বিস্তারিত: মহাকাব্য একটি দীর্ঘগাথা কাব্য যেখানে বীরত্বপূর্ণ ঘটনা ও জাতীয় বা ঐতিহাসিক বিষয় উপস্থাপিত হয়। এতে প্রধান চরিত্ররা বীর বা ঐতিহাসিক ব্যক্তি হয় এবং কাহিনী সাধারণত জাতির গৌরব বা মূল্যবোধ নিয়ে আবর্তিত হয়।
প্রশ্ন ২: গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
ক) আবেগপ্রবণতা এবং ব্যক্তিগত অনুভূতি
খ) যুদ্ধ ও বীরত্ব
গ) নাটকীয় উপস্থাপনা
ঘ) উপন্যাসের মতো দীর্ঘতা
উত্তর: ক) আবেগপ্রবণতা এবং ব্যক্তিগত অনুভূতি
বিস্তারিত: গীতিকাব্য হলো কাব্যের একটি রূপ যা প্রধানত ব্যক্তিগত আবেগ, অনুভূতি, প্রেম, প্রকৃতি, জীবন ইত্যাদি বিষয়কে সুন্দর ভাষায় প্রকাশ করে। এটি সাধারণত সংক্ষিপ্ত ও গীতিময় হয়।
প্রশ্ন ৩: নিচের কোনটি নাটকের প্রকারভেদ নয়?
ক) ট্র্যাজেডি
খ) প্রহসন
গ) ছড়া
ঘ) একাঙ্ক
উত্তর: গ) ছড়া
বিস্তারিত: ট্র্যাজেডি, কমেডি, প্রহসন, একাঙ্ক—এগুলো নাটকের ভিন্ন ভিন্ন রূপ। ছড়া হলো ছন্দবদ্ধ ছোটো কবিতা, এটি নাটকের রূপ নয়।
প্রশ্ন ৪: কমেডি নাটকের প্রধান লক্ষ্য কী?
ক) মানুষের জীবনের দুঃখ-কষ্ট
খ) মানুষের দুর্বলতাকে হাস্যরসে তুলে ধরা
গ) ইতিহাস বর্ণনা
ঘ) দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে নাটকীয় উপস্থাপনা
উত্তর: খ) মানুষের দুর্বলতাকে হাস্যরসে তুলে ধরা
বিস্তারিত: কমেডি হলো এমন একটি নাটকীয় রূপ যেখানে মানুষের ভুল বা দুর্বলতাকে হাস্যরসের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়, যার উদ্দেশ্য মনোরঞ্জন এবং সামাজিক সমালোচনা।
প্রশ্ন ৫: উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
ক) সংক্ষিপ্ত এবং গীতিময়
খ) দীর্ঘ কলেবর, চরিত্র ও ঘটনার বিস্তার
গ) একক স্থান ও সময়ে ঘটে
ঘ) শুধুমাত্র প্রেম কাহিনী
উত্তর: খ) দীর্ঘ কলেবর, চরিত্র ও ঘটনার বিস্তার
বিস্তারিত: উপন্যাস হলো একটি দীর্ঘ গদ্য আখ্যান, যা বিভিন্ন চরিত্র, জটিল ঘটনা, সময় ও স্থান অনুসারে গঠিত। এটি মানবজীবন ও সমাজের নানা দিক ফুটিয়ে তোলে।
প্রশ্ন ৬: ছোটগল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
ক) দীর্ঘ এবং জটিল
খ) একটি সংক্ষিপ্ত ঘটনা ও চরিত্রের উপর ভিত্তি করে জীবনের খণ্ডাংশ উপস্থাপন
গ) নাটকীয় ও গীতিময়
ঘ) ছন্দবদ্ধ লেখা
উত্তর: খ) একটি সংক্ষিপ্ত ঘটনা ও চরিত্রের উপর ভিত্তি করে জীবনের খণ্ডাংশ উপস্থাপন
বিস্তারিত: ছোটগল্প সাধারণত একটি বা কিছু সংখ্যক চরিত্রের নির্দিষ্ট ঘটনা বা পরিস্থিতিকে কেন্দ্রে রেখে জীবনের একটি বিশেষ মুহূর্ত বা খণ্ডাংশকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল ভাষায় তুলে ধরে।
প্রশ্ন ৭: প্রবন্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
ক) বিষয়ভিত্তিক, তথ্য ও যুক্তিনির্ভর গদ্য রচনা
খ) কাব্যরূপ
গ) নাটকীয় উপস্থাপনা
ঘ) দৈর্ঘ্যে উপন্যাসের সমান
উত্তর: ক) বিষয়ভিত্তিক, তথ্য ও যুক্তিনির্ভর গদ্য রচনা
বিস্তারিত: প্রবন্ধ হলো গদ্যরচনা যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা ধারণা তথ্য ও যুক্তির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়। এটি সাধারণত তথ্যবহুল এবং প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা হয়।
প্রশ্ন ৮: ট্র্যাজেডি নাটকে সাধারণত কী ধরনের পরিসমাপ্তি ঘটে?
ক) মিলনাত্মক
খ) নায়কের জীবনে বিপর্যয় বা করুণ পরিণতি
গ) হাস্যরসাত্মক
ঘ) উন্মুক্ত বা অসম্পূর্ণ
উত্তর: খ) নায়কের জীবনে বিপর্যয় বা করুণ পরিণতি
বিস্তারিত: ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটকের শেষে প্রধান চরিত্রের জীবনে কোনো ভয়ংকর বিপর্যয়, পতন বা মৃত্যু ঘটে, যা দর্শকের মনে করুণা ও ভয় সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ৯: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কোনটি?
ক) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
খ) চর্যাপদ
গ) মঙ্গলকাব্য
ঘ) বৈষ্ণব পদাবলী
উত্তর: খ) চর্যাপদ
বিস্তারিত: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন। এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কার করেন।
প্রশ্ন ১০: ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র ও সংগ্রাম বাস্তবতার নিরিখে ফুটে উঠেছে।
প্রশ্ন ১১: ‘ফটিক’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোটগল্পের প্রধান চরিত্র?
ক) পোস্টমাস্টার
খ) ছুটি
গ) দেনাপাওনা
ঘ) কাবুলিওয়ালা
উত্তর: খ) ছুটি
বিস্তারিত: ‘ছুটি’ ছোটগল্পের কিশোর চরিত্র ফটিক, যে গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় এসে এক ভিন্ন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে না এবং করুণ পরিণতির শিকার হয়।
প্রশ্ন ১২: উপসর্গ শব্দের কোথায় বসে?
ক) শব্দের আগে
খ) শব্দের পরে
গ) শব্দের মাঝে
ঘ) বাক্যের শেষে
উত্তর: ক) শব্দের আগে
বিস্তারিত: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। যেমন: প্র + হার = প্রহার।
প্রশ্ন ১৩: ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা কে?
ক) জ্ঞানদাস
খ) গোবিন্দদাস
গ) চণ্ডীদাস
ঘ) বড়ু চণ্ডীদাস
উত্তর: ঘ) বড়ু চণ্ডীদাস
বিস্তারিত: ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ আখ্যানকাব্য, যার রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত।
প্রশ্ন ১৪: ‘অরণ্যে রোদন’ প্রবাদটির অর্থ কী?
ক) বনে গিয়ে কান্না
খ) উচ্চস্বরে কান্না
গ) নিষ্ফল আবেদন
ঘ) আনন্দের কান্না
উত্তর: গ) নিষ্ফল আবেদন
বিস্তারিত: যে আবেদন বা অনুরোধ কোনো কাজে আসে না বা বৃথা যায়, তাকে ‘অরণ্যে রোদন’ বলা হয়। কারণ, অরণ্যে বা বনে কাঁদলে শোনার কেউ থাকে না।
প্রশ্ন ১৫: ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) জীবনানন্দ দাশ
ঘ) জসীমউদ্দীন
উত্তর: খ) কাজী নজরুল ইসলাম
বিস্তারিত: ‘সঞ্চিতা’ কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম বিখ্যাত কাব্য সংকলন, যেখানে তাঁর শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো (যেমন: বিদ্রোহী, সাম্যবাদী) স্থান পেয়েছে।
প্রশ্ন ১৬: বাংলা সাহিত্যে ‘ভোরের পাখি’ কাকে বলা হয়?
ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী
খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী
বিস্তারিত: বাংলা গীতিকবিতার ধারায় রোমান্টিকতার সূচনা করার জন্য কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ভোরের পাখি’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
প্রশ্ন ১৭: ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ কার লেখা?
ক) প্যারিচাঁদ মিত্র
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
উত্তর: ঘ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
বিস্তারিত: ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ কালীপ্রসন্ন সিংহের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক সামাজিক নকশা। এতে উনিশ শতকের কলকাতার সমাজজীবনের চিত্র চলিত ভাষায় ফুটে উঠেছে।
প্রশ্ন ১৮: নিচের কোনটি পদাশ্রিত নির্দেশক?
