত্রীর উল্লেখ নেই, উপন্যাসে আছে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পটি ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের একটি অংশ। মূল উপন্যাসে কুবেরের স্ত্রীর নাম মালা, কিন্তু ‘ইলিশ’ নামক ছোটগল্পাংশে তার উল্লেখ নাও থাকতে পারে। প্রশ্নের ফোকাস গল্পের উপর হলে এটি সঠিক।
প্রশ্ন ১২৫: ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধে লেখক কোন ইংরেজি শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ তৈরি করতে বলেছেন?
উত্তর: B) Oxygen (এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক শব্দ)
বিস্তারিত উত্তর: রাজশেখর বসু ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধে বিভিন্ন ইংরেজি বৈজ্ঞানিক শব্দের উপযুক্ত ও সহজবোধ্য বাংলা প্রতিশব্দ (পরিভাষা) তৈরি করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি শব্দের উদাহরণ তিনি দিয়েছেন।
প্রশ্ন ১২৬: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার বাড়ি কোথায় ছিল?
উত্তর: C) গ্রামের এক প্রান্তে, লেখকের ancestral বাড়ির কাছে
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার বাড়ি ছিল গ্রামের এক প্রান্তে, লেখকের পৈতৃক ভিটের কাছাকাছি একটি জীর্ণ কুটিরে।
প্রশ্ন ১২৭: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী”—কবিতাটির শেষ পংক্তিটি কীসের আহ্বান?
উত্তর: C) ক্ষমার
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতার শেষে কবি যুগান্তরের কবিকে আহ্বান জানিয়েছেন আফ্রিকার প্রতি করা অন্যায়ের জন্য “ক্ষমা করো” এই পুণ্যবাণী উচ্চারণ করতে।
প্রশ্ন ১২৮: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের মেসোমশাই কোন ধরনের লেখা লিখতেন?
উত্তর: C) গল্প ও উপন্যাস (অর্থাৎ কথাসাহিত্য)
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের মেসোমশাই ছিলেন একজন লেখক, যিনি গল্প ও উপন্যাস লিখতেন। তার লেখার সুবাদেই তপনের লেখা ছাপার সুযোগ হয়েছিল।
প্রশ্ন ১২৯: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কতক্ষণ নদীর তীরে বসে থাকত?
উত্তর: C) ঘণ্টার পর ঘণ্টা (নির্দিষ্ট সময় নেই)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর তীরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আনমনা হয়ে বসে থাকত। তার এই বসে থাকার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল না, নদীর প্রতি তার আকর্ষণ ছিল এমনই গভীর।
প্রশ্ন ১৩০: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের জামাটি কী রঙের ছিল?
উত্তর: C) নতুন কেনা হলদে রঙের (বা লাল রঙের, পাঠভেদে)
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামাটির রঙ ছিল হলদে (কিছু পাঠে লাল রঙের উল্লেখও থাকতে পারে)। হোলির দিনে খেলার সময় এই জামাটি ছিঁড়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ১৩১: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে সুন্দর! / … জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে”—এই প্রলয় কীসের জন্য?
উত্তর: B) নতুন সৃষ্টির পথ পরিষ্কার করার জন্য
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় এই প্রলয় বা ধ্বংসকে নতুন সৃষ্টির পূর্বশর্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। পুরাতন, জীর্ণ এবং অসুন্দরকে ধ্বংস করেই নতুনের সুন্দর আগমন সম্ভব।
প্রশ্ন ১৩২: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিককে পুলিশ প্রথম কোথায় সন্দেহ করে?
উত্তর: C) পুলিশ স্টেশনে জিজ্ঞাসাবাদের সময়
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে গিরিশ মহাপাত্র (সব্যসাচীর ছদ্মবেশ) তার অদ্ভুত আচরণ ও কথাবার্তার জন্য পুলিশ স্টেশনে নিমাইবাবুর জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রথম সন্দেহের মুখে পড়ে।
প্রশ্ন ১৩৩: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার আসল পরিচয় কী ছিল?
উত্তর: B) একজন গরিব, পেশাদার বহুরূপী
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা ছিলেন একজন গরিব, পেশাদার বহুরূপী, যিনি বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
প্রশ্ন ১৩৪: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের কোন সেনাপতি বিশ্বস্ততার পরিচয় দিয়েছিলেন?
উত্তর: C) মোহনলাল ও মীরমদন
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মোহনলাল ও মীরমদন ছিলেন নবাব সিরাজদ্দৌলার প্রতি অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং তারা পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পক্ষে সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১৩৫: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ইতিহাস নেই” কথাটির তাৎপর্য কী?
উত্তর: C) সাধারণ মানুষের জীবনকথা ইতিহাসে গুরুত্ব পায় না
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ইতিহাস নেই” কথাটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রচলিত ইতিহাসে রাজা-বাদশাহ বা ক্ষমতাশালীদের কথাই লেখা হয়, সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট, বেঁচে থাকার সংগ্রাম সেখানে উপেক্ষিত থাকে।
প্রশ্ন ১৩৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কোন নদীর তীরে বাস করত?
উত্তর: D) (নির্দিষ্ট নদীর নাম নেই, একটি সাধারণ নদী)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদীর কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করা হয়নি। এটি একটি সাধারণ নদীর প্রতীকী চিত্র, যার প্রতি নদেরচাঁদের গভীর আকর্ষণ ছিল।
প্রশ্ন ১৩৭: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে শেষবার কী খাওয়াতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: B) দুধ-ভাত (অথবা জমির টাটকা চালের ভাত ও অন্যান্য গ্রামীণ খাবার)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা শেষবার লেখককে নিজের জমানো দুধ দিয়ে ভাত এবং অন্যান্য গ্রামীণ খাবার অত্যন্ত স্নেহের সাথে খাওয়াতে চেয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১৩৮: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “অশুভ ধ্বনিতে দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা” কারা করেছিল?
উত্তর: C) ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীরা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীদের আগমনকে “অশুভ ধ্বনি” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা আফ্রিকার স্বাধীনতার দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা করেছিল।
প্রশ্ন ১৩৯: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের গল্পটি তার মেসোমশাই কোন যুক্তিতে পরিবর্তন করেছিলেন?
উত্তর: C) কাঁচা হাতের লেখা, তাই একটু কারেকশন দরকার
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের মেসোমশাই তার গল্পটি পরিবর্তন করার সময় যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে, এটি কাঁচা হাতের লেখা এবং অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে, তাই একটু “কারেকশন” করে দিলে ভালো হবে।
প্রশ্ন ১৪০: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত কোন কারণে তার নতুন জামাটি হারাতে বসেছিল?
উত্তর: B) হোলি খেলার সময় ছিঁড়ে গিয়েছিল
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত হোলি খেলার সময় অসাবধানতাবশত তার নতুন জামাটি ছিঁড়ে ফেলেছিল, যার জন্য সে মায়ের কাছে বকুনি খাওয়ার ভয়ে ছিল।
প্রশ্ন ১৪১: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ভেঙে আবার গড়তে জানে সে”—এই ‘সে’ কে?
উত্তর: C) চিরসুন্দর (মহাকাল বা ঈশ্বর)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চিরসুন্দর” বলতে মহাকাল বা সেই সৃজনী শক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুন ও সুন্দর জগৎ সৃষ্টি করেন।
প্রশ্ন ১৪২: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের মাতৃভাষা কী ছিল?
উত্তর: C) বাংলা
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপূর্ব কুমার রায় ছিলেন বাঙালি এবং তার মাতৃভাষা ছিল বাংলা।
প্রশ্ন ১৪৩: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার সপ্তাহে কত রোজগার হতো?
উত্তর: B) আট-দশ টাকার বেশি নয়
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে উল্লেখ আছে যে, হরিদার বহুরূপী সেজে সপ্তাহে রোজগার আট-দশ টাকার বেশি হতো না।
প্রশ্ন ১৪৪: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে কে সিরাজকে “বাংলার ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা” বলে সতর্ক করেছিলেন?
উত্তর: B) লুৎফুন্নিসা
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাবের বেগম লুৎফুন্নিসা সিরাজকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইংরেজ ও ষড়যন্ত্রকারীদের কার্যকলাপ সম্পর্কে সতর্ক করে “বাংলার ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা”র কথা বলেছিলেন।
প্রশ্ন ১৪৫: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের পায়ে হিমানীর বাঁধের কথা বলেছেন?
উত্তর: B) সাধারণ মানুষদের (‘আমাদের’)
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ মানুষদের (‘আমাদের’) পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ অর্থাৎ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার কথা বলেছেন।
প্রশ্ন ১৪৬: ‘নুন’ কবিতায় “কিন্তু পুঁতবো কোথায়?”—কী পোঁতার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: C) গোলাপচারা
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র মানুষরা যখন সামান্য পয়সা জমিয়ে একটি গোলাপচারা কেনে, তখন তাদের মনে প্রশ্ন জাগে যে এই সৌন্দর্যকে তারা কোথায় পুঁতবে, কারণ তাদের থাকার জায়গাই তো অপ্রতুল।
প্রশ্ন ১৪৭: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে লখিন্দরের পিতার নাম কী?
উত্তর: B) চাঁদ সদাগর
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ লখিন্দরের পিতা ছিলেন চম্পক নগরের ধনী ও প্রভাবশালী বণিক চাঁদ সদাগর।
প্রশ্ন ১৪৮: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কোন কলমকে সবচেয়ে দামি বলেছেন?
উত্তর: D) (দাম সম্পর্কে সরাসরি উক্তি নেই, তবে ফাউন্টেন পেনের আভিজাত্য বর্ণিত)
বিস্তারিত উত্তর: শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে বিভিন্ন মূল্যবান কলমের কথা উল্লেখ করলেও, কোনো একটিকে “সবচেয়ে দামি” বলে নির্দিষ্ট করেননি। তবে তিনি ফাউন্টেন পেনের ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের কথা বিশেষভাবে বলেছেন।
প্রশ্ন ১৪৯: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কার চুলের মতো বাংলার ঘাসের কথা বলেছেন?
উত্তর: C) কেশবতী কন্যার
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি বাংলার নরম সবুজ ঘাসকে “কেশবতী কন্যার চুলের মতো” স্নিগ্ধ ও সুন্দর বলেছেন, যা বাংলার প্রকৃতির প্রতি তার গভীর অনুরাগ প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ১৫০: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি হিমালয়কে কীসের আকর বলেছেন?
উত্তর: C) শান্তি ও পবিত্রতার
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়কে শান্তি, পবিত্রতা এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভের আকর বা উৎস হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রশ্ন ১৫১: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিসের জন্য প্রার্থনা করেছেন?
উত্তর: B) বাঙালির ঐক্য ও মঙ্গল
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে বাংলার মাটি, জল, বায়ু, ফল পবিত্র হওয়ার পাশাপাশি বাঙালির ঘর, হাট, মাঠ, বাঙালির পণ, বাঙালির আশা, বাঙালির কাজ এবং সর্বোপরি বাঙালির ঐক্য ও মঙ্গল কামনা করে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন।
প্রশ্ন ১৫২: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবের ইলিশ মাছ বিক্রি করে কী কিনেছিল?
উত্তর: B) চাল-ডাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে কুবের ইলিশ মাছ বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তার পরিবারের জন্য চাল-ডাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনেছিল।
প্রশ্ন ১৫৩: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে কী বলে ডাকতেন যা লেখকের খুব ভালো লাগত?
উত্তর: C) খোকা
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে অত্যন্ত স্নেহের সঙ্গে “খোকা” বলে ডাকতেন। এই ডাকটি লেখকের কাছে খুব আন্তরিক ও প্রিয় ছিল।
প্রশ্ন ১৫৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “এল মানুষ ধরার দল”—তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: B) আফ্রিকানদের দাস বানানো ও সম্পদ লুণ্ঠন
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “মানুষ ধরার দল” বলতে ইউরোপীয় দাস ব্যবসায়ী ও ঔপনিবেশিক শক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আফ্রিকানদের ধরে নিয়ে গিয়ে দাস বানানো এবং আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন করা।
প্রশ্ন ১৫৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন কোন বিষয়ে গল্প লিখেছিল?
উত্তর: B) তার প্রথম স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার প্রথম স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা এবং সেই দিনের অনুভূতি নিয়ে একটি গল্প লিখেছিল, যার নাম ছিল “প্রথম দিন”।
প্রশ্ন ১৫৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কোন আচরণে বিস্মিত হয়েছিল?
উত্তর: C) বর্ষায় নদীর ভয়ঙ্কর রুদ্ররূপ ও উন্মত্ততা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ বর্ষাকালে নদীর ফুঁসে ওঠা, ভয়ঙ্কর রুদ্ররূপ এবং তার বাঁধভাঙা উন্মত্ততা দেখে বিস্মিত ও এক ধরনের আচ্ছন্ন হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৫৭: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা কেন ইসাবের উপর রেগে গিয়েছিলেন?
উত্তর: B) অমৃতের নতুন জামাটি ইসাব নষ্ট করেছে ভেবে
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা প্রথমে ইসাবের ছেঁড়া জামা দেখে এবং অমৃতের নতুন জামা না দেখে ভুলবশত ভেবেছিলেন যে ইসাব অমৃতের নতুন জামাটি নষ্ট করেছে, তাই তিনি ইসাবের উপর রেগে গিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১৫৮: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কাদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন?
উত্তর: C) নবীন বিপ্লবী শক্তি ও প্রলয় সৃষ্টিকারীর
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি নবীন বিপ্লবী শক্তি এবং সেই প্রলয় বা ধ্বংসের দেবতা, যিনি নতুনের পথ প্রশস্ত করেন, তাঁদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন।
প্রশ্ন ১৫৯: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিক অপূর্বকে কোন বিষয়ে সচেতন করেছিলেন?
উত্তর: C) দেশের পরাধীনতা ও আত্মমর্যাদা সম্পর্কে
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক অপূর্বকে দেশের পরাধীনতা, ইংরেজদের শোষণ এবং ভারতীয়দের আত্মমর্যাদা সম্পর্কে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন।
প্রশ্ন ১৬০: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন রূপে সেজে আট আনা উপার্জন করেছিলেন?
উত্তর: C) পুলিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার পুলিশ সেজে স্কুলের ছেলেদের ভয় দেখিয়ে দয়ালবাবুর লিচুবাগান থেকে আট আনা উপার্জন করেছিলেন।
প্রশ্ন ১৬১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ওয়াটস কে ছিলেন?
উত্তর: C) কাশিমবাজার কুঠির ইংরেজ প্রতিনিধি
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ওয়াটস ছিলেন কাশিমবাজার কুঠির ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধি এবং নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি।
প্রশ্ন ১৬২: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর”—এই উপলব্ধির পর কবি কী করতে বলেছেন?
উত্তর: C) হাতে হাত ধরে আরো বেঁধে বেঁধে থাকতে
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় যখন কবি উপলব্ধি করেন যে সাধারণ মানুষের জন্য আর কোনো নিরাপদ পথ খোলা নেই, তখন তিনি পারস্পরিক একতা ও সংহতির উপর জোর দিয়ে “আয় আরো হাতে হাত রেখে / আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” এই আহ্বান জানান।
প্রশ্ন ১৬৩: ‘নুন’ কবিতায় কবি দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও কী চান?
উত্তর: C) সামান্য একটু আরাম ও আনন্দ (যেমন, গোলাপ চারা)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র মানুষরা তাদের অভাব-অনটনের মধ্যেও জীবনের সামান্য একটু আনন্দ, একটু সৌন্দর্য (যেমন গোলাপ চারা) কামনা করে, যদিও তা তাদের নাগালের বাইরে থাকে।
প্রশ্ন ১৬৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে কালনাগিনী কার নির্দেশে লখিন্দরকে দংশন করে?
উত্তর: C) মনসা দেবীর
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ দেবী মনসার নির্দেশে কালনাগিনী নামক সাপ লখিন্দরকে বাসরঘরে দংশন করে, কারণ চাঁদ সদাগর মনসার পূজা করতে অস্বীকার করেছিলেন।
প্রশ্ন ১৬৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন ফুল ফোটার কথা বলেছেন?
উত্তর: B) কামরাঙা-লাল মেঘ (উপমা) / D) জোনাকি (উপমা)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় সরাসরি ফুল ফোটার উল্লেখ প্রধান নয়, তবে তিনি “কামরাঙা-লাল মেঘ” এবং “জোনাকির” মতো উপমা ব্যবহার করেছেন, যা প্রকৃতির রঙের সমারোহ ও স্নিগ্ধ আলো ফুটিয়ে তোলে। প্রকৃত অর্থে, কবিতায় সন্ধ্যাকালীন আকাশের সাতটি তারার কথাই মুখ্য।
প্রশ্ন ১৬৬: ‘খেয়া’ কবিতায় “পারাপারের খেয়া” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: B) জীবন ও মৃত্যুর চক্র
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতায় “পারাপারের খেয়া” বলতে জীবনের জন্ম, কর্ম এবং মৃত্যুর অবিরাম চক্র বা প্রবাহকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ১৬৭: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কে দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল?
উত্তর: B) মেয়েটি (প্রেমিকা)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথক যখন যুদ্ধে যান, তখন তার প্রেমিকা মেয়েটি দরজায় দাঁড়িয়ে তার জন্য অপেক্ষা করছিল।
প্রশ্ন ১৬৮: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার নাতির মৃত্যুর কারণ কী ছিল?
উত্তর: C) সাপের কামড় (বৃদ্ধা উল্লেখ করেন যে তার নাতিকে ‘সর্পাঘাতে’ নিয়ে গিয়েছিল)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা উল্লেখ করেছিলেন যে তার একমাত্র নাতিকে সাপে কেটেছিল এবং সে মারা গিয়েছিল।
প্রশ্ন ১৬৯: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কারা “লোহার হাতকড়ি” নিয়ে এসেছিল?
