উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) প্রেরক (Sender)
ব্যাখ্যা: যোগাযোগের প্রক্রিয়াটি শুরু হয় প্রেরকের মাধ্যমে, যিনি তথ্য, ধারণা বা বার্তা তৈরি করেন এবং তা অন্যের কাছে প্রেরণের উদ্যোগ নেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ৬-৮ মাস
ব্যাখ্যা: সাধারণত ৬ থেকে ৮ মাস বয়সে শিশুরা ব্যঞ্জনবর্ণ ও স্বরবর্ণের মিশ্রণে ‘দা-দা’, ‘বা-বা’ ইত্যাদি শব্দ করতে শুরু করে, যা বাবলিং নামে পরিচিত।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) অঙ্গভঙ্গি ও শারীরিক ভাষা (Body Language)
ব্যাখ্যা: কাইনেসিস হলো অ-মৌখিক (Non-verbal) যোগাযোগের একটি অংশ, যা শরীরের নড়াচড়া, মুখের অভিব্যক্তি এবং অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ভাষা অর্জন ডিভাইস (Language Acquisition Device – LAD)
ব্যাখ্যা: চমস্কির মতে, মানুষের মস্তিষ্কে জন্মগতভাবেই ভাষা শেখার একটি সহজাত ব্যবস্থা থাকে, যাকে তিনি LAD বা Language Acquisition Device বলেছেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) অমৌখিক এবং দৃশ্যমান যোগাযোগ (Visual Communication)
ব্যাখ্যা: পোস্টার, চার্ট বা ছবির মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করা হলো দৃশ্যমান বা ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ, যা নিরক্ষর বা স্বল্পশিক্ষিত মানুষের কাছে সহজে বার্তা পৌঁছাতে সাহায্য করে।
উত্তর eবং ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) যেকোনো উপাদান যা বার্তা প্রেরণে বাধা সৃষ্টি করে বা বিকৃত করে
ব্যাখ্যা: যোগাযোগের পরিভাষায় ‘Noise’ বলতে শুধু শব্দ দূষণ নয়, বরং মানসিক চাপ, পরিবেশগত সমস্যা, যান্ত্রিক ত্রুটি বা ভাষা না বোঝার মতো যেকোনো বাধাকে বোঝায়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ১০-১২ মাস
ব্যাখ্যা: অধিকাংশ শিশু তাদের প্রথম জন্মদিনের কাছাকাছি সময়ে (১০ থেকে ১২ মাস বয়সে) একটি বা দুটি নির্দিষ্ট অর্থপূর্ণ শব্দ বলতে শুরু করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: Interpersonal (আন্তঃব্যক্তিক) যোগাযোগ হলো দুই বা ততোধিক মানুষের মধ্যে তথ্য, অনুভূতি এবং ভাব বিনিময়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) ভাষা সংস্কৃতির আদান-প্রদান এবং মূল্যবোধ শিখতে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা: ভাষার মাধ্যমেই শিশুরা তার সমাজের রীতিনীতি, মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি রপ্ত করে, যা সামাজিকীকরণের মূল চাবিকাঠি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) এনকোডিং (Encoding)
ব্যাখ্যা: প্রেরক যখন তার মনে থাকা কোনো ধারণা বা তথ্যকে শব্দ, প্রতীক বা ইশারার মাধ্যমে প্রকাশযোগ্য বার্তায় রূপান্তর করেন, তাকে এনকোডিং বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) স্থানীয় ও সহজ সরল মাতৃভাষা
ব্যাখ্যা: গ্রামীণ স্তরে সরকারি স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বার্তা সফলভাবে পৌঁছে দিতে মায়েদের চেনা স্থানীয় ভাষা বা উপভাষা ব্যবহার করা সবচেয়ে কার্যকর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অহংকেন্দ্রিক ভাষা (Egocentric Speech)
ব্যাখ্যা: পিয়াঁজের মতে, ছোট শিশুরা মূলত নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই কথা বলে এবং অন্যদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে খুব একটা সচেতন থাকে না, একেই অহংকেন্দ্রিক ভাষা বলা হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) গ্রাহক বা প্রাপক (Receiver)