ক) এবং
খ) টি
গ) প্রতি
ঘ) বিনা
উত্তর: খ) টি
বিস্তারিত: টি, টা, খানা, খানি, গুলো ইত্যাদি হলো পদাশ্রিত নির্দেশক, যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
প্রশ্ন ১৯: ‘পাপে বিরত থাকো’ – এখানে ‘পাপে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক) করণে ৭মী
খ) অপাদানে ৭মী
গ) অধিকরণে ৭মী
ঘ) কর্মে ৭মী
উত্তর: খ) অপাদানে ৭মী
বিস্তারিত: যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত বা দূরীভূত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে পাপ থেকে বিরত থাকা বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি।
প্রশ্ন ২০: ‘আগুনের পরশমণি’ কার লেখা উপন্যাস?
ক) হুমায়ূন আহমেদ
খ) সেলিনা হোসেন
গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ঘ) শওকত ওসমান
উত্তর: ক) হুমায়ূন আহমেদ
বিস্তারিত: ‘আগুনের পরশমণি’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যা অবলম্বনে একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।
প্রশ্ন ২১: ‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ – গানটির রচয়িতা কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ঘ) অতুলপ্রসাদ সেন
উত্তর: গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
বিস্তারিত: এই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানটি ‘ডি. এল. রায়’ নামে পরিচিত নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা।
প্রশ্ন ২২: প্রত্যয় শব্দের কোথায় যুক্ত হয়?
ক) শব্দের আদিতে
খ) শব্দের অন্তে
গ) শব্দের মাঝে
ঘ) আলাদাভাবে বসে
উত্তর: খ) শব্দের অন্তে
বিস্তারিত: প্রত্যয় হলো এমন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা ধাতু (ক্রিয়ামূল) বা শব্দের (নামশব্দ) শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: চল্ + অন্ত = চলন্ত।
প্রশ্ন ২৩: ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কোন ধরনের রচনা?
ক) উপন্যাস
খ) মহাকাব্য
গ) ঐতিহাসিক উপন্যাস বা গদ্যকাব্য
ঘ) নাটক
উত্তর: গ) ঐতিহাসিক উপন্যাস বা গদ্যকাব্য
বিস্তারিত: মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কারবালার ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে রচিত একটি গদ্যকাব্য বা উপন্যাসধর্মী রচনা, যা বাংলা সাহিত্যে ক্লাসিক হিসেবে স্বীকৃত।
প্রশ্ন ২৪: বাংলা গদ্যের জনক কে?
ক) রামমোহন রায়
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
উত্তর: গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বিস্তারিত: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার করেন এবং গদ্যকে একটি সুশৃঙ্খল, সাবলীল ও সুগঠিত রূপ দেন, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
প্রশ্ন ২৫: ‘সবুজপত্র’ পত্রিকাটি কে সম্পাদনা করতেন?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) প্রমথ চৌধুরী
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) বুদ্ধদেব বসু
উত্তর: খ) প্রমথ চৌধুরী
বিস্তারিত: ‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যের একটি প্রভাবশালী পত্রিকা ছিল, যা প্রমথ চৌধুরীর (ছদ্মনাম: বীরবল) সম্পাদনায় প্রকাশিত হতো। চলিত রীতির প্রচলনে এর ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
প্রশ্ন ২৬: ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের উপজীব্য বিষয় কী?
ক) গ্রামীণ জীবন
খ) মুক্তিযুদ্ধ
গ) সামাজিক সমস্যা
ঘ) প্রকৃতি
উত্তর: খ) মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত: সেলিনা হোসেনের লেখা ‘কাকতাড়ুয়া’ একটি কিশোর উপন্যাস, যার পটভূমি হলো ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। এর প্রধান চরিত্র বুধা।
প্রশ্ন ২৭: ‘আম আঁটির ভেঁপু’ কোন উপন্যাসের অংশ?
ক) আরণ্যক
খ) পথের পাঁচালী
গ) অপরাজিত
ঘ) ইছামতী
উত্তর: খ) পথের পাঁচালী
বিস্তারিত: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’-র প্রথম অংশের নাম ‘আম আঁটির ভেঁপু’, যেখানে অপু ও দুর্গার শৈশব চিত্রিত হয়েছে।
প্রশ্ন ২৮: ‘ধ্বনি’ ও ‘বর্ণ’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
ক) ধ্বনি উচ্চারিত রূপ, বর্ণ লিখিত রূপ
খ) বর্ণ উচ্চারিত রূপ, ধ্বনি লিখিত রূপ
গ) দুটি একই জিনিস
ঘ) ধ্বনি দেখা যায়, বর্ণ শোনা যায়
উত্তর: ক) ধ্বনি উচ্চারিত রূপ, বর্ণ লিখিত রূপ
বিস্তারিত: মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত আওয়াজ হলো ধ্বনি। আর সেই ধ্বনির লিখিত বা দৃশ্যমান সাংকেতিক চিহ্ন হলো বর্ণ।
প্রশ্ন ২৯: ‘মঙ্গলকাব্য’ কোন যুগের সাহিত্য?
ক) আদি যুগ
খ) মধ্যযুগ
গ) আধুনিক যুগ
ঘ) ইংরেজ শাসনামল
উত্তর: খ) মধ্যযুগ
বিস্তারিত: মধ্যযুগে বিভিন্ন লৌকিক দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য যে কাহিনিকাব্য রচিত হতো, তাকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়। যেমন – চণ্ডীমঙ্গল, মনসামঙ্গল, ধর্মমঙ্গল ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৩০: ‘নীলদর্পণ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
গ) দীনবন্ধু মিত্র
ঘ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
উত্তর: গ) দীনবন্ধু মিত্র
বিস্তারিত: ‘নীলদর্পণ’ দীনবন্ধু মিত্রের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক, যা ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকরদের নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে লেখা হয়েছিল এবং ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
প্রশ্ন ৩১: ‘কবর’ কবিতাটি কার লেখা?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) জসীমউদ্দীন
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: খ) জসীমউদ্দীন
বিস্তারিত: ‘কবর’ পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থে সংকলিত। এটি একটি বিয়োগান্তক কাহিনিকাব্য।
প্রশ্ন ৩২: ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবে নোবেল পুরস্কার পান?
ক) ১৯১১
খ) ১৯১৩
গ) ১৯১৫
ঘ) ১৯২০
উত্তর: খ) ১৯১৩
বিস্তারিত: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘Song Offerings’ (গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ) এর জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন।
প্রশ্ন ৩৩: ‘নবান্ন’ নাটকটির রচয়িতা কে?
ক) উৎপল দত্ত
খ) শম্ভু মিত্র
গ) বিজন ভট্টাচার্য
ঘ) তুলসী লাহিড়ী
উত্তর: গ) বিজন ভট্টাচার্য
বিস্তারিত: ‘নবান্ন’ বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি কালজয়ী নাটক। এটি ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর বা পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।
প্রশ্ন ৩৪: সমাস শব্দের অর্থ কী?
ক) মিলন
খ) সংক্ষেপণ
গ) বিস্তার
ঘ) বিভাজন
উত্তর: খ) সংক্ষেপণ
বিস্তারিত: সমাস শব্দের অর্থ হলো সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসম্বন্ধযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ মিলে এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে।
প্রশ্ন ৩৫: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক কে?
ক) প্যারিচাঁদ মিত্র
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বিস্তারিত: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। তাই তাঁকে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বলা হয়।
প্রশ্ন ৩৬: ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কে রচনা করেন?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) নবীনচন্দ্র সেন
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বিস্তারিত: ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, যা মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেন। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
প্রশ্ন ৩৭: ‘পদাবলী’ সাহিত্যের উপজীব্য বিষয় কী?
ক) দেবদেবীর মাহাত্ম্য
খ) রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা
গ) চৈতন্যদেবের জীবনী
ঘ) রাজার বীরত্ব
উত্তর: খ) রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা
বিস্তারিত: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের মূল বিষয় হলো রাধা ও কৃষ্ণের অলৌকিক প্রেমলীলা। বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস প্রমুখ এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি।
প্রশ্ন ৩৮: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ কার রচনা?