উত্তর: C) ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “লোহার হাতকড়ি” নিয়ে এসেছিল ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি ও দাস ব্যবসায়ীরা, যারা আফ্রিকানদের বন্দী করে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছিল।
প্রশ্ন ১৭০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি পড়ার পর তার অনুভূতি কী হয়েছিল?
উত্তর: D) তার মনে হয়েছিল ছাপা গল্পটি তার নিজের নয়
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি তার মেসোমশাইয়ের দ্বারা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হওয়ার পর যখন ছাপা হয়, তখন তপনের মনে হয়েছিল সেটি আর তার নিজের লেখা নয়। এতে তার মনে গভীর দুঃখ ও হতাশা তৈরি হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৭১: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কীসের শব্দে জেগে উঠত?
উত্তর: B) ট্রেনের হুইসল
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ, যিনি একজন স্টেশন মাস্টার ছিলেন, প্রায়শই ট্রেনের হুইসেলের শব্দে জেগে উঠতেন বা সচকিত হতেন।
প্রশ্ন ১৭২: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের ক’টি ভাই ছিল?
উত্তর: C) তিনটি
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের তিনটি ভাই ছিল। এই কারণেই তার মা তাকে নতুন জামা নষ্ট করার জন্য বেশি বকাবকি করতেন।
প্রশ্ন ১৭৩: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে সুন্দর”—কীসের বেশে?
উত্তর: B) কাল-ভয়ঙ্করের
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় সুন্দর আসছে “কাল-ভয়ঙ্করের বেশে”। অর্থাৎ, ধ্বংসের ভয়ঙ্কর রূপের মধ্য দিয়েই নতুনের সুন্দর আগমন ঘটবে।
প্রশ্ন ১৭৪: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বকে পুলিশ কোন অভিযোগে আটক করেছিল?
উত্তর: B) রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সন্দেহে
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বকে ব্রিটিশ পুলিশ বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।
প্রশ্ন ১৭৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য ছদ্মবেশ কোনটি ছিল?
উত্তর: D) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার বিরাগী (সন্ন্যাসী) ছদ্মবেশটি ছিল সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য। তার সেই রূপ দেখে জগদীশবাবু সহ সকলেই তাকে সত্যিকারের সাধু ভেবেছিলেন।
প্রশ্ন ১৭৬: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ইংরেজদের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: B) ক্লাইভ
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে পলাশীর যুদ্ধের সময় ইংরেজদের প্রধান সেনাপতি ছিলেন রবার্ট ক্লাইভ।
প্রশ্ন ১৭৭: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ডানে ধস / আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ”—এই পংক্তি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: C) চারিদিকে বিপদ ও প্রতিকূলতা
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় এই পংক্তি দ্বারা কবি সমকালীন জীবনের চরম বিপদ, প্রতিকূলতা এবং অনিশ্চয়তাকে বুঝিয়েছেন, যেখানে সাধারণ মানুষের অস্তিত্ব সংকটাপন্ন।
প্রশ্ন ১৭৮: ‘নুন’ কবিতায় “আমি তার মাথায় চড়ি”—এখানে ‘তার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: D) রাগ
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় “রাগ চড়ে মাথায় আমার, আমি তার মাথায় চড়ি”—এই উক্তি দ্বারা কথকের তীব্র ক্রোধ বা রাগের বহিঃপ্রকাশ বোঝানো হয়েছে, যা অভাব ও বঞ্চনার ফলে সৃষ্ট।
প্রশ্ন ১৭৯: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা কার কাছে লখিন্দরের প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন?
উত্তর: C) ইন্দ্র ও অন্যান্য দেবতাদের কাছে
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলা তার নৃত্যগীত ও পতিভক্তির দ্বারা স্বর্গের দেবতাদের (বিশেষত ইন্দ্রকে) সন্তুষ্ট করে লখিন্দরের প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১৮০: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোনটিকে “বাংলার প্রাণ” বলেছেন?
উত্তর: C) সন্ধ্যার শান্ত রূপ (এবং আকাশের তারা)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি বাংলার সন্ধ্যার শান্ত, স্নিগ্ধ রূপ এবং আকাশে ফুটে ওঠা সাতটি তারাকে বাংলার প্রাণের সঙ্গে একাত্ম করে দেখেছেন। এই সামগ্রিক চিত্রটিই বাংলার প্রাণের প্রতিচ্ছবি।
প্রশ্ন ১৮১: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি হিমালয়ের কোন স্থানকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তার সাধনার জন্য?
উত্তর: C) মায়াবতী আশ্রম বা অদ্বৈত আশ্রম
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দ ‘পরিব্রাজক’ গ্রন্থে এবং অন্যান্য রচনায় মায়াবতীর অদ্বৈত আশ্রমের কথা উল্লেখ করেছেন, যা হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এবং তার আধ্যাত্মিক সাধনা ও অনুধ্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল।
প্রশ্ন ১৮২: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে কোন অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: C) রাখিবন্ধন
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রাখিবন্ধন উৎসবের দিনে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করার উদ্দেশ্যে রচনা ও প্রচার করেছিলেন।
প্রশ্ন ১৮৩: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের প্রধান জীবিকা কী ছিল?
উত্তর: B) নৌকা চালানো ও মাছ ধরা (জেলে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে এবং ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসে কুবেরের প্রধান জীবিকা ছিল পদ্মা নদীতে নৌকা চালানো এবং মাছ ধরা।
প্রশ্ন ১৮৪: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের কাছে কীসের আবদার করতেন?
উত্তর: C) গল্প শোনার বা তার সঙ্গে কথা বলার
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের কাছে মূলত সঙ্গ ও স্নেহ কামনা করতেন। তিনি লেখকের সাথে কথা বলতে, তার জীবনের গল্প শুনতে এবং নিজের একাকীত্ব দূর করতে চাইতেন।
প্রশ্ন ১৮৫: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ / উপেক্ষার আবিল দৃষ্টিতে”—এখানে ‘উপেক্ষা’ কারা করেছিল?
উত্তর: C) তথাকথিত সভ্য জগৎ (ইউরোপীয় শক্তি)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় তথাকথিত সভ্য জগৎ বা ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি আফ্রিকাকে উপেক্ষা করেছিল এবং তার প্রকৃত মানবরূপকে (সংস্কৃতি, ঐতিহ্য) অবজ্ঞার চোখে দেখেছিল।
প্রশ্ন ১৮৬: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ছাপানোর পর কে সবচেয়ে বেশি উল্লাস প্রকাশ করেছিল?
উত্তর: C) তপনের ছোটমাসি
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপানোর পর তার ছোটমাসি সবচেয়ে বেশি আনন্দ ও উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন এবং সকলকে ডেকে ডেকে দেখিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ১৮৭: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর তীরে কতক্ষণ বসে থাকতে পারত?
উত্তর: C) ঘণ্টার পর ঘণ্টা, সময়ের হিসেব থাকত না
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর তীরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আনমনা হয়ে বসে থাকতে পারত, তার সময়ের কোনো হিসেব থাকত না। নদীর প্রতি তার আকর্ষণ ছিল এমনই গভীর।
প্রশ্ন ১৮৮: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে কে জামা অদল বদল করার প্রস্তাব দিয়েছিল?
উত্তর: B) ইসাব
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় সে যখন মায়ের বকুনির ভয়ে ছিল, তখন তার বন্ধু ইসাব তাকে বাঁচানোর জন্য নিজেদের জামা অদল বদল করার প্রস্তাব দিয়েছিল।
প্রশ্ন ১৮৯: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN হাসে ভয়ঙ্কর”—কে হাসে?
উত্তর: C) মহাকাল (ধ্বংসের মধ্যে নতুনের হাসি)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN হাসে ভয়ঙ্কর” বলতে মহাকাল বা সেই প্রলয়ঙ্করী শক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি ধ্বংসের ভয়ঙ্কর রূপের আড়ালে নতুন সৃষ্টির আনন্দে হাসেন।
প্রশ্ন ১৯০: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব কোন ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল?
উত্তর: C) খ্রিস্টধর্ম (ভারতীর প্রভাবে)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতীর সাহচর্যে এবং তার মানবিক গুণাবলির প্রভাবে অপূর্ব খ্রিস্টধর্মের প্রতি কিছুটা আকৃষ্ট হয়েছিল, বিশেষত তার সেবা ও ভালোবাসার আদর্শের প্রতি।
প্রশ্ন ১৯১: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার আড্ডার স্থান কোথায় ছিল?
উত্তর: A) চায়ের দোকানে
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা এবং তার বন্ধুরা সাধারণত সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে আড্ডা জমাতেন।
প্রশ্ন ১৯২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের কোন আত্মীয় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল?
উত্তর: C) ঘসেটি বেগম
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের মাসি ঘসেটি বেগম নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন এবং ইংরেজদের সহযোগিতা করেছিলেন।
প্রশ্ন ১৯৩: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ইতিহাস নেই”—এই কথাটি কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উত্তর: C) সাধারণ, নিপীড়িত মানুষের
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ, নিপীড়িত, প্রান্তিক মানুষদের কথা বলেছেন, যাদের দুঃখ-দুর্দশা ও জীবন-সংগ্রামের কথা প্রচলিত ইতিহাসে তেমনভাবে স্থান পায় না।
প্রশ্ন ১৯৪: ‘নুন’ কবিতায় কথকের বাড়িতে মাঝে মাঝে কী হয় না?
উত্তর: A) রান্না (অর্থাৎ, ভাতের অভাব হয়)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র জীবনের চিত্র আঁকতে গিয়ে বলা হয়েছে, “মাঝে মাঝে চলেও না দিন”—অর্থাৎ, এমনও দিন যায় যখন তাদের বাড়িতে রান্না হয় না, ভাতের সংস্থান হয় না।
প্রশ্ন ১৯৫: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে মনসা দেবীর ক্রোধের কারণ কী ছিল?
উত্তর: B) চাঁদ সদাগরের মনসা-বিদ্বেষ ও পূজা না করা
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ দেবী মনসার ক্রোধের মূল কারণ ছিল চাঁদ সদাগরের তীব্র মনসা-বিদ্বেষ এবং তার পূজা করতে অস্বীকার করা।
প্রশ্ন ১৯৬: ‘খেয়া’ কবিতায় “খেয়ানৌকা পারাপার করে নদীস্রোতে”—এই নদীস্রোত কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) সময়ের অনন্ত প্রবাহ
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতায় নদীস্রোত সময়ের অনন্ত, নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহের প্রতীক। এই সময়ের স্রোতেই জীবনতরী ভেসে চলে।
প্রশ্ন ১৯৭: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের ফলে কী অবশিষ্ট ছিল না?
উত্তর: C) শান্ত হলুদ দেবতারা, মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা (সবকিছুই ধ্বংসপ্রাপ্ত)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসলীলায় শান্ত হলুদ দেবতারা, মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, গোলাপি গাছ, চিমনি, জলতরঙ্গ—অর্থাৎ জীবনের সমস্ত সুন্দর ও স্মৃতিবিজড়িত জিনিসই চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ১৯৮: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক বৃদ্ধার জন্য কী নিয়ে যেতেন?
উত্তর: C) ঔষধপত্র ও মাঝে মাঝে খাবার
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক বৃদ্ধার খোঁজখবর নিতেন এবং তার অসুস্থতার সময় ঔষধপত্র এবং মাঝে মাঝে তার জন্য খাবার নিয়ে যেতেন, যা তাদের মধ্যেকার মানবিক সম্পর্ককে দৃঢ় করেছিল।
প্রশ্ন ১৯৯: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “বিদ্রূপ করছিলে ভীষণকে”—কিসের দ্বারা?
উত্তর: C) বিরূপের ছদ্মবেশে (তার অরণ্য-প্রকৃতির দ্বারা)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় বলা হয়েছে, আফ্রিকা তার আদিম, অরণ্যময় ও দুর্গম প্রকৃতির (“বিরূপের ছদ্মবেশে”) দ্বারা যেন প্রকৃতির ভয়ঙ্কর বা ভীষণ শক্তিকে বিদ্রূপ করছিল।
প্রশ্ন ২০০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের গল্প লেখার মূল অনুপ্রেরণা কে ছিলেন?
উত্তর: D) তার নতুন মেসোমশাই (একজন লেখক)
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই, যিনি একজন লেখক ছিলেন, তিনিই ছিলেন তপনের গল্প লেখার মূল অনুপ্রেরণা। মেসোমশাইকে দেখে তার মনে হয়েছিল লেখক হওয়া খুব কঠিন কাজ নয়।
প্রশ্ন ২০১: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ শেষ পর্যন্ত কীসের ধাক্কায় মারা যায়?
উত্তর: C) মালগাড়ির ধাক্কায়
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর ভয়ঙ্কর রূপ দেখতে গিয়ে রেললাইনের উপর আনমনা হয়ে থাকাকালীন একটি মালগাড়ির ধাক্কায় মারা যায়।
প্রশ্ন ২০২: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে কোন বিষয়ে মিল ছিল না?
উত্তর: C) ধর্ম
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ছিল হিন্দু এবং ইসাব ছিল মুসলিম। তাদের বয়স, গায়ের জোর এবং বন্ধুত্বের মধ্যে মিল থাকলেও ধর্মের দিক থেকে তারা ভিন্ন ছিল।
প্রশ্ন ২০৩: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে কালবৈশাখী”—এই কালবৈশাখী কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) পুরাতনকে ধ্বংসকারী বিপ্লবী শক্তি
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কালবৈশাখী ঝড় পুরাতন, জীর্ণ ও अन्यायপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংসকারী বিপ্লবী শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন ২০৪: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সঙ্গে কে ব্রহ্মদেশে (বার্মা) গিয়েছিল?
উত্তর: D) রামদাস তলোয়ারকর (কিছু সময়ের জন্য)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব চাকরির সূত্রে ব্রহ্মদেশে (বার্মা) গিয়েছিল। সেখানে তার সঙ্গে রামদাস তলোয়ারকরের পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়, যিনিও সেখানে ছিলেন।
প্রশ্ন ২০৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা জগদীশবাবুকে কী উপদেশ দিয়েছিলেন?
উত্তর: C) প্রকৃত সন্ন্যাসীর ধর্ম ও নির্লিপ্ততা সম্পর্কে
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী (সন্ন্যাসী) সেজে জগদীশবাবুকে প্রকৃত সন্ন্যাসীর ধর্ম, নির্লিপ্ততা, বৈরাগ্য এবং জাগতিক মোহ ত্যাগের বিষয়ে উপদেশ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ২০৬: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে কে সিরাজকে “নবাব না রাখাল” বলে ব্যঙ্গ করেছিল?
উত্তর: C) ঘসেটি বেগম
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের মাসি ঘসেটি বেগম নবাবের তরুণ বয়স ও অনভিজ্ঞতাকে কটাক্ষ করে তাকে “নবাব না রাখাল” বা এই জাতীয় ব্যঙ্গাত্মক উক্তি করেছিলেন।
প্রশ্ন ২০৭: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ” বলেছেন?
উত্তর: C) সাধারণ, নিপীড়িত মানুষদের
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ, নিপীড়িত মানুষদের পায়ে পায়ে “হিমানীর বাঁধ” অর্থাৎ বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতার কথা বলেছেন, যা তাদের জীবনকে স্থবির করে দেয়।
প্রশ্ন ২০৮: ‘নুন’ কবিতায় “হোক না অনেক দেরি”—কিসের জন্য দেরি হলেও ক্ষতি নেই?
উত্তর: C) সামান্য একটু ভালোমন্দ খাওয়ার
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র মানুষরা তাদের অভাবের জীবনে সামান্য একটু ভালোমন্দ খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতেও রাজি, যদিও তাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। এটি তাদের অপ্রাপ্তি ও আকাঙ্ক্ষার চিত্র তুলে ধরে।
প্রশ্ন ২০৯: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে চাঁদ সদাগর কোন দেবতার ভক্ত ছিলেন?
উত্তর: B) শিব
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ চাঁদ সদাগর ছিলেন দেবাদিদেব মহাদেবের (শিব) একনিষ্ঠ ভক্ত। এই কারণেই তিনি অন্য কোনো দেব-দেবীর, বিশেষত মনসার পূজা করতে চাইতেন না।
প্রশ্ন ২১০: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন ঋতুতে বাংলার প্রকৃতির বর্ণনা দিয়েছেন?
উত্তর: D) হেমন্ত
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি হেমন্ত ঋতুর শান্ত, স্নিগ্ধ এবং বিষণ্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। এই ঋতুর বাংলার রূপ তাঁর লেখায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
প্রশ্ন ২১১: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামী বিবেকানন্দ হিমালয়ের কোন দিকটিকে বিশেষভাবে উপলব্ধি করেছেন?
উত্তর: C) তার আধ্যাত্মিক বিশালতা ও শান্তির আকর
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার আধ্যাত্মিক বিশালতা, পবিত্রতা এবং শান্তির আকর হিসেবে হিমালয়কে উপলব্ধি করেছেন।
প্রশ্ন ২১২: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
উত্তর: C) ভাণ্ডার
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি প্রথম ‘ভাণ্ডার’ পত্রিকায় (আশ্বিন, ১৩১২ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ২১৩: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবের তার ধরা ইলিশ কোথায় বিক্রি করতে নিয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: C) মহাজনের কাছে (বা চালানদারের মাধ্যমে বাজারে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে জেলেরা সাধারণত তাদের ধরা মাছ মহাজন বা চালানদারের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করত। কুবেরও সেই প্রথাই অনুসরণ করত।
প্রশ্ন ২১৪: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার মৃত্যুতে লেখকের মনে কোন অনুভূতি প্রবল হয়েছিল?
উত্তর: C) গভীর বেদনা ও আত্মীয় হারানোর শূন্যতা
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার মৃত্যুতে লেখকের মনে গভীর বেদনা, শূন্যতা এবং একজন নিকট আত্মীয় হারানোর অনুভূতি প্রবল হয়েছিল।
প্রশ্ন ২১৫: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়”—এই পাহারা কিসের?