ব্যাখ্যা: প্রেরকের পাঠানো সংকেত বা বার্তাকে বুঝে নিজের মতো করে অর্থ উদ্ধার করার প্রক্রিয়াকে ডিকোডিং বলে, যা গ্রাহক বা রিসিভার করে থাকেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) ১০-৫০ টি শব্দ
ব্যাখ্যা: ১৮ মাস বা দেড় বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত ১০ থেকে ৫০টি একক শব্দ স্পষ্টভাবে বা আংশিক স্পষ্টভাবে বলতে পারে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অ-মৌখিক যোগাযোগে (Non-verbal)
ব্যাখ্যা: চোখের দৃষ্টি বা আই কন্টাক্ট অ-মৌখিক যোগাযোগের একটি অপরিহার্য অঙ্গ, যা মনোযোগ, সততা এবং আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) যোগাযোগের সময় শারীরিক দূরত্বের ব্যবহার
ব্যাখ্যা: যোগাযোগের সময় ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে শারীরিক বা ব্যক্তিগত দূরত্বের যে ব্যবহার ও গুরুত্ব থাকে, তাকে প্রক্সিমিক্স বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) সামাজিক মিথস্ক্রিয়া (Social Interaction)
ব্যাখ্যা: ভাইগোটস্কির সামাজিক-সাংস্কৃতিক তত্ত্বের মূল কথাই হলো, শিশুরা সমাজ ও বয়স্কদের সাথে মিথস্ক্রিয়া ও কথোপকথনের মাধ্যমে ভাষা শেখে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) যখন প্রাপক প্রতিক্রিয়া বা ফিডব্যাক দেন
ব্যাখ্যা: ফিডব্যাক বা প্রতিক্রিয়া প্রদানের মাধ্যমে প্রেরক নিশ্চিত হন যে বার্তাটি সঠিকভাবে পৌঁছায় এবং বোঝা গেছে। এর মাধ্যমেই যোগাযোগের বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ২-৪ মাস বয়সে
ব্যাখ্যা: সাধারণত ২ থেকে ৪ মাস বয়সে শিশুরা কু-কু বা আরামদায়ক মৃদু স্বরধ্বনি তৈরি করতে শুরু করে, একে ক্রোয়িং বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) বেতার বা রেডিওতে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার
ব্যাখ্যা: কোনো যান্ত্রিক মাধ্যমের সাহায্যে একসাথে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়াকে গণযোগাযোগ বা Mass Communication বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) (খ) এবং (গ) উভয়ই সঠিক
ব্যাখ্যা: ভাষা হলো ভাব আদান-প্রদানের প্রধান শক্তিশালী হাতিয়ার এবং সামাজিক যোগাযোগের তাগিদেই ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মৃদু হাসি এবং মনোযোগ সহকারে মাথা নাড়ানো
ব্যাখ্যা: আন্তরিক অঙ্গভঙ্গি, মৃদু হাসি এবং শ্রোতার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার মনোভাব গ্রহীতাকে আশ্বস্ত করে এবং সুসম্পর্ক (Rapport) গড়ে তোলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) কণ্ঠস্বরের তীব্রতা, গতি এবং টোন
ব্যাখ্যা: আমরা কী বলছি তার চেয়ে “কীভাবে বলছি” অর্থাৎ গলার স্বরের ওঠানামা, গতি ও তীব্রতাকে প্যারাল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়, যা বার্তার অর্থ বদলে দিতে পারে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ১৮-২৪ মাস (দেড় থেকে দুই বছর)
ব্যাখ্যা: এই বয়সে শিশুরা ব্যাকরণগত সাহায্যকারী শব্দ বাদ দিয়ে শুধু প্রয়োজনীয় দুটি শব্দ পাশাপাশি বসিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে (যেমন: “দুধ দাও”, “মা যাব”)। একে টেলিগ্রাফিক স্পিচ বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) শ্রবণ (Listening) একটি সচেতন ও সক্রিয় প্রক্রিয়া, শোনা (Hearing) একটি নিষ্ক্রিয় শারীরিক প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা: কান সচল থাকলে যেকোনো আওয়াজ আমাদের কানে আসাকে শোনা (Hearing) বলে। কিন্তু মনোযোগ সহকারে সেই আওয়াজের অর্থ অনুধাবন করাকে শ্রবণ (Listening) বলা হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) দ্বিমুখী যোগাযোগ (Two-way)