ক) কালীপ্রসন্ন সিংহ
খ) প্যারিচাঁদ মিত্র
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর: খ) প্যারিচাঁদ মিত্র
বিস্তারিত: প্যারিচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে ‘আলালের ঘরের দুলাল’ রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত হয়, যদিও এর গঠনশৈলী পুরোপুরি উপন্যাসধর্মী ছিল না।
প্রশ্ন ৩৯: ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি কোন কবির লেখা?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) বুদ্ধদেব বসু
গ) জীবনানন্দ দাশ
ঘ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর: গ) জীবনানন্দ দাশ
বিস্তারিত: ‘বনলতা সেন’ জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এটি তাঁর একই নামের কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এই কবিতার জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
প্রশ্ন ৪০: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
ক) ১১টি
খ) ৯টি
গ) ৭টি
ঘ) ৫টি
উত্তর: গ) ৭টি
বিস্তারিত: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
প্রশ্ন ৪১: ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের রচনা?
ক) কাব্যগ্রন্থ
খ) উপন্যাস
গ) নাটক
ঘ) ছোটগল্প
উত্তর: খ) উপন্যাস
বিস্তারিত: ‘শেষের কবিতা’ একটি রোমান্টিক উপন্যাস, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৯ সালে রচনা করেন। এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। এটি গদ্য ও পদ্যের সংমিশ্রণে লেখা একটি অনবদ্য সৃষ্টি।
প্রশ্ন ৪২: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি নজরুলের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
ক) অগ্নিবীণা
খ) বিষের বাঁশি
গ) সাম্যবাদী
ঘ) সর্বহারা
উত্তর: ক) অগ্নিবীণা
বিস্তারিত: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-তে (১৯২২) সংকলিত হয়েছে। এই কবিতার জন্যই তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
বিস্তারিত: ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর লেখা শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা।
প্রশ্ন ৪৪: যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো অর্থ বোঝায়, তাকে কী বলে?
ক) দ্বন্দ্ব সমাস
খ) তৎপুরুষ সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) বহুব্রীহি সমাস
উত্তর: ঘ) বহুব্রীহি সমাস
বিস্তারিত: বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে, তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়। যেমন: দশ আনন যার = দশানন (এখানে দশ বা আনন না বুঝিয়ে রাবণকে বোঝাচ্ছে)।
বিস্তারিত: ‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার পটভূমি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।
প্রশ্ন ৪৬: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। এর প্রধান চরিত্র সব্যসাচী।
প্রশ্ন ৪৭: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক) ১৭৫৭
খ) ১৮০০
গ) ১৮৫৭
ঘ) ১৯০০
উত্তর: খ) ১৮০০
বিস্তারিত: ব্রিটিশ ಅಧಿಕಾರಿদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রশ্ন ৪৮: ‘তাসের দেশ’ কী ধরনের রচনা?
ক) উপন্যাস
খ) ছোটগল্প
গ) কাব্যগ্রন্থ
ঘ) নৃত্যনাট্য
উত্তর: ঘ) নৃত্যনাট্য
বিস্তারিত: ‘তাসের দেশ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নৃত্যনাট্য, যেখানে গতানুগতিক নিয়মকানুনের শৃঙ্খল ভাঙার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ৪৯: ‘ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে’ – এটি কী?
ক) ধাঁধা
খ) প্রবাদ-প্রবচন
গ) সন্ধি
ঘ) বাগধারা
উত্তর: খ) প্রবাদ-প্রবচন
বিস্তারিত: এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদ, যার অর্থ হলো স্বভাব কখনো বদলায় না বা স্থান পরিবর্তন হলেও অভ্যাসের পরিবর্তন হয় না।
প্রশ্ন ৫০: ‘সংশয়’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক) সং + শয়
খ) सम् + শয়
গ) সং + শয়
ঘ) সম্ + শয়
উত্তর: ঘ) সম্ + শয়
বিস্তারিত: এটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। নিয়ম অনুযায়ী, ‘ম্’-এর পর অন্তঃস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) বা উষ্ম বর্ণ (শ, ষ, স, হ) থাকলে ‘ম্’ অনুস্বার (ং) হয়ে যায়।
প্রশ্ন ৫১: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’—এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
ক) আল মাহমুদ
খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
গ) শামসুর রাহমান
ঘ) নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর: খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
বিস্তারিত: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর একটি প্রসিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তিনি বাঙালির ঐতিহ্য ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন।
প্রশ্ন ৫২: ‘গণদেবতা’ উপন্যাসটি কার রচনা?
ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) সতীনাথ ভাদুড়ী
উত্তর: খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘গণদেবতা’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার জন্য তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন। এতে গ্রামীণ সমাজের ভাঙন ও পরিবর্তনের চিত্র রয়েছে।
প্রশ্ন ৫৩: ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক) অকেজো লোক
খ) তোষামুদে
গ) প্রভাবশালী ব্যক্তি
ঘ) বাদ্যকর
উত্তর: খ) তোষামুদে
বিস্তারিত: ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটি মোসাহেব বা তোষামুদে ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যে অন্যের কথায় চলে বা প্রশংসা করে।
প্রশ্ন ৫৪: বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) প্যারিচাঁদ মিত্র
উত্তর: গ) প্রমথ চৌধুরী
বিস্তারিত: প্রমথ চৌধুরী তাঁর ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রচলন ও প্রসারে প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
প্রশ্ন ৫৫: কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?
ক) নূরলদীনের সারাজীবন
খ) ডাকঘর
গ) রক্তাক্ত প্রান্তর
ঘ) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর: ঘ) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
বিস্তারিত: ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক, যার পটভূমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের যুদ্ধ নিয়ে লেখা, ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে লেখা।
প্রশ্ন ৫৬: ‘চৈতন্যচরিতামৃত’ কার লেখা?
ক) বৃন্দাবন দাস
খ) জয়ানন্দ
গ) কৃষ্ণদাস কবিরাজ
ঘ) লোচন দাস
উত্তর: গ) কৃষ্ণদাস কবিরাজ
বিস্তারিত: ‘শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত’ শ্রীচৈতন্যদেবের সবচেয়ে প্রামাণ্য ও পাণ্ডিত্যপূর্ণ জীবনীগ্রন্থ। এটি রচনা করেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী।
প্রশ্ন ৫৭: ‘অর্বাচীন’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
ক) নবীন
খ) আধুনিক
গ) নতুন
ঘ) প্রাচীন
উত্তর: ঘ) প্রাচীন
বিস্তারিত: ‘অর্বাচীন’ শব্দের অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা নবীন। সুতরাং এর বিপরীত শব্দ হলো ‘প্রাচীন’।
প্রশ্ন ৫৮: ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
ক) জহির রায়হান
খ) শওকত ওসমান
গ) আবু ইসহাক
ঘ) রশীদ করীম
উত্তর: ক) জহির রায়হান
বিস্তারিত: ‘হাজার বছর ধরে’ জহির রায়হানের লেখা একটি বিখ্যাত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস, যা ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন ৫৯: ‘পোস্টমাস্টার’ ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র কোনটি?
ক) রতন
খ) মৃন্ময়ী
গ) চারুলতা
ঘ) হৈমন্তী
উত্তর: ক) রতন
বিস্তারিত: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পোস্টমাস্টার’ ছোটগল্পের অনাথ বালিকা চরিত্রটির নাম রতন, যে পোস্টমাস্টারের স্নেহ ও সাহচর্যে বড় হয়।
প্রশ্ন ৬০: যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়, তাকে কী বলে?
ক) অসমাপিকা ক্রিয়া
খ) সমাপিকা ক্রিয়া
গ) যৌগিক ক্রিয়া
ঘ) প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: খ) সমাপিকা ক্রিয়া
বিস্তারিত: যে ক্রিয়াপদ বাক্যের ভাব বা অর্থকে সম্পূর্ণ করে, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন: ‘সে বাড়ি যায়।’ এখানে ‘যায়’ হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
প্রশ্ন ৬১: ‘সধবার একাদশী’ কী ধরনের রচনা?
ক) উপন্যাস
খ) প্রহসন
গ) ট্র্যাজেডি
ঘ) মহাকাব্য
উত্তর: খ) প্রহসন
বিস্তারিত: ‘সধবার একাদশী’ দীনবন্ধু মিত্রের লেখা একটি বিখ্যাত প্রহসন। এতে তৎকালীন ইংরেজি শিক্ষিত যুবসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতা ও অধঃপতনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে।
প্রশ্ন ৬২: ‘সনেট’ বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বিস্তারিত: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রচনা করেন। তাঁর ‘চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী’ একটি উল্লেখযোগ্য সংকলন।
প্রশ্ন ৬৩: ‘অক্টোপাস’ উপন্যাসের লেখক কে?
ক) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
খ) শামসুর রাহমান
গ) শওকত ওসমান
ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর: খ) শামসুর রাহমান
বিস্তারিত: ‘অক্টোপাস’ কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি উপন্যাস। যদিও তিনি কবি হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিত, তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন।
প্রশ্ন ৬৪: ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারার অর্থ কী?