উত্তর: B) আদিম অরণ্য প্রকৃতির দুর্ভেদ্যতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় বনস্পতির নিবিড় পাহারা বলতে আফ্রিকার আদিম, দুর্ভেদ্য অরণ্য প্রকৃতিকে বোঝানো হয়েছে, যা তাকে বাইরের জগৎ থেকে আড়াল করে রেখেছিল।
প্রশ্ন ২১৬: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার লেখা গল্পটি প্রথম কাকে শুনিয়েছিল?
উত্তর: C) ছোটমাসি
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার লেখা প্রথম গল্পটি তার ছোটমাসিকে শুনিয়েছিল। ছোটমাসিই গল্পটি নিয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেন।
প্রশ্ন ২১৭: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কাছে কীসের কৈফিয়ত চেয়েছিল?
উত্তর: C) কেন সে এমনভাবে মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙছে (তার ধ্বংসাত্মক রূপের কারণ)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর ভয়াল রুদ্ররূপ দেখে তার কাছে কৈফিয়ত চেয়েছিল, কেন সে এমনভাবে মানুষের ঘরবাড়ি, বাঁধ ভেঙে তাদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে।
প্রশ্ন ২১৮: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মধ্যে কে বেশি শান্ত প্রকৃতির ছিল?
উত্তর: B) ইসাব
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব চরিত্রটি অমৃতের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি শান্ত, ধীরস্থির এবং বিচক্ষণ প্রকৃতির ছিল।
প্রশ্ন ২১৯: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN নূতনের কেতন ওড়ে”—এই কেতন কিসের?
উত্তর: B) বিপ্লবের ও নবযুগের
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “নূতনের কেতন” বলতে বিপ্লবের পতাকা এবং নবযুগের আগমনী বার্তাকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ২২০: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে নিমাইবাবু কোন পদে চাকরি করতেন?
উত্তর: C) পুলিশ ইন্সপেক্টর
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে নিমাইবাবু ছিলেন রেঙ্গুন পুলিশের একজন বাঙালি পুলিশ ইন্সপেক্টর।
প্রশ্ন ২২১: ‘বহুরূপী’ গল্পে জগদীশবাবু হরিদার কোন রূপে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন?
উত্তর: D) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে জগদীশবাবু হরিদার বিরাগী (সন্ন্যাসী) রূপে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন এবং তাকে প্রকৃত সাধু ভেবেছিলেন।
প্রশ্ন ২২২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: D) জগৎশেঠের বাড়ি
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল ধনী মহাজন জগৎশেঠের বাড়ি, যেখানে মীরজাফর, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ এবং ইংরেজ প্রতিনিধিরা মিলিত হতেন।
প্রশ্ন ২২৩: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “ডান পাশে ধস” এবং “বাঁয়ে গিরিখাত” দেখেছেন?
উত্তর: B) ‘আমাদের’ (সাধারণ মানুষদের)
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ মানুষদের (“আমাদের”) চারিদিকে বিপদ (“ডান পাশে ধস”, “বাঁয়ে গিরিখাত”) এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি দেখেছেন।
প্রশ্ন ২২৪: ‘নুন’ কবিতায় কথকদের “শুকনো ভাতে” কীসের অভাব?
উত্তর: C) লবণের
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র কথকদের “শুকনো ভাতে” সামান্য লবণেরও অভাব, যা তাদের চরম দারিদ্র্যকে নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ২২৫: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা লখিন্দরের মৃতদেহ নিয়ে কোথায় যাত্রা করেছিলেন?
উত্তর: B) স্বর্গে (দেবতাদের কাছে)
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলা তার মৃত স্বামী লখিন্দরের দেহ ভেলায় নিয়ে স্বর্গে দেবতাদের কাছে যাত্রা করেছিলেন, স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনার আশায়।
প্রশ্ন ২২৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি হিমালয়ের কোন রূপের কথা বলেছেন?
উত্তর: B) শান্ত, স্নিগ্ধ ও মহিমময়
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের শান্ত, স্নিগ্ধ, পবিত্র এবং মহিমময় রূপের কথা বলেছেন, যা আধ্যাত্মিক চেতনার উন্মেষ ঘটায়।
প্রশ্ন ২২৭: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি কোন ঋতুতে গাওয়া হয়েছিল?
উত্তর: B) শরৎ (রাখিপূর্ণিমার দিনে)
বিস্তারিত উত্তর: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর (৩০শে আশ্বিন, ১৩১২ বঙ্গাব্দ), বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হওয়ার দিনে রাখিপূর্ণিমা উপলক্ষে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রতীক হিসেবে গাওয়া হয়েছিল। এটি শরৎকালের ঘটনা।
প্রশ্ন ২২৮: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের সঙ্গী গণেশ ইলিশ মাছ ধরার সময় কী করছিল?
উত্তর: C) হাল ধরেছিল
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে ইলিশ মাছ ধরার সময় কুবের যখন জাল গোটাচ্ছিল, তখন তার সঙ্গী গণেশ নৌকার হাল ধরেছিল।
প্রশ্ন ২২৯: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক কত বছর পর প্রথম গ্রামে ফিরেছিলেন?
উত্তর: B) দশ-বারো বছর
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক দশ-বারো বছর পর প্রথম তার পৈতৃক গ্রামে ফিরেছিলেন।
প্রশ্ন ২৩০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে”—এই ‘মানহারা মানবী’ কে?
উত্তর: C) আফ্রিকা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় ‘মানহারা মানবী’ বলতে ঔপনিবেশিক শোষণ ও অত্যাচারে জর্জরিত আফ্রিকা মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ২৩১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের ছোটমাসি তপনের লেখা সম্পর্কে কী বলেছিলেন?
উত্তর: D) এ তো বেশ লিখেছিস রে!
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি পড়ে তার ছোটমাসি উৎসাহব্যঞ্জকভাবে বলেছিলেন, “ওমা, এ তো বেশ লিখেছিস রে!”
প্রশ্ন ২৩২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কোন রূপকে “পাগলাটে” মনে করত?
উত্তর: B) বর্ষার উত্তাল, ভয়ঙ্কর রূপ
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর বর্ষার উত্তাল, ভয়ঙ্কর এবং বাঁধভাঙা রূপকে “পাগলাটে” বলে মনে করত এবং এই রূপের প্রতি তার এক ধরনের আকর্ষণ ও ভয় মিশ্রিত অনুভূতি ছিল।
প্রশ্ন ২৩৩: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের নতুন জামা কোন উৎসব উপলক্ষে কেনা হয়েছিল?
উত্তর: C) হোলি
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের নতুন জামা হোলি উৎসব উপলক্ষে কেনা হয়েছিল।
প্রশ্ন ২৩৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কাদের “মাভৈঃ মাভৈঃ” ধ্বনি দিতে বলেছেন?
উত্তর: C) জগৎবাসীকে (অভয়বাণী)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি প্রলয় বা ধ্বংসের আগমনে জগৎবাসীকে ভয় না পেয়ে “মাভৈঃ মাভৈঃ” অর্থাৎ “ভয় নেই, ভয় নেই” এই অভয়বাণী উচ্চারণ করতে বলেছেন।
প্রশ্ন ২৩৫: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহযাত্রী ‘গিরিশ মহাপাত্রের’ সঙ্গে কী ছিল যা পুলিশের সন্দেহ উদ্রেক করে?
উত্তর: B) একটি গাঁজার কলিকা
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে গিরিশ মহাপাত্রের (সব্যসাচীর ছদ্মবেশ) অদ্ভুত পোশাক এবং তার কাছে থাকা একটি গাঁজার কলিকা পুলিশের সন্দেহ উদ্রেক করেছিল।
প্রশ্ন ২৩৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন দিন বহুরূপী সেজে বেরোতেন?
উত্তর: C) সপ্তাহে বড়জোর একটা দিন
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে উল্লেখ আছে যে হরিদা সপ্তাহে বড়জোর একটা দিন বহুরূপী সেজে বেরোতেন, যা তার আয়ের স্বল্পতার একটি কারণ ছিল।
প্রশ্ন ২৩৭: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে রবার্ট ক্লাইভ কোন কোম্পানির সেনাপতি ছিলেন?
উত্তর: B) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে রবার্ট ক্লাইভ ছিলেন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান সেনাপতি এবং পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ২৩৮: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কেন ইতিহাসকে অবিশ্বাস করতে বলেছেন?
উত্তর: B) প্রচলিত ইতিহাসে সাধারণ মানুষের কথা নেই বলে
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি প্রচলিত ইতিহাসকে অবিশ্বাস করতে বলেছেন কারণ সেই ইতিহাসে সাধারণ, প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম, তাদের দুঃখ-কষ্ট ও অস্তিত্বের কথা তেমনভাবে স্থান পায় না; সেখানে মূলত শাসক ও ক্ষমতাবানদের জয়গান থাকে।
প্রশ্ন ২৩৯: ‘নুন’ কবিতায় “সে অনেক পরের কথা”—কোন কথা?
উত্তর: B) গোলাপ চারা পোঁতার কথা
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় যখন দরিদ্র মানুষরা একটি গোলাপ চারা কেনে, তখন তাদের মনে প্রশ্ন জাগে যে এই সৌন্দর্যকে তারা কোথায় পুঁতবে, কারণ তাদের থাকার জায়গাই তো নেই। এই গোলাপ চারা পোঁতা বা সৌন্দর্য উপভোগ করার বিষয়টি তাদের কাছে “অনেক পরের কথা” বা বিলাসিতা।
প্রশ্ন ২৪০: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে লখিন্দরের সর্পদংশনের পর বেহুলার প্রথম প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তর: C) স্বামীর মৃতদেহ নিয়ে ভেলায় ভাসা
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ লখিন্দরের সর্পদংশনে মৃত্যুর পর বেহুলা শোকাহত হলেও ভেঙে না পড়ে, স্বামীর মৃতদেহ নিয়ে ভেলায় ভেসে দেবতাদের কাছে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেন।
প্রশ্ন ২৪১: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে লেখক কোন উপত্যকার সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন?
উত্তর: C) অলকানন্দা উপত্যকা (এবং তার চারপাশের মনোরম দৃশ্য)
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ (পরিব্রাজক গ্রন্থের অংশ) প্রবন্ধে তিনি অলকানন্দা নদী এবং তার উপত্যকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, দেবদারু বন, তুষারাবৃত শৃঙ্গ এবং সেখানকার শান্ত, পবিত্র পরিবেশের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।
প্রশ্ন ২৪২: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে “বাঙালির পণ, বাঙালির আশা”—এই ‘পণ’ কী?
উত্তর: B) ঐক্যবদ্ধ থাকা ও দেশকে ভালোবাসা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে “বাঙালির পণ” বলতে বাঙালির সংকল্প বা প্রতিজ্ঞাকে বোঝানো হয়েছে, যা হলো ঐক্যবদ্ধ থাকা, দেশকে ভালোবাসা এবং দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করা।
প্রশ্ন ২৪৩: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবের কার কাছ থেকে দাদন (অগ্রিম টাকা) নিত?
উত্তর: B) মহাজন বা চালানদার
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে এবং ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসে কুবেরের মতো জেলেরা মাছ ধরার সরঞ্জাম ও অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য মহাজন বা চালানদারদের কাছ থেকে দাদন বা অগ্রিম টাকা নিত এবং পরে মাছ দিয়ে সেই ঋণ শোধ করত।
প্রশ্ন ২৪৪: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে কী বলে আশীর্বাদ করতেন?
উত্তর: B) “সুখে থাকো, দীর্ঘজীবী হও”
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে আন্তরিকভাবে “সুখে থাকো বাবা, দীর্ঘজীবী হও” এই ধরনের আশীর্বাদ করতেন, যা তার অকৃত্রিম স্নেহের পরিচয়।
প্রশ্ন ২৪৫: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তর: C) সৃষ্টিকর্তার এক আদিম সৃষ্টি, যাকে তিনি পৃথক করে রেখেছিলেন
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকাকে সৃষ্টিকর্তার এক আদিম সৃষ্টি হিসেবে কল্পনা করেছেন, যাকে তিনি অন্যান্য মহাদেশ থেকে পৃথক করে “বনস্পতির নিবিড় পাহারায়” গোপন রেখেছিলেন।
প্রশ্ন ২৪৬: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটির নাম কী?
উত্তর: C) প্রথম দিন
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা প্রথম গল্পের নাম ছিল ‘প্রথম দিন’।
প্রশ্ন ২৪৭: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কোন নদীর তীরে তার স্টেশন মাস্টারের চাকরি করত?
উত্তর: C) (নির্দিষ্ট নদীর নাম উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে যে নদীর তীরে নদেরচাঁদের স্টেশন ছিল, তার কোনো নির্দিষ্ট নাম গল্পে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রশ্ন ২৪৮: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা কোন দেবতার কাছে মানত করেছিলেন?
উত্তর: C) (নির্দিষ্ট দেবতার উল্লেখ নেই, তবে হিন্দু দেবদেবীর কাছে)
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা তার ছেলের জন্য যে নতুন জামা কিনেছিলেন, সেটি অক্ষত থাকার জন্য বা ছেলের মঙ্গলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট দেবতার নাম উল্লেখ করে মানত করার কথা বলা হয়নি, তবে তিনি সাধারণভাবে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।
প্রশ্ন ২৪৯: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কাদের “অন্ধ কূপ হতে” তুলে আনতে বলেছেন?
উত্তর: C) বন্দিনী দেশের মানুষকে (পরাধীনতার অন্ধকার থেকে)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি বিপ্লবী শক্তিকে আহ্বান জানিয়েছেন “অন্ধ কূপ হতে” অর্থাৎ পরাধীনতার অন্ধকার কূপ থেকে বন্দিনী দেশের মানুষকে (মাতৃভূমিকে) মুক্ত করে আনতে।
প্রশ্ন ২৫০: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের কোন সহকর্মী তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে চেয়েছিল?
উত্তর: D) (গল্পে এমন সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে তেওয়ারি কিছুটা সন্দেহপ্রবণ ছিল) / C) জগদীশবাবু (নিমাইবাবুর অধীনস্থ)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহকর্মী তেওয়ারি তার প্রতি কিছুটা সন্দেহপ্রবণ ছিল এবং নিমাইবাবুর অধীনস্থ পুলিশ কর্মচারী জগদীশবাবু অপূর্বকে নানাভাবে জেরা ও হেনস্থা করেছিলেন। সরাসরি “ধরিয়ে দিতে চেয়েছিল” এমন উক্তি না থাকলেও তাদের আচরণ ছিল প্রতিকূল।
প্রশ্ন ২৫১: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা জগদীশবাবুর বাড়িতে কীসের আশায় গিয়েছিলেন?
উত্তর: C) মোটা অঙ্কের বকশিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী সেজে জগদীশবাবুর বাড়িতে গিয়েছিলেন এই আশায় যে, তার অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়ে জগদীশবাবু তাকে মোটা অঙ্কের বকশিশ বা প্রণামী দেবেন।
প্রশ্ন ২৫২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের কোন উক্তি তার অসহায়তা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে?
উত্তর: D) “আমার এই অক্ষমতার জন্য তোমরা আমাকে ক্ষমা কোরো।”
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাব সিরাজদ্দৌলা যখন তার বিশ্বস্ত সেনাপতিদের বিশ্বাসঘাতকতা এবং আসন্ন পরাজয় উপলব্ধি করেন, তখন তিনি তার অক্ষমতা ও অসহায়তার জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে এই ধরনের উক্তি করেন। (বিকল্প A লুৎফুন্নিসার উক্তি)।
প্রশ্ন ২৫৩: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “ডান পাশে ধস” এবং “বাঁয়ে গিরিখাত” দেখতে পাচ্ছেন?
উত্তর: B) ‘আমাদের’ (সাধারণ, বিপন্ন মানুষ)
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ, বিপন্ন মানুষদের (“আমাদের”) চারিদিকে বিপদসংকুল পরিস্থিতি (“ডান পাশে ধস”, “বাঁয়ে গিরিখাত”) দেখতে পাচ্ছেন।
প্রশ্ন ২৫৪: ‘নুন’ কবিতায় “কিন্তু রাত্তিরে দুজন মিলে টান দিই গঞ্জিকাতে”—এই ‘দুজন’ কারা?
উত্তর: C) দুই ভাই
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র পরিবারের দুই ভাই তাদের দুঃখ-কষ্ট ও হতাশা ভুলতে রাত্তিরে গঞ্জিকাতে (গাঁজা) টান দেয়।
প্রশ্ন ২৫৫: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে মনসা দেবীর পূজা না করার জন্য চাঁদ সদাগর কী শাস্তি পেয়েছিলেন?
উত্তর: D) উপরের সবকটি
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে চাঁদ সদাগর মনসা দেবীর পূজা না করার জন্য বিভিন্নভাবে শাস্তি পেয়েছিলেন। তার বাণিজ্যতরী ডুবে গিয়েছিল, তার ছয় পুত্র সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিল এবং তিনি নিজেও নানা துன்ப ভোগ করেছিলেন।
প্রশ্ন ২৫৬: ‘খেয়া’ কবিতায় “খেয়া চলে এপারের গ্রামের সাথে ওপার গ্রামের”—এই পারাপার কীসের ইঙ্গিত দেয়?
উত্তর: B) জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে অবিরাম সংযোগ
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতায় এপারের গ্রাম (ইহলোক) এবং ওপারের গ্রাম (পরলোক) এর মধ্যে খেয়ার চলাচল জীবন ও মৃত্যুর মধ্যেকার অবিরাম সংযোগ ও প্রবাহকে নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ২৫৭: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”—এই অপেক্ষা কোথায় শেষ হয়?
উত্তর: B) যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় মেয়েটির অস্তিত্ব বিলীন হওয়ায়
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতায় মেয়েটির দীর্ঘ অপেক্ষা যুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসলীলায় তার অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার মাধ্যমে শেষ হয়। কথক ফিরে এসে আর তাকে খুঁজে পায় না।
প্রশ্ন ২৫৮: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা কোন গাছের তলায় লেখকের জন্য অপেক্ষা করতেন?
