বিস্তারিত উত্তর: এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। ‘আ’ + ‘আ’ = ‘আ’। বিদ্যা (আ) + আলয় (আ) = বিদ্যালয় (আ)।
প্রশ্ন ৩: ধ্বনি পরিবর্তনের যে রীতিতে শব্দমধ্যস্থ ‘ই’ বা ‘উ’ ধ্বনি আগে উচ্চারিত হয়, তাকে কী বলে?
A) অপিনিহিতি
B) অভিশ্রুতি
C) স্বরাগম
D) ধ্বনি বিপর্যয়
উত্তর: A) অপিনিহিতি
বিস্তারিত উত্তর: অপিনিহিতি হলো যখন শব্দের মধ্যে থাকা ‘ই’ বা ‘উ’ ধ্বনি তার মূল স্থান থেকে সরে এসে আগে উচ্চারিত হয়। যেমন: ‘আজি’ > ‘আইজ’, ‘সাধু’ > ‘সাউধ’।
প্রশ্ন ৪: নিচের কোনটি সমীভবনের উদাহরণ?
A) ধর্ম > ধম্ম
B) রাত্রি > রাইত
C) নারিকেল > নারকেল
D) দেশি > দিশি
উত্তর: A) ধর্ম > ধম্ম
বিস্তারিত উত্তর: সমীভবন হলো যখন দুটি অসম ব্যঞ্জনধ্বনির একটি অপরটির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে সমতা লাভ করে। ‘ধর্ম’ (র্ + ম) থেকে ‘ধম্ম’ (ম্ + ম) হয়েছে, যেখানে ‘র্’ ধ্বনিটি ‘ম’ ধ্বনির প্রভাবে ‘ম’-তে রূপান্তরিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৫: ‘শরীর’ থেকে ‘শরীল’ এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতির উদাহরণ?
A) স্বরলোপ
B) ধ্বনি বিপর্যয়
C) বিষমীভবন
D) সম্প্রকর্ষ
উত্তর: C) বিষমীভবন
বিস্তারিত উত্তর: বিষমীভবন হলো যখন একই শব্দে ব্যবহৃত দুটি সমবর্ণের একটি পরিবর্তিত হয়। এখানে ‘শরীর’ (দুটি ‘র’) থেকে ‘শরীল’ (একটি ‘র’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ল’) হয়েছে।
প্রশ্ন ৬: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ‘উপসর্গ’ কয় প্রকার?
A) ২ প্রকার
B) ৩ প্রকার
C) ৪ প্রকার
D) ৫ প্রকার
উত্তর: B) ৩ প্রকার
বিস্তারিত উত্তর: বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ আছে: সংস্কৃত উপসর্গ (২০টি), বাংলা উপসর্গ (২১টি) এবং বিদেশি উপসর্গ।
প্রশ্ন ৭: নিচের কোনটি অনুসর্গের উদাহরণ?
A) প্রতি
B) পরা
C) দ্বারা
D) অনা
উত্তর: C) দ্বারা
বিস্তারিত উত্তর: অনুসর্গ হলো এমন শব্দ বা শব্দাংশ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে তাদের কারক সম্পর্ক নির্দেশ করে। ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’, ‘কর্তৃক’, ‘জন্য’, ‘থেকে’ ইত্যাদি অনুসর্গ। ‘প্রতি’, ‘পরা’, ‘অনা’ এগুলো উপসর্গ।
প্রশ্ন ৮: ‘গায়ক’ শব্দটিতে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
A) অক
B) ক
C) ণক
D) ইক
উত্তর: A) অক
বিস্তারিত উত্তর: ‘গায়ক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘গৈ’ ধাতু (গান করা অর্থে) + ‘ণ্বুল’ প্রত্যয়যোগে। ণ্বুল প্রত্যয়ের ‘উল’ এর ‘অক’ থাকে, তাই ‘গৈ + অক = গায়ক’। এটি কৃৎপ্রত্যয়ের উদাহরণ।
প্রশ্ন ৯: ‘মিশুক’ শব্দটির ধাতু ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ কোনটি?
A) মিশ্ + উক
B) মিশ্ + ক
C) মিশ + উ
D) মিষ্ + উক
উত্তর: A) মিশ্ + উক
বিস্তারিত উত্তর: ‘মিশুক’ শব্দটি ‘মিশ্’ (ধাতু) + ‘উক’ (কৃৎপ্রত্যয়) দ্বারা গঠিত।
প্রশ্ন ১০: ‘পরা’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
A) বিপরীত
B) সম্মুখ
C) বিশেষ
D) ক্ষুদ্র
উত্তর: A) বিপরীত
বিস্তারিত উত্তর: ‘পরা’ উপসর্গটি সাধারণত ‘বিপরীত’, ‘অতিক্রম’ বা ‘বিনাশ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: পরাভব, পরাজয়, পরাকাষ্ঠা।
প্রশ্ন ১১: নিচের কোনটি তৎসম শব্দের উদাহরণ?
A) চাঁদ
B) হাত
C) চন্দ্র
D) পাতা
উত্তর: C) চন্দ্র
বিস্তারিত উত্তর: তৎসম শব্দ হলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় আগত শব্দ। ‘চন্দ্র’ সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে। ‘চাঁদ’ তদ্ভব শব্দ (চন্দ্র > চন্দ > চাঁদ), ‘হাত’ তদ্ভব শব্দ (হস্ত > হাত), ‘পাতা’ তদ্ভব শব্দ (পত্র > পত্ > পাতা)।
প্রশ্ন ১২: ‘আকাল’ শব্দটি কোন প্রকার বিদেশি শব্দ?
A) ফারসি
B) আরবি
C) তুর্কি
D) পর্তুগিজ
উত্তর: B) আরবি
বিস্তারিত উত্তর: ‘আকাল’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ।
প্রশ্ন ১৩: ‘পোস্ট’ শব্দটি কোন প্রকার বিদেশি শব্দ?
A) ফরাসি
B) ইংরেজি
C) ওলন্দাজ
D) জাপানি
উত্তর: B) ইংরেজি
বিস্তারিত উত্তর: ‘পোস্ট’ শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
প্রশ্ন ১৪: ‘ডাক্তার’ কোন শ্রেণীর শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) অর্ধ-তৎসম
D) বিদেশি
উত্তর: D) বিদেশি
বিস্তারিত উত্তর: ‘ডাক্তার’ (Doctor) শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ।
প্রশ্ন ১৫: নিচের কোনটি তদ্ভব শব্দ?
A) ধর্ম
B) কাজ
C) ভবন
D) মিত্র
উত্তর: B) কাজ
বিস্তারিত উত্তর: তদ্ভব শব্দ হলো সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ‘কার্য’ (সংস্কৃত) > ‘কজ্জ’ (প্রাকৃত) > ‘কাজ’ (বাংলা)। ‘ধর্ম’, ‘ভবন’, ‘মিত্র’ তৎসম শব্দ।
প্রশ্ন ১৬: নিচের কোনটি গুণবাচক বিশেষণের উদাহরণ?
A) দশটি কলম
B) লোকটি বুদ্ধিমান
C) চতুর্থ শ্রেণী
D) অনেক জল
উত্তর: B) লোকটি বুদ্ধিমান
বিস্তারিত উত্তর: গুণবাচক বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, দোষ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়। ‘বুদ্ধিমান’ শব্দটি লোকটির একটি গুণ বোঝাচ্ছে। ‘দশটি’ সংখ্যাবাচক, ‘চতুর্থ’ ক্রমবাচক, ‘অনেক’ পরিমাণবাচক।
প্রশ্ন ১৭: ‘আহা! কী সুন্দর দৃশ্য!’ – এখানে ‘আহা’ কোন প্রকার অব্যয়?
A) পদান্বয়ী অব্যয়
B) অনন্বয়ী অব্যয়
C) সমুচ্চয়ী অব্যয়
D) অনুকার অব্যয়
উত্তর: B) অনন্বয়ী অব্যয়
বিস্তারিত উত্তর: অনন্বয়ী অব্যয় বাক্যের অন্য কোনো পদের সাথে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে বসে বিস্ময়, হর্ষ, দুঃখ, ঘৃণা ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশ করে। ‘আহা’ বিস্ময় প্রকাশ করছে।
বিস্তারিত উত্তর: ‘যাব’ ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজ ঘটবে এমন বোঝায়, যা সাধারণ ভবিষ্যৎকালের উদাহরণ।
প্রশ্ন ১৯: ‘সে হাসতে হাসতে চলে গেল।’ – এখানে ‘হাসতে হাসতে’ কোন পদ?
A) বিশেষ্য
B) বিশেষণ
C) ক্রিয়া বিশেষণ
D) অব্যয়
উত্তর: C) ক্রিয়া বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘হাসতে হাসতে’ পদটি ‘চলে গেল’ ক্রিয়াটিকে কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা নির্দেশ করছে, তাই এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
প্রশ্ন ২০: নিচের কোনটি সকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ?
A) শিশুটি ঘুমায়।
B) মেয়েটি গান গায়।
C) লোকটি চলে।
D) ফুল ফোটে।
উত্তর: B) মেয়েটি গান গায়।
বিস্তারিত উত্তর: সকর্মক ক্রিয়া হলো যার কর্ম থাকে বা কর্ম গ্রহণ করতে পারে। ‘মেয়েটি কী গায়?’ – উত্তর: ‘গান’। তাই ‘গান’ এখানে কর্ম, এবং ‘গায়’ একটি সকর্মক ক্রিয়া। অন্য বাক্যগুলোতে ক্রিয়া কর্মবিহীন।
প্রশ্ন ২১: ‘ছেলেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।’ – এখানে ‘ফুটবল’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণকারক
D) অধিকরণ কারক
উত্তর: B) কর্মকারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী খেলছে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘ফুটবল’ পাওয়া যায়। যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কর্মকারক বলে।
প্রশ্ন ২২: ‘এ বাড়িতে আমার জন্ম।’ – এখানে ‘বাড়িতে’ কোন কারক?
A) অপাদান কারক
B) অধিকরণ কারক
C) সম্প্রদান কারক
D) করণকারক
উত্তর: B) অধিকরণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় জন্ম?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘বাড়িতে’ পাওয়া যায়। ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা আধার বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
প্রশ্ন ২৩: ‘গরিবকে বস্ত্র দাও।’ – এখানে ‘গরিবকে’ কোন কারক?
A) কর্মকারক
B) সম্প্রদান কারক
C) অপাদান কারক
D) করণকারক
উত্তর: B) সম্প্রদান কারক
বিস্তারিত উত্তর: যখন কোনো কিছু নিঃশর্তভাবে কাউকে দান করা হয়, তখন যাকে দান করা হয় তা সম্প্রদান কারক হয়। এখানে ‘গরিবকে’ বস্ত্র দান করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ২৪: ‘রোগী পথ্য সেবন করে।’ – এখানে ‘পথ্য’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণকারক
D) সম্প্রদান কারক
উত্তর: B) কর্মকারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী সেবন করে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘পথ্য’ পাওয়া যায়। তাই ‘পথ্য’ কর্মকারক।
প্রশ্ন ২৫: ‘ডাক্তার ডাকো।’ – এখানে ‘ডাক্তার’ কোন অকারক সম্পর্ক?
A) সম্বন্ধ পদ
B) সম্বোধন পদ
C) সমাস
D) বিশেষণ
উত্তর: B) সম্বোধন পদ
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যে যাকে আহ্বান বা সম্বোধন করা হয়, তাকে সম্বোধন পদ বলে। এখানে ‘ডাক্তার’কে আহ্বান করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ২৬: ‘নীলকণ্ঠ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
A) দ্বন্দ্ব সমাস
B) কর্মধারয় সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: C) বহুব্রীহি সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘নীলকণ্ঠ’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘নীল কণ্ঠ যার’ (অর্থাৎ শিব)। যে সমাসে সমস্যমান পদগুলির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
প্রশ্ন ২৭: ‘সিংহপুরুষ’ এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
A) সিংহ ও পুরুষ
B) সিংহ যে পুরুষ
C) সিংহের ন্যায় পুরুষ
D) সিংহ দ্বারা পুরুষ
উত্তর: C) সিংহের ন্যায় পুরুষ
বিস্তারিত উত্তর: ‘সিংহপুরুষ’ একটি উপমান কর্মধারয় সমাস। এখানে পুরুষকে সিংহের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
প্রশ্ন ২৮: ‘উপকূল’ কোন সমাসের উদাহরণ?
A) দ্বন্দ্ব সমাস
B) অব্যয়ীভাব সমাস
C) তৎপুরুষ সমাস
D) দ্বিগু সমাস
উত্তর: B) অব্যয়ীভাব সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘উপকূল’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘কূলের সমীপে’। যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে সমাস গঠিত হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রাধান্য পায়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
প্রশ্ন ২৯: বাক্য নির্মাণের কয়টি শর্ত আছে?
A) ২টি
B) ৩টি
C) ৪টি
D) ৫টি
উত্তর: B) ৩টি
বিস্তারিত উত্তর: বাক্য নির্মাণের তিনটি শর্ত হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
প্রশ্ন ৩০: নিচের কোনটি জটিল বাক্যের উদাহরণ?
A) সে খায় এবং ঘুমায়।
B) লোকটি গরিব, কিন্তু সৎ।
C) যে পরিশ্রম করে, সে ফল পায়।
D) সে স্কুলে যায়।
উত্তর: C) যে পরিশ্রম করে, সে ফল পায়।
বিস্তারিত উত্তর: জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকে, যা পরস্পর সাপেক্ষ হয়। ‘যে পরিশ্রম করে’ অপ্রধান খণ্ডবাক্য এবং ‘সে ফল পায়’ প্রধান খণ্ডবাক্য।
প্রশ্ন ৩১: ‘শিক্ষক কর্তৃক ছাত্র পড়ানো হয়।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং ক্রিয়ার রূপ কর্ম অনুসারে হয়। এখানে ‘ছাত্র’ (কর্ম) প্রধান এবং ক্রিয়া ‘পড়ানো হয়’ কর্মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ‘কর্তৃক’ বা ‘দ্বারা’ কর্মবাচ্যের চিহ্ন।
প্রশ্ন ৩২: ‘আমার যাওয়া হলো না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: ভাববাচ্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধান হয় এবং কর্তার অনুক্ত থাকে বা তৃতীয় বিভক্তিযুক্ত হয়। এখানে ‘যাওয়া’ ক্রিয়ার অর্থই প্রধান।
প্রশ্ন ৩৩: ‘ঘণ্টা বাজে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: কর্ম-কর্তৃবাচ্যে কর্মপদটিই কর্তার মতো আচরণ করে, অর্থাৎ কর্মই যেন নিজে কাজটি করছে এমন বোঝায়। এখানে ‘ঘণ্টা’ কর্ম হলেও সে নিজেই ‘বাজছে’।
প্রশ্ন ৩৪: ‘আমি বই পড়ি।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তরিত করলে কী হবে?