ক) স্রোতের সাথে চলা
খ) অন্ধ অনুকরণ
গ) বিশৃঙ্খলা
ঘ) দলবদ্ধ ভ্রমণ
উত্তর: খ) অন্ধ অনুকরণ
বিস্তারিত: ‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ ভেড়া। ভেড়ারা যেমন কোনো বিচার-বিবেচনা ছাড়াই একে অপরকে অনুসরণ করে চলে, তেমনি বিচার-বুদ্ধিহীন অন্ধ অনুকরণকে ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বলা হয়।
প্রশ্ন ৬৫: ‘আরণ্যক’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
ক) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) সতীনাথ ভাদুড়ী
উত্তর: গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘আরণ্যক’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এতে বিহারের অরণ্য-প্রকৃতি এবং সেখানকার সরল মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।
বিস্তারিত: এই অমর একুশের গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ এবং বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
প্রশ্ন ৬৭: ‘উত্তম পুরুষ’ বলতে কী বোঝায়?
ক) বক্তা নিজে
খ) শ্রোতা
গ) অনুপস্থিত ব্যক্তি
ঘ) সম্মানিত ব্যক্তি
উত্তর: ক) বক্তা নিজে
বিস্তারিত: ব্যাকরণে, বক্তা নিজে বা বক্তার পক্ষ হলো উত্তম পুরুষ (First Person)। যেমন: আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের।
প্রশ্ন ৬৮: ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র কোনটি?
ক) কমললতা
খ) অন্নদাদি
গ) অভয়া
ঘ) রাজলক্ষ্মী
উত্তর: ঘ) রাজলক্ষ্মী
বিস্তারিত: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের (চার পর্ব) প্রধান নারী চরিত্র হলো রাজলক্ষ্মী। অন্নদাদি, কমললতা, অভয়া প্রমুখ এই উপন্যাসের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র।
প্রশ্ন ৬৯: ‘কল্লোল’ কী?
ক) একটি উপন্যাস
খ) একটি নাট্যগোষ্ঠী
গ) একটি সাহিত্য পত্রিকা
ঘ) একটি কাব্যগ্রন্থ
উত্তর: গ) একটি সাহিত্য পত্রিকা
বিস্তারিত: ‘কল্লোল’ বিশ শতকের ত্রিশের দশকের একটি প্রভাবশালী আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে একটি লেখক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছিল, যা ‘কল্লোল যুগ’ নামে পরিচিত।
প্রশ্ন ৭০: ‘এক কথায় প্রকাশ করুন: যা সহজে ভেঙে যায়’—
ক) ভঙ্গুর
খ) নশ্বর
গ) দুর্বল
ঘ) ক্ষণস্থায়ী
উত্তর: ক) ভঙ্গুর
বিস্তারিত: যা সহজে ভেঙে যায়, তাকে এক কথায় ‘ভঙ্গুর’ বলা হয়। যেমন: কাচ একটি ভঙ্গুর পদার্থ।
প্রশ্ন ৭১: ‘দেয়াল’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
ক) হুমায়ূন আহমেদ
খ) সেলিনা হোসেন
গ) ইমদাদুল হক মিলন
ঘ) আনিসুল হক
উত্তর: ক) হুমায়ূন আহমেদ
বিস্তারিত: ‘দেয়াল’ হুমায়ূন আহমেদের লেখা সর্বশেষ (অসমাপ্ত) উপন্যাস। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি বিতর্কিত সময়কাল নিয়ে রচিত।
প্রশ্ন ৭২: বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদচিহ্নের প্রবর্তক কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) উইলিয়াম কেরি
উত্তর: গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বিস্তারিত: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭) গ্রন্থে প্রথম বাংলা ভাষায় দাড়ি, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদি যতিচিহ্নের সার্থক ও সুসংহত ব্যবহার করেন।
প্রশ্ন ৭৩: ‘অক্টোপাস’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) শামসুর রাহমান
খ) আল মাহমুদ
গ) সৈয়দ শামসুল হক
ঘ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর: ক) শামসুর রাহমান
বিস্তারিত: ‘অক্টোপাস’ কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি উপন্যাস। যদিও তিনি কবি হিসেবেই সমধিক পরিচিত, তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন।
প্রশ্ন ৭৪: ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম কী?
ক) মজিদ
খ) আক্কাস
গ) খালেক ব্যাপারী
ঘ) আমেনা
উত্তর: ক) মজিদ
বিস্তারিত: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো মজিদ, যে ধর্মকে ব্যবহার করে গ্রামীণ সমাজে নিজের প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা করে।
প্রশ্ন ৭৫: ‘তৎসম’ শব্দ কোনটি?
ক) হাত
খ) চামার
গ) চন্দ্র
ঘ) কান
উত্তর: গ) চন্দ্র
বিস্তারিত: যে সকল শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম (তৎ + সম = তার সমান) শব্দ বলে। যেমন: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, হস্ত।
প্রশ্ন ৭৬: ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়িকার নাম কী?
ক) মনোরমা
খ) রোহিণী
গ) কপালকুণ্ডলা
ঘ) কুন্দনন্দিনী
উত্তর: গ) কপালকুণ্ডলা
বিস্তারিত: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নামচরিত্র ও নায়িকা হলেন কপালকুণ্ডলা, যিনি প্রকৃতিতে পালিত এক অসামান্য নারী।
বিস্তারিত: ‘শ্রীকান্ত’ (চার খণ্ড) উপন্যাসটিকে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক রচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর প্রধান চরিত্র শ্রীকান্তের ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে লেখকের জীবনদর্শন ফুটে উঠেছে।
প্রশ্ন ৮১: ‘পূর্বাশা’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
ক) বুদ্ধদেব বসু
খ) অজিত দত্ত
গ) সঞ্জয় ভট্টাচার্য
ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর: গ) সঞ্জয় ভট্টাচার্য
বিস্তারিত: ‘পূর্বাশা’ ত্রিশোত্তর বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন ৮২: ‘কাকনিদ্রা’ শব্দটির অর্থ কী?
ক) গভীর ঘুম
খ) দিবানিদ্রা
গ) নিদ্রার ভান
ঘ) অগভীর সতর্ক নিদ্রা
উত্তর: ঘ) অগভীর সতর্ক নিদ্রা
বিস্তারিত: কাকের ঘুম যেমন খুব পাতলা ও সতর্ক হয়, তেমনি অগভীর ও সতর্ক ঘুমকে ‘কাকনিদ্রা’ বলা হয়।
প্রশ্ন ৮৩: ‘খাঁটি বাংলা উপসর্গ’ কোনটি?
ক) প্র
খ) উপ
গ) আ
ঘ) নির
উত্তর: গ) আ
বিস্তারিত: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গ তিন প্রকার: তৎসম, খাঁটি বাংলা ও বিদেশি। ‘আ’, ‘অঘা’, ‘রাম’ ইত্যাদি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ‘প্র’, ‘উপ’, ‘নির’ হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
প্রশ্ন ৮৪: ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য কে রচনা করেন?
ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
খ) বিজয়গুপ্ত
গ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ঘ) দ্বিজ বংশীদাস
উত্তর: গ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
বিস্তারিত: ‘অন্নদামঙ্গল’ মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি রচনা করেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
প্রশ্ন ৮৫: ‘মৃন্ময়ী’ রবীন্দ্রনাথের কোন ছোটগল্পের নায়িকা?
ক) দেনাপাওনা
খ) সমাপ্তি
গ) পোস্টমাস্টার
ঘ) কাবুলিওয়ালা
উত্তর: খ) সমাপ্তি
বিস্তারিত: ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্পের দুরন্ত ও খামখেয়ালী নায়িকা হলো মৃন্ময়ী। তার বালিকা থেকে নারী হয়ে ওঠার কাহিনিই এই গল্পের মূল উপজীব্য।
প্রশ্ন ৮৬: ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ উপন্যাসটির লেখক কে?
ক) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র ডাক্তার শশী।
প্রশ্ন ৮৭: যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই, তাকে এক কথায় কী বলে?
ক) অনূঢ়া
খ) কুমারী
গ) অবীরা
ঘ) বিধবা
উত্তর: গ) অবীরা
বিস্তারিত: যে নারীর স্বামী ও পুত্র—উভয়েই মৃত বা নেই, তাকে এক কথায় ‘অবীরা’ বলা হয়।
প্রশ্ন ৮৮: ‘ফেরারী ফৌজ’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
ক) বিনয় মজুমদার
খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর: ক) বিনয় মজুমদার
বিস্তারিত: ‘ফেরারী ফৌজ’ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি বিনয় মজুমদারের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
প্রশ্ন ৮৯: কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
ক) চেয়ার
খ) আনারস
গ) রিকশা
ঘ) চা
উত্তর: খ) আনারস
বিস্তারিত: আনারস, আলপিন, আলমারি, চাবি, পাউরুটি, বালতি ইত্যাদি শব্দ পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। চেয়ার (ইংরেজি), রিকশা (জাপানি), চা (চিনা) শব্দ।
প্রশ্ন ৯০: ‘সারেং বৌ’ উপন্যাসটির লেখক কে?