উত্তর: D) কাঁঠাল গাছের তলায়
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য গ্রামের পথের ধারের একটি পুরনো কাঁঠাল গাছের তলায় প্রায়শই অপেক্ষা করতেন।
প্রশ্ন ২৫৯: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “হায় ছায়াবৃতা,”—এই সম্বোধনে কী প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: B) আফ্রিকার প্রতি কবির সহানুভূতি ও বেদনা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “হায় ছায়াবৃতা” সম্বোধনটির মাধ্যমে কবি আফ্রিকার প্রতি তার গভীর সহানুভূতি এবং ঔপনিবেশিক শোষণে জর্জরিত আফ্রিকার জন্য তার বেদনা প্রকাশ করেছেন।
প্রশ্ন ২৬০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি পড়ে তার কোন অনুভূতিটি তার “জ্ঞানচক্ষু” খুলে দিয়েছিল?
উত্তর: C) লজ্জা ও অপমানের মিশ্র অনুভূতি
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি যখন তার মেসোমশাইয়ের দ্বারা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে ছাপা হয়, তখন তার মধ্যে লজ্জা, অপমান এবং মোহভঙ্গের এক মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়, যা তার “জ্ঞানচক্ষু” খুলে দেয় এবং সে সাহিত্য জগতের কঠিন বাস্তবতা উপলব্ধি করে।
প্রশ্ন ২৬১: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের স্ত্রী তার কাছে কী চেয়ে পাঠিয়েছিল?
উত্তর: D) (গল্পে সরাসরি উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের স্ত্রীর কোনো বিশেষ জিনিস চেয়ে পাঠানোর উল্লেখ নেই। তবে নদেরচাঁদ তার স্ত্রীকে চিঠি লিখত এবং তার জন্য মন খারাপ করত।
প্রশ্ন ২৬২: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা ইসাবের প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করতেন?
উত্তর: C) স্নেহ ও মমতা (ছেলের বন্ধুর প্রতি)
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা ইসাবকে নিজের ছেলের বন্ধুর মতোই স্নেহ ও মমতা করতেন। জামা ছেঁড়ার ঘটনায় প্রথমে ভুল বুঝলেও, পরে তিনি ইসাবের প্রতি সহানুভূতিশীল হন।
প্রশ্ন ২৬৩: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “তোরা সব জয়ধ্বনি কর”—এই জয়ধ্বনি কার জন্য?
উত্তর: B) ধ্বংসের দেবতার (মহাকাল) ও নতুনের
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় এই জয়ধ্বনি মহাকাল বা সেই প্রলয়ঙ্করী শক্তির জন্য, যিনি পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুনের আগমন ঘটান। এটি নতুনের আবাহন।
প্রশ্ন ২৬৪: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিকের পেশা কী ছিল?
উত্তর: A) ডাক্তার (পাশাপাশি বিপ্লবী)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে সব্যসাচী মল্লিক ছিলেন একজন ডাক্তার, কিন্তু তার মূল পরিচয় ছিল একজন নির্ভীক বিপ্লবী এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য নিবেদিতপ্রাণ সংগ্রামী।
প্রশ্ন ২৬৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন ছদ্মবেশে সবচেয়ে কম সময় ছিলেন?
উত্তর: C) বাইজি (খুব অল্প সময়ের জন্য বাসস্ট্যান্ডে দেখা গিয়েছিল)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার বিভিন্ন ছদ্মবেশের মধ্যে বাইজির ছদ্মবেশে তিনি খুব অল্প সময়ের জন্য বাসস্ট্যান্ডে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং সামান্য কিছু পয়সা পেয়েছিলেন।
প্রশ্ন ২৬৬: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে পলাশীর যুদ্ধের পূর্বে সিরাজের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: C) মুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের প্রেক্ষাপটে এবং ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, নবাব সিরাজদ্দৌলার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদ।
প্রশ্ন ২৬৭: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “বাম হাত ডান হাত” বলে উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: B) সাধারণ মানুষদের, যারা একে অপরের সহায়ক হতে পারে
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ডান পাশে ধস / আমাদের বাঁয়ে গিরিখাত / আমাদের মাথায় বোমারু / পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ”—এই বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে কবি সাধারণ মানুষদের একে অপরের সহায়ক শক্তি (“বাম হাত ডান হাত”) হয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রশ্ন ২৬৮: ‘নুন’ কবিতায় “ফুলদানি রাখা হবে”—কোথায়?
উত্তর: C) (জায়গা নেই, তাই এই প্রশ্নটাই অবান্তর)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় গোলাপ চারা কেনার পর প্রশ্ন ওঠে “কিন্তু পুঁতবো কোথায়?”। তাদের সামান্য ঘরে ফুলদানি রাখার মতো বিলাসিতা বা জায়গার অভাব, যা তাদের দারিদ্র্যকে আরও প্রকট করে।
প্রশ্ন ২৬৯: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে চাঁদ সদাগরের স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: B) সনকা
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে চাঁদ সদাগরের স্ত্রীর নাম সনকা। তিনি মনসা দেবীর পূজা করতেন, যা চাঁদ সদাগরের ঘোর অপছন্দের ছিল।
প্রশ্ন ২৭০: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন কোন গাছের নাম উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: C) হিজল, কাঁঠাল, জাম, বট, অশ্বত্থ
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় তিনি বাংলার প্রকৃতির ছবি আঁকতে গিয়ে হিজল, কাঁঠাল, জাম, বট, অশ্বত্থ ইত্যাদি গাছের নাম উল্লেখ করেছেন।
প্রশ্ন ২৭১: ‘খেয়া’ কবিতায় “খেয়া নৌকা” কার প্রতীক?
উত্তর: B) কালের বা সময়ের
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতায় “খেয়া নৌকা” কালের বা সময়ের প্রতীক, যা অবিরামভাবে জীবনের এক পার থেকে অন্য পারে (জন্ম থেকে মৃত্যুতে) মানুষকে বহন করে নিয়ে চলেছে।
প্রশ্ন ২৭২: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ”—এখানে ‘আমার’ কে?
উত্তর: C) কথক (যোদ্ধা)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “আমার পায়ের দাগ” বলতে কথকের (যোদ্ধা) পদচিহ্ন বা স্মৃতির কথা বলা হয়েছে, যা যুদ্ধের কারণে এবং সময়ের প্রবাহে মুছে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ২৭৩: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক বৃদ্ধার জন্য কোন জিনিসটি কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন যা বৃদ্ধা খুব খুশি হয়ে গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: B) একটি কম্বল
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক একবার বৃদ্ধার জন্য একটি কম্বল কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। বৃদ্ধা সেটি পেয়ে অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন এবং লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন।
প্রশ্ন ২৭৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “পশুরা অশুভ চিৎকারে দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা করল”—এই পশুরা কারা?
উত্তর: B) ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীরা (পশুর মতো আচরণকারী)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “পশুরা অশুভ চিৎকারে দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা করল” বলতে ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীদের আগমন এবং তাদের নির্মম, পাশবিক আচরণকে বোঝানো হয়েছে, যা আফ্রিকার স্বাধীনতার অবসান ঘটিয়েছিল।
প্রশ্ন ২৭৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের মেসোমশাই কী ধরনের চাকরি করতেন বলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: A) কলেজের প্রফেসর (এবং লেখক)
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই ছিলেন একজন কলেজের প্রফেসর এবং তার পাশাপাশি তিনি একজন লেখকও ছিলেন।
প্রশ্ন ২৭৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কোন আচরণে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল?
উত্তর: C) তার উন্মত্ত, ধ্বংসাত্মক রূপ
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর বর্ষাকালীন উন্মত্ত, বাঁধভাঙা এবং ধ্বংসাত্মক রূপে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত ও আচ্ছন্ন হয়েছিল। এই রূপকেই সে নদীর বিদ্রোহ হিসেবে কল্পনা করত।
প্রশ্ন ২৭৭: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে কোন বিষয়ে মিল না থাকা সত্ত্বেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট ছিল?
উত্তর: C) ধর্ম
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত হিন্দু এবং ইসাব মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও, অর্থাৎ তাদের ধর্মের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও, তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্ব ছিল অত্যন্ত গভীর ও অটুট।
প্রশ্ন ২৭৮: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে সুন্দর! / … জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে”—এই প্রলয়কে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: B) কালবৈশাখী ঝড়
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি প্রলয় বা ধ্বংসের আগমনকে কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বিধ্বংসী ও ভয়ঙ্কর কিন্তু একই সাথে নতুনের বার্তাবাহক হিসেবে তুলনা করেছেন।
প্রশ্ন ২৭৯: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতী কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
উত্তর: C) খ্রিস্টান
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতী ছিলেন একজন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী, মানবতাবাদী এবং শিক্ষিতা নারী।
প্রশ্ন ২৮০: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী সেজে কার বাড়িতে গিয়েছিলেন?
উত্তর: C) জগদীশবাবুর
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী (সন্ন্যাসী) সেজে গ্রামের ধনী ব্যক্তি জগদীশবাবুর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ২৮১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে লুৎফুন্নিসা কার কন্যা ছিলেন?
উত্তর: C) (নাটকে তার পিতৃপরিচয় প্রধান নয়, তিনি সিরাজের বেগম)
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে লুৎফুন্নিসার প্রধান পরিচয় তিনি নবাব সিরাজদ্দৌলার বেগম এবং তার প্রতি অত্যন্ত অনুরক্তা ও বিশ্বস্ত। তার পিতৃপরিচয় নাটকের মূল উপজীব্য নয়। (ঐতিহাসিকভাবে তিনি ছিলেন একজন হিন্দু ক্রীতদাসী, পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন)।
প্রশ্ন ২৮২: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ডান পাশে ধস / আমাদের বাঁয়ে গিরিখাত”—এই চিত্রকল্প কীসের প্রতীক?
উত্তর: C) জীবনের চরম বিপদ ও সংকটের
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “ডান পাশে ধস” এবং “বাঁয়ে গিরিখাত” এই চিত্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষের জীবনের চারিদিকে ঘিরে থাকা চরম বিপদ, সংকট এবং অস্তিত্বের অনিশ্চয়তার প্রতীক।
প্রশ্ন ২৮৩: ‘নুন’ কবিতায় কবি কীসের মাধ্যমে জীবনের সাধারণ আনন্দের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন?
উত্তর: C) মাঝে মাঝে ভালোমন্দ খাওয়া ও শৌখিন জিনিস (গোলাপ চারা)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র মানুষরা তাদের অভাবের মধ্যেও মাঝে মাঝে একটু ভালোমন্দ খাওয়ার, সামান্য শৌখিন জিনিস (যেমন গোলাপ চারা) পাওয়ার বা সাধারণ আনন্দ উপভোগ করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ২৮৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলার ভাসুরের নাম কী ছিল?
উত্তর: B) (লখিন্দরের বড় ভাইয়ের উল্লেখ নেই, বেহুলার শ্বশুর চাঁদ সদাগর)
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে লখিন্দরের কোনো বড় ভাই বা বেহুলার ভাসুরের সুস্পষ্ট উল্লেখ প্রধান কাহিনীতে পাওয়া যায় না। তার শ্বশুর ছিলেন চাঁদ সদাগর এবং শাশুড়ি সনকা।
প্রশ্ন ২৮৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন পাখির ডাকের কথা উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: C) শঙ্খচিল ও শালিক
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় তিনি বাংলার প্রকৃতির ছবি আঁকতে গিয়ে শঙ্খচিল এবং শালিক পাখির ডাক বা উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন।
প্রশ্ন ২৮৬: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কলমকে কীসের চেয়েও শক্তিধর বলেছেন?
উত্তর: B) তলোয়ারের
বিস্তারিত উত্তর: শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন যে, “The pen is mightier than the sword” অর্থাৎ কলম তলোয়ারের চেয়েও শক্তিধর।
প্রশ্ন ২৮৭: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের আগে মেয়েটির অপেক্ষার স্থানটি কেমন ছিল?
উত্তর: B) শান্ত ও মিষ্টি (স্বপ্নের মতো)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের আগে মেয়েটির অপেক্ষার স্থান, তার বাড়ি এবং চারপাশ ছিল শান্ত, মিষ্টি এবং স্বপ্নের মতো সুন্দর, যা যুদ্ধের ভয়াবহতায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
প্রশ্ন ২৮৮: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা কোন ঋতুতে মারা গিয়েছিলেন?
উত্তর: D) শীত (পৌষ মাসের শীতে)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা পৌষ মাসের তীব্র শীতে মারা গিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ২৮৯: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী”—কোন সভ্যতার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: B) ইউরোপীয় (ঔপনিবেশিক) সভ্যতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “তোমার সভ্যতা” বলতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক সভ্যতাকে বোঝানো হয়েছে, যারা আফ্রিকার উপর অত্যাচার চালিয়েছিল। কবি তাদের এই অত্যাচারের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রশ্ন ২৯০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি পড়ে বাড়ির লোকেরা কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল (ছাপা হওয়ার আগে)?
উত্তর: A) খুব প্রশংসা করেছিল (বিশেষত মা ও ছোটমাসি)
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি (ছাপা হওয়ার আগে) তার মা ও ছোটমাসি পড়ে খুব প্রশংসা করেছিলেন এবং অবাক হয়েছিলেন যে তপন এত সুন্দর গল্প লিখতে পারে।
প্রশ্ন ২৯১: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের নদীর প্রতি ভালোবাসা কীসের জন্ম দিয়েছিল?
উত্তর: C) এক ধরনের বিভ্রম ও মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের নদীর প্রতি অন্ধ ও তীব্র ভালোবাসা এক ধরনের বিভ্রমের জন্ম দিয়েছিল, যেখানে সে নদীর ধ্বংসাত্মক রূপের মধ্যেও একাত্মতা অনুভব করত এবং শেষ পর্যন্ত নদীর কাছেই যেন আত্মসমর্পণ করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ২৯২: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাবের বাবা অমৃতকে কী বলে ডাকতেন?
উত্তর: C) অমৃত বেটা
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাবের বাবা অমৃতকে স্নেহের সঙ্গে “অমৃত বেটা” বলে ডাকতেন, যা তাদের মধ্যেকার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ককে নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ২৯৩: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি “ওইNN হাসে ভয়ঙ্কর”—এই হাসি কীসের ইঙ্গিত?
উত্তর: B) ধ্বংসের পরের সৃষ্টির আনন্দ
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN হাসে ভয়ঙ্কর” বলতে মহাকাল বা সেই প্রলয়ঙ্করী শক্তির হাসিকে বোঝানো হয়েছে, যা পুরাতনকে ধ্বংস করার পর নতুন সৃষ্টির আগমনে আনন্দিত। এই হাসি নতুনের আবাহন।
প্রশ্ন ২৯৪: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব কোন জাহাজে চেপে রেঙ্গুন গিয়েছিল?
উত্তর: A) (জাহাজের নাম উল্লেখ নেই, ট্রেনে গিয়েছিল)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব রেঙ্গুন যাওয়ার জন্য ট্রেনে ভ্রমণ করেছিল, জাহাজে নয়।
প্রশ্ন ২৯৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার প্রকৃত নাম কী ছিল?
উত্তর: C) (গল্পে তার পুরো নাম উল্লেখ নেই, ‘হরিদা’ নামেই পরিচিত)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে প্রধান চরিত্রকে ‘হরিদা’ নামেই সম্বোধন করা হয়েছে। তার সম্পূর্ণ পারিবারিক নাম গল্পে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রশ্ন ২৯৬: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ কোথায় অবস্থিত ছিল?
উত্তর: B) কলকাতা
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের প্রেক্ষাপটে এবং ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ কলকাতায় (তৎকালীন কলিকাতা) অবস্থিত ছিল, যা ছিল ইংরেজদের প্রধান বাণিজ্য ও সামরিক কেন্দ্র।
প্রশ্ন ২৯৭: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের শিশুদের শব”—কোথায় ছড়ানো?
উত্তর: C) কাছে দূরে (অর্থাৎ সর্বত্র)
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের শিশুদের শব / ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে”—এই পংক্তি দ্বারা কবি যুদ্ধ, হিংসা ও বিপর্যয়ের ব্যাপকতা এবং তার ফলে শিশুদের করুণ মৃত্যুকে বুঝিয়েছেন, যা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়।
প্রশ্ন ২৯৮: ‘নুন’ কবিতায় কথকদের দিন কীভাবে চলে যায়?
উত্তর: C) হেসে খেলে দুঃখ করে (মিশ্রভাবে)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র মানুষদের দিন “হেসে খেলে দুঃখ করে” চলে যায়। তাদের জীবনে আনন্দ ও বেদনা, হাসি ও কান্না—সবই পাশাপাশি থাকে। “আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে” এই উক্তিটিও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন ২৯৯: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা কার স্ত্রী ছিলেন?
উত্তর: B) লখিন্দরের
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলা ছিলেন চাঁদ সদাগরের পুত্র লখিন্দরের স্ত্রী।
প্রশ্ন ৩০০: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কার চুলের মতো অন্ধকার দেখেছেন?
উত্তর: C) বিদিতার (রূপকথার কন্যার)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি সন্ধ্যার অন্ধকারকে “বিদিতার চুলের মতো অন্ধকার” বা “রূপসীর চুলের বিন্যাসের” মতো গভীর ও রহস্যময় বলেছেন।
প্রশ্ন ৩০১: ‘খেয়া’ কবিতায় কবি “দুই তীরে দুই গ্রাম” বলতে কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর: B) ইহলোক ও পরলোক
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতায় “দুই তীরে দুই গ্রাম” বলতে রূপকার্থে ইহলোক (জীবনের পার) এবং পরলোক (মৃত্যুর পার) বা এই জগৎ ও অন্য জগৎকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ৩০২: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের অপেক্ষায় থাকা মেয়েটি দরজায় কিসের মতো দাঁড়িয়েছিল?
