ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তার: MCQ
Q.1: পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭) এর প্রধান ফলাফল কী ছিল?
- A) ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চূড়ান্ত পতন।
- B) বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাবের সূচনা।
- C) মারাঠাদের সাথে ব্রিটিশদের সরাসরি সংঘাতের সূত্রপাত।
- D) মহীশূরের হায়দার আলীর উত্থান।
ANS: B) বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাবের সূচনা।
Details: পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাব বিস্তার শুরু করে। সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর মীরজাফরকে পুতুল নবাব হিসেবে সিংহাসনে বসানো হয়, যার ফলে কোম্পানি বাংলার প্রশাসনে পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।
Q.2: বক্সারের যুদ্ধ (১৭৬৪) এর পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন্ অধিকার লাভ করে, যা বাংলার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণকে আরও সুদৃঢ় করে?
- A) শুধুমাত্র সামরিক অধিকার।
- B) বাণিজ্যিক শুল্ক আদায়ের অধিকার।
- C) বাংলার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়) অধিকার।
- D) বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা।
ANS: C) বাংলার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়) অধিকার।
Details: বক্সারের যুদ্ধের পর ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদের চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে। এটি কোম্পানির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতাকে অত্যন্ত শক্তিশালী করে তোলে।
Q.3: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি (Subsidiary Alliance) কে প্রবর্তন করেন এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
- A) লর্ড ডালহৌসি; ভারতীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের অধীনে সরাসরি সংযুক্ত করা।
- B) লর্ড ওয়েলেসলি; ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে আসা এবং তাদের নিজস্ব সামরিক শক্তি বিলুপ্ত করা।
- C) লর্ড কর্নওয়ালিস; বিচার ব্যবস্থার সংস্কার করা।
- D) রবার্ট ক্লাইভ; বাংলার দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
ANS: B) লর্ড ওয়েলেসলি; ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে আসা এবং তাদের নিজস্ব সামরিক শক্তি বিলুপ্ত করা।
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রবর্তন করেন লর্ড ওয়েলেসলি (১৭৯৮-১৮০৫)। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশ সামরিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা, তাদের সার্বভৌমত্ব খর্ব করা এবং ফরাসি প্রভাব বিস্তার রোধ করা।
Q.4: “সত্ত্ববিলোপ নীতি” (Doctrine of Lapse) এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
- A) ব্রিটিশরা শুধু সেই রাজ্যগুলো অধিগ্রহণ করত যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল।
- B) কোনো দেশীয় রাজা স্বাভাবিক উত্তরাধিকারী ছাড়া মারা গেলে, তাঁর রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত।
- C) ব্রিটিশরা ভারতীয় রাজাদের বাণিজ্যিক অধিকার কেড়ে নিত।
- D) ব্রিটিশদেরকে সামরিক হস্তক্ষেপের অধিকার দিত।
ANS: B) কোনো দেশীয় রাজা স্বাভাবিক উত্তরাধিকারী ছাড়া মারা গেলে, তাঁর রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত।
Details: সত্ত্ববিলোপ নীতি ছিল লর্ড ডালহৌসির (১৮৪৮-১৮৫৬) এক আগ্রাসী সংযোজন নীতি। এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো দেশীয় রাজ্যের শাসকের কোনো স্বাভাবিক উত্তরাধিকারী না থাকত, তবে সেই রাজ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত। এর ফলে সাতারা, ঝাঁসি, নাগপুর ইত্যাদি রাজ্য সংযুক্ত হয়।
Q.5: টিপু সুলতান কোন যুদ্ধের সময় নিহত হন এবং এর ফলে মহীশূরের কী পরিণতি হয়?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; মহীশূর স্বাধীন থাকে।
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; ব্রিটিশরা মহীশূরের কিছু অংশ দখল করে।
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; টিপু সুলতান শ্রীরঙ্গপত্তনম চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; মহীশূর ব্রিটিশদের অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির আওতায় আসে।
ANS: D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; মহীশূর ব্রিটিশদের অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির আওতায় আসে।
Details: টিপু সুলতান চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের (১৭৯৯) সময় শ্রীরঙ্গপত্তনম দুর্গ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হন। এরপর মহীশূরের কেন্দ্রীয় অংশ ওয়াদিয়ার রাজবংশের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং তারা ব্রিটিশদের অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।
Q.6: তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ (১৮১৭-১৮১৮) এর প্রধান ফলাফল কী ছিল?
- A) মারাঠারা ব্রিটিশদের সাথে একটি প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- B) মারাঠা কনফেডারেসির চূড়ান্ত পতন এবং পেশোয়া পদের বিলুপ্তি।
- C) মারাঠারা একটি নতুন স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- D) ব্রিটিশরা মারাঠাদের সাথে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
ANS: B) মারাঠা কনফেডারেসির চূড়ান্ত পতন এবং পেশোয়া পদের বিলুপ্তি।
Details: তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধে ব্রিটিশরা মারাঠা শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে পরাজিত করে। এর প্রধান ফলাফল ছিল মারাঠা কনফেডারেসির চূড়ান্ত পতন। পেশোয়া দ্বিতীয় বাজি রাও পরাজিত হন এবং তার পদ বিলুপ্ত করা হয়।
Q.7: পাঞ্জাব ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় কোন ঘটনার পর?
- A) প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ (১৮৪৫-৪৬)।
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ (১৮৪৮-৪৯)।
- C) মহারাজ রঞ্জিত সিংয়ের মৃত্যু (১৮৩৯)।
- D) সত্ত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে।
ANS: B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ (১৮৪৮-৪৯)।
Details: পাঞ্জাব দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের (১৮৪৮-৪৯) পর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই যুদ্ধে ব্রিটিশরা শিখদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে এবং ১৮৪৯ সালে পাঞ্জাব সম্পূর্ণরূপে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
Q.8: দেওয়ানি লাভের পর বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দ্বারা প্রবর্তিত ‘দ্বৈত শাসন’ (Dual Government) ব্যবস্থার প্রধান ত্রুটি কী ছিল?
- A) কোম্পানির হাতে ক্ষমতা ছিল, কিন্তু কোনো দায়িত্ব ছিল না।
- B) নবাব সমস্ত ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন, কিন্তু কোনো দায়িত্ব ছিল না।
- C) ব্রিটিশরা কেবল সামরিক বিষয় দেখত।
- D) রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব নবাবের হাতে ছিল।
ANS: A) কোম্পানির হাতে ক্ষমতা ছিল, কিন্তু কোনো দায়িত্ব ছিল না।
Details: দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় কোম্পানির হাতে রাজ্যের সমস্ত আর্থিক ক্ষমতা (দেওয়ানি) চলে আসে, কিন্তু প্রশাসনিক দায়িত্ব (নিজামত) নবাবের ওপর নামমাত্র ছিল। এর ফলে বাংলায় ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি এবং জনগণের ওপর চরম শোষণ নেমে আসে।
Q.9: পলাশীর যুদ্ধের সময় বাংলার নবাব কে ছিলেন?
- A) আলীবর্দি খাঁ
- B) মীরজাফর
- C) সিরাজউদ্দৌলা
- D) মীর কাসিম
ANS: C) সিরাজউদ্দৌলা
Details: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধের সময় বাংলার নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা। এই যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার সহায়তায় সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করেন।
Q.10: কোন মুঘল সম্রাট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি প্রদান করেন?
- A) আওরঙ্গজেব
- B) দ্বিতীয় শাহ আলম
- C) বাহাদুর শাহ জাফর
- D) ফারুকসিয়ার
ANS: B) দ্বিতীয় শাহ আলম
Details: ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর, দ্বিতীয় শাহ আলম (মুঘল সম্রাট) ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদের চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) প্রদান করেন।
Q.11: কোন ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর শ্রীরঙ্গপত্তনমের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
ANS: C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
Details: ১৭৯০-১৭৯২ সালের তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর ১৭৯২ সালে শ্রীরঙ্গপত্তনমের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে লর্ড কর্নওয়ালিসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাহিনী টিপু সুলতানকে পরাজিত করে।
Q.12: নিম্নলিখিত রাজ্যগুলির মধ্যে কোনটি লর্ড ডালহৌসির ‘সত্ত্ববিলোপ নীতি’ এর অধীনে প্রথম ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়?