ক) জহির রায়হান
খ) শহীদুল্লা কায়সার
গ) আবু ইসহাক
ঘ) শওকত ওসমান
উত্তর: খ) শহীদুল্লা কায়সার
বিস্তারিত: ‘সারেং বৌ’ শহীদুল্লা কায়সারের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র নবিতুন।
প্রশ্ন ৯১: ‘জন্ডিস ও বিবিধ কবিতা’ কার লেখা?
ক) বিনয় মজুমদার
খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
ঘ) জয় গোস্বামী
উত্তর: খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘জন্ডিস ও বিবিধ কবিতা’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
প্রশ্ন ৯২: ‘বটতলার পুঁথি’ বলতে কী বোঝানো হয়?
ক) প্রাচীন পুঁথি
খ) মূল্যবান গ্রন্থ
গ) অত্যন্ত জনপ্রিয় বই
ঘ) সস্তা ও রুচিহীন বই
উত্তর: ঘ) সস্তা ও রুচিহীন বই
বিস্তারিত: উনিশ শতকে কলকাতার বটতলা অঞ্চলে প্রচুর সস্তা, নিম্নমানের ও রুচিহীন বই ছাপা হতো। সেই থেকে ‘বটতলার পুঁথি’ বা ‘বটতলার বই’ শব্দটি রুচিহীন সস্তা বই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ৯৩: ‘কেরোসিন’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
ক) পর্তুগিজ
খ) ফরাসি
গ) ইংরেজি
ঘ) ওলন্দাজ
উত্তর: গ) ইংরেজি
বিস্তারিত: ‘Kerosene’ একটি ইংরেজি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় ‘কেরোসিন’ রূপে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ৯৪: ‘অয়োময়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
ক) হুমায়ূন আহমেদ
খ) মামুনুর রশীদ
গ) সেলিম আল দীন
ঘ) আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর: ক) হুমায়ূন আহমেদ
বিস্তারিত: ‘অয়োময়’ হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক, যা উনিশ শতকের জমিদারি প্রথার পটভূমিতে নির্মিত।
প্রশ্ন ৯৫: ‘চাঁদের পাহাড়’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) সত্যজিৎ রায়
খ) হেমেন্দ্রকুমার রায়
গ) উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘চাঁদের পাহাড়’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র শংকর।
বিস্তারিত: ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ আবু ইসহাকের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ কুসংস্কার ও নারীর সংগ্রামের কাহিনি নিয়ে রচিত।
প্রশ্ন ৯৯: ‘বেদের মেয়ে’ কী ধরনের রচনা?
ক) উপন্যাস
খ) ছোটগল্প
গ) নাটক
ঘ) কাব্যগ্রন্থ
উত্তর: গ) নাটক
বিস্তারিত: ‘বেদের মেয়ে’ জসীমউদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক। তাঁর অন্যান্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘পদ্মাপার’ ও ‘মধুমালা’।
প্রশ্ন ১০০: ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ কী জাতীয় রচনার সংকলন?
ক) ছোটগল্প
খ) রূপকথা
গ) প্রবন্ধ
ঘ) ভ্রমণকাহিনি
উত্তর: খ) রূপকথা
বিস্তারিত: ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের সংগৃহীত ও সম্পাদিত বাংলা রূপকথার একটি বিখ্যাত সংকলন।
প্রশ্ন ১০১: ‘তিতাস একটি নদীর নাম’—এই উপন্যাসটির লেখক কে?
ক) অদ্বৈত মল্লবর্মণ
খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: ক) অদ্বৈত মল্লবর্মণ
বিস্তারিত: ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ অদ্বৈত মল্লবর্মণের লেখা একমাত্র এবং বিখ্যাত উপন্যাস। এতে তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
প্রশ্ন ১০২: ‘পাগলা দাশু’ চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
ক) শিবরাম চক্রবর্তী
খ) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
গ) সুকুমার রায়
ঘ) সত্যজিৎ রায়
উত্তর: গ) সুকুমার রায়
বিস্তারিত: ‘পাগলা দাশু’ সুকুমার রায়ের সৃষ্টি একটি বিখ্যাত হাস্যরসাত্মক চরিত্র। দাশুর নানান অদ্ভুত ও মজার কাণ্ডকারখানা নিয়ে তিনি কয়েকটি গল্প লিখেছেন।
প্রশ্ন ১০৩: ‘নন্দিনী’ রবীন্দ্রনাথের কোন নাটকের চরিত্র?
ক) ডাকঘর
খ) রাজা
গ) রক্তকরবী
ঘ) অচলায়তন
উত্তর: গ) রক্তকরবী
বিস্তারিত: নন্দিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক ‘রক্তকরবী’-র প্রধান নারী চরিত্র। সে যান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে প্রাণের ও ভালোবাসার প্রতীক।
প্রশ্ন ১০৪: ‘যা অধ্যয়ন করা হয়েছে’—এক কথায় কী হবে?
ক) অধীত
খ) অধ্যয়নরত
গ) পঠিত
ঘ) অধ্যায়ন
উত্তর: ক) অধীত
বিস্তারিত: যা অধ্যয়ন করা হয়েছে, তাকে এক কথায় ‘অধীত’ বলে।
প্রশ্ন ১০৫: ‘কেরী সাহেবের মুন্সী’ কার লেখা?
ক) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
খ) রামরাম বসু
গ) প্রমথনাথ বিশী
ঘ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ) প্রমথনাথ বিশী
বিস্তারিত: ‘কেরী সাহেবের মুন্সী’ প্রমথনাথ বিশীর লেখা একটি জীবনীমূলক উপন্যাস। এতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান রামরাম বসুর জীবন চিত্রিত হয়েছে।
প্রশ্ন ১০৬: ‘গোরস্থানে সাবধান’—এই গোয়েন্দা কাহিনির লেখক কে?
ক) নীহাররঞ্জন গুপ্ত
খ) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) সত্যজিৎ রায়
ঘ) হেমেন্দ্রকুমার রায়
উত্তর: গ) সত্যজিৎ রায়
বিস্তারিত: ‘গোরস্থানে সাবধান’ সত্যজিৎ রায়ের লেখা ফেলুদা সিরিজের একটি জনপ্রিয় গোয়েন্দা উপন্যাস।
বিস্তারিত: ‘ময়নামতীর চর’ কবি বন্দে আলী মিয়ার একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা গ্রামীণ প্রকৃতি ও জীবন নিয়ে রচিত।
প্রশ্ন ১০৮: ‘শকুন্তলা’ কে রচনা করেন?
ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর: খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বিস্তারিত: ‘শকুন্তলা’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি গদ্য আখ্যান। এটি কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের কাহিনীর উপর ভিত্তি করে রচিত।
প্রশ্ন ১০৯: ‘টেনিদা’ চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
ক) শিবরাম চক্রবর্তী
খ) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
গ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
ঘ) আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর: খ) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
বিস্তারিত: টেনিদা (ভজহরি মুখার্জি) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সৃষ্টি একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক চরিত্র। পটলডাঙার এই চরিত্রটি তার দলবল নিয়ে মজার মজার অভিযানে নামে।
প্রশ্ন ১১০: ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’—এক কথায় কী বলে?
ক) প্রাক্তন
খ) ভূতপূর্ব
গ) অতীত
ঘ) অবলুপ্ত
উত্তর: খ) ভূতপূর্ব
বিস্তারিত: যা পূর্বে ছিল কিন্তু এখন আর নেই, তাকে এক কথায় ‘ভূতপূর্ব’ বলা হয়। যেমন: ভূতপূর্ব রাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন ১১১: ‘কবি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘কবি’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র নিতাই, যে একজন কবিয়াল। ‘জীবন এত ছোট কেনে’ এই উপন্যাসের একটি বিখ্যাত উক্তি।
প্রশ্ন ১১২: ‘ঢাকাই মসলিন’ একসময় কেমন ছিল?
ক) জগদ্বিখ্যাত
খ) সহজলভ্য
গ) সস্তা
ঘ) টেকসই
উত্তর: ক) জগদ্বিখ্যাত
বিস্তারিত: ঢাকায় তৈরি মসলিন কাপড় তার সূক্ষ্মতা ও কারুকার্যের জন্য সারা বিশ্বে বিখ্যাত ছিল।
প্রশ্ন ১১৩: ‘বিয়াল্লিশ’ সংখ্যাটি কোন ধরনের?