A) আমার বই পড়া হয়।
B) বই পড়া হয় আমার দ্বারা।
C) আমার দ্বারা বই পড়া হয়।
D) বই আমার দ্বারা পড়া হয়।
উত্তর: C) আমার দ্বারা বই পড়া হয়।
বিস্তারিত উত্তর: কর্তৃবাচ্যের কর্তাকে কর্মবাচ্যে ‘দ্বারা’ বা ‘কর্তৃক’ দ্বারা যুক্ত করা হয় এবং কর্মপদ প্রধান হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ৩৫: ‘সে হাসে।’ – এই বাক্যটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তরিত করলে কী হবে?
A) তার দ্বারা হাসা হয়।
B) তাকে হাসতে দেখা যায়।
C) তার হাসা হয়।
D) সে হাসছে।
উত্তর: C) তার হাসা হয়।
বিস্তারিত উত্তর: ভাববাচ্যে অকর্মক ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয়। কর্তৃবাচ্যের কর্তাকে ষষ্ঠী বা দ্বিতীয় বিভক্তিযুক্ত করে ক্রিয়ার ভাবকে প্রধান করা হয়।
প্রশ্ন ৩৬: কর্তৃবাচ্যে কর্তার বিভক্তি কী হয়?
A) দ্বিতীয়া বিভক্তি
B) তৃতীয়া বিভক্তি
C) প্রথমা বিভক্তি
D) ষষ্ঠী বিভক্তি
উত্তর: C) প্রথমা বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: কর্তৃবাচ্যে কর্তা প্রধান হয় এবং সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত হয়।
প্রশ্ন ৩৭: ‘অকর্মক ক্রিয়ার বাচ্য রূপান্তর হয় না।’ – বাক্যটি সত্য না মিথ্যা?
A) সত্য
B) মিথ্যা
উত্তর: B) মিথ্যা
বিস্তারিত উত্তর: অকর্মক ক্রিয়ারও বাচ্য রূপান্তর হয়। অকর্মক ক্রিয়ার রূপান্তর সাধারণত ভাববাচ্যে হয়। যেমন, ‘সে ঘুমায়’ (কর্তৃবাচ্য) > ‘তার ঘুমানো হয়’ (ভাববাচ্য)।
প্রশ্ন ৩৮: ‘আমার ছবি আঁকা হয়েছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘ছবি’ (কর্ম) প্রধান এবং ‘আমার দ্বারা’ (কর্তা অনুক্ত বা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত) কাজটি সম্পন্ন হয়েছে বোঝাচ্ছে।
প্রশ্ন ৩৯: ‘আমার যাওয়া হবে না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এটি ক্রিয়ার ভাবের প্রধান্য বোঝাচ্ছে এবং ক্রিয়াটি অকর্মক। ‘আমার’ (কর্তা) ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত।
প্রশ্ন ৪০: ‘পোশাকটি ভালো দেখায়।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘পোশাকটি’ (কর্ম) নিজেই যেন ‘দেখায়’ ক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে এমন বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ কর্ম নিজেই কর্তার মতো আচরণ করছে।
প্রশ্ন ৪১: ‘মাতা শিশুকে চাঁদ দেখান।’ – এটি কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
A) মৌলিক ক্রিয়া
B) প্রযোজক ক্রিয়া
C) যৌগিক ক্রিয়া
D) সকর্মক ক্রিয়া
উত্তর: B) প্রযোজক ক্রিয়া
বিস্তারিত উত্তর: প্রযোজক ক্রিয়া হলো যখন কর্তা নিজে কাজটি না করে অন্যকে দিয়ে করায় বা অন্যকে কাজে নিযুক্ত করে। এখানে ‘মাতা’ শিশুকে ‘দেখাচ্ছেন’, অর্থাৎ দেখার কাজটি তিনি শিশুর দ্বারা করাচ্ছেন।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্তার সাথে ‘দ্বারা’ বা ‘কর্তৃক’ যুক্ত হয় এবং কর্মপদ প্রধান হয়।
প্রশ্ন ৪৩: ‘তুমি খাও।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: A) কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘তুমি’ (কর্তা) প্রধান এবং ক্রিয়া ‘খাও’ কর্তার অনুসারী।
প্রশ্ন ৪৪: ‘তোমার বই পড়া হোক।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘বই’ (কর্ম) প্রধান এবং ক্রিয়ার অর্থ কর্মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এটি অনুজ্ঞা বাচ্যের কর্মবাচ্য রূপ।
প্রশ্ন ৪৫: ‘কাটা হয়েছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ক্রিয়াটি কর্মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যদিও কর্মপদটি অনুক্ত। বোঝা যাচ্ছে ‘কিছু একটা কাটা হয়েছে’।
প্রশ্ন ৪৬: ‘আমাদের যাওয়া দরকার।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘আমাদের যাওয়া দরকার’ এই বাক্যটিতে ক্রিয়ার ভাবই প্রধান, এবং এখানে কর্তা পরোক্ষ। এটি একটি ভাববাচ্যের উদাহরণ।
প্রশ্ন ৪৭: ‘সূর্য উঠেছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: A) কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘সূর্য’ (কর্তা) প্রধান এবং ক্রিয়া ‘উঠেছে’ সরাসরি কর্তাকে অনুসরণ করছে।
প্রশ্ন ৪৮: ‘পুলিশ চোর ধরেছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: A) কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘পুলিশ’ (কর্তা) প্রধান এবং ‘ধরেছে’ ক্রিয়াটি কর্তার অনুসারী।
প্রশ্ন ৪৯: ‘চোর ধরা পড়েছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: D) কর্মকর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘চোর’ কর্ম হলেও সে নিজেই যেন ‘ধরা পড়েছে’ ক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে, তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্য।
প্রশ্ন ৫০: ‘আমাকে গান গাইতে হবে।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তরিত করলে কী হবে?
A) গান আমার দ্বারা গাওয়া হবে।
B) আমার দ্বারা গান গাওয়া হবে।
C) গান গাওয়া হবে আমার।
D) আমি গান গাইব।
উত্তর: B) আমার দ্বারা গান গাওয়া হবে।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্তা ‘আমার’ এর সাথে ‘দ্বারা’ যুক্ত হয়েছে এবং ‘গান’ (কর্ম) প্রধান হয়েছে।
প্রশ্ন ৫১: নিচের কোনটি স্বরাগম-এর উদাহরণ?
A) স্কুল > ইস্কুল
B) আজি > আইজ
C) জন্ম > জর্ম
D) ধোবা > ধোপা
উত্তর: A) স্কুল > ইস্কুল
বিস্তারিত উত্তর: স্বরাগম হলো শব্দের আদিতে, মধ্যে বা শেষে নতুন স্বরধ্বনির আগমন। ‘স্কুল’ শব্দটির আগে ‘ই’ স্বরধ্বনি এসে ‘ইস্কুল’ হয়েছে, যা আদি স্বরাগম।
প্রশ্ন ৫২: ‘কবাট’ থেকে ‘কপাট’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতির উদাহরণ?
A) সমীভবন
B) বিষমীভবন
C) ধ্বনি বিপর্যয়
D) ব্যঞ্জনচ্যুতি
উত্তর: C) ধ্বনি বিপর্যয়
বিস্তারিত উত্তর: ধ্বনি বিপর্যয় হলো যখন শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পরের স্থান পরিবর্তন করে। এখানে ‘ব’ এবং ‘প’ স্থান পরিবর্তন করেছে।
প্রশ্ন ৫৩: ‘আশা’ এবং ‘আসা’ – এই জোড়াটি ধ্বনিতত্ত্বের কোন আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত?
A) ন্যূনতম যুগ্ম
B) প্রতিবর্ণীকরণ
C) উচ্চারণ ভেদ
D) স্বরসংগতি
উত্তর: A) ন্যূনতম যুগ্ম
বিস্তারিত উত্তর: ন্যূনতম যুগ্ম (Minimal Pair) হলো এমন শব্দজোড়া যেখানে একটি ধ্বনির পরিবর্তনের ফলে শব্দের অর্থের পরিবর্তন হয়। ‘শ’ এবং ‘স’ ধ্বনির পার্থক্যে ‘আশা’ ও ‘আসা’ এর অর্থ ভিন্ন হয়েছে।
প্রশ্ন ৫৪: নিচের কোনটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ?
A) নিরাশা (নিঃ + আশা)
B) দিগন্ত (দিক্ + অন্ত)
C) শুভেচ্ছা (শুভ + ইচ্ছা)
D) নবান্ন (নব + অন্ন)
উত্তর: A) নিরাশা (নিঃ + আশা)
বিস্তারিত উত্তর: বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গের সাথে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন হয়। ‘নিঃ + আশা’ থেকে ‘নিরাশা’ হয়েছে, যেখানে বিসর্গ ‘র’ তে রূপান্তরিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৫৫: ‘অগ্নি’ থেকে ‘আগুন’ – এটি কিসের উদাহরণ?
A) ধ্বনি বিপর্যয়
B) স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ
C) অভিশ্রুতি
D) অপিনিহিতি
উত্তর: B) স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ
বিস্তারিত উত্তর: স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ হলো যখন দুটি যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝে একটি স্বরধ্বনির আগমন হয়, যাতে উচ্চারণ সহজ হয়। ‘অগ্নি’ (গ্ + ন্) থেকে ‘আগুন’ (গ্ + উ + ন্) হয়েছে।
প্রশ্ন ৫৬: ‘দেশি’ থেকে ‘দিশি’ – এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতি?
A) স্বরসংগতি
B) সমীভবন
C) অপিনিহিতি
D) স্বরলোপ
উত্তর: A) স্বরসংগতি
বিস্তারিত উত্তর: স্বরসংগতি হলো যখন শব্দের মধ্যে একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন হয়। এখানে পরবর্তী ‘ই’ এর প্রভাবে পূর্ববর্তী ‘এ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ই’ হয়েছে (পরাগত স্বরসংগতি)।
বিস্তারিত উত্তর: এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ অবিকৃত থাকে।
প্রশ্ন ৫৮: ‘বৃষ্টি’ থেকে ‘বিষ্টি’ – এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতির উদাহরণ?
A) সমীভবন
B) বিষমীভবন
C) স্বরভক্তি
D) স্বরসংগতি
উত্তর: C) স্বরভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘বৃষ্টি’ (ব্ + ঋ + ষ্ + ট্ + ই) থেকে ‘বিষ্টি’ (ব্ + ই + ষ্ + ট্ + ই) হয়েছে, যেখানে যুক্তাক্ষরের মাঝে একটি স্বরধ্বনি (‘ই’) এসেছে। এটি স্বরভক্তির একটি উদাহরণ।
প্রশ্ন ৫৯: ‘পাক্কা’ শব্দটি কীসের উদাহরণ?
A) স্বরলোপ
B) ব্যঞ্জন দ্বিত্বতা/সমীভবন
C) অপিনিহিতি
D) স্বরভক্তি
উত্তর: B) ব্যঞ্জন দ্বিত্বতা/সমীভবন
বিস্তারিত উত্তর: ‘পাকা’ থেকে ‘পাক্কা’ এটি ব্যঞ্জন দ্বিত্বতার উদাহরণ। একই ব্যঞ্জন পরপর দু’বার উচ্চারিত হলে তাকে ব্যঞ্জন দ্বিত্বতা বলে, যা সমীভবনেরই ফল।
প্রশ্ন ৬০: ‘লবণ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
A) লো + অন
B) ল + অন
C) লব + অন
D) লো + বণ
উত্তর: A) লো + অন
বিস্তারিত উত্তর: এটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ। ‘ও’ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ‘ও’ স্থানে ‘অব্’ হয়। লো (ও) + অন = লব + অন = লবণ।
প্রশ্ন ৬১: ‘পরিণত’ শব্দটিতে কোন উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?
A) পরি
B) প্রতি
C) পরা
D) প্র
উত্তর: A) পরি
বিস্তারিত উত্তর: ‘পরিণত’ শব্দটিতে ‘পরি’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন ৬২: নিচের কোন শব্দটি বিদেশি উপসর্গ দ্বারা গঠিত?
A) অবমাননা
B) কুকথা
C) ভরপেট
D) নিমরাজি
উত্তর: D) নিমরাজি
বিস্তারিত উত্তর: ‘নিম’ একটি ফারসি উপসর্গ, যার অর্থ ‘অর্ধেক’। ‘অব’, ‘কু’, ‘ভর’ হলো বাংলা বা সংস্কৃত উপসর্গ।
প্রশ্ন ৬৩: ‘কর্তব্য’ শব্দটিতে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
বিস্তারিত উত্তর: ‘অনু’ সংস্কৃত ভাষার একটি উপসর্গ। ‘অঘা’, ‘আড়’, ‘অজ’ বাংলা উপসর্গ।
প্রশ্ন ৬৭: ‘ডাক্তারি’ শব্দটিতে কোন প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
A) ই
B) ইয়া
C) ইঁ
D) আরি
উত্তর: A) ই
বিস্তারিত উত্তর: ‘ডাক্তার’ (বিশেষ্য) + ‘ই’ (তদ্ধিত প্রত্যয়) = ডাক্তারি। (কিছু ক্ষেত্রে ‘আরি’ প্রত্যয় ধরা হয়, তবে ‘ই’ অধিক প্রচলিত)।
প্রশ্ন ৬৮: ‘পাতিহাঁস’ শব্দটিতে ‘পাতি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
A) ক্ষুদ্র অর্থে
B) বৃহৎ অর্থে
C) বিশেষ অর্থে
D) অপূর্ণ অর্থে
উত্তর: A) ক্ষুদ্র অর্থে
বিস্তারিত উত্তর: ‘পাতি’ উপসর্গটি ‘ক্ষুদ্র’ বা ‘ছোট’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: পাতিলেবু, পাতিশিয়াল।
প্রশ্ন ৬৯: ‘কৃতজ্ঞ’ শব্দটিতে ‘জ্ঞ’ কী ধরনের প্রত্যয়?