- A) ঝাঁসি
- B) নাগপুর
- C) সাতারা
- D) উদয়পুর
ANS: C) সাতারা
Details: লর্ড ডালহৌসির ‘সত্ত্ববিলোপ নীতি’র অধীনে সাতারা ছিল প্রথম ভারতীয় রাজ্য যা ১৮৪৮ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
Q.13: দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের সময় ভারতের গভর্নর-জেনারেল কে ছিলেন?
- A) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
- B) লর্ড হার্ডিঞ্জ
- C) লর্ড ডালহৌসি
- D) লর্ড ক্যানিং
ANS: C) লর্ড ডালহৌসি
Details: ১৮৪৮-১৮৪৯ সালের দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের সময় লর্ড ডালহৌসি ছিলেন ভারতের গভর্নর-জেনারেল। এই যুদ্ধের পরই পাঞ্জাব ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
Q.14: পলাশীর যুদ্ধের সময় সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন, যিনি ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন?
- A) মোহনলাল
- B) মীর মদন
- C) মীরজাফর
- D) দুর্লভরাম
ANS: C) মীরজাফর
Details: পলাশীর যুদ্ধের সময় বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি ছিলেন মীরজাফর। তিনিই ছিলেন ইংরেজদের সাথে সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে প্রধান ষড়যন্ত্রকারী।
Q.15: বক্সারের যুদ্ধ কোন নদীর তীরে সংঘটিত হয়েছিল?
- A) ভাগীরথী
- B) যমুনা
- C) গঙ্গা
- D) ব্রহ্মপুত্র
ANS: C) গঙ্গা
Details: বক্সারের যুদ্ধ ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর গঙ্গা নদীর তীরে (এর একটি উপনদী কারমনাশ নদীর তীরে) সংঘটিত হয়েছিল। বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ হয়েছিল।
Q.16: কোন গভর্নর-জেনারেল বাংলায় ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থার অবসান ঘটান?
- A) রবার্ট ক্লাইভ
- B) ওয়ারেন হেস্টিংস
- C) লর্ড কর্নওয়ালিস
- D) লর্ড ওয়েলেসলি
ANS: B) ওয়ারেন হেস্টিংস
Details: রবার্ট ক্লাইভ কর্তৃক প্রবর্তিত বাংলায় ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক বাতিল করা হয়। তিনি সরাসরি ব্রিটিশ কোম্পানির অধীনে বাংলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
Q.17: শ্রীপত্তনম চুক্তি (১৭৯২) কোন যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এটি কার মধ্যে হয়েছিল?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; হায়দার আলী ও ব্রিটিশদের মধ্যে।
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; টিপু সুলতান ও ব্রিটিশদের মধ্যে।
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; টিপু সুলতান, ব্রিটিশ, নিজাম ও মারাঠাদের মধ্যে।
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; টিপু সুলতান ও লর্ড ওয়েলেসলির মধ্যে।
ANS: C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ; টিপু সুলতান, ব্রিটিশ, নিজাম ও মারাঠাদের মধ্যে।
Details: ১৭৯২ সালের তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর শ্রীপত্তনম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তি টিপু সুলতান এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (লর্ড কর্নওয়ালিস), হায়দ্রাবাদের নিজাম ও মারাঠাদের সম্মিলিত বাহিনীর মধ্যে হয়েছিল।
Q.18: মারাঠা সাম্রাজ্যের পেশোয়া পদটি কার দ্বারা বিলুপ্ত করা হয়?
- A) লর্ড ডালহৌসি
- B) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
- C) লর্ড হেস্টিংস
- D) লর্ড ওয়েলেসলি
ANS: C) লর্ড হেস্টিংস
Details: মারাঠা সাম্রাজ্যের পেশোয়া পদটি লর্ড হেস্টিংস কর্তৃক বিলুপ্ত করা হয়। তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের (১৮১৭-১৮১৮) পর ব্রিটিশরা মারাঠা শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে পরাজিত করে এবং পেশোয়া দ্বিতীয় বাজি রাওকে পদচ্যুত করে।
Q.19: বক্সারের যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?
- A) রবার্ট ক্লাইভ
- B) ওয়ারেন হেস্টিংস
- C) হেক্টর মনরো
- D) লর্ড ওয়েলেসলি
ANS: C) হেক্টর মনরো
Details: ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হেক্টর মনরো (Hector Munro)। তার নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাহিনী সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে।
Q.20: কোন মারাঠা শাসক ছিলেন যিনি সর্বপ্রথম অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেছিলেন?
- A) মহাদজি সিন্ধিয়া
- B) নানা ফড়নবিস
- C) দ্বিতীয় বাজি রাও
- D) প্রথম বাজি রাও
ANS: C) দ্বিতীয় বাজি রাও
Details: মারাঠা শাসকদের মধ্যে দ্বিতীয় বাজি রাও (পেশোয়া) ১৮০২ সালের বেসিনের চুক্তি (Treaty of Bassein) দ্বারা অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেন।
Q.21: নিম্নলিখিত দেশীয় রাজ্যগুলির মধ্যে কোনটি সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে ব্রিটিশদের দ্বারা সংযুক্ত হয়নি?
- A) সাতারা
- B) ঝাঁসি
- C) নাগপুর
- D) পাঞ্জাব
ANS: D) পাঞ্জাব
Details: পাঞ্জাব দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে নয়।
Q.22: পলাশীর যুদ্ধের (১৭৫৭) পর কে বাংলার নবাব হয়েছিলেন?
- A) সিরাজউদ্দৌলা
- B) মীর কাসিম
- C) মীরজাফর
- D) আলীবর্দি খাঁ
ANS: C) মীরজাফর
Details: পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও হত্যাকাণ্ডের পর, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীরজাফরকে বাংলার নবাব হিসেবে বসায়।
Q.23: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল:
- A) রাজ্যগুলিকে সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
- B) দেশীয় রাজ্যের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা।
- C) ব্রিটিশ সৈন্য দলের ব্যয়ভার বহন করার বিনিময়ে দেশীয় রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটিশ হস্তক্ষেপ।
- D) দেশীয় রাজ্যগুলিকে ইউরোপীয় বণিকদের সাথে সরাসরি বাণিজ্য করার অনুমতি দেওয়া।
ANS: C) ব্রিটিশ সৈন্য দলের ব্যয়ভার বহন করার বিনিময়ে দেশীয় রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটিশ হস্তক্ষেপ।
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি অনুযায়ী, দেশীয় রাজ্যকে তার নিজস্ব সামরিক শক্তি বিলুপ্ত করে একটি ব্রিটিশ সৈন্য দলকে রাখতে হতো এবং তার ব্যয়ভার বহন করতে হতো। এর মাধ্যমে ব্রিটিশরা রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ পেত।
Q.24: কোন ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে হায়দার আলী মৃত্যুবরণ করেন?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
ANS: B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
Details: হায়দার আলী দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের (১৭৮০-১৭৮৪) সময় ১৭৮২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র টিপু সুলতান যুদ্ধ চালিয়ে যান।
Q.25: মারাঠা সাম্রাজ্যের শেষ স্বাধীন পেশোয়া কে ছিলেন?
- A) প্রথম বাজি রাও
- B) বালাজি বাজি রাও
- C) দ্বিতীয় বাজি রাও
- D) মাধব রাও
ANS: C) দ্বিতীয় বাজি রাও
Details: দ্বিতীয় বাজি রাও ছিলেন মারাঠা সাম্রাজ্যের শেষ পেশোয়া। তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধে (১৮১৭-১৮১৮) ব্রিটিশদের কাছে তার চূড়ান্ত পরাজয়ের পর, পেশোয়া পদটি বিলুপ্ত করা হয়।
Q.26: কোন নীতিকে “দেশীয় রাজ্যগুলির জন্য একটি ফাঁদ” হিসেবে বর্ণনা করা হতো?
- A) সত্ত্ববিলোপ নীতি
- B) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
- C) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি
- D) রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত
ANS: C) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি
Details: লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতিকে প্রায়শই “দেশীয় রাজ্যগুলির জন্য একটি ফাঁদ” হিসেবে বর্ণনা করা হতো, কারণ এটি রাজ্যগুলির সার্বভৌমত্ব হরণ করে তাদের ব্রিটিশদের ওপর নির্ভরশীল করে তুলত।
Q.27: পাঞ্জাব অধিগ্রহণের সময় ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর-জেনারেল কে ছিলেন?
- A) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
- B) লর্ড অকল্যান্ড
- C) লর্ড ডালহৌসি
- D) লর্ড হার্ডিঞ্জ
ANS: C) লর্ড ডালহৌসি
Details: ১৮৪৯ সালে যখন পাঞ্জাব ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়, তখন লর্ড ডালহৌসি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর-জেনারেল।
Q.28: পলাশীর যুদ্ধের সময় রবার্ট ক্লাইভ বাংলায় কার কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছিলেন?