ক) পূরণবাচক
খ) অঙ্কবাচক
গ) তারিখবাচক
ঘ) গুণবাচক
উত্তর: খ) অঙ্কবাচক
বিস্তারিত: যে সংখ্যা দ্বারা গণনা করা হয়, তাকে অঙ্কবাচক বা গণনাবাচক সংখ্যা বলে। যেমন: এক, দুই, বিয়াল্লিশ।
বিস্তারিত: ব্যোমকেশ বক্সী শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টি এক বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র। তিনি নিজেকে ‘সত্যান্বেষী’ বলতেন।
প্রশ্ন ১১৬: ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে কয়টি কবিতা আছে?
ক) ১০টি
খ) ১১টি
গ) ১২টি
ঘ) ১৩টি
উত্তর: গ) ১২টি
বিস্তারিত: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-তে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। এর মধ্যে ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বরধারিণী মা’ উল্লেখযোগ্য।
প্রশ্ন ১১৭: ‘গিন্নি’ কোন শ্রেণির শব্দ?
ক) তৎসম
খ) দেশি
গ) বিদেশি
ঘ) অর্ধ-তৎসম
উত্তর: ঘ) অর্ধ-তৎসম
বিস্তারিত: যে সকল সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দ বলে। যেমন: গৃহিণী > গিন্নি, জ্যোৎস্না > জোছনা।
প্রশ্ন ১১৮: ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
ক) জহির রায়হান
খ) আলমগীর কবির
গ) তারেক মাসুদ
ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর: গ) তারেক মাসুদ
বিস্তারিত: ‘মাটির ময়না’ (The Clay Bird) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটে নির্মিত একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত চলচ্চিত্র। এর পরিচালক প্রয়াত তারেক মাসুদ।
প্রশ্ন ১১৯: ‘তিনি দরিদ্র কিন্তু সৎ’—এটি কোন ধরনের বাক্য?
ক) সরল বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) মিশ্র বাক্য
উত্তর: গ) যৌগিক বাক্য
বিস্তারিত: দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য যখন ‘এবং’, ‘ও’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
বিস্তারিত: ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কাহিনিকাব্য বা কাব্যোপন্যাস। এতে হিন্দু-মুসলমানের প্রেম ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ১২১: ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম কী?
ক) শ্রীকান্ত ও রাজলক্ষ্মী
খ) অমিত ও লাবণ্য
গ) মহেন্দ্র, আশা ও বিনোদিনী
ঘ) গোরা ও সুচরিতা
উত্তর: গ) মহেন্দ্র, আশা ও বিনোদিনী
বিস্তারিত: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’ একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এর কাহিনি মহেন্দ্র, তার স্ত্রী আশা এবং বিধবা বিনোদিনীর ত্রিভুজ সম্পর্ক নিয়ে আবর্তিত।
প্রশ্ন ১২২: ‘ফুল ফুটুক আর না ফুটুক, আজ বসন্ত’—এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
ক) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
ঘ) শামসুর রাহমান
উত্তর: ক) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
বিস্তারিত: এই বিখ্যাত লাইনটি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘ফুল ফুটুক’ কবিতার অংশ।
প্রশ্ন ১২৩: ‘ঠোঁটকাটা’ বলতে কী বোঝায়?
ক) স্পষ্টভাষী
খ) অহংকারী
গ) মিথ্যাবাদী
ঘ) বোকা
উত্তর: ক) স্পষ্টভাষী
বিস্তারিত: যে ব্যক্তি অপ্রিয় সত্য কথা বলতে দ্বিধা করে না, তাকে ‘ঠোঁটকাটা’ বা বেহায়া স্পষ্টভাষী বলা হয়।
প্রশ্ন ১২৪: বাংলা ভাষায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
ক) ৮টি
খ) ৯টি
গ) ১০টি
ঘ) ১১টি
উত্তর: গ) ১০টি
বিস্তারিত: বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। এগুলো হলো: এ, ঐ, ও, ঔ (স্বরবর্ণ ৪টি) এবং ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ (ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি)।
প্রশ্ন ১২৫: ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’—কার লেখা?
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
খ) আবুল মনসুর আহমদ
গ) মওলানা ভাসানী
ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর: খ) আবুল মনসুর আহমদ
বিস্তারিত: ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
প্রশ্ন ১২৬: ‘একেই কি বলে সভ্যতা’—এটি কার লেখা প্রহসন?
ক) দীনবন্ধু মিত্র
খ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর: গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বিস্তারিত: ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি বিখ্যাত প্রহসন। তাঁর লেখা আরেকটি প্রহসন হলো ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’।
প্রশ্ন ১২৭: ‘যে সব খায়’—তাকে এক কথায় কী বলে?
ক) সর্বভোজী
খ) সর্বভুক
গ) ভোজনবিলাসী
ঘ) পেটুক
উত্তর: খ) সর্বভুক
বিস্তারিত: যে সবকিছু ভক্ষণ করে বা খায়, তাকে এক কথায় ‘সর্বভুক’ বলা হয়।
প্রশ্ন ১২৮: ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
ক) জসীমউদ্দীন
খ) মুনীর চৌধুরী
গ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ঘ) সেলিম আল দীন
উত্তর: খ) মুনীর চৌধুরী
বিস্তারিত: ‘কবর’ মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত একাঙ্কিকা বা একাঙ্ক নাটক। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে কারাগারে বসে এটি রচনা করেন।
প্রশ্ন ১২৯: ‘সাপের খোলস’—কে কী বলে?
ক) কঞ্চুক
খ) নির্মোক
গ) খোলস
ঘ) চামড়া
উত্তর: খ) নির্মোক
বিস্তারিত: সাপের খোলস বা চামড়াকে এক কথায় ‘নির্মোক’ বলা হয়।
প্রশ্ন ১৩০: ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কে ছিলেন?
ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘বঙ্গদর্শন’ উনিশ শতকের একটি প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা। ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এটি প্রতিষ্ঠা ও সম্পাদনা করেন।
প্রশ্ন ১৩১: ‘আগুনপাখি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) হাসান আজিজুল হক
খ) সেলিনা হোসেন
গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ঘ) ইমদাদুল হক মিলন
উত্তর: ক) হাসান আজিজুল হক
বিস্তারিত: ‘আগুনপাখি’ হাসান আজিজুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। দেশভাগের পটভূমিতে এক গ্রামীণ নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে কাহিনিটি বর্ণিত হয়েছে।
বিস্তারিত: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন ১৩৫: ‘কাকাবাবু’ চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
ক) সত্যজিৎ রায়
খ) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
উত্তর: গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
বিস্তারিত: কাকাবাবু (রাজা রায়চৌধুরী) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সৃষ্টি একটি জনপ্রিয় কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সিরিজের প্রধান চরিত্র।
প্রশ্ন ১৩৬: ‘শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘শেষ প্রশ্ন’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিতর্কিত ও দার্শনিক উপন্যাস। এর প্রধান নারী চরিত্র কমল।
প্রশ্ন ১৩৭: ‘খেয়া’ রবীন্দ্রনাথের কোন ধরনের রচনা?
ক) উপন্যাস
খ) কাব্যগ্রন্থ
গ) নাটক
ঘ) প্রবন্ধ
উত্তর: খ) কাব্যগ্রন্থ
বিস্তারিত: ‘খেয়া’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন ১৩৮: ‘কাঁচপোকা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক) উপমান কর্মধারয়
খ) উপমিত কর্মধারয়
গ) রূপক কর্মধারয়
ঘ) মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
উত্তর: ক) উপমান কর্মধারয়
বিস্তারিত: প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সঙ্গে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে এবং দুটির মধ্যে একটি সাধারণ ধর্ম থাকলে, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে ‘কাঁচের ন্যায় সবুজ পোকা’ (সবুজ সাধারণ ধর্ম)।
প্রশ্ন ১৩৯: ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকটি কে লিখেছেন?
ক) দীনবন্ধু মিত্র
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ঘ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
উত্তর: খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বিস্তারিত: ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি হিসেবে স্বীকৃত।
বিস্তারিত: ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস। এতে কোপাই নদীর তীরে কাহার সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ১৪২: ‘হযরত মুহাম্মদ (স.)’ কার লেখা একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ?
ক) মীর মশাররফ হোসেন
খ) শেখ ফজলল করিম
গ) কাজী ইমদাদুল হক
ঘ) মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
উত্তর: ঘ) মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
বিস্তারিত: গদ্যশিল্পী মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর লেখা ‘মরুভাস্কর’ হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ জীবনীগ্রন্থ।
প্রশ্ন ১৪৩: ‘কাকাবাবু’ চরিত্রটি কার সৃষ্টি?
ক) সত্যজিৎ রায়
খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
গ) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর: খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
বিস্তারিত: কাকাবাবু (রাজা রায়চৌধুরী) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সৃষ্টি একটি জনপ্রিয় কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সিরিজের প্রধান চরিত্র।
প্রশ্ন ১৪৪: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’—কী ধরনের রচনা?