উত্তর: C) (কবিতায় সরাসরি উপমা নেই, তবে তার অপেক্ষা ছিল অবিচল)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতায় মেয়েটি দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল। তার এই অপেক্ষার কোনো সরাসরি উপমা দেওয়া হয়নি, তবে তার অপেক্ষা ছিল অবিচল ও দীর্ঘস্থায়ী।
প্রশ্ন ৩০৩: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার স্বামীর নাম কী ছিল?
উত্তর: B) (গল্পে স্বামীর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার স্বামীর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। গল্পটি মূলত বৃদ্ধা এবং লেখকের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আবর্তিত।
প্রশ্ন ৩০৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকাকে কার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন?
উত্তর: B) সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি বলেছেন, সৃষ্টিকর্তা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে নতুন সৃষ্টিকে বারবার বিধ্বস্ত করছিলেন, তখন তিনি আফ্রিকাকে “বাষ্পকুল অরণ্যপথে” যেন ছিনিয়ে নিয়ে বনস্পতির নিবিড় পাহারায় বেঁধে রেখেছিলেন।
প্রশ্ন ৩০৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের মেসোমশাই কোন পত্রিকার সম্পাদককে চিনতেন?
উত্তর: C) সন্ধ্যাতারা
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের মেসোমশাই ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদককে চিনতেন এবং সেই সুবাদেই তপনের গল্পটি ছাপানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।
প্রশ্ন ৩০৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কোন ঋতুতে নদীর ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছিল?
উত্তর: B) বর্ষা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ বর্ষাকালে নদীর ফুঁসে ওঠা, ভয়ঙ্কর এবং প্রমত্ত রূপ দেখেছিল, যা তাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছিল।
প্রশ্ন ৩০৭: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মধ্যে প্রথমে কার জামা ছেঁড়ে?
উত্তর: B) অমৃতের
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে হোলি খেলার সময় প্রথমে অমৃতের নতুন জামাটি ছিঁড়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ৩০৮: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে সুন্দর”—এই সুন্দর কিসের প্রতীক?
উত্তর: B) নতুন সৃষ্টি ও নবযুগ
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “সুন্দর” বলতে পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুন সৃষ্টি, নতুন যুগ এবং স্বাধীনতার আগমনকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ৩০৯: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের বাবার নাম কী ছিল?
উত্তর: A) (গল্পে সরাসরি উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বর বাবার নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কথা থাকলেও, বাবার নাম অপ্রধান।
প্রশ্ন ৩১০: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন ছদ্মবেশে আট আনা পেয়েছিলেন?
উত্তর: B) পুলিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার পুলিশ সেজে দয়ালবাবুর লিচুবাগানে স্কুলের ছেলেদের তাড়া করে আট আনা উপার্জন করেছিলেন।
প্রশ্ন ৩১১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ক্লাইভ সিরাজকে কোন পত্র লিখেছিলেন?
উত্তর: B) সন্ধির শর্ত জানিয়ে (যা ছিল মূলত ছলনা)
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে রবার্ট ক্লাইভ সিরাজকে বিভিন্ন সময়ে পত্রালাপ করেছিলেন, যার মধ্যে সন্ধির প্রস্তাব বা শর্ত জানানোর পত্রও ছিল। তবে এগুলি প্রায়শই ছিল তার কূটনৈতিক চাল এবং ষড়যন্ত্রের অংশ।
প্রশ্ন ৩১২: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কোনটিকে “হিমানীর বাঁধ” বলেছেন?
উত্তর: B) সামাজিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “হিমানীর বাঁধ” বলতে কবি সেইসব সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতাকে বুঝিয়েছেন, যা মানুষের অগ্রগতি ও মুক্তির পথে বরফের মতো জমাট বেঁধে বাধা সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ৩১৩: ‘নুন’ কবিতায় “ফুল কি হবেই তাতে?”—এই প্রশ্নটি কীসের ইঙ্গিতবাহী?
উত্তর: B) জীবনের ন্যূনতম চাহিদা পূরণের পর সৌন্দর্যের আকাঙ্ক্ষা এবং তার অনিশ্চয়তা
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় “ফুল কি হবেই তাতে?” এই প্রশ্নটি দরিদ্র মানুষের জীবনের ন্যূনতম চাহিদা (নুন-ভাত) পূরণের সংগ্রামের পর সামান্য সৌন্দর্য (গোলাপ চারা) উপভোগের আকাঙ্ক্ষা এবং সেই আকাঙ্ক্ষা আদৌ পূরণ হবে কিনা, সেই অনিশ্চয়তা ও সংশয়ের ইঙ্গিতবাহী।
প্রশ্ন ৩১৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে লখিন্দরের মৃত্যু হয় কীভাবে?
উত্তর: B) সাপের কামড়ে
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ দেবী মনসার নির্দেশে কালনাগিনী সাপ লখিন্দরকে বাসরঘরে দংশন করে, যার ফলে তার মৃত্যু হয়।
প্রশ্ন ৩১৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কার আসার অপেক্ষায় আছেন?
উত্তর: C) (সরাসরি কারো আসার অপেক্ষা নয়, বরং বাংলার প্রকৃতির রূপ ও তারাদের আবির্ভাবের বর্ণনা)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি সরাসরি কোনো ব্যক্তির আগমনের অপেক্ষায় নেই, বরং তিনি বাংলার হেমন্তের সন্ধ্যার প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর রূপ এবং আকাশে ধীরে ধীরে সাতটি তারার আবির্ভাবের চিত্রকল্প এঁকেছেন।
প্রশ্ন ৩১৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে লেখক হিমালয়ের কোন বৈশিষ্ট্যকে “অনন্তকালের সাক্ষী” বলেছেন?
উত্তর: C) তার নীরবতা ও স্থিরতা
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের অটল, নীরব এবং স্থির রূপকে অনন্তকালের সাক্ষী হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা যুগ যুগ ধরে একইভাবে বিরাজমান।
প্রশ্ন ৩১৭: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটিতে কাদের ভাই বলে সম্বোধন করা হয়েছে?
উত্তর: C) হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান (সকল বাঙালিকে)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালিকে ভাই বলে সম্বোধন করে তাদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রশ্ন ৩১৮: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের নৌকায় ইলিশ মাছ ছাড়াও আর কী ধরনের মাছ ধরা পড়েছিল?
উত্তর: C) (গল্পে মূলত ইলিশের উপরই আলোকপাত করা হয়েছে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে প্রধানত ইলিশ মাছ এবং তা ধরার সংগ্রামের উপরই আলোকপাত করা হয়েছে। অন্যান্য মাছের উল্লেখ থাকলেও তা গৌণ।
প্রশ্ন ৩১৯: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা কোন গাছের ডাল ভেঙে দাঁতন করতেন?
উত্তর: C) (নির্দিষ্ট গাছের উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার দাঁতন করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট গাছের ডাল ভাঙার উল্লেখ নেই। তবে তার গ্রামীণ জীবনযাত্রায় প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহারের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৩২০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “অন্ধকারে তোমাকে দেখতে পাচ্ছিল না”—কে?
উত্তর: B) তথাকথিত সভ্য জগৎ
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় তথাকথিত সভ্য জগৎ বা ইউরোপীয় শক্তি আফ্রিকার প্রকৃত রূপ বা তার মানবতাকে দেখতে পায়নি বা উপেক্ষা করেছিল, কারণ আফ্রিকা তখন তাদের কাছে “অন্ধকারে” বা অজ্ঞতার আবরণে ঢাকা ছিল।
প্রশ্ন ৩২১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল?
উত্তর: C) সন্ধ্যাতারা
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা প্রথম গল্পটি তার নতুন মেসোমশাইয়ের চেষ্টায় ‘সন্ধ্যাতারা’ নামক একটি ছোটদের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ৩২২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের মৃত্যুর পর নদীর জল কী রঙ ধারণ করেছিল?
উত্তর: C) (গল্পে এমন কোনো বর্ণনার উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের মৃত্যুর পর নদীর জলের রঙ পরিবর্তনের কোনো বিশেষ বর্ণনা নেই। গল্পটি নদেরচাঁদের মানসিক অবস্থা এবং নদীর প্রতি তার তীব্র আকর্ষণকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।
প্রশ্ন ৩২৩: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব অমৃতকে কীসের ভয় থেকে রক্ষা করেছিল?
উত্তর: B) মায়ের মার
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় সে তার মায়ের মারের ভয়ে ছিল। ইসাব নিজের জামা অমৃতকে দিয়ে এবং অমৃতের ছেঁড়া জামা নিজে পরে তাকে সেই বিপদ থেকে রক্ষা করেছিল।
প্রশ্ন ৩২৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “তোরা সব জয়ধ্বনি কর”—এই জয়ধ্বনি কাদের অনুপ্রাণিত করবে?
উত্তর: C) বিপ্লবীদের ও মুক্তিকামী মানুষকে
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় এই জয়ধ্বনি বিপ্লবীদের এবং পরাধীনতা থেকে মুক্তিকামী সাধারণ মানুষকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রশ্ন ৩২৫: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব রেঙ্গুনে কোন অফিসে চাকরি করত?
উত্তর: B) একটি সওদাগরি অফিসে
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব রেঙ্গুনের একটি সওদাগরি অফিসে কেরানির চাকরি করত।
প্রশ্ন ৩২৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী সেজে কত টাকা প্রণামী পেয়েছিলেন?
উত্তর: D) একশো এক টাকা (যা তিনি নেননি)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী সেজে জগদীশবাবুর কাছ থেকে একশো এক টাকা প্রণামী হিসেবে পেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। কারণ, বিরাগীর ধর্ম অর্থ গ্রহণ করা নয়।
প্রশ্ন ৩২৭: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মীরমদন কোন যুদ্ধে মারা যান?
উত্তর: B) পলাশীর যুদ্ধে
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাবের বিশ্বস্ত সেনাপতি মীরমদন পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে বীরের মতো মৃত্যুবরণ করেন।
প্রশ্ন ৩২৮: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ইতিহাস নেই”—এই উপলব্ধির কারণ কী?
উত্তর: C) প্রচলিত ইতিহাসে সাধারণ মানুষের জীবন উপেক্ষিত
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি বুঝিয়েছেন যে, প্রচলিত ইতিহাসে ক্ষমতাধরদের কথাই লেখা হয়, সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট, বেঁচে থাকার সংগ্রাম সেখানে স্থান পায় না, তাই তাদের যেন কোনো “ইতিহাস নেই”।
প্রশ্ন ৩২৯: ‘নুন’ কবিতায় কথকদের “অনেক দুঃখে” দিন চলে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তর: C) চরম দারিদ্র্য ও অভাব
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় কথকদের “অনেক দুঃখে” দিন চলে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো তাদের চরম দারিদ্র্য এবং জীবনের ন্যূনতম চাহিদাগুলো (যেমন নুন-ভাত) পূরণ করতে না পারার কষ্ট।
প্রশ্ন ৩৩০: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা কার আরাধনা করে লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে এনেছিলেন?
উত্তর: B) মনসা দেবী (এবং অন্যান্য দেবতারা)
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে বেহুলা তার নৃত্য ও সঙ্গীতের মাধ্যমে স্বর্গের দেবতাদের মুগ্ধ করেছিলেন এবং তাদের সহায়তায় দেবী মনসাকে সন্তুষ্ট করে লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৩৩১: ‘খেয়া’ কবিতায় “খেয়ানৌকা” কিসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: C) কাল বা সময়
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ কবিতায় “খেয়ানৌকা” রূপকার্থে কাল বা সময়ের প্রতীক, যা অবিরামভাবে জীবন ও মৃত্যুর পারাপার ঘটিয়ে চলেছে।
প্রশ্ন ৩৩২: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের পর কথকের ফিরে আসার পর মেয়েটি কোথায় ছিল?
উত্তর: C) (মেয়েটি আর ছিল না, যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় হারিয়ে গিয়েছিল)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের ভয়াবহতার পর কথক ফিরে এসে মেয়েটিকে আর খুঁজে পাননি। যুদ্ধ তার অপেক্ষারত প্রেমিকাসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছিল।
প্রশ্ন ৩৩৩: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার কুটিরের পাশে কোন ফলের গাছ ছিল?
উত্তর: D) লেবু (এবং অন্যান্য ফলের গাছও ছিল)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার কুটিরের উঠানে বা আশেপাশে লেবু, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি বিভিন্ন ফলের গাছের উল্লেখ পাওয়া যায়, যেখান থেকে তিনি ফল পেড়ে লেখককে দিতেন।
প্রশ্ন ৩৩৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে”—এই আহ্বানে ‘মানহারা মানবী’ কে?
উত্তর: C) আফ্রিকা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “মানহারা মানবী” বলতে ঔপনিবেশিক শোষণ ও অত্যাচারে লাঞ্ছিত, অপমানিত আফ্রিকা মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ৩৩৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পের নাম কী ছিল?
উত্তর: C) প্রথম দিন
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা প্রথম গল্পের নাম ছিল ‘প্রথম দিন’।
প্রশ্ন ৩৪৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি কোন ধরনের পোশাক পরিধানের কথা বলেছেন?
উত্তর: C) গরম কাপড়ের আলখাল্লা ও কম্বল
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ (পরিব্রাজক) প্রবন্ধে হিমালয়ের তীব্র শীতের মোকাবিলায় তিনি এবং তার সঙ্গীরা গরম কাপড়ের আলখাল্লা, কম্বল ইত্যাদি পরিধানের কথা উল্লেখ করেছেন।
প্রশ্ন ৩৪৭: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে “বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন”—এই পংক্তিটি কীসের ওপর জোর দেয়?
উত্তর: C) জাতিগত ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে “বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন / এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান”—এই পংক্তিটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালির মধ্যে জাতিগত ঐক্য, সম্প্রীতি এবং ভ্রাতৃত্ববোধের উপর জোর দেয়।
প্রশ্ন ৩৪৮: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের মেয়ের নাম কী?
উত্তর: B) গোপী (পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাস অনুসারে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পটি ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের অংশ। উপন্যাসে কুবেরের মেয়ের নাম গোপী। ‘ইলিশ’ ছোটগল্পে এই চরিত্রের উল্লেখ নাও থাকতে পারে বা গৌণ হতে পারে।
প্রশ্ন ৩৪৯: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য কী ধরনের পিঠে তৈরি করে এনেছিলেন?
উত্তর: C) তালের বড়া বা চালের গুঁড়োর পিঠে
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য বিভিন্ন সময়ে তালের বড়া, চালের গুঁড়োর পিঠে বা অন্যান্য গ্রামী quần খাবার তৈরি করে এনেছিলেন, যা তার আন্তরিক স্নেহের প্রকাশ।
প্রশ্ন ৩৫০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “এসো যুগান্তের কবি”—এই আহ্বানে কবি কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) ভবিষ্যতের বিবেক ও সংবেদনশীলতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “যুগান্তের কবি” বলতে ভবিষ্যতের সেই কবি বা বিবেকবান মানুষকে বোঝানো হয়েছে, যিনি অতীতের অন্যায়ের বিচার করবেন, অনুশোচনা প্রকাশ করবেন এবং মানবতার পক্ষে দাঁড়াবেন।
প্রশ্ন ৩৫১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় কার নামে ছাপা হয়েছিল?
উত্তর: B) শ্রী তপন কুমার রায় (মেসোমশাইয়ের সৌজন্যে)
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় “শ্রী তপন কুমার রায়” নামে ছাপা হয়েছিল, তবে লেখার কৃতিত্বে তার মেসোমশাইয়ের “কারেকশন”-এর প্রভাব ছিল।
প্রশ্ন ৩৫২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কাছে কোন বিষয়টি অসহ্য বলে মনে করেছিল?
উত্তর: C) মানুষের তৈরি বাঁধ দ্বারা নদীকে শাসন করার চেষ্টা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ অনুভব করেছিল যে, মানুষ বাঁধ নির্মাণ করে নদীকে শাসন করার চেষ্টা করছে, যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও স্বাধীনতার পরিপন্থী। এই বিষয়টি তার কাছে অসহ্য মনে হয়েছিল।
প্রশ্ন ৩৫৩: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মধ্যে কোন খেলা নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল?
উত্তর: B) কুস্তি
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মধ্যে কুস্তি খেলা নিয়ে ছেলেদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়েছিল, যা পরবর্তী ঘটনার সূত্রপাত করে।
প্রশ্ন ৩৫৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কিসের “কেতন” ওড়ার কথা বলেছেন?
উত্তর: C) নূতনের (বিপ্লবের)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি “নূতনের কেতন” ওড়ার কথা বলেছেন, যা বিপ্লব, নবযুগ এবং পরাধীনতার অবসানের প্রতীক।
প্রশ্ন ৩৫৫: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতী কোন স্কুলে মাস্টারি করতেন?
উত্তর: C) একটি মেয়েদের স্কুলে (খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতী রেঙ্গুনের একটি খ্রিস্টান মিশনারি পরিচালিত মেয়েদের স্কুলে মাস্টারি করতেন।
প্রশ্ন ৩৫৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন ছদ্মবেশে পুলিশ সেজেছিলেন?
উত্তর: A) দারোগা (বা পুলিশ অফিসারের মতো)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার পুলিশ অফিসারের (দারোগা বা সেই সমতুল্য) ছদ্মবেশে দয়ালবাবুর লিচুবাগানে স্কুলের ছেলেদের তাড়া করেছিলেন।
প্রশ্ন ৩৫৭: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাব আলিবর্দি খাঁ সিরাজকে কী উপদেশ দিয়েছিলেন?