- A) নিজাম
- B) মারাঠা
- C) মীরজাফর ও জগৎ শেঠের মতো স্থানীয় অভিজাত ও বণিক শ্রেণী
- D) ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
ANS: C) মীরজাফর ও জগৎ শেঠের মতো স্থানীয় অভিজাত ও বণিক শ্রেণী
Details: পলাশীর যুদ্ধে রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফর (প্রধান সেনাপতি) এবং জগৎ শেঠ (ধনী ব্যাংকার) সহ অন্যান্য অসন্তুষ্ট স্থানীয় অভিজাতদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিলেন, যা নবাবের পরাজয়ের মূল কারণ ছিল।
Q.29: কোন চুক্তির মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার দেওয়ানি লাভ করে?
- A) আলীনগরের চুক্তি
- B) বেসিনের চুক্তি
- C) এলাহাবাদের চুক্তি
- D) শ্রীরঙ্গপত্তনমের চুক্তি
ANS: C) এলাহাবাদের চুক্তি
Details: ১৭৬৫ সালে বক্সারের যুদ্ধের পর মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে কোম্পানি বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে।
Q.30: বাংলায় ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ (The Great Bengal Famine of 1770) কোন শাসন ব্যবস্থার কুফল ছিল?
- A) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
- B) রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত
- C) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
- D) মহলওয়ারি বন্দোবস্ত
ANS: C) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
Details: ১৭৭০ সালের ভয়াবহ ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ মূলত বাংলায় রবার্ট ক্লাইভ কর্তৃক প্রবর্তিত দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার সরাসরি কুফল ছিল। কোম্পানির অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় এবং দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় উদাসীনতা এই মন্বন্তরের ভয়াবহতা বাড়িয়ে দিয়েছিল।
Q.31: টিপু সুলতানকে ‘মহীশূরের বাঘ’ (Tiger of Mysore) বলা হতো কেন?
- A) তিনি বাঘ শিকার করতে খুব ভালোবাসতেন।
- B) তার সেনাবাহিনীর প্রতীক ছিল বাঘ।
- C) তার সাহস, আক্রমণাত্মক নীতি এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধের জন্য।
- D) তার রাজ্য বাঘের সংখ্যায় পূর্ণ ছিল।
ANS: C) তার সাহস, আক্রমণাত্মক নীতি এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধের জন্য।
Details: টিপু সুলতানকে ‘মহীশূরের বাঘ’ বলা হতো তার অদম্য সাহস, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তার আক্রমণাত্মক সামরিক নীতি এবং মহীশূরের স্বাধীনতা রক্ষায় তার দৃঢ় প্রতিরোধের জন্য।
Q.32: নিম্নলিখিত দেশীয় রাজ্যগুলির মধ্যে কোনটি লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণকারী প্রথম প্রধান রাজ্য ছিল?
- A) অযোধ্যা (আওধ)
- B) মারাঠা
- C) মহীশূর
- D) হায়দ্রাবাদের নিজাম
ANS: D) হায়দ্রাবাদের নিজাম
Details: হায়দ্রাবাদের নিজাম ছিলেন প্রথম প্রধান দেশীয় শাসক যিনি ১৭৯৮ সালে লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেন।
Q.33: দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের মূল কারণগুলির মধ্যে একটি কী ছিল?
- A) রঞ্জিত সিংয়ের সাথে ব্রিটিশদের বাণিজ্যিক বিবাদ।
- B) শিখ খলসা সেনাবাহিনীর ক্ষমতার পুনরুত্থানের প্রচেষ্টা এবং ব্রিটিশদের ঔদ্ধত্য।
- C) পাঞ্জাবের প্রাকৃতিক সম্পদ দখল নিয়ে ফরাসিদের সাথে বিবাদ।
- D) শিখদের দ্বারা ব্রিটিশ রেসিডেন্টের হত্যা।
ANS: B) শিখ খলসা সেনাবাহিনীর ক্ষমতার পুনরুত্থানের প্রচেষ্টা এবং ব্রিটিশদের ঔদ্ধত্য।
Details: দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের মূল কারণগুলির মধ্যে একটি ছিল শিখ খলসা সেনাবাহিনীর ক্ষমতার পুনরুত্থানের প্রচেষ্টা এবং তাদের মধ্যে ব্রিটিশ আধিপত্যের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ।
Q.34: পলাশীর যুদ্ধের একটি প্রধান কারণ ছিল সিরাজউদ্দৌলার দ্বারা ব্রিটিশদের কোন কাজ বন্ধ করে দেওয়া?
- A) বাংলায় বিনা শুল্কে বাণিজ্য করার অধিকার
- B) কলকাতা শহরে দুর্গ নির্মাণ
- C) ফরাসিদের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন
- D) ভারতীয় সৈন্যদের নিয়োগ
ANS: B) কলকাতা শহরে দুর্গ নির্মাণ
Details: পলাশীর যুদ্ধের অন্যতম একটি প্রধান কারণ ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার নির্দেশ অমান্য করে ব্রিটিশদের কলকাতা (ফোর্ট উইলিয়াম) শহরে দুর্গ নির্মাণ অব্যাহত রাখা।
Q.35: বক্সারের যুদ্ধের পর বাংলায় যে নতুন শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়, তার নাম কী ছিল?
- A) প্রত্যক্ষ শাসন
- B) দ্বৈত শাসন
- C) নবাবী শাসন
- D) রাষ্ট্রপতি শাসন
ANS: B) দ্বৈত শাসন
Details: বক্সারের যুদ্ধের পর এবং ১৭৬৫ সালের এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর রবার্ট ক্লাইভ বাংলায় দ্বৈত শাসন (Dual Government) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
Q.36: টিপু সুলতান কোন দুটি উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত ছিলেন যা তার সামরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করেছিল?
- A) কামান এবং সাঁজোয়া রথ
- B) রকেট এবং উন্নত বন্দুক
- C) নৌবাহিনী এবং ভারী ট্যাংক
- D) বিমান এবং ডুবোজাহাজ
ANS: B) রকেট এবং উন্নত বন্দুক
Details: টিপু সুলতান বিশেষভাবে রকেট (Mysorean rockets) এবং উন্নত বন্দুক (modernized firearms) এর উদ্ভাবন ও ব্যবহারে পরিচিত ছিলেন, যা তার সামরিক শক্তিকে বৃদ্ধি করেছিল।
Q.37: মারাঠা সাম্রাজ্যের পতনের প্রধান কারণগুলির মধ্যে কোনটি ছিল?
- A) মুঘল সাম্রাজ্যের সাথে ক্রমাগত যুদ্ধ
- B) ব্রিটিশদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন
- C) তাদের নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং কেন্দ্রীভূত শাসনের অভাব
- D) ইউরোপীয় বণিকদের সাথে বাণিজ্য প্রত্যাখ্যান
ANS: C) তাদের নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং কেন্দ্রীভূত শাসনের অভাব
Details: মারাঠা সাম্রাজ্যের পতনের প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি ছিল তাদের নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব, পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীভূত শাসনের অভাব, যা ব্রিটিশদের সুযোগ করে দেয়।
Q.38: লর্ড ডালহৌসির ‘সত্ত্ববিলোপ নীতি’ মূলত কোন ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল?
- A) বাণিজ্য বিস্তার
- B) প্রশাসনিক সংস্কার
- C) উত্তরাধিকারহীন দেশীয় রাজ্যগুলির সংযুক্তি
- D) ধর্মীয় সহনশীলতা
ANS: C) উত্তরাধিকারহীন দেশীয় রাজ্যগুলির সংযুক্তি
Details: লর্ড ডালহৌসির ‘সত্ত্ববিলোপ নীতি’ মূলত উত্তরাধিকারহীন দেশীয় রাজ্যগুলির ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে সংযুক্তির ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
Q.39: বক্সারের যুদ্ধের তাৎক্ষণিক ফলাফল কী ছিল?
- A) ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রভাব বৃদ্ধি।
- B) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক অধিকার বাতিল।
- C) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ।
- D) মহীশূরের সাথে ব্রিটিশদের মিত্রতা স্থাপন।
ANS: C) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ।
Details: বক্সারের যুদ্ধের তাৎক্ষণিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বারা বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ, যা ১৭৬৫ সালের এলাহাবাদের চুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল।
Q.40: পলাশীর যুদ্ধের পর মীরজাফর ব্রিটিশদের কী কী সুবিধা প্রদান করেন?