ক) উপন্যাস
খ) কাব্যনাটক
গ) ছোটগল্প
ঘ) মহাকাব্য
উত্তর: খ) কাব্যনাটক
বিস্তারিত: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক। এটি ১৭৮৩ সালের রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের কাহিনি অবলম্বনে রচিত।
প্রশ্ন ১৪৫: ‘দত্তা’ উপন্যাসের নায়িকার নাম কী?
ক) বিজয়া
খ) ললিতা
গ) রমা
ঘ) অচলা
উত্তর: ক) বিজয়া
বিস্তারিত: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দত্তা’ উপন্যাসের নায়িকা হলেন বিজয়া। উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র নরেন ও বিলাস।
প্রশ্ন ১৪৬: ‘মৃগয়া’ শব্দের অর্থ কী?
ক) হরিণ
খ) শিকার
গ) বন
ঘ) অন্বেষণ
উত্তর: খ) শিকার
বিস্তারিত: ‘মৃগয়া’ শব্দের অর্থ হলো শিকার করা বা শিকার। সাধারণত বনে পশু শিকার করাকে মৃগয়া বলা হয়।
প্রশ্ন ১৪৭: ‘ওরা কদম আলী’ নাটকটির রচয়িতা কে?
ক) মামুনুর রশীদ
খ) সেলিম আল দীন
গ) আবদুল্লাহ আল মামুন
ঘ) মমতাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর: ক) মামুনুর রশীদ
বিস্তারিত: ‘ওরা কদম আলী’ নাট্যকার মামুনুর রশীদের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক। এটি তাঁর ‘ওরা আছে বলেই’ নাটকের একটি অংশ।
প্রশ্ন ১৪৮: ‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে?
ক) আবুল মনসুর আহমদ
খ) শওকত ওসমান
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
ঘ) ফররুখ আহমদ
উত্তর: গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
বিস্তারিত: ‘চাচা কাহিনী’ সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা একটি বিখ্যাত রম্যরচনা সংকলন। এর প্রধান চরিত্র কাল্পনিক ‘চাচা’।
প্রশ্ন ১৪৯: ‘প্রফেসর শঙ্কু’ চরিত্রটি কার সৃষ্টি?
ক) প্রেমেন্দ্র মিত্র
খ) হেমেন্দ্রকুমার রায়
গ) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সত্যজিৎ রায়
উত্তর: ঘ) সত্যজিৎ রায়
বিস্তারিত: প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু বা প্রফেসর শঙ্কু সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টি একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক বিজ্ঞানী চরিত্র।
প্রশ্ন ১৫০: ‘যে উপকারীর অপকার করে’—তাকে এক কথায় কী বলে?
ক) কৃতঘ্ন
খ) অকৃতজ্ঞ
গ) কৃতজ্ঞ
ঘ) বিশ্বাসঘাতক
উত্তর: ক) কৃতঘ্ন
বিস্তারিত: যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না, তাকে বলে অকৃতজ্ঞ। আর যে উপকারীর অপকার করে, তাকে বলে কৃতঘ্ন।
প্রশ্ন ১৫১: ‘জননী’ উপন্যাসের লেখক কে?
ক) শওকত ওসমান
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: ক) শওকত ওসমান
বিস্তারিত: ‘জননী’ কথাশিল্পী শওকত ওসমানের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি তাঁর প্রথম মুদ্রিত উপন্যাস।
বিস্তারিত: ‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ সংকলন।
প্রশ্ন ১৫৩: ‘একাত্তরের দিনগুলি’ কার লেখা?
ক) সেলিনা হোসেন
খ) জাহানারা ইমাম
গ) সুফিয়া কামাল
ঘ) রাবেয়া খাতুন
উত্তর: খ) জাহানারা ইমাম
বিস্তারিত: ‘একাত্তরের দিনগুলি’ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে।
প্রশ্ন ১৫৪: ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’—এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা কে?
ক) সেলিম আল দীন
খ) মামুনুর রশীদ
গ) সৈয়দ শামসুল হক
ঘ) আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর: গ) সৈয়দ শামসুল হক
বিস্তারিত: ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক। এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা।
প্রশ্ন ১৫৫: ‘আকাশে তোলা’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক) সম্মান করা
খ) উপরে ওঠানো
গ) অতিরিক্ত প্রশংসা করা
ঘ) অসম্ভব কল্পনা করা
উত্তর: গ) অতিরিক্ত প্রশংসা করা
বিস্তারিত: ‘আকাশে তোলা’ বাগধারাটি দ্বারা কাউকে অতিরিক্ত বা মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা করা বোঝায়।
প্রশ্ন ১৫৬: ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য কে রচনা করেন?
ক) নবীনচন্দ্র সেন
খ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বিস্তারিত: ‘বীরাঙ্গনা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি পত্রকাব্য। এতে পৌরাণিক কাহিনীর এগারোজন নারী চরিত্র তাদের প্রেমাস্পদের কাছে পত্র লিখেছেন।
প্রশ্ন ১৫৭: ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) শওকত ওসমান
খ) সরদার জয়েনউদ্দীন
গ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর: ক) শওকত ওসমান
বিস্তারিত: ‘ক্রীতদাসের হাসি’ শওকত ওসমানের লেখা একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস। এটি আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লেখা হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৫৮: ‘টাপুর টুপুর’ কী ধরনের শব্দ?
ক) যৌগিক শব্দ
খ) সাধিত শব্দ
গ) অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ
ঘ) পারিভাষিক শব্দ
উত্তর: গ) অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ
বিস্তারিত: কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকরণে যে সব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মک শব্দ বলে। যেমন: বৃষ্টির শব্দ ‘টাপুর টুপুর’।
প্রশ্ন ১৫৯: ‘তোলপাড়’ ছোটগল্পটির লেখক কে?
ক) শওকত ওসমান
খ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
গ) হাসান হাফিজুর রহমান
ঘ) জহির রায়হান
উত্তর: ক) শওকত ওসমান
বিস্তারিত: ‘তোলপাড়’ শওকত ওসমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
প্রশ্ন ১৬০: ‘যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে’—তাকে কী বলে?
ক) অবিবেচক
খ) অপরিণামদর্শী
গ) নির্বোধ
ঘ) হঠকারী
উত্তর: খ) অপরিণামদর্শী
বিস্তারিত: যে ব্যক্তি কাজের পরিণাম বা ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে না, তাকে এক কথায় ‘অপরিণামদর্শী’ বলা হয়।
প্রশ্ন ১৬১: ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটি কার লেখা?
ক) আবদুল্লাহ আল মামুন
খ) মমতাজউদ্দীন আহমদ
গ) সেলিম আল দীন
ঘ) মামুনুর রশীদ
উত্তর: ক) আবদুল্লাহ আল মামুন
বিস্তারিত: ‘সুবচন নির্বাসনে’ আবদুল্লাহ আল মামুনের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক-রাজনৈতিক নাটক।
প্রশ্ন ১৬২: ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
ক) দীনবন্ধু মিত্র
খ) মীর মশাররফ হোসেন
গ) জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
উত্তর: খ) মীর মশাররফ হোসেন
বিস্তারিত: ‘জমিদার দর্পণ’ মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি নাটক। এতে তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার ও প্রজাদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রশ্ন ১৬৩: ‘মনীষা’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
ক) মন + ঈষা
খ) মনঃ + ঈষা
গ) মনস্ + ঈষা
ঘ) মনি + ঈষা
উত্তর: গ) মনস্ + ঈষা
বিস্তারিত: এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি উদাহরণ। নিয়ম অনুযায়ী ‘মনস্’ শব্দের ‘স্’ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বর ‘অ’ দীর্ঘ হয়। মনস্ + ঈষা = মনীষা।
প্রশ্ন ১৬৪: ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কার লেখা?
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ) অন্নদাশঙ্কর রায়
ঘ) আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর: ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
বিস্তারিত: ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনি। এটি ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
বিস্তারিত: ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
প্রশ্ন ১৬৬: ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কাব্যটির ইংরেজি অনুবাদ কে করেন?
ক) জসীমউদ্দীন নিজে
খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ) E. M. Milford
ঘ) W. B. Yeats
উত্তর: গ) E. M. Milford
বিস্তারিত: জসীমউদ্দীনের ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কাব্যটি E. M. Milford (ইউজেনি মিলফোর্ড) ‘The Field of the Embroidered Quilt’ নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।
প্রশ্ন ১৬৭: ‘চাঁদ’ কোন শ্রেণির শব্দ?