A) কৃৎ প্রত্যয়
B) তদ্ধিত প্রত্যয়
C) স্ত্রী প্রত্যয়
D) বিদেশি প্রত্যয়
উত্তর: A) কৃৎ প্রত্যয়
বিস্তারিত উত্তর: ‘কৃতজ্ঞ’ (কৃত + √জ্ঞা + অ) এটি কৃৎপ্রত্যয়ান্ত শব্দ। এখানে ‘জ্ঞ’ অংশটি ‘জ্ঞা’ ধাতু থেকে এসেছে।
প্রশ্ন ৭০: ‘গরহাজির’ শব্দটিতে ‘গর’ উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
A) ভালো
B) মন্দ
C) অভাব
D) বিপরীত
উত্তর: C) অভাব
বিস্তারিত উত্তর: ‘গর’ (ফারসি উপসর্গ) ‘অভাব’ বা ‘না’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: গরহাজির (হাজির নেই)।
প্রশ্ন ৭১: ‘আনারস’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
A) ফারসি
B) আরবি
C) তুর্কি
D) পর্তুগিজ
উত্তর: D) পর্তুগিজ
বিস্তারিত উত্তর: ‘আনারস’ পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
প্রশ্ন ৭২: নিচের কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ?
A) বোষ্টম
B) কৃষ্ণ
C) কেষ্ট
D) বৈষ্ণব
উত্তর: A) বোষ্টম
বিস্তারিত উত্তর: অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো যেসকল সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ‘বৈষ্ণব’ (তৎসম) > ‘বোষ্টম’ (অর্ধ-তৎসম)। ‘কেষ্ট’ হলো তদ্ভব।
প্রশ্ন ৭৩: ‘লুঙ্গি’ শব্দটি কোন ভাষার?
A) মালয়
B) চীনা
C) জাপানি
D) বর্মি
উত্তর: D) বর্মি
বিস্তারিত উত্তর: ‘লুঙ্গি’ একটি বর্মি (মায়ানমার) ভাষার শব্দ। (কিছু ক্ষেত্রে মালয় উৎসও বলা হয়ে থাকে, তবে বর্মি উৎস অধিক স্বীকৃত)।
প্রশ্ন ৭৪: ‘চাকু’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
A) পর্তুগিজ
B) তুর্কি
C) ফরাসি
D) ওলন্দাজ
উত্তর: B) তুর্কি
বিস্তারিত উত্তর: ‘চাকু’ একটি তুর্কি শব্দ।
প্রশ্ন ৭৫: নিচের কোনটি দেশি শব্দের উদাহরণ?
A) কুলা
B) ইঁদুর
C) চামচ
D) খোকা
উত্তর: A) কুলা
বিস্তারিত উত্তর: ‘কুলা’ একটি দেশি শব্দ। ‘ইঁদুর’ তদ্ভব (ইন্দুর), ‘চামচ’ তুর্কি, ‘খোকা’ দেশি (তবে এটি শিশুর প্রতিশব্দ হিসেবে প্রচলিত)। ‘কুলা’ নির্দিষ্টভাবে দেশি হিসেবে গণ্য।
প্রশ্ন ৭৬: ‘গরু মাঠে চরে।’ – এখানে ‘মাঠে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
A) কর্তৃকারকে এ বিভক্তি
B) কর্মকারকে এ বিভক্তি
C) করণকারকে এ বিভক্তি
D) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
উত্তর: D) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় চরে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘মাঠে’ পাওয়া যায়। স্থান বা আধার বোঝাতে অধিকরণ কারক হয় এবং ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ৭৭: ‘সর্বনাম পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?’
A) ক্রিয়ার কাল নির্দেশ করে
B) বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে
C) অব্যয়ের সাথে যুক্ত হয়
D) বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে
উত্তর: B) বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে
বিস্তারিত উত্তর: সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যকে সংক্ষেপ করে এবং পুনরাবৃত্তি এড়াতে সাহায্য করে।
প্রশ্ন ৭৮: ‘ধীরে ধীরে বায়ু বহে।’ – এখানে ‘ধীরে ধীরে’ কোন পদের উদাহরণ?
A) বিশেষ্য
B) বিশেষণ
C) ক্রিয়া বিশেষণ
D) অব্যয়
উত্তর: C) ক্রিয়া বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘ধীরে ধীরে’ ক্রিয়াপদ ‘বহে’ কে কীভাবে ঘটছে তা নির্দেশ করছে, তাই এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
প্রশ্ন ৭৯: ‘সে খুব ভালো ছেলে।’ – এখানে ‘খুব’ কোন পদের উদাহরণ?
A) বিশেষণ
B) ক্রিয়া বিশেষণ
C) বিশেষণের বিশেষণ
D) অব্যয়
উত্তর: C) বিশেষণের বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘খুব’ শব্দটি ‘ভালো’ বিশেষণ পদকে আরও বিশেষিত করছে, তাই এটি বিশেষণের বিশেষণ।
প্রশ্ন ৮০: ‘যদি আসে তবে যাব।’ – এখানে ‘যদি’ এবং ‘তবে’ কোন প্রকার অব্যয়?
A) পদান্বয়ী অব্যয়
B) অনন্বয়ী অব্যয়
C) সমুচ্চয়ী অব্যয়
D) অনুকার অব্যয়
উত্তর: C) সমুচ্চয়ী অব্যয়
বিস্তারিত উত্তর: সমুচ্চয়ী অব্যয় দুটি বাক্য বা বাক্য-অংশের মধ্যে সংযোগ সাধন করে। ‘যদি’ এবং ‘তবে’ শর্ত বা কার্যকারণ বোঝাতে দুটি খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করেছে। এগুলিকে সাপেক্ষ সংযোজক অব্যয়ও বলা হয়।
প্রশ্ন ৮১: ‘ছাদে জল জমেছে।’ – এখানে ‘ছাদে’ কোন কারক?
A) অপাদান কারক
B) অধিকরণ কারক
C) সম্প্রদান কারক
D) করণ কারক
উত্তর: B) অধিকরণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় জল জমেছে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘ছাদে’ পাওয়া যায়। ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বোঝাচ্ছে বলে এটি অধিকরণ কারক।
প্রশ্ন ৮২: ‘বাঘকে ভয় পায় না কে?’ – এখানে ‘বাঘকে’ কোন কারক?
A) কর্মকারক
B) সম্প্রদান কারক
C) অপাদান কারক
D) করণকারক
উত্তর: C) অপাদান কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘ভয়’ পাওয়ার ক্ষেত্রে যা থেকে ভয় হয়, তা অপাদান কারক হয়। এখানে ‘বাঘ’ থেকে ভয়, তাই ‘বাঘকে’ অপাদান কারক।
প্রশ্ন ৮৩: ‘কিসে এত শক্তি?’ – এখানে ‘কিসে’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণকারক
D) অধিকরণ কারক
উত্তর: C) করণকারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী দ্বারা?’ বা ‘কিসের দ্বারা শক্তি?’ এই অর্থে ‘কিসে’ করণকারক।
প্রশ্ন ৮৪: ‘আমার যাওয়া হলো না।’ – এখানে ‘আমার’ কোন পদ?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) সম্বন্ধ পদ
D) সম্বোধন পদ
উত্তর: C) সম্বন্ধ পদ
বিস্তারিত উত্তর: ‘আমার’ পদটি ‘যাওয়া’ ক্রিয়াবাচক বিশেষ্যের সাথে সম্বন্ধ স্থাপন করেছে। এটি অকারক সম্পর্কের অন্তর্গত।
প্রশ্ন ৮৫: ‘ছেলেরা বল খেলে।’ – এখানে ‘বল’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণকারক
D) অধিকরণ কারক
উত্তর: B) কর্মকারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী খেলে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘বল’ পাওয়া যায়। ক্রিয়া যাকে আশ্রয় করে সম্পন্ন হয়, তা কর্মকারক।
প্রশ্ন ৮৬: ‘নদীমাতৃক’ কোন সমাস?
A) দ্বন্দ্ব সমাস
B) দ্বিগু সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর: C) বহুব্রীহি সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘নদীমাতৃক’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘নদী মাতা যার’। এটি একটি বহুব্রীহি সমাস, যেখানে সমস্যমান পদগুলির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে ভিন্ন অর্থ প্রাধান্য পায়।
প্রশ্ন ৮৭: ‘আজীবন’ কোন সমাস?
A) কর্মধারয় সমাস
B) অব্যয়ীভাব সমাস
C) তৎপুরুষ সমাস
D) দ্বিগু সমাস
উত্তর: B) অব্যয়ীভাব সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘আজীবন’ এর ব্যাসবাক্য ‘জীবন পর্যন্ত’। পূর্বপদে অব্যয় বসে সমাস গঠিত হওয়ায় এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
প্রশ্ন ৮৮: ‘পঞ্চনদ’ কোন সমাস?
A) দ্বন্দ্ব সমাস
B) দ্বিগু সমাস
C) কর্মধারয় সমাস
D) বহুব্রীহি সমাস
উত্তর: B) দ্বিগু সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘পঞ্চনদ’ এর ব্যাসবাক্য ‘পঞ্চনদের সমাহার’। পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদে বিশেষ্যবাচক শব্দ থাকলে দ্বিগু সমাস হয়।
প্রশ্ন ৮৯: ‘ভাইবোন’ কোন সমাস?
A) দ্বিগু সমাস
B) দ্বন্দ্ব সমাস
C) কর্মধারয় সমাস
D) তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: B) দ্বন্দ্ব সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘ভাইবোন’ এর ব্যাসবাক্য ‘ভাই ও বোন’। যে সমাসে সমস্যমান উভয় পদের অর্থেরই প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
প্রশ্ন ৯০: ‘বিনা পানি’ এর সমস্তপদ এবং এটি কোন সমাস?
A) বিনাপানি, দ্বন্দ্ব সমাস
B) বিনাপানি, বহুব্রীহি সমাস
C) বিনা ও পানি, দ্বন্দ্ব সমাস
D) যার বিনা পানি, তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: B) বিনাপানি, বহুব্রীহি সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘বিনা পানি যার’ (অর্থাৎ সরস্বতী) – এটি বহুব্রীহি সমাস। সমস্তপদ ‘বিনাপানি’।
প্রশ্ন ৯১: ‘সে ভাত খেল।’ – এটি গঠনগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) জটিল বাক্য
C) যৌগিক বাক্য
D) মিশ্র বাক্য
উত্তর: A) সরল বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: সরল বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
প্রশ্ন ৯২: ‘আমি জানি যে, সে আসবে।’ – এটি গঠনগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) জটিল বাক্য
C) যৌগিক বাক্য
D) মিশ্র বাক্য
উত্তর: B) জটিল বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (আমি জানি) এবং একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্য (যে, সে আসবে) থাকে, যা ‘যে’ দ্বারা যুক্ত।
প্রশ্ন ৯৩: ‘সূর্য উঠেছে এবং অন্ধকার দূর হয়েছে।’ – এটি গঠনগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) জটিল বাক্য
C) যৌগিক বাক্য
D) মিশ্র বাক্য
উত্তর: C) যৌগিক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ ইত্যাদি যোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
প্রশ্ন ৯৪: ‘তাকে সাহায্য করো।’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
D) ইচ্ছাবাচক বাক্য
উত্তর: C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ ইত্যাদি প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে।
প্রশ্ন ৯৫: ‘যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে ছাতা নাও।’ – বাক্যটি বাক্যগঠনের কোন শর্ত পূরণ করেছে?
A) আকাঙ্ক্ষা
B) আসত্তি
C) যোগ্যতা
D) সবকটি
উত্তর: D) সবকটি
বিস্তারিত উত্তর: একটি সার্থক বাক্য হতে হলে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা এই তিনটি গুণই থাকতে হয়। বাক্যটি এই তিনটি শর্তই পূরণ করেছে।
প্রশ্ন ৯৬: ‘আমার কি করা উচিত?’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
D) ইচ্ছাবাচক বাক্য
উত্তর: B) প্রশ্নবাচক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যটিতে প্রশ্ন করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ৯৭: ‘মানুষ মরণশীল।’ – বাক্যটির উদ্দেশ্য কোনটি?
A) মানুষ
B) মরণশীল
C) মরণশীলতা
D) কোনোটিই নয়
উত্তর: A) মানুষ
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য বলে। এখানে ‘মানুষ’ সম্পর্কে বলা হচ্ছে।
প্রশ্ন ৯৮: ‘আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি।’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
D) ইচ্ছাবাচক বাক্য
উত্তর: D) ইচ্ছাবাচক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যটিতে বক্তার ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পাচ্ছে।
প্রশ্ন ৯৯: ‘সে খুব দ্রুত দৌড়ায়।’ – এখানে ‘খুব দ্রুত’ কী?
A) বিশেষ্য
B) বিশেষণ
C) ক্রিয়া বিশেষণ
D) অব্যয়
উত্তর: C) ক্রিয়া বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘খুব দ্রুত’ ক্রিয়াপদ ‘দৌড়ায়’ কে বিশেষিত করছে। ‘দ্রুত’ ক্রিয়া বিশেষণ, ‘খুব’ বিশেষণের বিশেষণ। একত্রে এই অংশটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করছে।
প্রশ্ন ১০০: নিচের কোনটি যোগ্যতা সম্পন্ন বাক্য?
A) সূর্য পূর্ব দিকে অস্ত যায়।
B) হাতি আকাশে ওড়ে।
C) সে নিয়মিত পড়াশোনা করে।
D) আমি দিনে চাঁদ দেখি।
উত্তর: C) সে নিয়মিত পড়াশোনা করে।
বিস্তারিত উত্তর: যোগ্যতা হলো বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত সঙ্গতি। ‘সে নিয়মিত পড়াশোনা করে’ বাক্যটির অর্থ বাস্তবসম্মত ও সঙ্গতিপূর্ণ। অন্য বাক্যগুলোতে অর্থগত সঙ্গতি নেই।
প্রশ্ন ১০১: ‘কবির দ্বারা কবিতা পঠিত হয়।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘কবিতা’ (কর্ম) প্রধান এবং কর্তার সাথে ‘দ্বারা’ যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১০২: ‘শিক্ষক অঙ্ক করাচ্ছেন।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করলে কী হবে?