- A) সামরিক প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা।
- B) বিপুল পরিমাণ অর্থ, উপঢৌকন এবং বিনা শুল্কে বাণিজ্য করার অধিকার।
- C) কলকাতা বন্দরে দুর্গ নির্মাণের অনুমতি এবং ফরাসিদের বিতাড়িত করার অধিকার।
- D) মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে দেওয়ানি লাভের অনুমতি।
ANS: B) বিপুল পরিমাণ অর্থ, উপঢৌকন এবং বিনা শুল্কে বাণিজ্য করার অধিকার।
Details: মীরজাফর নবাব হয়ে ব্রিটিশদের বিপুল পরিমাণ অর্থ, ব্যক্তিগত উপঢৌকন, চব্বিশ পরগণার জমিদারি এবং বাংলায় বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করার অধিকার (দস্তক) প্রদান করেন।
Q.41: কোন মারাঠা সর্দার পুনের পেশোয়াকে পরাজিত করে ব্রিটিশদের সাহায্য প্রার্থনা করতে বাধ্য করেন, যার ফলে দ্বিতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের সূচনা হয়?
- A) মহাদজি সিন্ধিয়া
- B) যশবন্ত রাও হোলকার
- C) রঘুনাথ রাও
- D) শিবাজি রাও
ANS: B) যশবন্ত রাও হোলকার
Details: যশবন্ত রাও হোলকার ১৮০২ সালে পুনের পেশোয়া দ্বিতীয় বাজি রাও-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাকে পরাজিত করেন, যার ফলে পেশোয়া ব্রিটিশদের সাহায্য চেয়ে বেসিনের চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
Q.42: সত্ত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করে ব্রিটিশরা সর্বশেষ কোন গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় রাজ্যটি দখল করে?
- A) সাতারা
- B) ঝাঁসি
- C) নাগপুর
- D) উদয়পুর
ANS: C) নাগপুর
Details: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে ব্রিটিশরা যে শেষ গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় রাজ্যটি দখল করে, সেটি ছিল নাগপুর (১৮৫৪)।
Q.43: ব্রিটিশ ভারতে ‘রেসিডেন্ট’ (Resident) বলতে কী বোঝানো হতো?
- A) ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
- B) দেশীয় রাজ্যের শাসনভার পরিচালনাকারী ব্রিটিশ গভর্নর।
- C) দেশীয় রাজ্যের দরবারে নিযুক্ত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন রাজনৈতিক প্রতিনিধি।
- D) ব্রিটিশ বাণিজ্য কেন্দ্রের প্রধান।
ANS: C) দেশীয় রাজ্যের দরবারে নিযুক্ত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন রাজনৈতিক প্রতিনিধি।
Details: ‘রেসিডেন্ট’ বলতে দেশীয় রাজ্যের দরবারে নিযুক্ত ব্রিটিশ কোম্পানির একজন রাজনৈতিক প্রতিনিধিকে বোঝানো হতো, যিনি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নজর রাখতেন এবং ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা করতেন।
Q.44: বাংলার ‘নবাবী শাসন’ এর অবসানের পর ব্রিটিশরা কোন অঞ্চলে তাদের ক্ষমতা আরও দৃঢ় করে?
- A) দিল্লি
- B) মাদ্রাজ
- C) বাংলা ও বিহার
- D) পাঞ্জাব
ANS: C) বাংলা ও বিহার
Details: পলাশী ও বক্সারের যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা ও বিহার অঞ্চলে তাদের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতাকে চূড়ান্তভাবে দৃঢ় করে।
Q.45: কোন মারাঠা সর্দার ইংরেজদের বিরুদ্ধে তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেননি?
- A) পেশোয়া দ্বিতীয় বাজি রাও
- B) মহাদজি সিন্ধিয়া
- C) ভোঁসলে
- D) হোলকার
ANS: B) মহাদজি সিন্ধিয়া
Details: তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ (১৮১৭-১৮১৮) যখন সংঘটিত হয়, তখন মহাদজি সিন্ধিয়া অনেক আগেই (১৭৯৪ সালে) মারা গিয়েছিলেন।
Q.46: শিখ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং শিখ শক্তির প্রধান নেতা কে ছিলেন?
- A) গুরু গোবিন্দ সিং
- B) রঞ্জিত সিং
- C) দলীপ সিং
- D) খরক সিং
ANS: B) রঞ্জিত সিং
Details: মহারাজ রঞ্জিত সিং (১৭৮০-১৮৩৯) ছিলেন শিখ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং শিখ শক্তির সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা। তার মৃত্যুর পর শিখ সাম্রাজ্য দুর্বল হতে শুরু করে।
Q.47: সত্ত্ববিলোপ নীতির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
- A) ভারতীয় রাজ্যগুলির মধ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা।
- B) ব্রিটিশ বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করা।
- C) ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক বিস্তার ঘটানো।
- D) ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণ।
ANS: C) ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক বিস্তার ঘটানো।
Details: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক বিস্তার ঘটানো, যা যুদ্ধ না করেও ব্রিটিশদের ভূখণ্ড বাড়াতে সাহায্য করেছিল।
Q.48: ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ কত খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল?
- A) ১৭৬৫
- B) ১৭৬৭
- C) ১৭৭০
- D) ১৭৭২
ANS: C) ১৭৭০
Details: বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’, হয়েছিল ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দ)। এটি ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ ফল।
Q.49: পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ের প্রধান কারণগুলির মধ্যে কোনটি ছিল?
- A) ইংরেজদের বিপুল সংখ্যক সৈন্য।
- B) নবাব সিরাজউদ্দৌলার শক্তিশালী সামরিক কৌশল।
- C) নবাবের প্রধান সেনাপতি মীরজাফর সহ অন্যান্যদের বিশ্বাসঘাতকতা।
- D) ফরাসিদের সাথে ইংরেজদের সামরিক জোট।
ANS: C) নবাবের প্রধান সেনাপতি মীরজাফর সহ অন্যান্যদের বিশ্বাসঘাতকতা।
Details: পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ের প্রধান কারণ ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীরজাফর এবং জগৎ শেঠ, উমিচাঁদ প্রমুখের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অভিজাতদের বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্র।
Q.50: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দ্বারা বাংলার দেওয়ানি লাভের পর, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এর সবচেয়ে বড় প্রভাব কী ছিল?
- A) বাংলার শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নতি।
- B) ব্রিটিশ বণিকদের জন্য শুল্ক হ্রাস।
- C) বাংলার সম্পদ ব্রিটেনের দিকে প্রবাহিত হওয়া এবং অর্থনৈতিক শোষণ বৃদ্ধি।
- D) স্থানীয় কৃষকদের আয় বৃদ্ধি।
ANS: C) বাংলার সম্পদ ব্রিটেনের দিকে প্রবাহিত হওয়া এবং অর্থনৈতিক শোষণ বৃদ্ধি।
Details: বাংলার দেওয়ানি লাভের (১৭৬৫) পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রভাব ছিল বাংলার সম্পদ সরাসরি ব্রিটেনের দিকে প্রবাহিত হওয়া এবং এখানকার জনগণের ওপর অর্থনৈতিক শোষণ বৃদ্ধি।
Q.51: প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে (১৭৬৭-৬৯) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান প্রতিপক্ষ কে ছিলেন?
- A) টিপু সুলতান
- B) হায়দার আলী
- C) নিজাম অফ হায়দ্রাবাদ
- D) মারাঠা কনফেডারেসি
ANS: B) হায়দার আলী
Details: প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে (১৭৬৭-১৭৬৯) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন মহীশূরের শক্তিশালী শাসক হায়দার আলী।
Q.52: কোন মারাঠা সর্দার গোয়ালিয়রের শাসক ছিলেন?
- A) হোলকার
- B) ভোঁসলে
- C) সিন্ধিয়া
- D) গায়কোয়াড়
ANS: C) সিন্ধিয়া
Details: মারাঠা কনফেডারেসির একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা ছিল সিন্ধিয়া (Scindia) পরিবার, যারা গোয়ালিয়রের শাসক ছিলেন।
Q.53: লর্ড ডালহৌসি কোন বছর পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে সংযুক্ত করেন?