উত্তর: B) প্রজাদের ভালোবাসতে ও ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে সতর্ক থাকতে
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের শুরুতে নবাব আলিবর্দি খাঁ মৃত্যুপথযাত্রী অবস্থায় সিরাজকে প্রজাদের প্রতি স্নেহশীল হতে, তাদের ভালোবাসতে এবং রাজ্যের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে সতর্ক থাকার উপদেশ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৩৫৮: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর”—এই কথাটি কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) দিশাহীনতা ও চরম বিপদ
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর” কথাটি সাধারণ মানুষের দিশাহীনতা, চরম বিপদ এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কোনো নিরাপদ আশ্রয় বা выхода পথ খুঁজে না পাওয়ার প্রতীক।
প্রশ্ন ৩৫৯: ‘নুন’ কবিতায় কথকদের বাড়িতে “মাঝে মাঝে চলে না দিন”—এর কারণ কী?
উত্তর: B) কাজের অভাব ও চরম দারিদ্র্য
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় “মাঝে মাঝে চলেও না দিন” বলতে বোঝানো হয়েছে যে, কাজের অভাব বা অন্য কোনো কারণে তাদের আয় হয় না, ফলে বাড়িতে রান্না হয় না এবং তাদের চরম দারিদ্র্যের মধ্যে অনাহারে দিন কাটাতে হয়।
প্রশ্ন ৩৬০: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে চাঁদ সদাগরের কনিষ্ঠ পুত্রের নাম কী?
উত্তর: B) লখিন্দর
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে চাঁদ সদাগরের কনিষ্ঠ এবং সপ্তম পুত্র ছিলেন লখিন্দর, যার বাসরঘরে সর্পদংশনে মৃত্যু হয়।
প্রশ্ন ৩৬১: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কাকে “বাংলার মুখ” বলেছেন?
উত্তর: B) বাংলার প্রকৃতিকে (সন্ধ্যার আকাশ, ঘাস, নদী ইত্যাদির সমন্বয়ে)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় তিনি বাংলার সন্ধ্যার আকাশ, ঘাস, নদী, হিজল, জাম, কাঁঠাল, বট, অশ্বত্থের মতো গাছ এবং পাখির ডাকের সমন্বয়ে যে চিত্র এঁকেছেন, তাকেই সামগ্রিকভাবে “বাংলার মুখ” বা বাংলার প্রাণের প্রতিচ্ছবি বলেছেন।
প্রশ্ন ৩৬২: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”—এই অপেক্ষা কোথায় ঘটছিল?
উত্তর: B) বাড়ির দরজায়
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের প্রেমিকা মেয়েটি তার বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে তার ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছিল।
প্রশ্ন ৩৬৩: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক শেষবার বৃদ্ধার সাথে দেখা করতে গিয়ে কী দেখতে পান?
উত্তর: C) বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং তার সৎকার হচ্ছে
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক শেষবার যখন গ্রামে বৃদ্ধার সাথে দেখা করতে যান, তখন তিনি জানতে পারেন যে বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং তার মৃতদেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
প্রশ্ন ৩৬৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ”—এই ‘মানবরূপ’ কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) আফ্রিকার নিজস্ব সংস্কৃতি ও সভ্যতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “মানবরূপ” বলতে আফ্রিকার নিজস্ব স্বতন্ত্র সংস্কৃতি, সভ্যতা, ঐতিহ্য এবং মানবিক সত্তাকে বোঝানো হয়েছে, যা ঔপনিবেশিক শক্তির কাছে উপেক্ষিত ও অপরিচিত ছিল।
প্রশ্ন ৩৬৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখাটি “কারেকশন” করার পর সে কার কাছে লেখাটি আর নিজের বলে মনে করতে পারেনি?
উত্তর: C) তার নতুন মেসোমশাইয়ের কাছে (মনে মনে)
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি তার নতুন মেসোমশাই “কারেকশন” করার নামে আগাগোড়া বদলে দেওয়ার পর, তপনের মনে হয়েছিল সেই লেখাটি আর তার নিজের নয়। এই উপলব্ধি তার জ্ঞানচক্ষু খুলে দিয়েছিল।
প্রশ্ন ৩৬৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কোন বিষয়টিকে নদীর “ছেলেমানুষি” বলে মনে করেছিল?
উত্তর: C) নদীর বাঁধ ভেঙে ফেলার চেষ্টা বা তার উন্মত্ত আচরণ
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর বাঁধ ভেঙে ফেলার চেষ্টা বা তার বর্ষাকালীন উন্মত্ত আচরণকে প্রথমে এক ধরনের “ছেলেমানুষি” বা পাগলামি বলে মনে করেছিল, যদিও পরে সে এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করে।
প্রশ্ন ৩৬৭: ‘অদল বদল’ গল্পে হোলির দিনে অমৃতের নতুন জামাটি কেমন ছিল?
উত্তর: D) নতুন, পরিষ্কার এবং তার খুব প্রিয়
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে হোলির দিনে অমৃত যে জামাটি পরেছিল, সেটি ছিল নতুন, পরিষ্কার এবং তার খুব প্রিয়। এই জামাটি ছিঁড়ে যাওয়াতেই গল্পের সংকট তৈরি হয়।
প্রশ্ন ৩৬৮: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে নবীন”—কী করতে?
উত্তর: B) জীবনহারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় নবীন বা নতুন শক্তি আসছে পুরাতন, জীবনহীন, অসুন্দর যা কিছু, তাকে ছেদন বা ধ্বংস করে নতুন প্রাণের প্রতিষ্ঠা করতে।
প্রশ্ন ৩৬৯: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহকর্মী তেওয়ারি কোন প্রদেশের লোক ছিল?
উত্তর: C) উত্তর প্রদেশ (যুক্তপ্রদেশ)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহকর্মী তেওয়ারি ছিল উত্তর প্রদেশ (তৎকালীন যুক্তপ্রদেশ) অঞ্চলের মানুষ।
প্রশ্ন ৩৭০: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন রূপে সেজে আট আনা রোজগার করেছিলেন?
উত্তর: B) পুলিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার পুলিশ সেজে দয়ালবাবুর লিচুবাগানে স্কুলের ছেলেদের তাড়া করে আট আনা উপার্জন করেছিলেন।
প্রশ্ন ৩৭১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের প্রধান গুপ্তচর কে ছিলেন?
উত্তর: B) নারায়ণ সিং
বিস্তারিত উত্তর: শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নারায়ণ সিং ছিলেন নবাব সিরাজদ্দৌলার একজন বিশ্বস্ত গুপ্তচর, যিনি ইংরেজ ও ষড়যন্ত্রকারীদের খবরাখবর নবাবকে সরবরাহ করতেন।
প্রশ্ন ৩৭২: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর”—এই পথ কিসের পথ?
উত্তর: B) বাঁচার বা মুক্তির পথ
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর” বলতে কবি সমকালীন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের বাঁচার বা মুক্তির কোনো সহজ বা নিরাপদ পথের অভাবকে বুঝিয়েছেন।
প্রশ্ন ৩৭৩: ‘নুন’ কবিতায় “কিন্তু বাবা আমাদের”—কী করতেন না?
উত্তর: D) (এই ধরনের সরাসরি উক্তি নেই, তবে অভাবের চিত্র আছে)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় বাবা সম্পর্কে সরাসরি কোনো নেতিবাচক উক্তি নেই। কবিতাটি মূলত পরিবারের চরম দারিদ্র্য এবং অভাবের মধ্যে দিন কাটানোর চিত্র তুলে ধরে, যেখানে বাবাও সেই পরিস্থিতির শিকার।
প্রশ্ন ৩৭৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলার বাড়ি কোথায় ছিল?
উত্তর: B) উজানিনগর
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলা ছিলেন উজানিনগরের সায় বণিকের কন্যা।
প্রশ্ন ৩৭৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন নদীর কথা উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: C) ধানসিঁড়ি
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় তিনি তার প্রিয় নদী ‘ধানসিঁড়ি’র কথা উল্লেখ করেছেন, যা তার অনেক কবিতাতেই ফিরে ফিরে এসেছে।
প্রশ্ন ৩৭৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি হিমালয়ের কোন বৈশিষ্ট্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন?
উত্তর: C) আধ্যাত্মিক প্রেরণা ও শান্তি
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার আধ্যাত্মিক প্রেরণা, গভীর শান্তি এবং ঈশ্বর-অনুভূতির সহায়ক পরিবেশকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
প্রশ্ন ৩৭৭: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে কবি কোন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন?
উত্তর: C) ভগবান (সকলের ঈশ্বর)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে “হে ভগবান” বলে সকল বাঙালির জন্য মঙ্গল কামনা করেছেন, যা কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ঈশ্বর নয়, বরং এক অসাম্প্রদায়িক, সর্বজনীন ঈশ্বরের প্রতি প্রার্থনা।
প্রশ্ন ৩৭৮: ‘ইলিশ’ গল্পে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জেলেরা কোন সময় নদীতে যেত?
উত্তর: C) দিন ও রাত উভয় সময়ে (জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে এবং সাধারণভাবে ইলিশ ধরার ক্ষেত্রে জেলেরা দিন ও রাত উভয় সময়েই নদীতে যায়, কারণ ইলিশ মাছের আনাগোনা মূলত জোয়ার-ভাটা এবং আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন ৩৭৯: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখককে কী বলে তার দুঃখের কথা বলতেন?
উত্তর: C) “আমার নাতিটা বেঁচে থাকলে আজ…”
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা প্রায়শই তার মৃত নাতির কথা স্মরণ করে লেখককে বলতেন, “আমার নাতিটা বেঁচে থাকলে আজ তোর বয়সী হত…”। এটি তার একাকীত্ব ও পুত্রশোকের বেদনা প্রকাশ করত।
প্রশ্ন ৩৮০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “বনস্পতির নিবিড় পাহারা” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: B) আফ্রিকার ঘন ও দুর্ভেদ্য অরণ্য
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “বনস্পতির নিবিড় পাহারা” বলতে আফ্রিকার বিশাল, ঘন এবং দুর্ভেদ্য অরণ্য প্রকৃতিকে বোঝানো হয়েছে, যা তাকে বহির্বিশ্ব থেকে আড়াল করে রেখেছিল।
প্রশ্ন ৩৮১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার লেখা গল্পটি ছাপার অক্ষরে দেখে প্রথমে কী অনুভব করেছিল?
উত্তর: C) রোমাঞ্চ ও পুলক
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার লেখা গল্পটি প্রথমবার ছাপার অক্ষরে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় দেখে শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল এবং সে এক ধরনের রোমাঞ্চ ও পুলক অনুভব করেছিল।
প্রশ্ন ৩৮২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কার কাছে নদীর “পাগলামি”র কথা বলেছিল?
উত্তর: B) তার সহকর্মীর কাছে
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ তার নতুন সহকর্মী বা সহকারীর কাছে নদীর বর্ষাকালীন ভয়ঙ্কর রূপ বা “পাগলামি”র কথা বলেছিল।
প্রশ্ন ৩৮৩: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মায়েরা তাদের বন্ধুত্ব সম্পর্কে কী মনোভাব পোষণ করতেন?
উত্তর: C) সমর্থন করতেন এবং তাদের বন্ধুত্বকে মূল্য দিতেন
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মায়েরা তাদের ছেলেদের বন্ধুত্বকে সমর্থন করতেন এবং এই অকৃত্রিম সম্পর্ককে মূল্য দিতেন, যা গল্পের শেষে অমৃতের মায়ের কথায় স্পষ্ট হয়।
প্রশ্ন ৩৮৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে নবীন”—তার হাতে কী আছে?
উত্তর: C) জীবনহারা অ-সুন্দরের ছেদন করার অস্ত্র (প্রলয়ঙ্করী শক্তি)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় নবীন আসছে পুরাতন, জীবনহীন, অসুন্দর যা কিছু, তাকে ছেদন বা ধ্বংস করার প্রলয়ঙ্করী শক্তি নিয়ে।
প্রশ্ন ৩৮৫: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের বিরুদ্ধে পুলিশের প্রধান অভিযোগ কী ছিল?
উত্তর: B) সে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের বিরুদ্ধে পুলিশের প্রধান অভিযোগ বা সন্দেহ ছিল যে সে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের সহযোগী।
প্রশ্ন ৩৮৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন ছদ্মবেশে দর্শকদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি টাকা আদায় করতে পারতেন (যদি চাইতেন)?
উত্তর: D) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বিরাগী (সন্ন্যাসী) ছদ্মবেশে জগদীশবাবুর কাছ থেকে ১০১ টাকা প্রণামী পাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, যা ছিল তার অন্যান্য ছদ্মবেশের আয়ের চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।
প্রশ্ন ৩৮৭: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে কে সিরাজকে “পাষণ্ড” বলে অভিহিত করেছিল?
উত্তর: C) ঘসেটি বেগম
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের মাসি ঘসেটি বেগম রাগে ও ক্ষোভে সিরাজকে “পাষণ্ড” এবং অন্যান্য কটু কথা বলেছিলেন, কারণ সিরাজ তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বাধা সৃষ্টি করেছিলেন।
প্রশ্ন ৩৮৮: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের শিশুদের শব” কীসের প্রতীক?
উত্তর: C) যুদ্ধ, হিংসা ও অরাজকতায় নিষ্পাপ প্রাণের বলি
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের শিশুদের শব” যুদ্ধ, হিংসা, সন্ত্রাস এবং সামাজিক অরাজকতার ফলে নিষ্পাপ শিশুদের করুণ মৃত্যুকে নির্দেশ করে। এটি এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের প্রতীক।
প্রশ্ন ৩৮৯: ‘নুন’ কবিতায় কথকেরা “সাধারণ ভাতকাপড়ে” দিন কাটানোর পাশাপাশি আর কী কামনা করে?
উত্তর: C) মাঝে মাঝে একটু ভালোমন্দ খাওয়া ও সামান্য শখ পূরণ
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র কথকেরা তাদের অভাবের মধ্যেও মাঝে মাঝে একটু ভালোমন্দ খাওয়ার, সামান্য শখ (যেমন গোলাপ চারা) পূরণ করার এবং সাধারণ আনন্দ উপভোগ করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ৩৯০: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলার নৃত্য দেখে কে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন?
উত্তর: C) ইন্দ্র ও অন্যান্য দেবতারা
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে বেহুলা স্বর্গে দেবতাদের সভায় তার অসাধারণ নৃত্য পরিবেশন করে ইন্দ্রসহ সকল দেবতাদের মুগ্ধ করেছিলেন, যার ফলে তারা লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে সম্মত হন।
প্রশ্ন ৩৯১: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে লেখক হিমালয়ের কোন বৈশিষ্ট্যকে “অনন্ত গাম্ভীর্য” বলেছেন?
উত্তর: C) তার নীরবতা ও বিশালতা
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের অপার নীরবতা, বিশাল ব্যাপ্তি এবং তার শান্ত, গম্ভীর রূপকে “অনন্ত গাম্ভীর্য” বলে অভিহিত করেছেন।
প্রশ্ন ৩৯২: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে কবি কাদের “এক হউক” বলেছেন?
উত্তর: C) বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন এবং বাঙালির ঘরে যত ভাই-বোন আছে, তাদের সকলকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালির ঐক্যকে নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ৩৯৩: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরের সঙ্গী গণেশের শারীরিক বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: D) এক চোখ কানা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে (এবং ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসে) কুবেরের সঙ্গী গণেশের একটি চোখ কানা ছিল।
প্রশ্ন ৩৯৪: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের কাছে কোন জিনিসটি চেয়েছিলেন যা লেখক দিতে পারেননি?
উত্তর: C) তার মৃত নাতিকে ফিরিয়ে আনা (সরাসরি চাননি, তবে এটিই ছিল তার সবচেয়ে বড় দুঃখ)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা সরাসরি লেখকের কাছে তার মৃত নাতিকে ফিরিয়ে আনার আবদার করেননি, কিন্তু তার কথার মধ্যে নাতিকে হারানোর গভীর বেদনা প্রকাশ পেত, যা পূরণ করা লেখকের পক্ষে অসম্ভব ছিল।
প্রশ্ন ৩৯৫: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকাকে কীসের প্রতীক হিসেবে দেখেছেন?
উত্তর: B) ঔপনিবেশিক শোষণ ও মানবতার অপমান
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকাকে ঔপনিবেশিক শোষণ, অত্যাচার এবং মানবতার অপমানের শিকার এক ভূখণ্ড হিসেবে দেখেছেন এবং তার প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।
প্রশ্ন ৩৯৬: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি কে “একটু আধটু সংশোধন” করে ছাপানোর জন্য নিয়েছিলেন?
উত্তর: D) তার নতুন মেসোমশাই
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই, যিনি একজন লেখক ছিলেন, তপনের লেখা গল্পটি “একটু আধটু সংশোধন” করে ছাপানোর জন্য নিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৩৯৭: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের মনে নদীর প্রতি কেমন অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছিল?
উত্তর: C) গভীর প্রেম ও একাত্মতা
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের মনে নদীর প্রতি এক গভীর প্রেম, আকর্ষণ এবং একাত্মতার অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছিল। সে নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে দেখত।
প্রশ্ন ৩৯৮: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রধান কারণ কী ছিল?
উত্তর: C) তাদের মধ্যে বয়সের ও চেহারার মিল এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতি
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রধান কারণ ছিল তাদের সমবয়সী হওয়া, চেহারায় কিছুটা মিল থাকা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, একে অপরের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও ভালোবাসা।
প্রশ্ন ৩৯৯: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি “ওইNN আসে সুন্দর”—এই আগমনকে কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: B) কালবৈশাখীর ঝড়ের সাথে
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি নতুনের বা সুন্দরের আগমনকে কালবৈশাখীর ঝড়ের মতো বিধ্বংসী কিন্তু একই সাথে সজীবতাদায়ক ও পুরাতনকে ধ্বংসকারী শক্তির সাথে তুলনা করেছেন।
প্রশ্ন ৪০০: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব কোন দেশে চাকরি করত?
উত্তর: C) ব্রহ্মদেশ (বার্মা)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব ব্রহ্মদেশের (বর্তমান মায়ানমার) রেঙ্গুন শহরে একটি সওদাগরি অফিসে চাকরি করত।
প্রশ্ন ৪০১: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার বন্ধুরা তাকে কী বলে ডাকত?
উত্তর: D) হরিদা
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে প্রধান চরিত্রকে তার বন্ধুরা এবং পরিচিতরা সাধারণভাবে ‘হরিদা’ বলেই ডাকত।
প্রশ্ন ৪০২: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে কে নবাবকে “অপদার্থ” বলে অভিহিত করেছিলেন?
উত্তর: C) ঘসেটি বেগম
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে ঘসেটি বেগম নবাব সিরাজদ্দৌলার প্রতি তার তীব্র বিদ্বেষ ও হতাশা থেকে তাকে “অপদার্থ” এবং অন্যান্য কটু কথা বলেছিলেন।
প্রশ্ন ৪০৩: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর”—এই ‘পথ’ কীসের পথ?
উত্তর: C) বাঁচার বা পরিত্রাণের পথ
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর” বলতে কবি সমকালীন বিপদসংকুল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের বাঁচার বা পরিত্রাণের কোনো সহজ বা নিরাপদ পথের অভাবকে বুঝিয়েছেন।
প্রশ্ন ৪০৪: ‘নুন’ কবিতায় “আমরা তো এতেই খুশি”—’এতেই’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: C) সামান্য নুন-ভাত ও সাধারণ জীবনযাপন
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় “আমরা তো এতেই খুশি” বলতে দরিদ্র মানুষরা তাদের অভাবের মধ্যেও সামান্য নুন-ভাত এবং অতি সাধারণ জীবনযাপনেই তুষ্ট থাকার কথা বলেছে।
প্রশ্ন ৪০৫: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে মনসা দেবীর প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: C) চাঁদ সদাগরকে দিয়ে নিজের পূজা প্রতিষ্ঠা করানো
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে দেবী মনসার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল শিবভক্ত চাঁদ সদাগরকে দিয়ে মর্ত্যে তাঁর পূজা প্রতিষ্ঠা করানো। এই উদ্দেশ্যেই তিনি চাঁদ সদাগরের পরিবারের উপর বিভিন্ন বিপদ আপতিত করেছিলেন।
প্রশ্ন ৪০৬: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কাকে “বাংলার নীল সন্ধ্যা” বলেছেন?
উত্তর: B) হেমন্তের সন্ধ্যাকে
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি হেমন্তের শান্ত, স্নিগ্ধ সন্ধ্যাকে “বাংলার নীল সন্ধ্যা” বলেছেন, যা তার কবিতায় এক বিশেষ চিত্রকল্প তৈরি করেছে।
প্রশ্ন ৪০৭: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় “বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ”—এই দাগ কোথায় ছিল?
উত্তর: B) রাস্তার উপর (বা পথের ধুলোয়)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথক যে পথে হেঁটে গিয়েছিলেন, সেই পথের ধুলোয় তার পায়ের দাগ ছিল, যা সময়ের বৃষ্টিতে ধুয়ে গিয়েছিল। এটি স্মৃতি ও অস্তিত্বের বিলুপ্তির প্রতীক।
প্রশ্ন ৪০৮: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক বৃদ্ধাকে কী বলে ডাকতেন?
উত্তর: C) (সরাসরি কোনো সম্বোধন করতেন না, তবে মনে মনে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ছিল)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক বৃদ্ধাকে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট নামে ডাকতেন বলে উল্লেখ নেই। তবে বৃদ্ধা লেখককে “খোকা” বলে ডাকতেন এবং লেখক তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি পোষণ করতেন।
প্রশ্ন ৪০৯: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকাকে কার সাথে তুলনা করেছেন তার আদিম রহস্যময়তার জন্য?
উত্তর: C) সৃষ্টিকর্তার গোপন মন্ত্রের মতো (প্রকৃতির জাদু, যা অবগুণ্ঠিত ছিল)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কবি আফ্রিকার আদিম, অনাবিষ্কৃত এবং রহস্যময় রূপকে সৃষ্টিকর্তার এক গোপন মন্ত্র বা প্রকৃতির জাদু হিসেবে কল্পনা করেছেন, যা দীর্ঘকাল ধরে “অবগুণ্ঠিতা” বা আবৃত ছিল।
প্রশ্ন ৪১০: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের গল্পটি ছাপার অক্ষরে দেখে তার কী মনে হয়েছিল?
উত্তর: C) লেখাটা তার নিজের নয়, যেন অন্য কেউ লিখেছে
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি তার মেসোমশাইয়ের দ্বারা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হওয়ার পর যখন ছাপা হয়, তখন তপনের মনে হয়েছিল সেটি আর তার নিজের লেখা নয়, যেন অন্য কেউ সম্পূর্ণ নতুন করে লিখেছে। এই উপলব্ধি তার জ্ঞানচক্ষু খুলে দেয়।
প্রশ্ন ৪১১: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ কার উপর অভিমান করেছিল?
উত্তর: B) নদীর উপর
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর ধ্বংসাত্মক রূপ দেখে তার উপর অভিমান করেছিল। সে মনে করত, নদী যেন তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, কারণ সে নদীকে এত ভালোবাসত।
প্রশ্ন ৪১২: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা ইসাবের কোন আচরণে মুগ্ধ হয়েছিলেন?
উত্তর: C) অমৃতের প্রতি তার নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও ত্যাগ
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা ইসাবের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব এবং অমৃতকে বিপদ থেকে বাঁচানোর জন্য তার নিজের নতুন জামা অদলবদল করার মানসিকতায় মুগ্ধ হয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪১৩: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNNN আসে ভয়ঙ্কর”—এই ভয়ঙ্কর কে?
উত্তর: B) মহাকাল (প্রলয়ের দেবতা)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ভয়ঙ্কর” বলতে মহাকাল বা সেই প্রলয়ঙ্করী শক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুনের পথ প্রশস্ত করেন।
প্রশ্ন ৪১৪: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বকে কে সব্যসাচীর প্রকৃত পরিচয় জানিয়েছিল?
উত্তর: B) ভারতী
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতীই প্রথম অপূর্বকে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের প্রকৃত পরিচয় এবং তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানায়।
প্রশ্ন ৪১৫: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার আয়ের উৎস কী ছিল?
উত্তর: C) বহুরূপী সেজে পাওয়া বকশিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার আয়ের একমাত্র উৎস ছিল বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে বা বহুরূপী সেজে দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া সামান্য বকশিশ বা প্রণামী।
প্রশ্ন ৪১৬: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে হলওয়েল কে ছিলেন?
উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়ামের একজন ইংরেজ কর্মকর্তা ও অন্ধকূপ হত্যার প্রচারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে জন জেফানিয়া হলওয়েল ছিলেন ফোর্ট উইলিয়ামের একজন ইংরেজ কর্মকর্তা। তিনি তথাকথিত অন্ধকূপ হত্যার ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিজেকে দাবি করেন এবং এই ঘটনার প্রচারের মাধ্যমে সিরাজের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখেন।
প্রশ্ন ৪১৭: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের মাথায় বোমারু”—এই ‘বোমারু’ কীসের প্রতীক?
উত্তর: B) যুদ্ধবিমান ও ধ্বংসযজ্ঞ
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “বোমারু” শব্দটি যুদ্ধবিমান এবং তার মাধ্যমে আসা ধ্বংসযজ্ঞ ও মৃত্যুর প্রতীক। এটি সমকালীন জীবনের অনিশ্চয়তা ও বিপদের ইঙ্গিত দেয়।
প্রশ্ন ৪১৮: ‘নুন’ কবিতায় কথকেরা “অনেক দুঃখে” থাকলে কী করে?
উত্তর: C) বাড়িতে ফেরে (দেরি করে)
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় বলা হয়েছে, “আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক / ঠান্ডা ভাতেdropoutনুন নেই, ঘরে ফেরা হয় না তো”—অর্থাৎ, অভাবের তাড়নায় বা দুঃখ-কষ্টে থাকলে তারা অনেক সময় দেরিতে বাড়ি ফেরে বা ফিরতে চায় না। “অনেক দুঃখে”র প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়ার চেয়ে এটি একটি পরোক্ষ ফল।
প্রশ্ন ৪১৯: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে লখিন্দর কার পুত্র ছিলেন?
উত্তর: B) চাঁদ সদাগরের
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ লখিন্দর ছিলেন চম্পক নগরের ধনী বণিক চাঁদ সদাগর এবং তার স্ত্রী সনকার সপ্তম ও কনিষ্ঠ পুত্র।
প্রশ্ন ৪২০: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে লেখক হিমালয়কে কীসের প্রতীক হিসেবে দেখেছেন?
উত্তর: C) অনন্ত শান্তি, পবিত্রতা ও মহত্ত্ব
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়কে অনন্ত শান্তি, গভীর পবিত্রতা, অটল মহত্ত্ব এবং আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতীক হিসেবে দেখেছেন।
প্রশ্ন ৪২১: ‘খেয়া’ কবিতায় কবি “দুই কূলে” কাদের দেখতে পান?
উত্তর: C) পরিচিত ও অপরিচিত অসংখ্য মানুষকে
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘খেয়া’ কবিতায় কবি জীবনের খেয়াঘাটের দুই কূলে (জন্ম ও মৃত্যুর পারে) পরিচিত ও অপরিচিত অসংখ্য মানুষের আনাগোনা দেখতে পান।
প্রশ্ন ৪২২: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের চলে যাওয়ার পর কত বছর কেটে গিয়েছিল?
উত্তর: C) (নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই, তবে “বছরগুলো নেমে এলো তার মাথার উপর পাথরের মতো”)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের চলে যাওয়ার পর ঠিক কত বছর কেটে গিয়েছিল তার নির্দিষ্ট উল্লেখ নেই। তবে “বছরগুলো নেমে এলো তার মাথার উপর / একের পর এক / পাথরের মতো” এই পংক্তিটি দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার এবং অপেক্ষার ভার বোঝায়।
প্রশ্ন ৪২৩: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার কুটিরের পাশে কোন ধরনের বেড়া ছিল?
উত্তর: B) বাঁশের চাঁচের বেড়া
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার কুটিরের পাশে জীর্ণ বাঁশের চাঁচের বেড়ার উল্লেখ পাওয়া যায়, যা তার দারিদ্র্যপূর্ণ অবস্থার চিত্র তুলে ধরে।
প্রশ্ন ৪২৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “সভ্যের বর্বর লোভ”—এই লোভ কীসের জন্য?
উত্তর: B) আফ্রিকার সম্পদ ও মানুষকে শোষণ করার জন্য
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “সভ্যের বর্বর লোভ” বলতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন এবং সেখানকার মানুষদের দাস বানিয়ে শোষণ করার পাশবিক আকাঙ্ক্ষাকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ৪২৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ছাপানোর পর কে বলেছিল, “তপন, তোর লেখা গল্প… সত্যি ছাপার অক্ষরে”?
উত্তর: C) তার ছোটমাসি
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর তার ছোটমাসিই সবচেয়ে বেশি উত্তেজিত হয়ে সকলকে ডেকে ডেকে খবরটি জানিয়েছিলেন এবং এই উক্তিটি করেছিলেন।
প্রশ্ন ৪২৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের স্ত্রীর চিঠিতে কীসের অভাবের কথা লেখা থাকত?
উত্তর: C) (চিঠির বিষয়বস্তু বিস্তারিতভাবে গল্পে নেই)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ তার স্ত্রীর কাছ থেকে চিঠি পেত এবং নিজেও চিঠি লিখত। কিন্তু চিঠির বিষয়বস্তু বা কোনো অভাবের কথা বিস্তারিতভাবে গল্পে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রশ্ন ৪২৭: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামাটি ছিঁড়ে যাওয়ার পর ইসাব তাকে কী পরামর্শ দিয়েছিল?
উত্তর: C) জামা অদল বদল করতে
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পর তার বন্ধু ইসাব তাকে মায়ের মারের হাত থেকে বাঁচাতে তাদের দুজনের জামা অদল বদল করার পরামর্শ দিয়েছিল।
প্রশ্ন ৪২৮: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে”-কে?
উত্তর: C) সুন্দর (মহাকাল বা নবযুগ)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে সুন্দর” বলতে মহাকাল বা সেই নবযুগ সৃষ্টিকারী শক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি ধ্বংসের ভয়ঙ্কর রূপের মধ্য দিয়ে শুভর প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রশ্ন ৪২৯: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্ব তার কোন জিনিসটি হারিয়ে ফেলেছিল যার জন্য পুলিশ তাকে সন্দেহ করে?
উত্তর: C) তার রুমাল (যাতে ভারতীর নাম লেখা ছিল, বা অন্য কোনো প্রমাণ) / (মূলত তার আচরণ ও গিরিশ মহাপাত্রের সঙ্গে কথোপকথন)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বর কোনো জিনিস হারিয়ে ফেলার জন্য পুলিশ তাকে সন্দেহ করেনি। বরং তার অদ্ভুত আচরণ, গিরিশ মহাপাত্রের সঙ্গে তার কথোপকথন এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার মানসিক অবস্থা তাকে সন্দেহের মুখে ফেলেছিল। কিছু ক্ষেত্রে ভারতীর সঙ্গে তার সম্পর্কও পরোক্ষভাবে সন্দেহের কারণ হতে পারে।
প্রশ্ন ৪৩০: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন ছদ্মবেশে সবচেয়ে কম টাকা রোজগার করেছিলেন?
উত্তর: C) বাইজি (মাত্র আট আনা) / B) পাগল (কিছুই পাননি)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা বাইজির ছদ্মবেশে মাত্র আট আনা রোজগার করেছিলেন। পাগল সেজে তিনি কিছুই পাননি, বরং ছেলেরা তাকে ঢিল ছুঁড়েছিল। তাই সবচেয়ে কম (বা শূন্য) আয় হয়েছিল পাগল সেজে।
প্রশ্ন ৪৩১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে কে সিরাজকে “বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব” বলে অভিহিত করেছেন?
উত্তর: C) নাট্যকার স্বয়ং (বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট)
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজকে “বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব” হিসেবে নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত চিত্রিত করেছেন এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেও তিনি এই পরিচয়ে পরিচিত। নাটকের কোনো চরিত্র সরাসরি এই উক্তি করেছে কিনা তা নির্দিষ্ট নয়।
প্রশ্ন ৪৩২: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর”—এই কথাটির মাধ্যমে কবি কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন?
উত্তর: B) বাঁচার বা মুক্তির পথের অভাব
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের পথ নেই আর” এই কথাটির মাধ্যমে কবি সমকালীন বিপদসংকুল ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের বাঁচার বা মুক্তির কোনো সহজ ও নিরাপদ পথের অভাবের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
প্রশ্ন ৪৩৩: ‘নুন’ কবিতায় কথকেরা “সাধারণ ভাতকাপড়ে” দিন কাটানোর পাশাপাশি তাদের আর কী চাহিদা থাকে?
উত্তর: C) মাঝে মাঝে একটু ভালোমন্দ খাবার ও সামান্য শখ পূরণ
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র মানুষরা তাদের অভাবের মধ্যেও মাঝে মাঝে একটু ভালোমন্দ খাওয়ার, সামান্য শখ (যেমন গোলাপ চারা) পূরণ করার এবং সাধারণ আনন্দ উপভোগ করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ৪৩৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা কার বরে লখিন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন?
উত্তর: B) মনসা দেবীর বরে (অন্যান্য দেবতাদের সহায়তায়)
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে বেহুলা তার নৃত্যগীত ও পতিভক্তির দ্বারা স্বর্গের দেবতাদের মুগ্ধ করেন এবং তাদের সহায়তায় দেবী মনসাকে সন্তুষ্ট করে তাঁর বরে লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪৩৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন সময়ের আকাশের কথা বলেছেন?
উত্তর: C) সন্ধ্যার (যখন আকাশে সাতটি তারা ফুটে ওঠে)
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি মূলত সন্ধ্যার আকাশের এবং সেই সময়ে বাংলার প্রকৃতির রূপ বর্ণনা করেছেন, যখন আকাশে একে একে সাতটি তারা ফুটে ওঠে।
প্রশ্ন ৪৩৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি হিমালয়ের কোন বৈশিষ্ট্যকে “অনন্তকালের নীরব সাক্ষী” বলেছেন?
উত্তর: C) তার অটলতা ও গাম্ভীর্য
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের অটল, স্থির, নীরব এবং গম্ভীর রূপকে অনন্তকালের নীরব সাক্ষী হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা যুগ যুগ ধরে প্রকৃতির মহিমা বহন করে চলেছে।
প্রশ্ন ৪৩৭: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে কবি কোন মন্ত্রে সকলকে দীক্ষিত হতে বলেছেন?
উত্তর: B) ঐক্যের মন্ত্র (“এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান”)
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে সকল বাঙালির প্রাণ, মন এবং ভাই-বোনদের “এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান” এই ঐক্যের মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রশ্ন ৪৩৮: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবেরদের গ্রামে বর্ষাকালে কীসের প্রকোপ দেখা দিত?
উত্তর: A) বন্যা ও ঝড়
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে (এবং ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসে) পদ্মাপাড়ের জেলেদের গ্রামে বর্ষাকালে প্রায়শই বন্যা, ঝড় এবং নদীর ভাঙনের প্রকোপ দেখা দিত, যা তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলত।
প্রশ্ন ৪৩৯: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য যে খাবার নিয়ে আসতেন, তা তিনি কোথা থেকে সংগ্রহ করতেন?
উত্তর: B) নিজের সামান্য জমি ও বাগান থেকে
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধা লেখকের জন্য ফলমূল, শাকসবজি, দুধ-দই ইত্যাদি তার নিজের সামান্য জমি, বাগান বা গৃহপালিত পশু থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে আসতেন।
প্রশ্ন ৪৪০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “তোমার ভাষাহীন ক্রন্দনে বাষ্পাকুল অরণ্যপথে”—এই ক্রন্দন কীসের জন্য?