A) শিক্ষক দ্বারা অঙ্ক করানো হচ্ছে।
B) অঙ্ক শিক্ষকের দ্বারা করানো হচ্ছে।
C) অঙ্ক করানো হচ্ছে শিক্ষক দ্বারা।
D) শিক্ষকের অঙ্ক করানো হচ্ছে।
উত্তর: B) অঙ্ক শিক্ষকের দ্বারা করানো হচ্ছে।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান হয় এবং কর্তার সাথে ‘দ্বারা/কর্তৃক’ বসে।
প্রশ্ন ১০৩: ‘পাখি গান গায়।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: A) কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘পাখি’ (কর্তা) প্রধান এবং ক্রিয়া ‘গায়’ কর্তার অনুসারী।
প্রশ্ন ১০৪: ‘এখানে আসা হবে না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ক্রিয়ার ভাবই প্রধান, এবং কর্তা উহ্য। এটি অকর্মক ক্রিয়ার ভাববাচ্য।
প্রশ্ন ১০৫: ‘কর্তৃবাচ্যে কর্মপদ অনুপস্থিত থাকলে ক্রিয়ার পুরুষ ও বচন কর্তার পুরুষ ও বচন অনুযায়ী হয়।’ – বাক্যটি সত্য না মিথ্যা?
A) সত্য
B) মিথ্যা
উত্তর: A) সত্য
বিস্তারিত উত্তর: কর্তৃবাচ্যে কর্তা অনুসারে ক্রিয়ার পুরুষ ও বচন পরিবর্তিত হয়, কর্মপদ থাকুক বা না থাকুক।
প্রশ্ন ১০৬: ‘আমার খাওয়া হয়ে গেছে।’ – এই বাক্যটি কোন প্রকারের বাচ্য?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ক্রিয়ার ‘ভাব’ বা অর্থই প্রধান, এবং কর্তা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত।
প্রশ্ন ১০৭: ‘আমার দ্বারা ভাত খাওয়া হয়।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘ভাত’ (কর্ম) প্রধান এবং কর্তা ‘আমার দ্বারা’ যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১০৮: ‘রাম চিঠি লেখে।’ – এটিকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তন করুন।
A) রাম দ্বারা চিঠি লেখা হয়।
B) চিঠি রাম দ্বারা লেখা হয়।
C) চিঠি লেখা হয় রাম দ্বারা।
D) রামের চিঠি লেখা হয়।
উত্তর: A) রাম দ্বারা চিঠি লেখা হয়।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান এবং কর্তার সাথে ‘দ্বারা’ যুক্ত হয়। বাক্য গঠনের সাধারণ রীতি অনুযায়ী কর্তা আগে বসে।
প্রশ্ন ১০৯: ‘আমি বইটি পড়েছি।’ – এটিকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তন করুন।
A) আমার দ্বারা বইটি পড়া হয়েছে।
B) বইটি আমার দ্বারা পড়া হয়েছে।
C) বইটি পড়া হয়েছে আমার দ্বারা।
D) আমার বইটি পড়া হয়েছে।
উত্তর: B) বইটি আমার দ্বারা পড়া হয়েছে।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মপদ ‘বইটি’ প্রধান হয় এবং সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে, কর্তার সাথে ‘দ্বারা’ যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১১০: ‘সে হাসে।’ – এই বাক্যটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তরিত করলে কী হবে?
A) তার হাসা হয়।
B) তার দ্বারা হাসা হয়।
C) তাকে হাসানো হয়।
D) হাসা হয় তার।
উত্তর: A) তার হাসা হয়।
বিস্তারিত উত্তর: ভাববাচ্যে অকর্মক ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয় এবং কর্তা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত হয়।
প্রশ্ন ১১১: ‘কর্মবাচ্যে ক্রিয়ার রূপ কীসের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?’
A) কর্তা দ্বারা
B) কর্ম দ্বারা
C) ক্রিয়া দ্বারা
D) অব্যয় দ্বারা
উত্তর: B) কর্ম দ্বারা
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মই প্রধান হয় এবং ক্রিয়ার পুরুষ ও বচন কর্মের পুরুষ ও বচন অনুযায়ী হয়।
বিস্তারিত উত্তর: কর্তৃবাচ্যের কর্তা প্রধান হওয়ায় সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি গ্রহণ করে।
প্রশ্ন ১১৩: ‘কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মপদটি কী হিসেবে কাজ করে?’
A) কর্তা হিসেবে
B) কর্ম হিসেবে
C) বিশেষণ হিসেবে
D) অব্যয় হিসেবে
উত্তর: A) কর্তা হিসেবে
বিস্তারিত উত্তর: কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মপদটিই যেন নিজে কাজটি করছে, অর্থাৎ কর্তার ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্ন ১১৪: ‘আগুনে কাপড় পোড়ে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: D) কর্মকর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘কাপড়’ কর্ম হলেও সে নিজেই ‘পোড়ে’ ক্রিয়াটি করছে এমন বোঝায়। ‘আগুনে’ এখানে করণ কারক।
প্রশ্ন ১১৫: ‘আমার দ্বারা কাজটি করা হলো না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘কাজটি’ (কর্ম) প্রধান এবং ‘আমার দ্বারা’ (কর্তা) যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১১৬: ‘কানাকানি’ কোন সমাসের উদাহরণ?
A) দ্বন্দ্ব সমাস
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
C) অব্যয়ীভাব সমাস
D) তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই ধরনের ক্রিয়া পরস্পর সংঘটিত হয় বোঝায়। যেমন: কানাকানি (কানে কানে যে কথা), হাসাহাসি, কোলাকুলি।
প্রশ্ন ১১৭: ‘অনুতাপ’ কোন সমাস?
A) নঞ তৎপুরুষ সমাস
B) অব্যয়ীভাব সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: B) অব্যয়ীভাব সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘অনুতাপ’ এর ব্যাসবাক্য ‘তাপের পশ্চাৎ’ বা ‘পশ্চাৎ তাপ’। পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে সমাস গঠিত হওয়ায় এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
প্রশ্ন ১১৮: ‘চিরসুখী’ এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
A) চিরকাল ব্যাপী সুখী
B) চিরকাল ধরে সুখী
C) চিরকাল সুখী যে
D) চিরকালের সুখী
উত্তর: A) চিরকাল ব্যাপী সুখী
বিস্তারিত উত্তর: ‘চিরসুখী’ এর ব্যাসবাক্য ‘চিরকাল ব্যাপী সুখী’। এটি একটি কর্মধারয় সমাস (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যায়)।
প্রশ্ন ১১৯: ‘উপকথা’ কোন সমাস?
A) অব্যয়ীভাব সমাস
B) নিত্য সমাস
C) প্রাদি সমাস
D) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: A) অব্যয়ীভাব সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘উপকথা’ এর ব্যাসবাক্য ‘কথার সদৃশ’ বা ‘ক্ষুদ্র কথা’। ‘উপ’ অব্যয়টি এখানে ‘সাদৃশ্য’ বা ‘ক্ষুদ্র’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন ১২০: ‘গিন্নী’ শব্দটি ‘গৃহিণী’ থেকে এসেছে। এটি কিসের উদাহরণ?
A) সমীভবন
B) বিষমীভবন
C) ধ্বনি বিপর্যয়
D) স্বরাগম
উত্তর: A) সমীভবন
বিস্তারিত উত্তর: ‘গৃহিণী’ > ‘গinni’ (হিন্দি প্রভাবিত) > ‘গিন্নী’ (বাংলা)। এখানে ‘হৃ’ লুপ্ত হয়েছে এবং ‘ন’-এর দ্বিত্ব ঘটেছে। এটি একটি জটিল পরিবর্তন যার মধ্যে সমীভবনের প্রভাব রয়েছে।
প্রশ্ন ১২১: ‘টেলিফোন’ কোন শ্রেণীর শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) বিদেশি
D) দেশি
উত্তর: C) বিদেশি
বিস্তারিত উত্তর: ‘টেলিফোন’ (Telephone) একটি ইংরেজি শব্দ।
বিস্তারিত উত্তর: ‘আসামি’ (অভিযুক্ত) একটি আরবি শব্দ।
প্রশ্ন ১২৪: ‘হাঁসফাঁস’ কোন প্রকারের শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) দেশি
D) মিশ্র
উত্তর: C) দেশি
বিস্তারিত উত্তর: ‘হাঁসফাঁস’ একটি দেশি শব্দ, যা আঞ্চলিক বা স্থানীয় উৎস থেকে এসেছে। এটি একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দও বটে।
প্রশ্ন ১২৫: ‘আকাশ’ কোন প্রকারের শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) অর্ধ-তৎসম
D) দেশি
উত্তর: A) তৎসম
বিস্তারিত উত্তর: ‘আকাশ’ একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত থেকে সরাসরি এসেছে।
প্রশ্ন ১২৬: ‘চমৎকার লোকটি এসেছিল।’ – এখানে ‘চমৎকার’ কী ধরনের বিশেষণ?
A) গুণবাচক বিশেষণ
B) সংখ্যাবাচক বিশেষণ
C) ক্রমবাচক বিশেষণ
D) অবস্থাবাচক বিশেষণ
উত্তর: A) গুণবাচক বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘চমৎকার’ শব্দ দ্বারা লোকটির একটি গুণ বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ১২৭: ‘সে অল্প খায়।’ – এখানে ‘অল্প’ কী ধরনের বিশেষণ?
A) গুণবাচক বিশেষণ
B) সংখ্যাবাচক বিশেষণ
C) পরিমাণবাচক বিশেষণ
D) পূরণবাচক বিশেষণ
উত্তর: C) পরিমাণবাচক বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘অল্প’ শব্দটি খাওয়ার পরিমাণ নির্দেশ করছে।
প্রশ্ন ১২৮: ‘আমি কাজটি করতে পারি।’ – এখানে ‘পারি’ কী ধরনের ক্রিয়া?
A) যৌগিক ক্রিয়া
B) মৌলিক ক্রিয়া
C) প্রযোজক ক্রিয়া
D) নামধাতু ক্রিয়া
উত্তর: A) যৌগিক ক্রিয়া
বিস্তারিত উত্তর: ‘করতে পারি’ একটি যৌগিক ক্রিয়া, যেখানে একটি অসমাপিকা ক্রিয়া (করতে) এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া (পারি) একত্রিত হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ১২৯: ‘সে হাসলে সুন্দর দেখায়।’ – এখানে ‘হাসলে’ কী ধরনের ক্রিয়া?
A) সমাপিকা ক্রিয়া
B) অসমাপিকা ক্রিয়া
C) সকর্মক ক্রিয়া
D) অকর্মক ক্রিয়া
উত্তর: B) অসমাপিকা ক্রিয়া
বিস্তারিত উত্তর: ‘হাসলে’ ক্রিয়াটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করেনি, এটি একটি শর্তমূলক অসমাপিকা ক্রিয়া।
প্রশ্ন ১৩০: ‘ধিক্ তাকে, যে মিথ্যা বলে!’ – এখানে ‘ধিক্’ কোন প্রকার অব্যয়?
A) পদান্বয়ী অব্যয়
B) অনন্বয়ী অব্যয়
C) সমুচ্চয়ী অব্যয়
D) অনুকার অব্যয়
উত্তর: B) অনন্বয়ী অব্যয়
বিস্তারিত উত্তর: ‘ধিক্’ একটি অনন্বয়ী অব্যয়, যা ঘৃণা বা ধিক্কার প্রকাশ করে এবং বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
প্রশ্ন ১৩১: ‘বনে বাঘ আছে।’ – এখানে ‘বনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
A) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
B) অপাদান কারকে এ বিভক্তি
C) কর্তৃকারকে এ বিভক্তি
D) কর্মকারকে এ বিভক্তি
উত্তর: A) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় বাঘ আছে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘বনে’ পাওয়া যায়। স্থান বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়, এবং ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৩২: ‘ধনে গৌরব হয় না।’ – এখানে ‘ধনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
A) কর্তৃকারকে এ বিভক্তি
B) কর্মকারকে এ বিভক্তি
C) করণ কারকে এ বিভক্তি
D) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
উত্তর: C) করণ কারকে এ বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী দ্বারা গৌরব হয় না?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘ধনে’ পাওয়া যায়। ‘ধন দ্বারা’ অর্থে, তাই করণ কারকে এ বিভক্তি।
প্রশ্ন ১৩৩: ‘পাপীকে ঘৃণা করো না।’ – এখানে ‘পাপীকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
A) কর্মকারকে কে বিভক্তি
B) সম্প্রদান কারকে কে বিভক্তি
C) অপাদান কারকে কে বিভক্তি
D) অধিকরণ কারকে কে বিভক্তি
উত্তর: A) কর্মকারকে কে বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কাকে ঘৃণা করো না?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘পাপীকে’ পাওয়া যায়। ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত কর্ম।
প্রশ্ন ১৩৪: ‘পকেটমার’ কোন সমাস?
A) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
B) নঞ তৎপুরুষ সমাস
C) সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
D) কর্মধারয় সমাস
উত্তর: A) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘পকেটমার’ এর ব্যাসবাক্য ‘পকেট মারে যে’। যে তৎপুরুষ সমাসে উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
প্রশ্ন ১৩৫: ‘সাতপাঁচ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
A) দ্বিগু সমাস
B) দ্বন্দ্ব সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর: B) দ্বন্দ্ব সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘সাত ও পাঁচ’ – উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান, তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস।
প্রশ্ন ১৩৬: ‘তেপান্তর’ এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
A) তিন প্রান্তরের সমাহার
B) তিন প্রান্তরের অন্তর
C) তিন প্রান্তর যার
D) তিন প্রান্তর যে
উত্তর: A) তিন প্রান্তরের সমাহার
বিস্তারিত উত্তর: ‘তেপান্তর’ একটি দ্বিগু সমাস।
প্রশ্ন ১৩৭: ‘দেশান্তর’ কোন সমাস?
A) নিত্য সমাস
B) অলুক তৎপুরুষ সমাস
C) ষষ্টী তৎপুরুষ সমাস
D) দ্বিগু সমাস
উত্তর: A) নিত্য সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘দেশান্তর’ এর ব্যাসবাক্য হয় না, এর অর্থ ‘অন্য দেশ’। যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্যভাবে করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।
প্রশ্ন ১৩৮: ‘আমি যা বলি, তুমি তা শোনো।’ – এই বাক্যে কয়টি খণ্ডবাক্য আছে?
A) ১টি
B) ২টি
C) ৩টি
D) ৪টি
উত্তর: B) ২টি
বিস্তারিত উত্তর: ‘আমি যা বলি’ (অপ্রধান খণ্ডবাক্য) এবং ‘তুমি তা শোনো’ (প্রধান খণ্ডবাক্য)।
প্রশ্ন ১৩৯: ‘যদি পড়ো, তাহলে পাশ করবে।’ – এই বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করলে কী হবে?
A) পড়লে পাশ করবে।
B) পড়ে পাশ করবে।
C) পড়ার জন্য পাশ করবে।
D) পড়ো এবং পাশ করো।
উত্তর: A) পড়লে পাশ করবে।
বিস্তারিত উত্তর: সরল বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
প্রশ্ন ১৪০: ‘তোমার গান শোনা হলো না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘শোনা’ ক্রিয়ার ভাবই প্রধান, এবং কর্তা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত।
প্রশ্ন ১৪১: ‘বালকটি বই পড়ে।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করুন।
A) বালক কর্তৃক বই পড়া হয়।
B) বই বালক কর্তৃক পড়া হয়।
C) বালক দ্বারা বই পড়া হয়।
D) বই পড়া হয় বালক দ্বারা।
উত্তর: B) বই বালক কর্তৃক পড়া হয়।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মপদ ‘বই’ প্রধান হয় এবং কর্তার সাথে ‘কর্তৃক’ বা ‘দ্বারা’ বসে।
প্রশ্ন ১৪২: ‘আমার আর সহ্য হয় না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘সহ্য হওয়া’ ক্রিয়ার ভাবই প্রধান, এবং কর্তা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত।
প্রশ্ন ১৪৩: ‘ধাতু’র সাথে ‘কৃৎপ্রত্যয়’ যোগ হয়ে যে পদ গঠিত হয়, তাকে কী বলে?
A) তদ্ধিতান্ত পদ
B) কৃদন্ত পদ
C) নামপদ
D) অব্যয়পদ
উত্তর: B) কৃদন্ত পদ
বিস্তারিত উত্তর: ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে কৃৎপ্রত্যয় যোগ হয়ে গঠিত পদকে কৃদন্ত পদ বলে।
বিস্তারিত উত্তর: বিশেষণ পদ প্রধানত দুই প্রকার: নাম বিশেষণ ও ক্রিয়া বিশেষণ। (ভাব বিশেষণকেও অনেকে আলাদা ধরেন, সেক্ষেত্রে ৩ প্রকার হতে পারে, তবে ২ প্রকারই মূল বিভাজন)।
প্রশ্ন ১৪৬: ‘বৃষ্টি পড়ে ঝমঝম।’ – এখানে ‘ঝমঝম’ কোন প্রকারের অব্যয়?
A) পদান্বয়ী অব্যয়
B) অনন্বয়ী অব্যয়
C) সমুচ্চয়ী অব্যয়
D) অনুকার অব্যয়
উত্তর: D) অনুকার অব্যয়
বিস্তারিত উত্তর: ‘ঝমঝম’ ধ্বনির অনুকরণে গঠিত একটি অনুকার অব্যয়।
প্রশ্ন ১৪৭: ‘ছেলেটির বুদ্ধি আছে।’ – এখানে ‘বুদ্ধি’ কোন প্রকার বিশেষ্য?
A) জাতিবাচক
B) বস্তুবাচক
C) গুণবাচক
D) ভাববাচক
উত্তর: C) গুণবাচক
বিস্তারিত উত্তর: ‘বুদ্ধি’ একটি গুণকে নির্দেশ করছে।
প্রশ্ন ১৪৮: ‘ক্ষমা করো হে প্রভু।’ – এখানে ‘প্রভু’ কোন অকারক সম্পর্ক?
A) সম্বন্ধ পদ
B) সম্বোধন পদ
C) বিশেষ্য পদ
D) কর্ম পদ
উত্তর: B) সম্বোধন পদ
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যে যাকে আহ্বান বা সম্বোধন করা হয়, তাকে সম্বোধন পদ বলে।
বিস্তারিত উত্তর: এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গের পর চ/ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে ‘শ’ হয়।
প্রশ্ন ১৫৩: ‘সন্ধি’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
A) রূপতত্ত্ব
B) বাক্যতত্ত্ব
C) ধ্বনিতত্ত্ব
D) অর্থতত্ত্ব
উত্তর: C) ধ্বনিতত্ত্ব
বিস্তারিত উত্তর: সন্ধি হলো ধ্বনির মিলন, তাই এটি ধ্বনিতত্ত্বের অংশ।
প্রশ্ন ১৫৪: ‘জল’ এবং ‘জ্বল’ – ধ্বনিতত্ত্বের কোন আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত?
A) ন্যূনতম যুগ্ম
B) সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ
C) ব্যঞ্জনসংগতি
D) স্বরলোপ
উত্তর: A) ন্যূনতম যুগ্ম
বিস্তারিত উত্তর: এই দুটি শব্দ প্রায় একই রকম শোনা গেলেও এদের অর্থ ভিন্ন। ধ্বনিতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলি ন্যূনতম যুগ্ম, যেখানে একটি ধ্বনির (ল/ল্) পার্থক্য অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। ‘সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ’ এদের সাধারণ নাম হলেও ধ্বনিতত্ত্বের সুনির্দিষ্ট পরিভাষা ন্যূনতম যুগ্ম।
প্রশ্ন ১৫৫: ‘অনুপস্থিত’ শব্দটিতে ‘অন’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
A) অভাব
B) পশ্চাৎ
C) বিশেষ
D) ক্ষুদ্র
উত্তর: A) অভাব
বিস্তারিত উত্তর: ‘অনুপস্থিত’ মানে ‘উপস্থিত নয়’ বা ‘উপস্থিতির অভাব’।
প্রশ্ন ১৫৬: ‘ধাতু’ মূলত কী?
A) শব্দের মূল অংশ
B) পদের মূল অংশ
C) ক্রিয়ার মূল অংশ
D) বিশেষ্যের মূল অংশ
উত্তর: C) ক্রিয়ার মূল অংশ
বিস্তারিত উত্তর: ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অবিভাজ্য মূল অংশ, যার সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
প্রশ্ন ১৫৭: ‘সমাজসেবী’ শব্দটি কোন প্রত্যয় দ্বারা গঠিত?
প্রশ্ন ১৫৯: ‘অকালপক্ক’ শব্দটিতে ‘অকাল’ কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
A) উপসর্গ
B) প্রত্যয়
C) বিশেষণ
D) বিশেষ্য
উত্তর: A) উপসর্গ
বিস্তারিত উত্তর: ‘অকালপক্ক’ শব্দে ‘অকাল’ (অ + কাল) একটি উপসর্গ হিসেবে কাজ করে (অসময়ে পেকেছে এমন)। ‘অ’ উপসর্গটি এখানে ‘নিন্দা’ বা ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রশ্ন ১৬০: নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
A) দারোগা
B) আদালত
C) কুলি
D) আনারস
উত্তর: B) আদালত
বিস্তারিত উত্তর: ‘আদালত’ একটি আরবি শব্দ। ‘দারোগা’ তুর্কি, ‘কুলি’ তুর্কি, ‘আনারস’ পর্তুগিজ।
প্রশ্ন ১৬১: ‘ফাঁসি’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
A) ফারসি
B) আরবি
C) তুর্কি
D) পর্তুগিজ
উত্তর: A) ফারসি
বিস্তারিত উত্তর: ‘ফাঁসি’ একটি ফারসি শব্দ।
প্রশ্ন ১৬২: ‘লাঠি’ কোন শ্রেণীর শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) দেশি
D) বিদেশি
উত্তর: C) দেশি
বিস্তারিত উত্তর: ‘লাঠি’ একটি দেশি শব্দ।
প্রশ্ন ১৬৩: ‘কলম’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
A) ফারসি
B) আরবি
C) তুর্কি
D) পর্তুগিজ
উত্তর: B) আরবি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কলম’ একটি আরবি শব্দ।
প্রশ্ন ১৬৪: ‘বর্মি’ শব্দগুলো কোন দেশ থেকে এসেছে?
A) জাপান
B) বার্মা (মায়ানমার)
C) চীন
D) মালয়
উত্তর: B) বার্মা (মায়ানমার)
বিস্তারিত উত্তর: ‘বর্মি’ শব্দগুলো বার্মা বা মায়ানমার থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। যেমন: লুঙ্গি, ফুঙ্গি।
প্রশ্ন ১৬৫: ‘ছেলেটি অঙ্ক কষছে।’ – এখানে ‘অঙ্ক’ কোন প্রকার বিশেষ্য?
A) সংজ্ঞাবাচক
B) জাতিবাচক
C) বস্তুবাচক
D) ভাববাচক
উত্তর: B) জাতিবাচক
বিস্তারিত উত্তর: ‘অঙ্ক’ একটি বিষয়ের নাম, যা গণিতের একটি সাধারণ শাখা বা বিষয়কে নির্দেশ করে, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। (নির্দিষ্ট একটি অঙ্ক হলে সংজ্ঞাবাচক হতে পারত)।
প্রশ্ন ১৬৬: ‘সে অল্প জলে মাছ ধরে।’ – এখানে ‘অল্প’ কী ধরনের বিশেষণ?
A) গুণবাচক
B) সংখ্যাবাচক
C) পরিমাণবাচক
D) ক্রমবাচক
উত্তর: C) পরিমাণবাচক
বিস্তারিত উত্তর: ‘অল্প’ শব্দটি জলের পরিমাণ নির্দেশ করছে।
প্রশ্ন ১৬৭: ‘পাখিটি খাঁচায় আছে।’ – এখানে ‘আছে’ কী ধরনের ক্রিয়া?
A) সকর্মক ক্রিয়া
B) অকর্মক ক্রিয়া
C) প্রযোজক ক্রিয়া
D) নামধাতু ক্রিয়া
উত্তর: B) অকর্মক ক্রিয়া
বিস্তারিত উত্তর: ‘আছে’ ক্রিয়ার কোনো কর্ম নেই। এটি একটি অবস্থানসূচক অকর্মক ক্রিয়া।
প্রশ্ন ১৬৮: ‘যেমন কর্ম তেমন ফল।’ – এখানে ‘যেমন’ এবং ‘তেমন’ কী ধরনের অব্যয়?
A) সংযোজক অব্যয়
B) সাপেক্ষ অব্যয়
C) বিয়োজক অব্যয়
D) অনন্বয়ী অব্যয়
উত্তর: B) সাপেক্ষ অব্যয়
বিস্তারিত উত্তর: ‘যেমন’ এবং ‘তেমন’ অব্যয় দুটি পরস্পরকে সাপেক্ষ করে ব্যবহৃত হয়েছে। এগুলোকে সাপেক্ষ সর্বনাম বা সর্বনামীয় বিশেষণ হিসেবেও ধরা হয়।
প্রশ্ন ১৬৯: ‘তুমি নিজে যাও।’ – এখানে ‘নিজে’ কোন প্রকার সর্বনাম?
A) নির্দেশক সর্বনাম
B) আত্মবাচক সর্বনাম
C) অনির্দেশক সর্বনাম
D) প্রশ্নবাচক সর্বনাম
উত্তর: B) আত্মবাচক সর্বনাম
বিস্তারিত উত্তর: ‘নিজে’ কর্তা (‘তুমি’) কে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৭০: ‘গরু ঘাস খায়।’ – এখানে ‘গরু’ কোন কারকে শূন্য বিভক্তি?
A) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
B) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
C) করণ কারকে শূন্য বিভক্তি
D) অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি
উত্তর: A) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কে খায়?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘গরু’ পাওয়া যায়, এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
প্রশ্ন ১৭১: ‘সে ভাত খায় না।’ – এখানে ‘ভাত’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণ কারক
D) অপাদান কারক
উত্তর: B) কর্মকারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী খায় না?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘ভাত’ পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ১৭২: ‘আমি কলম দিয়ে লিখি।’ – এখানে ‘কলম দিয়ে’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণ কারক
D) অধিকরণ কারক
উত্তর: C) করণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী দ্বারা লিখি?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘কলম দিয়ে’ পাওয়া যায়। ‘দিয়ে’ অনুসর্গটি করণ কারক নির্দেশ করছে।
প্রশ্ন ১৭৩: ‘ছাদে বাগান আছে।’ – এখানে ‘ছাদে’ কোন কারক?
A) করণ কারক
B) অপাদান কারক
C) অধিকরণ কারক
D) সম্প্রদান কারক
উত্তর: C) অধিকরণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় বাগান আছে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘ছাদে’ পাওয়া যায়। এটি স্থানাধিকরণ।
প্রশ্ন ১৭৪: ‘কান্নায় বুক ভেসে যায়।’ – এখানে ‘কান্নায়’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণ কারক
D) অধিকরণ কারক
উত্তর: C) করণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কী দ্বারা বুক ভেসে যায়?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘কান্নায়’ (কান্না দ্বারা) পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ১৭৫: ‘অহিংসা’ কোন সমাস?
A) নঞ তৎপুরুষ সমাস
B) অব্যয়ীভাব সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) নিত্য সমাস
উত্তর: A) নঞ তৎপুরুষ সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘অহিংসা’ এর ব্যাসবাক্য ‘ন হিংসা’ (হিংসার অভাব)। পূর্বপদে নঞর্থক অব্যয় (অ, ন, না, নি, বে, গর ইত্যাদি) যুক্ত থাকলে নঞ তৎপুরুষ সমাস হয়।
প্রশ্ন ১৭৬: ‘পঞ্চবটী’ কোন সমাস?
A) দ্বিগু সমাস
B) দ্বন্দ্ব সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) কর্মধারয় সমাস
উত্তর: A) দ্বিগু সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘পঞ্চবটীর সমাহার’ – পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদে বিশেষ্যবাচক শব্দ থাকলে এবং সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়।
প্রশ্ন ১৭৭: ‘রাজপথ’ এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
A) রাজার নির্মিত পথ
B) যে পথ রাজার
C) পথের রাজা
D) রাজা যে পথ
উত্তর: C) পথের রাজা
বিস্তারিত উত্তর: এটি একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। পথের মধ্যে প্রধান বা শ্রেষ্ঠ পথ।
প্রশ্ন ১৭৮: ‘মধুমাখা’ কোন সমাস?
A) তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
B) ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
C) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
D) উপমান কর্মধারয় সমাস
উত্তর: A) তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘মধু দ্বারা মাখা’ – দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
প্রশ্ন ১৭৯: ‘যে পরিশ্রম করে, সে ফল পায়।’ – এই বাক্যে কয়টি বিধেয় আছে?
A) ১টি
B) ২টি
C) ৩টি
D) ৪টি
উত্তর: B) ২টি
বিস্তারিত উত্তর: ‘পরিশ্রম করে’ একটি বিধেয় এবং ‘ফল পায়’ আরেকটি বিধেয়। প্রতিটি খণ্ডবাক্যে একটি করে সমাপিকা ক্রিয়া ও তার বিধেয় অংশ থাকে।
প্রশ্ন ১৮০: ‘আমি বাড়ি যাব, যদি তুমি চলো।’ – এটি কোন ধরনের বাক্য?
প্রশ্ন ১৮১: ‘চোর ধরা পড়েছে।’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
D) সন্দেহবাচক বাক্য
উত্তর: A) নির্দেশক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যটি একটি সাধারণ তথ্য বা নির্দেশ প্রদান করছে (হা-বাচক)।
প্রশ্ন ১৮২: ‘আহা! কী দুঃখ!’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) বিস্ময়সূচক বাক্য
D) ইচ্ছাবাচক বাক্য
উত্তর: C) বিস্ময়সূচক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যটিতে দুঃখ বা আবেগ প্রকাশ পাচ্ছে এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৮৩: ‘বাক্যের প্রতিটি পদ সুবিন্যস্তভাবে সাজানোকে কী বলে?’
A) আকাঙ্ক্ষা
B) আসত্তি
C) যোগ্যতা
D) সংগতি
উত্তর: B) আসত্তি
বিস্তারিত উত্তর: আসত্তি হলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট হওয়ার জন্য পদগুলোর নৈকট্য ও সঠিক বিন্যাস।
প্রশ্ন ১৮৪: ‘তার দ্বারা চিঠি লেখা হয়েছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘চিঠি’ (কর্ম) প্রধান এবং কর্তা ‘তার দ্বারা’ যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৮৫: ‘তুমি কাজটি করো।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করলে কী হবে?
A) তোমার দ্বারা কাজটি করা হোক।
B) কাজটি তোমার দ্বারা করা হোক।
C) কাজটি করা হোক।
D) কাজটি তুমি করো।
উত্তর: B) কাজটি তোমার দ্বারা করা হোক।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মপদ ‘কাজটি’ প্রধান হয় এবং সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে। উহ্য কর্তা ‘তুমি’ কে ‘তোমার দ্বারা’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রশ্ন ১৮৬: ‘আজ যাওয়া যাবে না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘যাওয়া’ ক্রিয়ার ভাবই প্রধান, এবং কর্তা উহ্য।
প্রশ্ন ১৮৭: ‘আমি তোমাকে দেখছিলাম।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তন করুন।
A) আমার দ্বারা তোমাকে দেখা হচ্ছিল।
B) তুমি আমার দ্বারা দৃষ্ট হচ্ছিলে।
C) আমার দ্বারা তুমি দৃষ্ট হচ্ছিলে।
D) তোমাকে আমার দ্বারা দেখা হচ্ছিল।
উত্তর: D) তোমাকে আমার দ্বারা দেখা হচ্ছিল।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মপদ ‘তোমাকে’ প্রধান হয়েছে এবং সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে, কর্তা ‘আমার দ্বারা’ যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৮৮: ‘ধোপা কাপড় কাচে।’ – এটিকে কর্মকর্তৃবাচ্যে রূপান্তর করুন।
A) ধোপার দ্বারা কাপড় কাঁচা হয়।
B) কাপড় কাঁচা হয় ধোপার দ্বারা।
C) কাপড় কাচে।
D) কাপড় কাঁচা যাচ্ছে।
উত্তর: D) কাপড় কাঁচা যাচ্ছে।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মপদ (কাপড়) নিজেই কর্তা হিসেবে কাজ করে। ‘কাচা যাচ্ছে’ দ্বারা কাপড় যেন নিজে নিজে কাঁচা হচ্ছে এমন বোঝায়।
প্রশ্ন ১৮৯: ‘তাসের ঘর’ – এটি কী ধরনের পদবন্ধ?
A) বিশেষ্য পদবন্ধ
B) বিশেষণ পদবন্ধ
C) সর্বনাম পদবন্ধ
D) ক্রিয়া বিশেষণ পদবন্ধ
উত্তর: A) বিশেষ্য পদবন্ধ
বিস্তারিত উত্তর: এটি একটি বিশেষ্য পদবন্ধ (Noun Phrase), যা একটি বিশেষ্য পদের কাজ করে (অস্থায়ী বা ঠুনকো কিছু)।
প্রশ্ন ১৯০: ‘গায়ক’ শব্দটি কোন প্রকৃতির?
A) মৌলিক শব্দ
B) সাধিত শব্দ
C) যৌগিক শব্দ
D) রূঢ় শব্দ
উত্তর: B) সাধিত শব্দ
বিস্তারিত উত্তর: ‘গায়ক’ শব্দটি ধাতু ও প্রত্যয়ের (গৈ + অক) মাধ্যমে গঠিত হয়েছে, তাই এটি সাধিত শব্দ।
প্রশ্ন ১৯১: ‘একই শব্দ দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে কী বলে?’
A) দ্বিরুক্ত শব্দ
B) যৌগিক শব্দ
C) রূঢ় শব্দ
D) যোগরূঢ় শব্দ
উত্তর: A) দ্বিরুক্ত শব্দ
বিস্তারিত উত্তর: একই শব্দ দুবার ব্যবহার হয়ে বিশেষ অর্থ বা তীব্রতা প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন: ভালো ভালো (খুব ভালো), ধীরে ধীরে।
প্রশ্ন ১৯২: ‘আকাশে চাঁদ উঠেছে।’ – এখানে ‘আকাশে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
A) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
B) অপাদান কারকে এ বিভক্তি
C) করণ কারকে এ বিভক্তি
D) কর্তৃকারকে এ বিভক্তি
উত্তর: A) অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় চাঁদ উঠেছে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘আকাশে’ পাওয়া যায়। এটি স্থানাধিকরণ কারক।
প্রশ্ন ১৯৩: ‘বাক্যের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য পদসমূহের সঠিক সন্নিবেশকে কী বলে?’
A) আসত্তি
B) যোগ্যতা
C) উদ্দেশ্য
D) বিধেয়
উত্তর: A) আসত্তি
বিস্তারিত উত্তর: আকাঙ্ক্ষা হলো অর্থ বোঝানোর ইচ্ছা, আর আসত্তি হলো সেই ইচ্ছাকে পূরণ করার জন্য পদগুলোর সুবিন্যস্ত সাজানো।
প্রশ্ন ১৯৪: ‘কর্মবাচ্যে ক্রিয়ার পুরুষ ও বচন কী অনুসারে হয়?’
A) কর্তার পুরুষ ও বচন
B) কর্মের পুরুষ ও বচন
C) ক্রিয়ার নিজস্ব প্রকৃতি
D) ভাববাচ্যের নিয়ম
উত্তর: B) কর্মের পুরুষ ও বচন
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মই প্রধান হওয়ায় ক্রিয়ার পুরুষ ও বচন কর্ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
প্রশ্ন ১৯৫: ‘বিয়ে পাগলা’ – এটি কোন সমাস?
A) অলুক তৎপুরুষ সমাস
B) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
C) বহুব্রীহি সমাস
D) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: A) অলুক তৎপুরুষ সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘বিয়েতে পাগলা’ – যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
প্রশ্ন ১৯৬: ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।’ – এটি কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) জটিল বাক্য
C) যৌগিক বাক্য
D) মিশ্র বাক্য
উত্তর: B) জটিল বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে’ প্রধান খণ্ডবাক্য এবং ‘যে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে’ একটি সাপেক্ষ অপ্রধান খণ্ডবাক্য (যদিও ‘যে’ উহ্য, ভাব অনুযায়ী এটি জটিল)।
প্রশ্ন ১৯৭: ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ – এখানে ‘ক্ষুধিত’ শব্দটি কোন পদ?
A) বিশেষ্য
B) বিশেষণ
C) ক্রিয়া
D) অব্যয়
উত্তর: B) বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘ক্ষুধিত’ (ক্ষুধা + ইত) শব্দটি ‘পাষাণ’ বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করছে, তাই এটি বিশেষণ।
প্রশ্ন ১৯৮: নিচের কোনটি ব্যঞ্জনচ্যুতির উদাহরণ?
A) বড়দিদি > বড়দি
B) রাতুল > লাতুক
C) জনম > জন্ম
D) শরীর > শরীল
উত্তর: A) বড়দিদি > বড়দি
বিস্তারিত উত্তর: ব্যঞ্জনচ্যুতি হলো যখন একই ব্যঞ্জনের পরপর দুবার ব্যবহারের ফলে একটি ব্যঞ্জন লুপ্ত হয়। ‘বড়দিদি’ থেকে একটি ‘দি’ লুপ্ত হয়ে ‘বড়দি’ হয়েছে।
প্রশ্ন ১৯৯: ‘সকালে’ শব্দটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতির উদাহরণ?
A) স্বরলোপ
B) মধ্য স্বরাগম
C) অন্ত্য স্বরাগম
D) পরাগত স্বরসংগতি
উত্তর: A) স্বরলোপ
বিস্তারিত উত্তর: ‘সকালে’ শব্দটি ‘সকাল বেলা’ বা ‘সকাল কালে’ থেকে আসতে পারে যেখানে মধ্যবর্তী পদ লোপ পেয়েছে। যদি ‘সকাল’ থেকে ‘সকালে’ ধরা হয়, তবে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, স্বরলোপ নয়। তবে ‘সকাল’ শব্দের অন্ত ‘অ’ উচ্চারিত হয় না, সেটাকে স্বরলোপ ধরা যেতে পারে। প্রশ্নের উদ্দেশ্য অনুযায়ী, ‘সকাল’ (মূল শব্দ) থেকে ‘সকালে’ (বিভক্তিযুক্ত) হওয়ার ক্ষেত্রে স্বরলোপ ঘটেনি।
প্রশ্ন ২০৩: নিচের কোনটি বিদেশি প্রত্যয় দ্বারা গঠিত শব্দ?
A) টেকসই
B) পাগলামি
C) মিঠাই
D) বাঙালি
উত্তর: A) টেকসই
বিস্তারিত উত্তর: ‘সই’ একটি ফারসি প্রত্যয়, যা ‘সহ্য করা যায়’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ‘পাগলামি’ (‘আমি’ বাংলা), ‘মিঠাই’ (‘আই’ বাংলা), ‘বাঙালি’ (‘আলি’ বাংলা)।
প্রশ্ন ২০৪: ‘আগাছা’ শব্দটি কোন উপসর্গ দ্বারা গঠিত?
A) আ
B) আগ
C) আছা
D) কোনোটিই নয়
উত্তর: A) আ
বিস্তারিত উত্তর: ‘আগাছা’ শব্দটিতে ‘আ’ উপসর্গটি অপকর্ষ বা নিকৃষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন ২০৫: ‘হরতালে সব বন্ধ।’ – এখানে ‘হরতাল’ কোন ভাষার শব্দ?
A) হিন্দি
B) গুজরাটি
C) মারাঠি
D) পাঞ্জাবি
উত্তর: B) গুজরাটি
বিস্তারিত উত্তর: ‘হরতাল’ গুজরাটি ভাষার শব্দ।
প্রশ্ন ২০৬: নিচের কোনটি মিশ্র শব্দের উদাহরণ?
A) হেড পণ্ডিত
B) নামাজ পড়া
C) ডাক্তারখানা
D) সবগুলো
উত্তর: D) সবগুলো
বিস্তারিত উত্তর: মিশ্র শব্দ দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ নিয়ে গঠিত হয়। ‘হেড পণ্ডিত’ (ইংরেজি + তৎসম), ‘নামাজ পড়া’ (ফারসি + বাংলা), ‘ডাক্তারখানা’ (ইংরেজি + ফারসি)।
প্রশ্ন ২০৭: ‘আদা’ শব্দটি কোন শ্রেণীর শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) দেশি
D) বিদেশি
উত্তর: C) দেশি
বিস্তারিত উত্তর: ‘আদা’ একটি দেশি শব্দ (সংস্কৃত ‘আর্দ্রক’ থেকে তদ্ভব ‘আদা’)। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ একে দেশি হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত করেন।
প্রশ্ন ২০৮: ‘চৌহদ্দি’ শব্দটি কোন কোন ভাষার সমন্বয়ে গঠিত?
A) ফারসি + আরবি
B) হিন্দি + আরবি
C) বাংলা + ফারসি
D) সংস্কৃত + আরবি
উত্তর: A) ফারসি + আরবি
বিস্তারিত উত্তর: ‘চৌ’ (ফারসি, অর্থ চার) + ‘হদ্দ’ (আরবি, অর্থ সীমা) = চৌহদ্দি। এটি একটি মিশ্র শব্দ।
প্রশ্ন ২০৯: ‘মহকুমা’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
A) বাংলা
B) আরবি
C) ফারসি
D) তুর্কি
উত্তর: B) আরবি
বিস্তারিত উত্তর: ‘মহকুমা’ একটি আরবি শব্দ।
প্রশ্ন ২১০: ‘আমার বইটি দাও।’ – এখানে ‘আমার’ কোন প্রকার সর্বনাম?
A) নির্দেশক সর্বনাম
B) আত্মবাচক সর্বনাম
C) সম্বন্ধবাচক সর্বনাম
D) পুরুষবাচক সর্বনাম (সম্বন্ধ পদে)
উত্তর: D) পুরুষবাচক সর্বনাম (সম্বন্ধ পদে)
বিস্তারিত উত্তর: ‘আমার’ একটি পুরুষবাচক সর্বনামের (উত্তম পুরুষ) ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত রূপ, যা এখানে সম্বন্ধ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি সরাসরি সম্বন্ধবাচক সর্বনাম (যেমন: যে, যা, যিনি, যারা) নয়।
প্রশ্ন ২১১: ‘নয়ন’ কোন প্রকার বিশেষ্য?
A) সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
B) জাতিবাচক বিশেষ্য
C) গুণবাচক বিশেষ্য
D) সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
উত্তর: B) জাতিবাচক বিশেষ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘নয়ন’ (চোখ) একটি জাতিবাচক বিশেষ্য, যা একটি নির্দিষ্ট অঙ্গের সাধারণ নাম।
প্রশ্ন ২১২: ‘তিনি নিজে এসেছিলেন।’ – এখানে ‘নিজে’ কোন প্রকার সর্বনাম?
A) নির্দেশক সর্বনাম
B) আত্মবাচক সর্বনাম
C) অনির্দেশক সর্বনাম
D) প্রশ্নবাচক সর্বনাম
উত্তর: B) আত্মবাচক সর্বনাম
বিস্তারিত উত্তর: ‘নিজে’ সর্বনামটি কর্তার নিজেকেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি আত্মবাচক সর্বনাম।
প্রশ্ন ২১৩: ‘অপেক্ষাকৃত ভালো।’ – এখানে ‘অপেক্ষাকৃত’ কোন পদের উদাহরণ?
A) বিশেষ্য
B) বিশেষণ
C) ক্রিয়া বিশেষণ
D) বিশেষণের বিশেষণ (অব্যয়জাত)
উত্তর: D) বিশেষণের বিশেষণ (অব্যয়জাত)
বিস্তারিত উত্তর: ‘অপেক্ষাকৃত’ শব্দটি ‘ভালো’ বিশেষণ পদকে আরও বিশেষিত করছে। এটি একটি অব্যয়জাত বিশেষণ যা এখানে বিশেষণের বিশেষণ হিসেবে কাজ করছে।
প্রশ্ন ২১৪: ‘শিকারি বিড়াল ইঁদুর ধরে।’ – এখানে ‘শিকারি’ কোন পদ?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) বিশেষণ
D) সম্বন্ধ পদ
উত্তর: C) বিশেষণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘শিকারি’ শব্দটি ‘বিড়াল’ বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করছে, তাই এটি বিশেষণ।
প্রশ্ন ২১৫: ‘ফুলে গন্ধ আছে।’ – এখানে ‘ফুলে’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) করণকারক
D) অধিকরণ কারক
উত্তর: D) অধিকরণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কোথায় গন্ধ আছে?’ বা ‘কিসে গন্ধ আছে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘ফুলে’ পাওয়া যায়। আধার বা স্থান বোঝাতে অধিকরণ কারক হয় (ভাবাধিকরণ)।
প্রশ্ন ২১৬: ‘অন্ধজনে দেহ আলো।’ – এখানে ‘অন্ধজনে’ কোন কারক?
A) কর্মকারক
B) সম্প্রদান কারক
C) অপাদান কারক
D) করণকারক
উত্তর: B) সম্প্রদান কারক
বিস্তারিত উত্তর: নিঃস্বার্থভাবে দান করা বোঝালে যাকে দান করা হয় তা সম্প্রদান কারক হয়। এখানে ‘অন্ধজনে’ আলো দান করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ২১৭: ‘আমার মা আমাকে ভালোবাসেন।’ – এখানে ‘মা’ কোন কারক?
A) কর্তৃকারক
B) কর্মকারক
C) সম্বন্ধ পদ
D) সম্বোধন পদ
উত্তর: A) কর্তৃকারক
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যে যে কাজটি করে, সেই কর্তা। ‘ভালোবাসেন’ ক্রিয়াটি ‘মা’ সম্পন্ন করছেন। ‘আমার’ সম্বন্ধ পদ।
প্রশ্ন ২১৮: ‘মুনীন্দ্রমতি’ কোন সমাস?
A) নিত্য সমাস
B) অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
C) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
D) ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
উত্তর: C) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘মুনীন্দ্রমতি’ এর ব্যাসবাক্য ‘মুনীন্দ্রের ন্যায় মতিসম্পন্ন ব্যক্তি’। এখানে ‘ন্যায় মতিসম্পন্ন’ মধ্যপদ লোপ পেয়েছে। (অথবা, মুনীন্দ্রের ন্যায় মতি যার – বহুব্রীহিও হতে পারে অর্থের উপর নির্ভর করে, তবে কর্মধারয় বেশি প্রচলিত)।
প্রশ্ন ২১৯: বাক্যের বিধেয় অংশে কোনটি থাকতে পারে না?
A) ক্রিয়া
B) কর্ম
C) উদ্দেশ্য
D) ক্রিয়া বিশেষণ
উত্তর: C) উদ্দেশ্য
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যের বিধেয় অংশে উদ্দেশ্য (কর্তা) থাকে না। উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়, সেটাই বিধেয়।
প্রশ্ন ২২০: ‘যদি সে আসে, তবে আমি যাব।’ – এটি কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) জটিল বাক্য
C) যৌগিক বাক্য
D) মিশ্র বাক্য
উত্তর: B) জটিল বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘যদি…তবে’ দ্বারা একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ২২১: ‘তাকে আসতে বলো।’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
D) সন্দেহবাচক বাক্য
উত্তর: C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: এটি আদেশ বা অনুরোধ বোঝাচ্ছে।
প্রশ্ন ২২২: ‘তার মতো বুদ্ধিমান আর কেউ নেই।’ – এটি অর্থগত দিক থেকে কোন ধরনের বাক্য?
A) নির্দেশক বাক্য (অস্তিবাচক)
B) প্রশ্নবাচক বাক্য
C) বিস্ময়সূচক বাক্য
D) নির্দেশক বাক্য (নেতিবাচক)
উত্তর: D) নির্দেশক বাক্য (নেতিবাচক)
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যটিতে ‘নেই’ দ্বারা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে এবং এটি একটি বিবৃতি।
প্রশ্ন ২২৩: বাক্যের ‘আসত্তি’ বলতে কী বোঝায়?
A) পদের অর্থগত মিল
B) পদের সঠিক বিন্যাস
C) পদের অর্থ বোঝার আকাঙ্ক্ষা
D) পদের পারস্পরিক সম্পর্ক
উত্তর: B) পদের সঠিক বিন্যাস
বিস্তারিত উত্তর: আসত্তি হলো বাক্যের পদসমূহের সঠিক ও সুবিন্যস্ত অবস্থান, যা অর্থ স্পষ্ট করে।
প্রশ্ন ২২৪: ‘আমাকে দেখা হয়েছিল।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘আমাকে’ (কর্ম) প্রধান এবং ‘দেখা হয়েছিল’ ক্রিয়া কর্মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। (কর্তা উহ্য আছে, যেমন: ‘অন্য কারো দ্বারা আমাকে দেখা হয়েছিল’)
প্রশ্ন ২২৫: ‘এ পথে চলা যায় না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘চলা’ (অকর্মক ক্রিয়া) এর ভাবই প্রধান, এবং কর্তা উহ্য।
প্রশ্ন ২২৬: ‘শিশুরা ফুটবল খেলে।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করুন।
A) শিশুদের দ্বারা ফুটবল খেলা হয়।
B) ফুটবল শিশুদের দ্বারা খেলা হয়।
C) ফুটবল খেলা হয় শিশুদের দ্বারা।
D) শিশুরা ফুটবল খেলা হয়।
উত্তর: B) ফুটবল শিশুদের দ্বারা খেলা হয়।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মপদ ‘ফুটবল’ প্রধান হয় এবং সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে, কর্তার সাথে ‘দ্বারা’ যুক্ত হয়।
প্রশ্ন ২২৭: ‘তাকে ভাত দেওয়া হলো।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘ভাত’ (মুখ্য কর্ম) প্রধান এবং ‘দেওয়া হলো’ ক্রিয়াটি কর্মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ‘তাকে’ গৌণ কর্ম।
প্রশ্ন ২২৮: ‘আমি কি যাব?’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: A) কর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘আমি’ (কর্তা) প্রধান এবং ‘যাব’ ক্রিয়া কর্তার অনুসারী।
প্রশ্ন ২২৯: ‘সে আমাকে ভালোবাসে।’ – এটিকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তন করুন।
A) সে দ্বারা আমি ভালোবাসা পাই।
B) আমার দ্বারা সে ভালোবাসা পায়।
C) আমি তার দ্বারা ভালোবাসিত হই।
D) আমি তার দ্বারা ভালোবাসা প্রাপ্ত হই।
উত্তর: D) আমি তার দ্বারা ভালোবাসা প্রাপ্ত হই।
বিস্তারিত উত্তর: কর্মবাচ্যে কর্মপদ (‘আমি’) প্রধান হয় এবং ক্রিয়ার রূপ কর্মের অনুসারী হয়, কর্তা ‘তার দ্বারা’ যুক্ত হয়। ‘ভালোবাসিত হই’ এর চেয়ে ‘ভালোবাসা প্রাপ্ত হই’ বেশি স্বাভাবিক।
প্রশ্ন ২৩০: ‘কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘কাজটি’ (কর্ম) প্রধান এবং ‘সম্পন্ন করা হয়েছে’ ক্রিয়াটি কর্মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
প্রশ্ন ২৩১: ‘আমার দেখা হলো না।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: C) ভাববাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এটি অকর্মক ক্রিয়ার ভাববাচ্য, যেখানে ক্রিয়ার ভাবই প্রধান। ‘আমার’ এখানে ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত কর্তা।
প্রশ্ন ২৩২: ‘সর্বস্বান্ত’ শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
A) উপসর্গযোগে
B) প্রত্যয়যোগে
C) সমাসযোগে
D) সন্ধিযোগে
উত্তর: C) সমাসযোগে
বিস্তারিত উত্তর: ‘সর্বস্বান্ত’ (সর্বস্ব যার অন্ত বা গত হয়েছে) এটি একটি বহুব্রীহি সমাস।
প্রশ্ন ২৩৩: ‘হাওয়া’ শব্দটি কোন ভাষার?
A) হিন্দি
B) ফারসি
C) আরবি
D) উর্দু
উত্তর: C) আরবি
বিস্তারিত উত্তর: ‘হাওয়া’ একটি আরবি শব্দ।
প্রশ্ন ২৩৪: ‘রমনীয়’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ কোনটি?
বিস্তারিত উত্তর: ‘ক্রোধানল’ (ক্রোধ অনলের ন্যায়) – এখানে উপমেয়কে (ক্রোধ) উপমানের (অনল) সাথে তুলনা করা হয়েছে এবং উপমান পদটি বিশেষ্য। ‘চন্দ্রমুখ’ উপমিত কর্মধারয় (মুখ চন্দ্রের ন্যায়), ‘মুখচন্দ্র’ রূপক কর্মধারয় (মুখ রূপ চন্দ্র), ‘মনমাঝি’ রূপক কর্মধারয় (মন রূপ মাঝি)।
প্রশ্ন ২৪৭: ‘যে ভালো ছেলে, সে পুরস্কার পাবে।’ – এই বাক্যে ‘যে ভালো ছেলে’ কী?
A) প্রধান খণ্ডবাক্য
B) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য
C) সরল বাক্য
D) যৌগিক বাক্য
উত্তর: B) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য
বিস্তারিত উত্তর: এটি একটি জটিল বাক্য, যেখানে ‘যে ভালো ছেলে’ একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যা প্রধান খণ্ডবাক্যের ‘সে’ সর্বনামকে বিশেষিত করছে, তাই এটি বিশেষণ স্থানীয়।
প্রশ্ন ২৪৮: ‘তাকে দিয়ে কাজটি করানো হলো।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: B) কর্মবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘কাজটি’ (কর্ম) প্রধান এবং ‘তাকে দিয়ে’ (প্রযোজ্য কর্তা) যুক্ত হয়েছে। এটি প্রযোজক ক্রিয়ার কর্মবাচ্য।
প্রশ্ন ২৪৯: ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।’ – এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন পদের উদাহরণ?
A) বিশেষণ
B) ক্রিয়া বিশেষণ
C) অনুকার অব্যয়
D) পদান্বয়ী অব্যয়
উত্তর: C) অনুকার অব্যয়
বিস্তারিত উত্তর: ‘টাপুর টুপুর’ হলো ধ্বনাত্মক অনুকার অব্যয়, যা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত। এটি ‘পড়ে’ ক্রিয়াকে বিশেষিত করছে, তাই ক্রিয়া-বিশেষণ হিসেবেও কাজ করছে।
প্রশ্ন ২৫০: ‘দুধ থেকে দই হয়।’ – এখানে ‘দুধ থেকে’ কোন কারক?
A) করণ কারক
B) অপাদান কারক
C) অধিকরণ কারক
D) সম্প্রদান কারক
উত্তর: B) অপাদান কারক
বিস্তারিত উত্তর: যা থেকে কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। ‘দুধ থেকে’ দই উৎপন্ন হয়েছে।
বিস্তারিত উত্তর: উদ্দেশ্য (‘ছেলেটি’) সম্পর্কে যা বলা হয়, তাই বিধেয়। এখানে ‘কাঁদছে’ হলো বিধেয়।
প্রশ্ন ২৫২: ‘দু’টি স্বরধ্বনির মিলনকে কী বলে?’
A) স্বরসন্ধি
B) ব্যঞ্জনসন্ধি
C) বিসর্গ সন্ধি
D) বিপ্রকর্ষ
উত্তর: A) স্বরসন্ধি
বিস্তারিত উত্তর: স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে স্বরসন্ধি বলে।
প্রশ্ন ২৫৩: ‘অভাব’ অর্থে ‘উপ’ উপসর্গের ব্যবহার কোনটি?
A) উপনদী
B) উপকথা
C) উপোস
D) উপভাষা
উত্তর: C) উপোস
বিস্তারিত উত্তর: ‘উপোস’ (উপ+বাস) এখানে ‘উপ’ উপসর্গটি ‘অভাব’ বা ‘ত্যাগ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে (আহারের অভাব)। অন্যগুলোতে ‘উপ’ ক্ষুদ্র, সামীপ্য বা সাদৃশ্য অর্থে।
প্রশ্ন ২৫৪: ‘সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।’ – বাক্যটি বাক্যগঠনের কোন শর্তগুলো পূরণ করেছে?
A) শুধু আকাঙ্ক্ষা
B) শুধু আসত্তি
C) শুধু যোগ্যতা
D) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা সবকটি
উত্তর: D) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা সবকটি
বিস্তারিত উত্তর: বাক্যটি আকাঙ্ক্ষা (অর্থের জন্য পদবিন্যাস), আসত্তি (পদের সঠিক ব্যবহার) এবং যোগ্যতা (অর্থগত ও ভাবগত সঙ্গতি) – এই তিনটি শর্তই পূরণ করেছে।
প্রশ্ন ২৫৫: ‘চুল্লু’ কোন শ্রেণীর শব্দ?
A) তৎসম
B) তদ্ভব
C) দেশি
D) বিদেশি
উত্তর: C) দেশি
বিস্তারিত উত্তর: ‘চুল্লু’ (এক আজলা জল) একটি দেশি শব্দ।
প্রশ্ন ২৫৬: ‘অশ্ব’ থেকে ‘ঘোড়া’ – এই ধ্বনি পরিবর্তনে কোন কোন প্রক্রিয়া ঘটেছে?
A) শুধু ধ্বনি বিপর্যয়
B) শুধু সমীভবন
C) ধ্বনি বিপর্যয় ও স্বরসংগতি
D) বিষমীভবন ও স্বরলোপ
উত্তর: C) ধ্বনি বিপর্যয় ও স্বরসংগতি
বিস্তারিত উত্তর: ‘অশ্ব’ > অস্ + স > ঘোড়া। এখানে ‘শ’ ও ‘ব’ এর স্থান পরিবর্তন (বিপর্যয়) এবং স্বরধ্বনির পরিবর্তন (স্বরসংগতি) ঘটেছে। এটি একটি জটিল পরিবর্তন।
বিস্তারিত উত্তর: ‘আমি’ উত্তম পুরুষ হওয়ায় ক্রিয়াও উত্তম পুরুষের রূপ ধারণ করেছে। ‘প্রথম পুরুষ’ ও ‘নাম পুরুষ’ একই।
প্রশ্ন ২৭১: ‘ফসল ফলেছে।’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
A) কর্তৃবাচ্য
B) কর্মবাচ্য
C) ভাববাচ্য
D) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: D) কর্মকর্তৃবাচ্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘ফসল’ (কর্ম) নিজেই যেন ‘ফলেছে’ ক্রিয়াটি করছে, অর্থাৎ কর্মই কর্তার মতো আচরণ করছে।
প্রশ্ন ২৭২: ‘ঘণ্টা বাজাও।’ – এই বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তন করুন।
A) তোমার দ্বারা ঘণ্টা বাজানো হোক।
B) ঘণ্টা বাজানো হোক তোমার দ্বারা।
C) ঘণ্টা বাজানো হবে।
D) ঘণ্টা বাজুক।
উত্তর: A) তোমার দ্বারা ঘণ্টা বাজানো হোক।
বিস্তারিত উত্তর: এখানে ‘ঘণ্টা’ (কর্ম) প্রধান, এবং উহ্য কর্তা ‘তুমি’ কে ‘তোমার দ্বারা’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে। এটি অনুজ্ঞাসূচক কর্মবাচ্য।
প্রশ্ন ২৭৩: ‘ছেলেটির বুদ্ধি আছে।’ – এখানে ‘আছে’ ক্রিয়াটি কোন প্রকার?
A) সকর্মক
B) অকর্মক
C) দ্বিকর্মক
D) প্রযোজক
উত্তর: B) অকর্মক
বিস্তারিত উত্তর: ‘আছে’ ক্রিয়াটি এখানে কোনো কর্ম গ্রহণ করেনি, এটি কর্তার (বুদ্ধি) অস্তিত্ব বা অবস্থা বোঝাচ্ছে।
প্রশ্ন ২৭৪: ‘পাপে বিরত হও।’ – এখানে ‘পাপে’ কোন কারক?
A) করণ কারক
B) অপাদান কারক
C) অধিকরণ কারক
D) কর্ম কারক
উত্তর: B) অপাদান কারক
বিস্তারিত উত্তর: যা থেকে বিরত হওয়া বোঝায়, সেটি অপাদান কারক। ‘পাপ থেকে বিরত হও’ এই অর্থে।
প্রশ্ন ২৭৫: ‘নীলাম্বর’ কোন সমাসের উদাহরণ?
A) কর্মধারয় সমাস
B) বহুব্রীহি সমাস
C) তৎপুরুষ সমাস
D) দ্বিগু সমাস
উত্তর: A) কর্মধারয় সমাস
বিস্তারিত উত্তর: ‘নীল যে অম্বর’ (নীল রঙের আকাশ বা বস্ত্র) – এটি কর্মধারয় সমাস। যদি ‘নীল অম্বর যার’ (যেমন বলরাম) বোঝায়, তবে বহুব্রীহি হবে। সাধারণ অর্থে এটি কর্মধারয়।
প্রশ্ন ২৭৬: ‘ষোড়শ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
A) ষোড় + শ
B) ষট্ + দশ
C) ষোড় + দশ
D) ষো + দশ
উত্তর: B) ষট্ + দশ
বিস্তারিত উত্তর: এটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ‘ট্’ এর পর ‘দ’ থাকলে উভয়ে মিলে ‘ড়’ এবং ‘শ’ হয়।
প্রশ্ন ২৭৭: ‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন।’ – এটি কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) যৌগিক বাক্য
C) জটিল বাক্য
D) মিশ্র বাক্য (জটিল ও যৌগিকের মিশ্রণ)
উত্তর: C) জটিল বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য সাপেক্ষ অব্যয় বা ভাব দ্বারা যুক্ত হয়েছে (‘যেখানে…তাই’, ‘পাইলেও…পার’)।
প্রশ্ন ২৮১: ‘গবেষণা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
A) গব + এষণা
B) গো + এষণা
C) গভ + এষণা
D) গো + ষণা
উত্তর: B) গো + এষণা
বিস্তারিত উত্তর: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম (নিপাতনে সিদ্ধ)। ও-কারের পর এ থাকলে ও-কারের জায়গায় ‘অব’ হয় এবং পরের ‘এ’ অবিকৃত থাকে। গো + এষণা = গব্ + এষণা = গবেষণা।
প্রশ্ন ২৮২: ‘পড়াশোনায় মন দাও।’ – এই বাক্যে ‘পড়াশোনায়’ কোন কারক?
A) কর্ম কারক
B) করণ কারক
C) অধিকরণ কারক
D) সম্প্রদান কারক
উত্তর: C) অধিকরণ কারক
বিস্তারিত উত্তর: ‘কিসে মন দাও?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘পড়াশোনায়’ পাওয়া যায়। এটি বিষয় অধিকরণ কারক।
প্রশ্ন ২৮৪: ‘তিনি সৎ, তাই সকলেই তাকে শ্রদ্ধা করে।’ – এটি কোন ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) জটিল বাক্য
C) যৌগিক বাক্য
D) মিশ্র বাক্য
উত্তর: C) যৌগিক বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: দুটি স্বাধীন বাক্য (‘তিনি সৎ’ এবং ‘সকলেই তাকে শ্রদ্ধা করে’) ‘তাই’ সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন ২৮৫: ‘তার পড়াশোনা ভালো লাগে না।’ – বাক্যটিকে অস্তিবাচক বাক্যে পরিবর্তন করলে কী হবে?
A) তার পড়াশোনা মন্দ লাগে।
B) পড়াশোনা তার কাছে অপ্রিয়।
C) সে পড়াশোনায় অমনোযোগী।
D) পড়াশোনা তার ভালো লাগার বিষয় নয়।
উত্তর: B) পড়াশোনা তার কাছে অপ্রিয়।
বিস্তারিত উত্তর: ‘ভালো লাগে না’ এর অস্তিবাচক রূপ হলো ‘অপ্রিয়’। অন্য বিকল্পগুলো অর্থ পরিবর্তন করে বা না-সূচক ভাব ধরে রাখে।
প্রশ্ন ২৮৬: ‘ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে।’ – এটি কী ধরনের বাক্য?
A) সরল বাক্য
B) প্রবাদ বাক্য
C) জটিল বাক্য
D) যৌগিক বাক্য
উত্তর: B) প্রবাদ বাক্য
বিস্তারিত উত্তর: এটি একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ বাক্য, যা বিশেষ অর্থ বহন করে (স্বভাব সহজে পরিবর্তিত হয় না)। গঠনগতভাবে এটি সরল বাক্য।
প্রশ্ন ২৮৭: ‘উষ্ণীষ’ শব্দটির অর্থ কী?
A) উষ্ণতা
B) পাগড়ি
C) মরুভূমি
D) ঊষা
উত্তর: B) পাগড়ি
বিস্তারিত উত্তর: ‘উষ্ণীষ’ শব্দের অর্থ হলো পাগড়ি বা শিরস্ত্রাণ।
প্রশ্ন ২৮৮: ‘নদী’ শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
A) তটিনী
B) স্রোতস্বিনী
C) শৈল
D) প্রবাহিণী
উত্তর: C) শৈল
বিস্তারিত উত্তর: ‘শৈল’ শব্দের অর্থ পর্বত। তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী নদীর প্রতিশব্দ।
প্রশ্ন ২৮৯: ‘আট কপালে’ বাগধারাটির অর্থ কী?
A) ভাগ্যবান
B) হতভাগ্য
C) অলস
D) চালাক
উত্তর: B) হতভাগ্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘আট কপালে’ বাগধারাটির অর্থ হলো হতভাগ্য বা মন্দভাগ্য।
প্রশ্ন ২৯০: ‘যা দমন করা যায় না’ – এক কথায় প্রকাশ কী?
A) অদম্য
B) দুর্দমনীয়
C) অবাধ্য
D) দুরন্ত
উত্তর: A) অদম্য
বিস্তারিত উত্তর: ‘যা দমন করা যায় না’ তাকে অদম্য বলে। ‘দুর্দমনীয়’ অর্থ যাকে দমন করা কঠিন।
প্রশ্ন ২৯১: ‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ কী?
A) অনেক ধান
B) অনেক জ্ঞান
C) অনেক শক্তি
D) বহুপ্রকার ধান
উত্তর: A) অনেক ধান
বিস্তারিত উত্তর: ‘বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার’ – এই অর্থে বহুব্রীহি শব্দটি এসেছে, যা একজন ধনী কৃষককে বোঝাত।
প্রশ্ন ২৯২: ‘অপলাপ’ শব্দের অর্থ কী?
A) প্রলাপ
B) অস্বীকার
C) বিলোপ
D) আলাপ
উত্তর: B) অস্বীকার
বিস্তারিত উত্তর: ‘অপলাপ’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু গোপন করা বা অস্বীকার করা।
প্রশ্ন ২৯৩: ‘আদিষ্ট’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
A) अनादिष्ट
B) নির্দেশিত
C) নিষিদ্ধ
D) প্রার্থিত
উত্তর: C) নিষিদ্ধ
বিস্তারিত উত্তর: ‘আদিষ্ট’ মানে আদেশপ্রাপ্ত বা অনুমোদিত। এর বিপরীতার্থক শব্দ ‘নিষিদ্ধ’। ‘অনাদিষ্ট’ শব্দটিও ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ২৯৪: ‘তৃণগ্রাহী’ শব্দের অর্থ কী?
A) যে ঘাস খায়
B) যে ঘাস জন্মায়
C) যে সামান্য কিছু গ্রহণ করে
D) যে ঘাস ভালোবাসে
উত্তর: A) যে ঘাস খায়
বিস্তারিত উত্তর: ‘তৃণগ্রাহী’ শব্দের অর্থ যে তৃণ বা ঘাস ভক্ষণ করে, সাধারণত তৃণভোজী প্রাণীকে বোঝায়।
প্রশ্ন ২৯৫: ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
A) নদীর স্রোত
B) ভেড়ার পালের মতো
C) অন্ধ অনুকরণ
D) বিশৃঙ্খল অবস্থা
উত্তর: C) অন্ধ অনুকরণ
বিস্তারিত উত্তর: ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারাটির অর্থ হলো বিচার বিবেচনা না করে অন্যের অন্ধ অনুকরণ করা।
প্রশ্ন ২৯৬: ‘ণত্ব ও ষত্ব বিধান’ বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
A) ধ্বনিতত্ত্ব
B) শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব
C) বাক্যতত্ত্ব
D) অর্থতত্ত্ব
উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব
বিস্তারিত উত্তর: ণত্ব ও ষত্ব বিধান মূলত তৎসম শব্দের বানানের নিয়ম, যা ধ্বনির সঠিক ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্গত। কিছু ক্ষেত্রে শব্দতত্ত্বের সাথেও এর সম্পর্ক আছে।
প্রশ্ন ২৯৭: ‘কাকনিদ্রা’ শব্দটির অর্থ কী?
A) গভীর ঘুম
B) কাকের মতো ঘুম
C) অগভীর সতর্ক ঘুম
D) অসময়ের ঘুম
উত্তর: C) অগভীর সতর্ক ঘুম
বিস্তারিত উত্তর: ‘কাকনিদ্রা’ বলতে অগভীর, সতর্ক ও সজাগ নিদ্রাকে বোঝানো হয়।
প্রশ্ন ২৯৮: ‘শিরে সংক্রান্তি’ বাগধারাটির অর্থ কী?
A) মাথায় আঘাত
B) আসন্ন বিপদ
C) উৎসবের দিন
D) মাথায় বুদ্ধি আসা
উত্তর: B) আসন্ন বিপদ
বিস্তারিত উত্তর: ‘শিরে সংক্রান্তি’ বাগধারাটির অর্থ হলো আসন্ন বা খুব নিকটবর্তী বিপদ।
প্রশ্ন ২৯৯: ‘সৌম্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
A) শান্ত
B) উগ্র
C) সুন্দর
D) কোমল
উত্তর: B) উগ্র
বিস্তারিত উত্তর: ‘সৌম্য’ অর্থ শান্ত, স্নিগ্ধ। এর বিপরীত শব্দ ‘উগ্র’।
প্রশ্ন ৩০০: ‘একাদশে বৃহস্পতি’ – এই বাগধারাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
A) এগারোতম দিন
B) সৌভাগ্যের বিষয়
C) দুর্ভাগ্যের সূচনা
D) বৃহস্পতি গ্রহের প্রভাব
উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয়
বিস্তারিত উত্তর: ‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটি অত্যন্ত সৌভাগ্য বা সুসময় অর্থে ব্যবহৃত হয়।