- A) ১৮৩৫
- B) ১৮৩৯
- C) ১৮৪৫
- D) ১৮৪৯
ANS: D) ১৮৪৯
Details: লর্ড ডালহৌসি দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের (১৮৪৮-১৮৪৯) চূড়ান্ত বিজয়ের পর ১৮৪৯ সালে পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করেন।
Q.54: বক্সারের যুদ্ধ কোন দুটি প্রধান শক্তির মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
- A) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বনাম ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
- B) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বনাম মারাঠা কনফেডারেসি।
- C) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বনাম মীর কাসিম, আওধের নবাব ও মুঘল সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনী।
- D) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বনাম মহীশূরের টিপু সুলতান।
ANS: C) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বনাম মীর কাসিম, আওধের নবাব ও মুঘল সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনী।
Details: বক্সারের যুদ্ধ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং বাংলার পদচ্যুত নবাব মীর কাসিম, আওধের নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সম্মিলিত বাহিনীর মধ্যে হয়েছিল।
Q.55: বাংলায় কোম্পানির দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার সময়কালে রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে কারা ছিলেন?
- A) কেবল নবাবের কর্মচারী।
- B) কেবল কোম্পানির কর্মচারী।
- C) নবাবের কর্মচারী এবং কোম্পানির নিযুক্ত দেওয়ান উভয়ে।
- D) গ্রাম পঞ্চায়েত।
ANS: C) নবাবের কর্মচারী এবং কোম্পানির নিযুক্ত দেওয়ান উভয়ে।
Details: দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায়, যদিও নবাবের কর্মচার
Q.56: কোন ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে টিপু সুলতান শ্রীরঙ্গপত্তনমের যুদ্ধে পরাজিত হন এবং তার রাজধানী অবরুদ্ধ হয়?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
ANS: C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
Details: তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে (১৭৯০-১৭৯২) টিপু সুলতান শ্রীরঙ্গপত্তনমের যুদ্ধে পরাজিত হন এবং তার রাজধানী শ্রীরঙ্গপত্তনম ব্রিটিশ, নিজাম এবং মারাঠাদের সম্মিলিত বাহিনী দ্বারা অবরুদ্ধ হয়।
Q.57: পেশোয়া দ্বিতীয় বাজি রাও কোন চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেন?
- A) সালবাই চুক্তি
- B) বেসিনের চুক্তি
- C) পুনের চুক্তি
- D) ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি
ANS: B) বেসিনের চুক্তি
Details: পেশোয়া দ্বিতীয় বাজি রাও ১৮০২ সালে বেসিনের চুক্তি (Treaty of Bassein) দ্বারা ব্রিটিশদের অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেন, যা দ্বিতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায়।
Q.58: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতি সবচেয়ে বেশি কাদের জন্য ক্ষতিকর ছিল?
- A) ব্রিটিশ ব্যবসায়ীরা।
- B) সরাসরি উত্তরাধিকারীবিহীন ভারতীয় দেশীয় রাজারা।
- C) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্যরা।
- D) ভারতীয় কৃষক সম্প্রদায়।
ANS: B) সরাসরি উত্তরাধিকারীবিহীন ভারতীয় দেশীয় রাজারা।
Details: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর ছিল সরাসরি উত্তরাধিকারীবিহীন ভারতীয় দেশীয় রাজাদের জন্য, কারণ তাদের রাজ্য সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত।
Q.59: পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজদের পক্ষে বাংলার মসনদে কে বসেন?
- A) মীর কাসিম
- B) আলীবর্দি খাঁ
- C) মীরজাফর
- D) সিরাজউদ্দৌলা
ANS: C) মীরজাফর
Details: ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করার পর, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরকে বাংলার মসনদে বসায়।
Q.60: কোন চুক্তি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলার দেওয়ানি অধিকার প্রদান করে?
- A) সুরাট চুক্তি
- B) পুরন্দর চুক্তি
- C) এলাহাবাদ চুক্তি
- D) সালবাই চুক্তি
ANS: C) এলাহাবাদ চুক্তি
Details: ১৭৬৫ সালের এলাহাবাদ চুক্তি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানি অধিকার প্রদান করে।
Q.61: দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে (১৭৮০-১৭৮৪) ব্রিটিশদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে ছিলেন?
- A) হায়দার আলী এবং টিপু সুলতান উভয়েই
- B) টিপু সুলতান একা
- C) মারাঠা
- D) ফরাসি
ANS: A) হায়দার আলী এবং টিপু সুলতান উভয়েই
Details: দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন হায়দার আলী। যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে (১৭৮২ সালে) হায়দার আলীর মৃত্যু হলে তার পুত্র টিপু সুলতান যুদ্ধের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
Q.62: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রয়োগের পর দেশীয় রাজ্যগুলিতে ব্রিটিশদের একজন ‘রেসিডেন্ট’ কেন নিযুক্ত করা হতো?
- A) রাজার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে।
- B) রাজ্যের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার জন্য।
- C) রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা ও পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য।
- D) দেশীয় সৈন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য।
ANS: C) রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা ও পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য।
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণকারী প্রতিটি দেশীয় রাজ্যে একজন ব্রিটিশ ‘রেসিডেন্ট’ নিযুক্ত করা হতো। এই রেসিডেন্টের প্রধান কাজ ছিল রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা করা এবং পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।
Q.63: ব্রিটিশরা কোন শিখ মহারাজার মৃত্যুর পর পাঞ্জাব দখলের পরিকল্পনাকে ত্বরান্বিত করে?
- A) গুরু নানক দেব
- B) গুরু গোবিন্দ সিং
- C) রঞ্জিত সিং
- D) দলীপ সিং
ANS: C) রঞ্জিত সিং
Details: শিখ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও সবচেয়ে শক্তিশালী শাসক মহারাজ রঞ্জিত সিংয়ের মৃত্যুর (১৮৩৯) পর পাঞ্জাবের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে, যা ব্রিটিশদের পাঞ্জাব অধিগ্রহণের পথ খুলে দেয়।
Q.64: পলাশীর যুদ্ধের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে কোথায় হত্যা করা হয়েছিল?
- A) কলকাতা
- B) মুর্শিদাবাদ
- C) ঢাকা
- D) দিল্লি
ANS: B) মুর্শিদাবাদ
Details: পলাশীর যুদ্ধের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে মীরজাফরের পুত্র মিরন এবং মোহাম্মদ বেগ দ্বারা ভাগীরথী নদীর তীরে মুর্শিদাবাদে হত্যা করা হয়েছিল।
Q.65: বাংলার ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা কে প্রবর্তন করেন?
- A) ওয়ারেন হেস্টিংস
- B) রবার্ট ক্লাইভ
- C) লর্ড কর্নওয়ালিস
- D) জন ম্যাকফারসন
ANS: B) রবার্ট ক্লাইভ
Details: ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদের চুক্তির পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ বাংলায় ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
Q.66: টিপু সুলতান কোন বিদেশী শক্তির কাছ থেকে সামরিক সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে?
- A) পর্তুগিজ
- B) ডাচ
- C) ফরাসি
- D) জার্মান
ANS: C) ফরাসি
Details: টিপু সুলতান ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধকে শক্তিশালী করার জন্য ফরাসিদের কাছ থেকে সামরিক সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।
Q.67: তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের (১৮১৭-১৮১৮) সময় ভারতের গভর্নর-জেনারেল কে ছিলেন?
- A) লর্ড ওয়েলেসলি
- B) লর্ড কর্নওয়ালিস
- C) লর্ড হেস্টিংস
- D) লর্ড ডালহৌসি
ANS: C) লর্ড হেস্টিংস
Details: তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের সময় লর্ড হেস্টিংস (ফ্রান্সিস রডন-হেস্টিংস) ভারতের গভর্নর-জেনারেল ছিলেন। তার মেয়াদকালে ব্রিটিশরা মারাঠা শক্তিকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে।
Q.68: সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে ব্রিটিশরা কোন অঞ্চলকে ‘খারাপ শাসন’ (misgovernance) এর অজুহাতে সংযুক্ত করেছিল?
- A) সাতারা
- B) ঝাঁসি
- C) অযোধ্যা (আওধ)
- D) নাগপুর
ANS: C) অযোধ্যা (আওধ)
Details: যদিও সত্ত্ববিলোপ নীতি উত্তরাধিকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, লর্ড ডালহৌসি অযোধ্যা (আওধ) রাজ্যকে ১৮৫৬ সালে ‘খারাপ শাসন’ এর অজুহাতে সংযুক্ত করেছিলেন, যা ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের অন্যতম কারণ ছিল।
Q.69: পলাশীর যুদ্ধের পর কোন অঞ্চলে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করে?
- A) মাদ্রাজ
- B) বাংলা
- C) বোম্বে
- D) সুরাট
ANS: B) বাংলা
Details: ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় প্রথম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাব লাভ করে, যা ভারতে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তারের সূচনা করে।
Q.70: বাংলার দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার সময়কাল কত ছিল?
- A) ১৭৫৭-১৭৬৪
- B) ১৭৬৫-১৭৭২
- C) ১৭৭২-১৭৮৪
- D) ১৭৮৪-১৭৯৩
ANS: B) ১৭৬৫-১৭৭২
Details: বাংলায় রবার্ট ক্লাইভ কর্তৃক প্রবর্তিত দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা ১৭৬৫ সালে শুরু হয়েছিল এবং ১৭৭২ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে এই ব্যবস্থার অবসান ঘটান।
Q.71: কোন ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে টিপু সুলতান মারা যান?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
ANS: D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
Details: টিপু সুলতান চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের (১৭৯৯) সময় শ্রীরঙ্গপত্তনমের যুদ্ধে নিহত হন। এই যুদ্ধের পর মহীশূরের স্বাধীনতার অবসান ঘটে।
Q.72: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির অধীনে কোনো দেশীয় রাজ্য এই চুক্তি গ্রহণ করলে, তাকে তার সামরিক শক্তির কী করতে হতো?
- A) সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে হতো।
- B) সামরিক শক্তি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করতে হতো।
- C) সামরিক শক্তি ইউরোপীয় সৈন্যদের কাছে হস্তান্তর করতে হতো।
- D) সামরিক শক্তিকে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অধীনে একত্রিত করতে হতো।
ANS: B) সামরিক শক্তি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করতে হতো।
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির একটি মূল শর্ত ছিল যে, দেশীয় রাজ্যকে তার নিজস্ব সামরিক শক্তি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করতে হতো এবং ব্রিটিশদের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হতে হতো।
Q.73: পাঞ্জাবের শিখ সাম্রাজ্যের শেষ শাসক কে ছিলেন?
- A) রঞ্জিত সিং
- B) খরক সিং
- C) দলীপ সিং
- D) নওল সিং
ANS: C) দলীপ সিং
Details: মহারাজ দলীপ সিং (Duleep Singh) ছিলেন পাঞ্জাবের শিখ সাম্রাজ্যের শেষ শাসক। দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের পর তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং পাঞ্জাব ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
Q.74: বক্সারের যুদ্ধের পর ব্রিটিশদের সঙ্গে এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরকারী মুঘল সম্রাট কে ছিলেন?
- A) প্রথম শাহ আলম
- B) দ্বিতীয় শাহ আলম
- C) বাহাদুর শাহ জাফর
- D) আকবর শাহ দ্বিতীয়
ANS: B) দ্বিতীয় শাহ আলম
Details: ১৭৬৫ সালে বক্সারের যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এর মধ্যে এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে কোম্পানি দেওয়ানি লাভ করে।
Q.75: বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসানের পর, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সরাসরি শাসন শুরু করেন কে?
- A) রবার্ট ক্লাইভ
- B) লর্ড কর্নওয়ালিস
- C) ওয়ারেন হেস্টিংস
- D) লর্ড ওয়েলেসলি
ANS: C) ওয়ারেন হেস্টিংস
Details: ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান এবং সরাসরি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে বাংলার রাজস্ব আদায় ও বিচার ব্যবস্থা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
Q.76: কোন ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
ANS: B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
Details: ১৭৮০-১৭৮৪ সালের দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর ১৭৮৪ সালে ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি ছিল টিপু সুলতানের একটি কূটনৈতিক বিজয়।
Q.77: নিম্নলিখিত কোন দেশীয় রাজ্যের সাথে অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল?
- A) মারাঠা
- B) অযোধ্যা
- C) হায়দ্রাবাদ
- D) মহীশূর
ANS: C) হায়দ্রাবাদ
Details: লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হায়দ্রাবাদের নিজামের সাথে ১৭৯৮ সালে প্রয়োগ করা হয়।
Q.78: সত্ত্ববিলোপ নীতির প্রধান সমালোচকরা কোন ঘটনাটিকে এই নীতির প্রত্যক্ষ ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করেন?
- A) সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ)
- B) চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রবর্তন
- C) নীল বিদ্রোহ
- D) অসহযোগ আন্দোলন
ANS: A) সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ)
Details: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতির ফলে দেশীয় রাজাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়, যা ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Q.79: পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রথম পুতুল নবাব কে ছিলেন?
- A) মীর কাসিম
- B) সিরাজউদ্দৌলা
- C) মীরজাফর
- D) আলীবর্দি খাঁ
ANS: C) মীরজাফর
Details: ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করার পর, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীরজাফরকে বাংলার নবাব হিসেবে বসায়। তিনি ছিলেন ইংরেজদের হাতের পুতুল।
Q.80: বাংলার ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থায় প্রশাসনিক ক্ষমতা (নিজামত) কার হাতে ছিল?
- A) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
- B) মুঘল সম্রাট
- C) নবাব
- D) স্থানীয় জমিদার
ANS: C) নবাব
Details: বাংলার ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থায় প্রশাসনিক ক্ষমতা (নিজামত – আইন-শৃঙ্খলা, বিচার) নামমাত্র নবাবের হাতে ছিল, যদিও তার কার্যকর ক্ষমতা ছিল খুবই সীমিত।
Q.81: হায়দার আলী কোন রাজ্যের শাসক ছিলেন?
- A) মারাঠা
- B) পাঞ্জাব
- C) মহীশূর
- D) অযোধ্যা
ANS: C) মহীশূর
Details: হায়দার আলী ছিলেন দক্ষিণ ভারতের একটি শক্তিশালী রাজ্য মহীশূরের শাসক এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
Q.82: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রবর্তনকারী গভর্নর-জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কোন সময়কালে ভারতে দায়িত্ব পালন করেন?
- A) ১৭৬৫-১৭৭২
- B) ১৭৮৬-১৭৯৩
- C) ১৭৯৮-১৮০৫
- D) ১৮৪৮-১৮৫৬
ANS: C) ১৭৯৮-১৮০৫
Details: লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর-জেনারেল ছিলেন। তার মেয়াদকালে তিনি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রবর্তন করেন।
Q.83: পাঞ্জাব অধিগ্রহণের সময় পাঞ্জাবের শেষ স্বাধীন শিখ রাজা কে ছিলেন?
- A) রঞ্জিত সিং
- B) খরক সিং
- C) শের সিং
- D) দলীপ সিং
ANS: D) দলীপ সিং
Details: পাঞ্জাব অধিগ্রহণের সময় (১৮৪৯ সালে) শিখ সাম্রাজ্যের শেষ স্বাধীন রাজা ছিলেন মহারাজ দলীপ সিং। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটেন নির্বাসিত করা হয়েছিল।
Q.84: বক্সারের যুদ্ধ কোন সাল তারিখে সংঘটিত হয়?
- A) ২৩ জুন ১৭৫৭
- B) ২২ অক্টোবর ১৭৬৪
- C) ১০ মার্চ ১৭৬৫
- D) ১৭ মে ১৭৭২
ANS: B) ২২ অক্টোবর ১৭৬৪
Details: বক্সারের যুদ্ধ ২২ অক্টোবর ১৭৬৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যা ভারতে ব্রিটিশ সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে প্রতিষ্ঠিত করে।
Q.85: বাংলার দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
- A) নবাবের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
- B) ব্রিটিশদের সরাসরি প্রশাসনিক দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া।
- C) বাংলার অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করা।
- D) ফরাসি প্রভাব হ্রাস করা।
ANS: B) ব্রিটিশদের সরাসরি প্রশাসনিক দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া।
Details: দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশদের সরাসরি প্রশাসনিক দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়েও বাংলার রাজস্ব আদায় এবং অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।
Q.86: তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর টিপু সুলতানের রাজ্যের কত অংশ ব্রিটিশ এবং তাদের মিত্রদের হাতে চলে যায়?
- A) এক-চতুর্থাংশ
- B) এক-তৃতীয়াংশ
- C) অর্ধেক
- D) তিন-চতুর্থাংশ
ANS: C) অর্ধেক
Details: ১৭৯২ সালে স্বাক্ষরিত শ্রীরঙ্গপত্তনমের চুক্তির শর্তানুযায়ী, টিপু সুলতানকে তার রাজ্যের প্রায় অর্ধেক অংশ ব্রিটিশ এবং তাদের মিত্রদের হাতে তুলে দিতে হয়।
Q.87: কোন গভর্নর-জেনারেলের সময়ে অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি সর্বাধিক কার্যকর হয়েছিল?