ক) তৎসম
খ) অর্ধ-তৎসম
গ) তদ্ভব
ঘ) দেশি
উত্তর: গ) তদ্ভব
বিস্তারিত: যে সব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তদ্ভব (তৎ + ভব = তা থেকে উৎপন্ন) শব্দ বলে। যেমন: চন্দ্র (সংস্কৃত) > চংদ (প্রাকৃত) > চাঁদ (বাংলা)।
প্রশ্ন ১৬৮: ‘মুক্তধারা’ নাটকটি কার লেখা?
ক) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
ঘ) ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ
উত্তর: খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিস্তারিত: ‘মুক্তধারা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। এতে যন্ত্রের উপর মানুষের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ১৬৯: ‘আষাঢ়ে গল্প’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক) দীর্ঘ গল্প
খ) প্রয়োজনীয় কথা
গ) আজগুবি বা গাঁজাখুরি গল্প
ঘ) বর্ষাকালের কাহিনি
উত্তর: গ) আজগুবি বা গাঁজাখুরি গল্প
বিস্তারিত: ‘আষাঢ়ে গল্প’ বাগধারাটি দ্বারা অবিশ্বাস্য বা কাল্পনিক কাহিনি বোঝানো হয়।
প্রশ্ন ১৭০: ‘ধনপতি সওদাগর’ কোন মঙ্গলকাব্যের চরিত্র?
ক) মনসামঙ্গল
খ) চণ্ডীমঙ্গল
গ) ধর্মমঙ্গল
ঘ) অন্নদামঙ্গল
উত্তর: খ) চণ্ডীমঙ্গল
বিস্তারিত: ধনপতি সওদাগর ও তার পুত্র শ্রীমন্ত সওদাগর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের আখেটিক খণ্ডের প্রধান চরিত্র। এই কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
প্রশ্ন ১৭১: ‘সারেং বৌ’ উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্রের নাম কী?
ক) জমিলা
খ) রহিমা
গ) নবিতুন
ঘ) আমেনা
উত্তর: গ) নবিতুন
বিস্তারিত: শহীদুল্লা কায়সারের ‘সারেং বৌ’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো নবিতুন, যে তার স্বামীর জন্য প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে একাই সংগ্রাম করে।
প্রশ্ন ১৭২: ‘আকাশে চাঁদ উঠেছে’—এখানে ‘আকাশে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক) কর্মে ৭মী
খ) করণে ৭মী
গ) অপাদানে ৭মী
ঘ) অধিকরণে ৭মী
উত্তর: ঘ) অধিকরণে ৭মী
বিস্তারিত: ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) ও আধারকে (স্থান) অধিকরণ কারক বলে। ‘কোথায়’ দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। এখানে ‘আকাশে’ একটি স্থান, তাই এটি ঐকদেশিক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি।
প্রশ্ন ১৭৩: ‘নবান্ন’ নাটকটি কোন পটভূমিতে রচিত?
ক) ভাষা আন্দোলন
খ) তেভাগা আন্দোলন
গ) পঞ্চাশের মন্বন্তর
ঘ) মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর: গ) পঞ্চাশের মন্বন্তর
বিস্তারিত: বিজন ভট্টাচার্যের ‘নবান্ন’ নাটকটি ১৯৪৩ সালের (বাংলা ১৩৫০) ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৭৪: ‘পাহাড়তলী’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক) দ্বন্দ্ব
খ) কর্মধারয়
গ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
ঘ) বহুব্রীহি
উত্তর: গ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
বিস্তারিত: পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর) লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। এর ব্যাসবাক্য হলো ‘পাহাড়ের তলী’।
প্রশ্ন ১৭৫: ‘পরশুরাম’ কার ছদ্মনাম?
ক) রাজশেখর বসু
খ) প্রমথ চৌধুরী
গ) সমরেশ বসু
ঘ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
উত্তর: ক) রাজশেখর বসু
বিস্তারিত: রাজশেখর বসু ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে অসংখ্য হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক গল্প লিখেছেন। ‘গড্ডলিকা’, ‘কজ্জলী’ তাঁর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
প্রশ্ন ১৭৬: ‘কান পাতলা’ কথাটির অর্থ কী?
ক) কানে কম শোনা
খ) গোপন কথা ফাঁস করা
গ) পরের কথা শোনা
ঘ) সহজেই পরের কথা বিশ্বাস করা
উত্তর: ঘ) সহজেই পরের কথা বিশ্বাস করা
বিস্তারিত: যে ব্যক্তি কোনো বিচার-বিবেচনা ছাড়াই সহজেই অন্যের কথা বিশ্বাস করে, তাকে ‘কান পাতলা’ বলা হয়।
প্রশ্ন ১৭৭: ‘সঞ্চয়িতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) জীবনানন্দ দাশ
গ) জসীমউদ্দীন
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিস্তারিত: ‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের নির্বাচিত কবিতার সংকলন। অন্যদিকে, ‘সঞ্চিতা’ হলো কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য সংকলন।
প্রশ্ন ১৭৮: ‘বিলাসী’ গল্পের লেখক কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বিস্তারিত: ‘বিলাসী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। এর প্রধান চরিত্র মৃত্যুঞ্জয় ও সাপুড়ের মেয়ে বিলাসী।
প্রশ্ন ১৭৯: ‘আহ্বান’ শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
ক) আহ্বান
খ) আওভান
গ) আওভান্
ঘ) আহবান
উত্তর: গ) আওভান্
বিস্তারিত: বাংলা একাডেমি প্রমিত উচ্চারণরীতি অনুযায়ী, ‘হ্ব’ (হ+ব) এর উচ্চারণ ‘ওভ’ এর মতো হয়। তাই ‘আহ্বান’ শব্দের উচ্চারণ হবে ‘আওভান্’।
বিস্তারিত: বাংলা ভাষাকে নিয়ে লেখা এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা হলেন অতুলপ্রসাদ সেন।
প্রশ্ন ১৯২: ‘হরিণ’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
ক) মৃগ
খ) সারং
গ) কুরঙ্গ
ঘ) মাতঙ্গ
উত্তর: ঘ) মাতঙ্গ
বিস্তারিত: মৃগ, সারং, কুরঙ্গ, এণ—এগুলো হরিণের সমার্থক শব্দ। ‘মাতঙ্গ’ শব্দের অর্থ হাতি।
প্রশ্ন ১৯৩: ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম কী?
ক) অপু
খ) সত্যচরণ
গ) শংকর
ঘ) নিতাই
উত্তর: খ) সত্যচরণ
বিস্তারিত: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ও কথক হলো সত্যচরণ।
প্রশ্ন ১৯৪: ‘অভিশপ্ত শাপলা’ কার লেখা?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) ফররুখ আহমদ
গ) শামসুর রাহমান
ঘ) বন্দে আলী মিয়া
উত্তর: গ) শামসুর রাহমান
বিস্তারিত: ‘অভিশপ্ত শাপলা’ কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
প্রশ্ন ১৯৫: ‘যা বলা হয়নি’—এক কথায় কী হবে?
ক) অব্যক্ত
খ) অনুক্ত
গ) অবোধ্য
ঘ) গোপন
উত্তর: খ) অনুক্ত
বিস্তারিত: যা বলা হয়নি, তাকে এক কথায় ‘অনুক্ত’ বলে। আর যা কথায় প্রকাশ করা যায় না, তা হলো ‘অব্যক্ত’।
প্রশ্ন ১৯৬: ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
ক) মানিক দত্ত
খ) দ্বিজ মাধব
গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ঘ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
উত্তর: গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
বিস্তারিত: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর উপাধি ছিল ‘কবিকঙ্কণ’।
প্রশ্ন ১৯৭: ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের পটভূমি কী?
ক) সিপাহী বিদ্রোহ
খ) সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ
গ) নীল বিদ্রোহ
ঘ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
উত্তর: খ) সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ
বিস্তারিত: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসটি ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিতে সংঘটিত সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ অবলম্বনে রচিত।
প্রশ্ন ১৯৮: ‘বিবর’ উপন্যাসটি কার লেখা?
ক) সমরেশ বসু
খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
ঘ) বুদ্ধদেব গুহ
উত্তর: ক) সমরেশ বসু
বিস্তারিত: ‘বিবর’ সমরেশ বসুর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা একসময় অশ্লীলতার অভিযোগে বিতর্কিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৯৯: ‘ঢাক’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
ক) দেশি
খ) তৎসম
গ) বিদেশি
ঘ) তদ্ভব
উত্তর: ক) দেশি
বিস্তারিত: বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: কোল, মুণ্ডা) ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে যে সব শব্দ বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। যেমন: কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডিঙি, ঢাক ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২০০: ‘লোনাবালি’ কোন ধরনের লেখা?
ক) উপন্যাস
খ) ছোটগল্প
গ) প্রবন্ধ
ঘ) ভ্রমণকাহিনি
উত্তর: ঘ) ভ্রমণকাহিনি
বিস্তারিত: ‘লোনাবালি’ সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনি।