এই প্রশ্নের উদ্দেশ্য: আপনার অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) মানসিকতা এবং সব ধরনের শিক্ষার্থীর প্রতি আপনার দায়িত্ববোধ যাচাই করা।
বাস্তব প্রয়োগ/শ্রেণিকক্ষে ভূমিকা:
- কারণ নির্ণয়: প্রথমে আমি বোঝার চেষ্টা করব সে কেন পিছিয়ে পড়ছে। তার কোনো শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক সমস্যা আছে কি না।
- বিশেষ যত্ন: ক্লাসের পর বা অন্য কোনো সময়ে তাকে নিয়ে আলাদাভাবে বসব (Remedial Teaching)।
- সহজ পদ্ধতি: তার জন্য পাঠকে আরও ছোট ছোট অংশে ভাগ করে, আরও সহজ উদাহরণ ও TLM ব্যবহার করে বোঝাব।
- সহপাঠীদের সাহায্য (Peer Learning): ক্লাসের কোনো ভালো ছাত্রের পাশে তাকে বসাব, যাতে সে তার বন্ধুকে দেখে শিখতে পারে।
- উৎসাহ প্রদান: তার সামান্য উন্নতিতেও প্রশংসা করব, যাতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাকে অন্য কারো সাথে তুলনা করব না।
নমুনা উত্তর:
“প্রথমত, আমি কোনো ছাত্রকে ‘পিছিয়ে পড়া’ বলে দেগে দিতে চাই না, কারণ প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ভিন্ন। যদি কোনো শিশু অন্যদের তুলনায় শিখতে একটু বেশি সময় নেয়, আমি তার প্রতি বিশেষ নজর দেব। আমি তার সমস্যার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করব। তার জন্য আমি পাঠকে আরও সহজভাবে উপস্থাপন করব এবং প্রয়োজনে ক্লাসের পর তাকে অতিরিক্ত সময় দেব। আমি তাকে ছোট ছোট সফলতার জন্য প্রশংসা করে তার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব এবং এটা নিশ্চিত করব যে সে যেন নিজেকে অন্যদের থেকে কম যোগ্য বলে না ভাবে।”