- A) লর্ড ডালহৌসি
- B) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
- C) লর্ড ওয়েলেসলি
- D) লর্ড ক্যানিং
ANS: C) লর্ড ওয়েলেসলি
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি লর্ড ওয়েলেসলি (১৭৯৮-১৮০৫) কর্তৃক প্রবর্তিত হয় এবং তার সময়কালেই এই নীতি সর্বাধিক কার্যকর হয়েছিল।
Q.88: সত্ত্ববিলোপ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
- A) দেশীয় রাজাদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন।
- B) ব্রিটিশ ভারতের রাজস্ব বৃদ্ধি করা।
- C) দেশীয় রাজ্যগুলিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা।
- D) আধুনিক বিচার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
ANS: C) দেশীয় রাজ্যগুলিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা।
Details: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় রাজ্যগুলিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা। এটি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের একটি আগ্রাসী নীতি।
Q.89: পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলায় ব্রিটিশদের প্রথম পুতুল নবাব মীরজাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে কে নবাব হয়েছিলেন?
- A) আলীবর্দি খাঁ
- B) সিরাজউদ্দৌলা
- C) মীর কাসিম
- D) নাজমউদ্দৌলা
ANS: C) মীর কাসিম
Details: ১৭৬০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীর কাসিমকে বাংলার নবাব হিসাবে মীরজাফরের স্থলাভিষিক্ত করে। মীর কাসিম একজন দক্ষ শাসক ছিলেন এবং নবাবী শাসনের ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছিলেন।
Q.90: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার দেওয়ানি লাভের সময় (১৭৬৫) ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর কে ছিলেন?
- A) ওয়ারেন হেস্টিংস
- B) রবার্ট ক্লাইভ
- C) লর্ড কর্নওয়ালিস
- D) লর্ড ওয়েলেসলি
ANS: B) রবার্ট ক্লাইভ
Details: ১৭৬৫ সালে যখন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে, তখন রবার্ট ক্লাইভ বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
Q.91: চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের (১৭৯৯) পর মহীশূরকে ব্রিটিশরা কীভাবে শাসন করে?
- A) এটিকে সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে।
- B) এটিকে মারাঠাদের হাতে তুলে দেয়।
- C) পূর্বের হিন্দু ওয়াদিয়ার রাজবংশের কাছে ফিরিয়ে দেয় এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রয়োগ করে।
- D) এটিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
ANS: C) পূর্বের হিন্দু ওয়াদিয়ার রাজবংশের কাছে ফিরিয়ে দেয় এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রয়োগ করে।
Details: চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর, ব্রিটিশরা মহীশূর রাজ্যটিকে এর পূর্বের হিন্দু ওয়াদিয়ার রাজবংশের কাছে ফিরিয়ে দেয় এবং তাদের ওপর অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি চাপিয়ে দেয়।
Q.92: লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
- A) দেশীয় রাজ্যগুলোর সাংস্কৃতিক উন্নয়ন।
- B) ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভূখণ্ডগত বিস্তার।
- C) দেশীয় রাজ্যগুলোকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করা।
- D) দেশীয় রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা।
ANS: B) ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভূখণ্ডগত বিস্তার।
Details: লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভূখণ্ডগত বিস্তার এবং রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করা।
Q.93: সত্ত্ববিলোপ নীতিকে অনেকে কেন ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উত্থানের একটি কারণ হিসেবে দেখেন?
- A) এটি ভারতীয় অর্থনীতির উন্নতি ঘটিয়েছিল।
- B) এটি ব্রিটিশদের প্রতি জনগণের আনুগত্য বৃদ্ধি করেছিল।
- C) এর মাধ্যমে অনেক দেশীয় রাজ্যের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, যা দেশীয় শাসকদের ও জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
- D) এটি স্থানীয় প্রশাসনকে শক্তিশালী করেছিল।
ANS: C) এর মাধ্যমে অনেক দেশীয় রাজ্যের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, যা দেশীয় শাসকদের ও জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
Details: সত্ত্ববিলোপ নীতির ফলে সৃষ্ট ক্ষোভ ও বঞ্চনার অনুভূতি ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল, যা পরবর্তীকালে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Q.94: বক্সারের যুদ্ধ কোন দুটি ব্রিটিশ এলাকার কাছে সংঘটিত হয়েছিল?
- A) কলকাতা ও চুঁচুড়া
- B) পাটনা ও কাশী
- C) বক্সার (বিহার) এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল
- D) মুর্শিদাবাদ ও ঢাকা
ANS: C) বক্সার (বিহার) এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল
Details: বক্সারের যুদ্ধ বিহারের বক্সার নামক স্থান এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর সংঘটিত হয়েছিল।
Q.95: বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অধীনে, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা কার ছিল?
- A) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
- B) নবাব
- C) কোনো পক্ষেরই স্পষ্ট জবাবদিহিতা ছিল না
- D) মুঘল সম্রাট
ANS: C) কোনো পক্ষেরই স্পষ্ট জবাবদিহিতা ছিল না
Details: দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় কোম্পানি বা নবাব কোনো পক্ষেরই জনগণের কাছে স্পষ্ট জবাবদিহিতা ছিল না, যা প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা এবং জনগণের চরম দুর্দশা সৃষ্টি করে।
Q.96: টিপু সুলতান তার রাজধানী শ্রীরঙ্গপত্তনমকে রক্ষা করতে গিয়ে কোন যুদ্ধে নিহত হন?
- A) প্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- B) দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- C) তৃতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
- D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
ANS: D) চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ
Details: টিপু সুলতান ১৭৯৯ সালের চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধে শ্রীরঙ্গপত্তনম অবরোধের সময় তার রাজধানী রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হন।
Q.97: কোন নীতিতে দেশীয় রাজ্যগুলিকে তাদের নিজস্ব সামরিক বাহিনী ভেঙে দিতে হতো এবং ব্রিটিশ সৈন্যদের দ্বারা সুরক্ষার জন্য অর্থ প্রদান করতে হতো?
- A) সত্ত্ববিলোপ নীতি
- B) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
- C) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি
- D) রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত
ANS: C) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতিতেই দেশীয় রাজ্যগুলিকে তাদের নিজস্ব সামরিক বাহিনী ভেঙে দিতে হতো এবং ব্রিটিশ সৈন্যদের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করতে হতো।
Q.98: ১৮৪৯ সালে পাঞ্জাব অধিগ্রহণের পর পাঞ্জাব পরিচালনার জন্য গঠিত তিনজন কমিশনারের প্রধান কে ছিলেন?
- A) লর্ড ডালহৌসি
- B) স্যার জন লরেন্স
- C) হেনরি লরেন্স
- D) লর্ড ক্যানিং
ANS: C) হেনরি লরেন্স
Details: ১৮৪৯ সালে পাঞ্জাব অধিগ্রহণের পর, লর্ড ডালহৌসি পাঞ্জাব পরিচালনার জন্য একটি ত্রয়ী বোর্ড গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন হেনরি লরেন্স।
Q.99: পলাশীর যুদ্ধকে অনেকে কেবল একটি “বিশ্বাসঘাতকতা” হিসেবে কেন আখ্যায়িত করেন?
- A) ইংরেজরা যুদ্ধের ময়দানে তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল।
- B) নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।
- C) নবাবের প্রধান সেনাপতি মীরজাফর ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্র করে যুদ্ধ করেননি।
- D) ইংরেজরা যুদ্ধ জয়ের জন্য ফরাসিদের সাহায্য নিয়েছিল।
ANS: C) নবাবের প্রধান সেনাপতি মীরজাফর ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্র করে যুদ্ধ করেননি।
Details: পলাশীর যুদ্ধকে একটি “বিশ্বাসঘাতকতা” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় কারণ নবাবের সেনাপতি মীরজাফরের ষড়যন্ত্রের ফলেই ইংরেজদের জয় সম্ভব হয়েছিল, যা এটিকে একটি সামরিক সংঘাতের চেয়ে বেশি রাজনৈতিক চক্রান্তের ফল বানিয়েছিল।
Q.100: বাংলার ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে কে ঘোষণা করেন যে, কোম্পানিই সরাসরি বাংলার শাসনভার গ্রহণ করবে?