উত্তর: B) ঔপনিবেশিক শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় এই পংক্তিটি আফ্রিকার উপর চালানো ঔপনিবেশিক শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার নীরব, ভাষাহীন বেদনা ও প্রতিবাদের চিত্র তুলে ধরে। তার কান্না যেন অরণ্যপথকে বাষ্পাকুল করে তুলেছিল।
প্রশ্ন ৪৪১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ছাপানোর ব্যাপারে কে সবচেয়ে বেশি উৎসাহী ছিলেন?
উত্তর: C) তপনের ছোটমাসি
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ছাপানোর ব্যাপারে তার ছোটমাসি সবচেয়ে বেশি উৎসাহী ছিলেন এবং তিনিই গল্পটি তার স্বামী (তপনের মেসোমশাই) কে দেখিয়ে ছাপানোর ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
প্রশ্ন ৪৪২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কোন রূপটিকে “জীবন্ত” বলে মনে করত?
উত্তর: B) বর্ষার ভয়ঙ্কর, উত্তাল ও পরিবর্তনশীল রূপ
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর বর্ষাকালীন ভয়ঙ্কর, উত্তাল এবং প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল রূপটিকে জীবন্ত এবং বিদ্রোহী সত্তা হিসেবে অনুভব করত।
প্রশ্ন ৪৪৩: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের ছেঁড়া জামা দেখে তার মা কী করতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: B) তাকে মারতে
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় তার মা অত্যন্ত রেগে গিয়েছিলেন এবং তাকে মারতে উদ্যত হয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪৪৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে”—কার আগমনকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: C) সুন্দর (নবযুগ বা বিপ্লবী শক্তি)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে সুন্দর” বলতে নবযুগ, বিপ্লবী শক্তি বা সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনকে বোঝানো হয়েছে, যা পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে।
প্রশ্ন ৪৪৫: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের সহযাত্রী গিরিশ মহাপাত্রের পোশাক কেমন ছিল?
উত্তর: C) অদ্ভুত ও বিচিত্র (যেমন বাঘছালের রুমালে বাঁধা ট্যাঁক, হরিণের শিং-এর কলম ইত্যাদি)
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে গিরিশ মহাপাত্রের (সব্যসাচীর ছদ্মবেশ) পোশাক ছিল অত্যন্ত অদ্ভুত ও বিচিত্র। তার কাছে বাঘছালের রুমালে বাঁধা ট্যাঁক, হরিণের শিং দিয়ে তৈরি কলম ইত্যাদি জিনিস ছিল, যা তার ছদ্মবেশের অংশ ছিল।
প্রশ্ন ৪৪৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার কোন ছদ্মবেশ দেখে জগদীশবাবু সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন?
উত্তর: D) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার বিরাগী (সন্ন্যাসী) ছদ্মবেশ দেখে গ্রামের ধনী ব্যক্তি জগদীশবাবু সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং তাকে প্রকৃত সাধু ভেবেছিলেন।
প্রশ্ন ৪৪৭: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মীরজাফর ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্র করে কী লাভ করতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: B) বাংলার নবাবী (সিংহাসন)
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে মীরজাফর ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্র করে বাংলার নবাবী বা সিংহাসন লাভ করতে চেয়েছিলেন। এটিই ছিল তার বিশ্বাসঘাতকতার মূল উদ্দেশ্য।
প্রশ্ন ৪৪৮: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “ভিখারি” বলেছেন?
উত্তর: B) ‘আমরা’ (সাধারণ, সহায়হীন মানুষ)
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ, সহায়হীন মানুষদের অবস্থাকে “ভিখারি”-র সাথে তুলনা করেছেন (“আমরাও তবে এইভাবে / এই মুহূর্তে মরে যাব না কি? / পৃথিবী হয়তো বেঁচে আছে / পৃথিবী হয়তো গেছে মরে / আমাদের কথা কে বা জানে / আমরা ফিরেছি দোরে দোরে”)। এই উক্তিটি তাদের অসহায়ত্ব ও নিরাশ্রয় অবস্থাকে নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ৪৪৯: ‘নুন’ কবিতায় কথকদের বাড়িতে কীসের অভাব লেগেই থাকে?
উত্তর: C) নুন-ভাত ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র কথকদের বাড়িতে নুন-ভাত অর্থাৎ মৌলিক খাদ্য এবং অন্যান্য জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব লেগেই থাকে।
প্রশ্ন ৪৫০: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে মনসা দেবী কোন সাপের মাধ্যমে লখিন্দরকে দংশন করান?
উত্তর: B) কালনাগিনী
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ দেবী মনসা কালনাগিনী নামক একটি বিষধর সাপের মাধ্যমে লখিন্দরকে বাসরঘরে দংশন করিয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪৫১: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন সময়ের বাংলার প্রকৃতির ছবি এঁকেছেন?
উত্তর: C) সন্ধ্যাবেলা
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি মূলত সন্ধ্যাবেলার বাংলার প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর ছবি এঁকেছেন, যখন আকাশে ধীরে ধীরে সাতটি তারা ফুটে ওঠে।
প্রশ্ন ৪৫২: ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের অপেক্ষায় থাকা মেয়েটি কী করত?
উত্তর: C) (কবিতায় তার অপেক্ষারত অবস্থার কথাই বলা হয়েছে, বিশেষ কোনো কাজের উল্লেখ নেই)
বিস্তারিত উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের অপেক্ষায় থাকা মেয়েটি দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল। তার এই অপেক্ষারত অবস্থার কথাই কবি উল্লেখ করেছেন, সে নির্দিষ্ট কোনো কাজ করছিল এমন বর্ণনা নেই।
প্রশ্ন ৪৫৩: ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক কতদিন পর পর গ্রামে যেতেন?
উত্তর: C) কয়েক বছর অন্তর (সাধারণত পূজার ছুটিতে)
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে লেখক চাকরি সূত্রে শহরে থাকতেন এবং সাধারণত কয়েক বছর অন্তর, বিশেষত পূজার ছুটিতে, তার গ্রামের বাড়িতে যেতেন।
প্রশ্ন ৪৫৪: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী”—এখানে ‘তোমার সভ্যতা’ বলতে কাদের সভ্যতাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: B) ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক সভ্যতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “তোমার সভ্যতা” বলতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক সভ্যতাকে বোঝানো হয়েছে, যারা আফ্রিকার উপর অত্যাচার চালিয়েছিল। কবি তাদের এই কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রশ্ন ৪৫৫: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি তার মেসোমশাই কী করেছিলেন?
উত্তর: C) কিছুটা সংশোধন করে ছাপিয়েছিলেন
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসোমশাই তার লেখা গল্পটি “একটু-আধটু কারেকশন” করে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।
প্রশ্ন ৪৫৬: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের কাছে নদীর ভয়ঙ্কর রূপটি কেমন লেগেছিল?
উত্তর: B) আকর্ষণীয় ও রহস্যময়
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদের কাছে নদীর ভয়ঙ্কর, উত্তাল রূপটি একইসঙ্গে ভীতিপ্রদ এবং আকর্ষণীয় ও রহস্যময় লেগেছিল। সে এই রূপের প্রতি এক ধরনের অমোঘ টান অনুভব করত।
প্রশ্ন ৪৫৭: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের মায়েরা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
উত্তর: A) অমৃতের মা হিন্দু, ইসাবের মা মুসলিম
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত হিন্দু পরিবারের ছেলে এবং ইসাব মুসলিম পরিবারের ছেলে। সুতরাং, তাদের মায়েরাও যথাক্রমে হিন্দু ও মুসলিম ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
প্রশ্ন ৪৫৮: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কাদের “তোরা সব জয়ধ্বনি কর” বলে আহ্বান জানিয়েছেন?
উত্তর: B) বিপ্লবী ও নতুনের অগ্রদূতদের
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি বিপ্লবী শক্তি এবং নতুনের অগ্রদূতদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন, কারণ তারাই পুরাতন জীর্ণতাকে ধ্বংস করে নতুন যুগ প্রতিষ্ঠা করবে।
প্রশ্ন ৪৫৯: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে অপূর্বের প্রতি ভারতীর মনোভাব কেমন ছিল?
উত্তর: B) সহানুভূতি, স্নেহ ও কিছুটা সংশয়
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ভারতী অপূর্বের প্রতি সহানুভূতি ও স্নেহ পোষণ করতেন, কিন্তু তার দুর্বলচিত্ততা ও বিপ্লবের প্রতি দ্বিধাগ্রস্ত মনোভাবের কারণে কিছুটা সংশয়ও অনুভব করতেন।
প্রশ্ন ৪৬০: ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা কোন রূপে অভিনয় করে আট আনা উপার্জন করেছিলেন?
উত্তর: B) পুলিশ
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা একবার পুলিশ সেজে দয়ালবাবুর লিচুবাগানে স্কুলের ছেলেদের তাড়া করে আট আনা উপার্জন করেছিলেন।
প্রশ্ন ৪৬১: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাবের পতনের পর কে বাংলার মসনদে বসেন?
উত্তর: B) মীরজাফর
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে, নবাব সিরাজদ্দৌলার পতনের পর ইংরেজদের সহায়তায় বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর বাংলার মসনদে বসেন।
প্রশ্ন ৪৬২: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ডান পাশে ধস” এবং “বাঁয়ে গিরিখাত” কিসের প্রতীক?
উত্তর: B) জীবনের চারিদিকে বিপদ ও অনিশ্চয়তার
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় “আমাদের ডান পাশে ধস” এবং “বাঁয়ে গিরিখাত” এই চিত্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষের জীবনের চারিদিকে ঘিরে থাকা বিপদ, পতন এবং চরম অনিশ্চয়তার প্রতীক।
প্রশ্ন ৪৬৩: ‘নুন’ কবিতায় কথকেরা “ফুলদানি” কোথায় রাখবে তা নিয়ে চিন্তিত কেন?
উত্তর: B) তাদের ছোট ঘরে জায়গা নেই বলে
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র কথকেরা যখন সামান্য পয়সায় একটি গোলাপ চারা কেনে, তখন তাদের মনে প্রশ্ন জাগে যে, এই সৌন্দর্যকে তারা তাদের ছোট, অভাবগ্রস্ত ঘরে কোথায় স্থান দেবে। এটি তাদের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র তুলে ধরে।
প্রশ্ন ৪৬৪: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা কার বরে লখিন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন?
উত্তর: B) মনসা দেবীর বরে (দেবতাদের মধ্যস্থতায়)
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যে বেহুলা তার নৃত্য ও সঙ্গীতের মাধ্যমে স্বর্গের দেবতাদের মুগ্ধ করেছিলেন এবং তাদের মধ্যস্থতায় ও দেবী মনসার কৃপায় লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন।
প্রশ্ন ৪৬৫: ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন সময়ের বাংলার প্রকৃতির রূপ এঁকেছেন?
উত্তর: C) সন্ধ্যাবেলা
বিস্তারিত উত্তর: জীবনানন্দ দাশের ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতায় কবি মূলত সন্ধ্যাবেলার বাংলার প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর রূপ এবং সেই সময়ে আকাশে ধীরে ধীরে সাতটি তারার আবির্ভাবের চিত্র এঁকেছেন।
প্রশ্ন ৪৬৬: ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে স্বামীজি হিমালয়ের কোন বৈশিষ্ট্যকে বিশেষভাবে উপলব্ধি করেছেন?
উত্তর: C) আধ্যাত্মিক বিশালতা ও শান্তির আকর
বিস্তারিত উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দের ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে তিনি হিমালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার আধ্যাত্মিক বিশালতা, পবিত্রতা এবং শান্তির আকর হিসেবে হিমালয়কে উপলব্ধি করেছেন।
প্রশ্ন ৪৬৭: ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
উত্তর: C) ভাণ্ডার
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি প্রথম ‘ভাণ্ডার’ পত্রিকায় (আশ্বিন, ১৩১২ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ৪৬৮: ‘ইলিশ’ গল্পে কুবের তার ধরা ইলিশ কোথায় বিক্রি করতে নিয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: C) মহাজনের কাছে (বা চালানদারের মাধ্যমে বাজারে)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইলিশ’ গল্পে জেলেরা সাধারণত তাদের ধরা মাছ মহাজন বা চালানদারের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করত। কুবেরও সেই প্রথাই অনুসরণ করত।
প্রশ্ন ৪৬৯: ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার মৃত্যুতে লেখকের মনে কোন অনুভূতি প্রবল হয়েছিল?
উত্তর: C) গভীর বেদনা ও আত্মীয় হারানোর শূন্যতা
বিস্তারিত উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আহ্বান’ গল্পে বৃদ্ধার মৃত্যুতে লেখকের মনে গভীর বেদনা, শূন্যতা এবং একজন নিকট আত্মীয় হারানোর অনুভূতি প্রবল হয়েছিল।
প্রশ্ন ৪৭০: ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়”—এই পাহারা কিসের?
উত্তর: B) আদিম অরণ্য প্রকৃতির দুর্ভেদ্যতা
বিস্তারিত উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় বনস্পতির নিবিড় পাহারা বলতে আফ্রিকার আদিম, দুর্ভেদ্য অরণ্য প্রকৃতিকে বোঝানো হয়েছে, যা তাকে বাইরের জগৎ থেকে আড়াল করে রেখেছিল।
প্রশ্ন ৪৭১: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার লেখা গল্পটি প্রথম কাকে শুনিয়েছিল?
উত্তর: C) ছোটমাসি
বিস্তারিত উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার লেখা প্রথম গল্পটি তার ছোটমাসিকে শুনিয়েছিল। ছোটমাসিই গল্পটি নিয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেন।
প্রশ্ন ৪৭২: ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর কাছে কীসের কৈফিয়ত চেয়েছিল?
উত্তর: C) কেন সে এমনভাবে মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙছে (তার ধ্বংসাত্মক রূপের কারণ)
বিস্তারিত উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে নদেরচাঁদ নদীর ভয়াল রুদ্ররূপ দেখে তার কাছে কৈফিয়ত চেয়েছিল, কেন সে এমনভাবে মানুষের ঘরবাড়ি, বাঁধ ভেঙে তাদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে।
প্রশ্ন ৪৭৩: ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ও অমৃতের মধ্যে কে বেশি শান্ত প্রকৃতির ছিল?
উত্তর: B) ইসাব
বিস্তারিত উত্তর: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব চরিত্রটি অমৃতের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি শান্ত, ধীরস্থির এবং বিচক্ষণ প্রকৃতির ছিল।
প্রশ্ন ৪৭৪: ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইNN আসে”-কে?
উত্তর: C) সুন্দর (মহাকাল বা নবযুগ)
বিস্তারিত উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় “ওইN আসে সুন্দর” বলতে মহাকাল বা সেই নবযুগ সৃষ্টিকারী শক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি ধ্বংসের ভয়ঙ্কর রূপের মধ্য দিয়ে শুভর প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রশ্ন ৪৭৫: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে নিমাইবাবু কোন পদে চাকরি করতেন?
উত্তর: C) পুলিশ ইন্সপেক্টর
বিস্তারিত উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে নিমাইবাবু ছিলেন রেঙ্গুন পুলিশের একজন বাঙালি পুলিশ ইন্সপেক্টর।
প্রশ্ন ৪৭৬: ‘বহুরূপী’ গল্পে জগদীশবাবু হরিদার কোন রূপে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন?
উত্তর: D) বিরাগী (সন্ন্যাসী)
বিস্তারিত উত্তর: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে জগদীশবাবু হরিদার বিরাগী (সন্ন্যাসী) রূপে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন এবং তাকে প্রকৃত সাধু ভেবেছিলেন।
প্রশ্ন ৪৭৭: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: D) জগৎশেঠের বাড়ি
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল ধনী মহাজন জগৎশেঠের বাড়ি, যেখানে মীরজাফর, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ এবং ইংরেজ প্রতিনিধিরা মিলিত হতেন।
প্রশ্ন ৪৭৮: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি কাদের “ডান পাশে ধস” এবং “বাঁয়ে গিরিখাত” দেখেছেন?
উত্তর: B) ‘আমাদের’ (সাধারণ মানুষদের)
বিস্তারিত উত্তর: শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাধারণ মানুষদের (“আমাদের”) চারিদিকে বিপদ (“ডান পাশে ধস”, “বাঁয়ে গিরিখাত”) এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি দেখেছেন।
প্রশ্ন ৪৭৯: ‘নুন’ কবিতায় কথকদের “শুকনো ভাতে” কীসের অভাব?
উত্তর: C) লবণের
বিস্তারিত উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দরিদ্র কথকদের “শুকনো ভাতে” সামান্য লবণেরও অভাব, যা তাদের চরম দারিদ্র্যকে নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ৪৮০: ‘লখিন্দরের বাসর’ কাব্যংশে বেহুলা লখিন্দরের মৃতদেহ নিয়ে কোথায় যাত্রা করেছিলেন?
উত্তর: B) স্বর্গে (দেবতাদের কাছে)
বিস্তারিত উত্তর: মনসামঙ্গল কাব্যের অংশ ‘লখিন্দরের বাসর’-এ বেহুলা তার মৃত স্বামী লখিন্দরের দেহ ভেলায় নিয়ে স্বর্গে দেবতাদের কাছে যাত্রা করেছিলেন, স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনার আশায়।
আপনি কি WB SSC SLSTএর পরিক্ষার্থী ssc slst bengali syllabus দেখেছেন তাহলে slst bengali practice set দেখুন এবং slst bengali question paper গুলো কেমন হবে ভাবুন তাই slst bengali notes তৈরি করুন এবূং slst bengali mock test দিন slst bengali question গুলো ভালো ভাবে Details এ পড়ুন wb slst bengali mock test Practice করুন