- A) রবার্ট ক্লাইভ
- B) লর্ড কর্নওয়ালিস
- C) ওয়ারেন হেস্টিংস
- D) লর্ড ওয়েলেসলি
ANS: C) ওয়ারেন হেস্টিংস
Details: ১৭৭২ সালে বাংলার গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হয়ে ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান এবং কোম্পানির সরাসরি শাসন শুরু করেন।
Q.101: টিপু সুলতানের পিতার নাম কী ছিল?
- A) নিজাম আলী খান
- B) নবাব সাদাত আলী খান
- C) হায়দার আলী
- D) বাজি রাও প্রথম
ANS: C) হায়দার আলী
Details: টিপু সুলতানের পিতার নাম ছিল হায়দার আলী। হায়দার আলী মহীশূরের একজন স্ব-নির্মিত শক্তিশালী শাসক ছিলেন।
Q.102: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির অধীনে ব্রিটিশরা ভারতীয় রাজ্যগুলোকে কীসের বিনিময়ে সুরক্ষা দিত?
- A) বাণিজ্যের একচেটিয়া অধিকার
- B) রাজ্যের স্বাধীনতা
- C) ব্রিটিশ সৈন্যদলের ব্যয়ভার বহন এবং ব্রিটিশ রেসিডেন্টের উপস্থিতি
- D) ব্রিটিশ সংস্কৃতি গ্রহণ
ANS: C) ব্রিটিশ সৈন্যদলের ব্যয়ভার বহন এবং ব্রিটিশ রেসিডেন্টের উপস্থিতি
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি অনুযায়ী, ব্রিটিশরা দেশীয় রাজ্যগুলিকে সুরক্ষা দিত, যার বিনিময়ে সেই রাজ্যগুলিকে ব্রিটিশ সৈন্যদলের ব্যয়ভার বহন করতে হতো এবং তাদের দরবারে একজন ব্রিটিশ রেসিডেন্টকে স্থান দিতে হতো।
Q.103: সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে ব্রিটিশরা কোন রাজ্যটি দখলের জন্য সেখানকার রানী লক্ষ্মীবাঈকে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল?
- A) সাতারা
- B) নাগপুর
- C) উদয়পুর
- D) ঝাঁসি
ANS: D) ঝাঁসি
Details: লর্ড ডালহৌসির সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে ব্রিটিশরা ঝাঁসি রাজ্যটি দখলের চেষ্টা করেছিল, যার বিরুদ্ধে ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
Q.104: বক্সারের যুদ্ধ কোন নদীর কাছে সংঘটিত হয়?
- A) যমুনা
- B) ভাগীরথী
- C) গঙ্গা
- D) ব্রহ্মপুত্র
ANS: C) গঙ্গা
Details: বক্সারের যুদ্ধ ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর গঙ্গা নদীর তীরে (এর একটি উপনদী কারমনাশ নদীর তীরে) সংঘটিত হয়েছিল।
Q.105: বাংলায় ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা বাতিল করার পর ওয়ারেন হেস্টিংস কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন?
- A) তিনি ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে একটি জোট গঠন করেন।
- B) তিনি নবাবকে পূর্ণ ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন।
- C) তিনি কোম্পানির কর্মচারীদের দ্বারা সরাসরি রাজস্ব আদায় এবং বিচার ব্যবস্থার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- D) তিনি জমিদারদের ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করেন।
ANS: C) তিনি কোম্পানির কর্মচারীদের দ্বারা সরাসরি রাজস্ব আদায় এবং বিচার ব্যবস্থার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
Details: ১৭৭২ সালে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা বাতিল করার পর ওয়ারেন হেস্টিংস কোম্পানির কর্মচারীদের দ্বারা সরাসরি রাজস্ব আদায় (কালেক্টর নিয়োগ করে) এবং বিচার ব্যবস্থার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
Q.106: কোন চুক্তি দ্বারা দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের অবসান ঘটে?
- A) এলাহাবাদের চুক্তি
- B) শ্রীরঙ্গপত্তনমের চুক্তি
- C) ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি
- D) বেসিনের চুক্তি
ANS: C) ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি
Details: ১৭৮০-১৭৮৪ সালের দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের অবসান ঘটে ১৭৮৪ সালে ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি (Treaty of Mangalore) দ্বারা।
Q.107: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণকারী রাজ্যগুলির একটি বড় অসুবিধা কী ছিল?
- A) তাদের সেনাবাহিনীতে ব্রিটিশ সৈন্যদের অন্তর্ভুক্ত করা।
- B) তাদের সার্বভৌমত্ব হারানো এবং ব্রিটিশ রেসিডেন্টের কাছে জবাবদিহি করা।
- C) তাদের বাণিজ্য ইউরোপীয় বণিকদের জন্য উন্মুক্ত করা।
- D) তাদের সংস্কৃতিতে ব্রিটিশ প্রভাব বাড়ানো।
ANS: B) তাদের সার্বভৌমত্ব হারানো এবং ব্রিটিশ রেসিডেন্টের কাছে জবাবদিহি করা।
Details: অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণকারী দেশীয় রাজ্যগুলির একটি বড় অসুবিধা ছিল তাদের সার্বভৌমত্ব হারানো এবং ব্রিটিশ রেসিডেন্টের কাছে কার্যত জবাবদিহি করা।
Q.108: সত্ত্ববিলোপ নীতির অধীনে ব্রিটিশরা কোন রাজ্যকে ধর্মীয় কারণে সংযুক্ত করেছিল?
- A) সাতারা
- B) ঝাঁসি
- C) পাঞ্জাব
- D) উপরের কোনটিই নয়, কারণ এটি উত্তরাধিকারের ওপর ভিত্তি করে ছিল।
ANS: D) উপরের কোনটিই নয়, কারণ এটি উত্তরাধিকারের ওপর ভিত্তি করে ছিল।
Details: সত্ত্ববিলোপ নীতি উত্তরাধিকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, ধর্মীয় কারণে নয়। এটি ধর্মীয় কারণের চেয়ে রাজনৈতিক ও সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।
Q.109: বাংলার নবাব মীর কাসিমের কোন পদক্ষেপ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করেছিল?
- A) তিনি তার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গেরে স্থানান্তর করেন।
- B) তিনি ইউরোপীয় ধাঁচে তার সেনাবাহিনীকে সংস্কার করেন।
- C) তিনি সমস্ত বণিকের জন্য অভ্যন্তরীণ শুল্ক (দস্তক) তুলে দেন।
- D) তিনি মারাঠাদের সাথে একটি গোপন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
ANS: C) তিনি সমস্ত বণিকের জন্য অভ্যন্তরীণ শুল্ক (দস্তক) তুলে দেন।
Details: মীর কাসিমের যে পদক্ষেপটি ব্রিটিশদের সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করেছিল, তা হলো সমস্ত বণিকের জন্য অভ্যন্তরীণ শুল্ক তুলে দেওয়া, যা ব্রিটিশদের বিশেষ সুবিধা নষ্ট করে।
Q.110: ১৭৬৫ সালে বাংলার দেওয়ানি লাভের পর ব্রিটিশদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সুবিধা কী ছিল?
- A) তাদের মুঘল সম্রাটকে আরও বেশি কর দিতে হতো।
- B) ভারতীয় পণ্য কেনার জন্য তাদের আর ব্রিটেন থেকে সোনা বা রুপা আনতে হতো না।
- C) তাদের বাংলার সমগ্র সেনাবাহিনীর ব্যয়ভার বহন করতে হতো।
- D) তারা ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে বাণিজ্য সুবিধা হারিয়েছিল।
ANS: B) ভারতীয় পণ্য কেনার জন্য তাদের আর ব্রিটেন থেকে সোনা বা রুপা আনতে হতো না।
Details: ১৭৬৫ সালে বাংলার দেওয়ানি লাভের পর ব্রিটিশদের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সুবিধা ছিল যে, ভারতীয় পণ্য কেনার জন্য তাদের আর ব্রিটেন থেকে মূল্যবান ধাতু আমদানি করতে হতো না।
Q.111: কোন চুক্তি দ্বারা প্রথম ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের (১৭৭৫-১৭৮২) অবসান ঘটে?
- A) বেসিনের চুক্তি
- B) পুরন্দরের চুক্তি
- C) সালবাইয়ের চুক্তি
- D) ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি
ANS: C) সালবাইয়ের চুক্তি
Details: ১৭৮২ সালে স্বাক্ষরিত সালবাইয়ের চুক্তি দ্বারা প্রথম ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং প্রায় ২০ বছরের জন্য শান্তি স্থাপিত হয়।