ব্যাখ্যা: ফিডব্যাক থাকলে যোগাযোগটি দ্বিমুখী হয়ে ওঠে, যেখানে প্রেরক ও প্রাপক উভয়ের মধ্যেই বার্তার আদান-প্রদান ঘটে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটিই
ব্যাখ্যা: কানের সমস্যা, শিশুর সাথে কথা না বলা এবং অপুষ্টিজনিত কারণে মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হলে শিশুর কথা বলা শিখতে দেরি হতে পারে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মুখোমুখি ছোট গোষ্ঠী আলোচনা (Group Discussion)
ব্যাখ্যা: মুখোমুখি ছোট দলের আলোচনায় মায়েরা তাদের নিজস্ব প্রশ্ন বা সমস্যা সরাসরি জানাতে পারেন এবং কর্মীও তাৎক্ষণিক উত্তর দিতে পারেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) বাক্য গঠনের ব্যাকরণগত নিয়ম
ব্যাখ্যা: সিনট্যাক্স হলো ভাষার এমন নিয়ম যা নির্ধারণ করে কীভাবে শব্দ সাজিয়ে একটি সঠিক ও অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করা যায়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) স্পর্শের মাধ্যমে যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: স্পর্শ বা টাচ-এর মাধ্যমে যে যোগাযোগ তৈরি হয় তাকে হ্যাপটিক্স বলে। যেমন- স্নেহভরে শিশুর মাথায় হাত বোলানো বা মায়েদের হাত স্পর্শ করে সান্ত্বনা দেওয়া।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ভিন্ন সংস্কৃতির কারণে পোশাক বা রীতিনীতির অর্থ ভিন্নভাবে গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা: এক সংস্কৃতির অঙ্গভঙ্গি বা কথা অন্য সংস্কৃতিতে ভিন্ন বা আপত্তিকর মনে হতে পারে, যা যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মরফিমি (Morpheme)
ব্যাখ্যা: মরফিমি (Morpheme) হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ যা নিজস্ব অর্থ বহন করে (যেমন: শব্দের বিভক্তি বা মূল শব্দ)। অন্য দিকে ‘ফোনমি’ হলো ক্ষুদ্রতম ধ্বনিগত একক।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) এটি শিশুর শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি এবং ধ্বনিগত সচেতনতা তৈরি করে
ব্যাখ্যা: ছড়ার ছন্দ ও তাল শিশুদের উচ্চারণের জড়তা দূর করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং আনন্দের সাথে নতুন শব্দ শিখতে সাহায্য করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) একমুখী যোগাযোগ যেখানে কোনো তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া থাকে না
ব্যাখ্যা: লিনিয়ার মডেলে প্রেরক বার্তা পাঠান এবং গ্রাহক তা গ্রহণ করেন। এখানে কোনো ফিডব্যাক লুপ বা তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ থাকে না (যেমন- রেডিও বা টিভি সম্প্রচার)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) বক্তার প্রতি মনোযোগ দেওয়া, প্রতিক্রিয়া জানানো এবং মূল কথা অনুধাবন করা
ব্যাখ্যা: সক্রিয় শ্রবণে শ্রোতা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে বক্তার কথা শোনেন, বুঝতে চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনে প্রশ্ন বা ইতিবাচক ইশারায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) শিশুর মাতৃভাষা বা স্থানীয় ভাষা
ব্যাখ্যা: প্রাথমিক স্তরে এবং প্রাক-স্কুল বয়সে শিশুরা নিজের মাতৃভাষার মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে এবং স্বাভাবিকভাবে জ্ঞান ও ধারণা অর্জন করতে পারে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) শব্দ ও বাক্যের অর্থ বা অর্থবহতা
ব্যাখ্যা: সেম্যান্টিক্স হলো ভাষা বিজ্ঞানের একটি শাখা যা শব্দ, বাক্যাংশ এবং বাক্যের প্রকৃত অর্থ বিশ্লেষণ করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) প্রাপকের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফিডব্যাক (Feedback) বিশ্লেষণ করা
ব্যাখ্যা: প্রাপক বার্তাটি শুনে কীরূপ সাড়া দিচ্ছেন বা কাজ করছেন, তা দেখেই বোঝা যায় যোগাযোগটি সফল হয়েছে কি না।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) দূরত্ব ও পরিবেশগত গোলযোগ বা শব্দ
ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক দূরত্ব, যাতায়াতের অসুবিধা, বা ঘরের মধ্যে জোরালো শব্দ—এগুলি হলো যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভৌত বা শারীরিক বাধা।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) তারা ছোট ছোট সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে অনর্গল কথা বলতে পারে এবং অনবরত প্রশ্ন করে
ব্যাখ্যা: ৩ থেকে ৪ বছর বয়সে শিশুদের কৌতূহল বাড়ে এবং তারা “কেন”, “কীভাবে” ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে অনবরত প্রশ্ন করতে ভালোবাসে ও ছোট বাক্য গঠন করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মায়েদের আবেগ ও উদ্বেগ বুঝতে এবং তাঁদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করতে
ব্যাখ্যা: সহানুভূতিশীল শ্রবণ বা এম্প্যাথিক লিসেনিংয়ের মাধ্যমে একজন কর্মী মায়েদের মনের ভয় ও দ্বিধা বুঝতে পারেন, ফলে মায়েরা কর্মীকে বিশ্বাস করতে শুরু করেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) সময়ের ব্যবহার ও মূল্য
ব্যাখ্যা: যোগাযোগের ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবহার (যেমন- সভায় সময়মতো উপস্থিত হওয়া বা উত্তরের জন্য অপেক্ষা করার সময়) ক্রোনেমিক্স নামে পরিচিত।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) প্রতীকী চিন্তা ও ভাষার দ্রুত বিকাশ (Symbolic Thought)
ব্যাখ্যা: ২ থেকে ৭ বছর বয়সে (প্রাক-সংক্রিয়তার স্তর) শিশুরা প্রতীকীভাবে চিন্তা করতে শেখে এবং অত্যন্ত দ্রুত নতুন নতুন শব্দ ও বাক্য আয়ত্ত করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) যার সাহায্যে বার্তাটি প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়
ব্যাখ্যা: চ্যানেল হলো যোগাযোগের পথ বা বাহন (যেমন- বাতাস, টেলিফোন লাইন, কাগজ, ইন্টারনেট ইত্যাদি) যার মাধ্যমে বার্তা প্রবাহিত হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটিই
ব্যাখ্যা: ভাষার কাজ বহুমুখী। এটি একাধারে তথ্য আদান-প্রদান করে, চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানুষের সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) এর মাধ্যমে শিশু নিজের চিন্তাভাবনা এবং আচরণকে নিয়ন্ত্রণ ও গাইড করে
ব্যাখ্যা: ভাইগোটস্কির মতে, শিশুরা যখন নিজেদের সাথে জোরে জোরে কথা বলে (Private Speech), তখন তারা মূলত নিজেদের কাজ পরিকল্পনা বা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য নেয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) কঠিন বা অস্পষ্ট শব্দ ব্যবহারের কারণে যদি অর্থের ভুল ব্যাখ্যা হয়
ব্যাখ্যা: যখন বক্তা এমন কোনো শব্দ বা পরিভাষা ব্যবহার করেন যার অর্থ শ্রোতার কাছে স্পষ্ট নয়, তখন ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। একে সেম্যান্টিক বাধা বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) কান্না (Crying)
ব্যাখ্যা: জন্মের ঠিক পর থেকেই কান্নার মাধ্যমে শিশু তার ক্ষুধা, শারীরিক কষ্ট বা অস্বস্তির কথা মায়ের কাছে প্রকাশ করে। এটিই শিশুর প্রথম ভাব প্রকাশের মাধ্যম।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) প্রোটোওয়ার্ডস (Protowords)
ব্যাখ্যা: প্রকৃত শব্দের অনুকরণে শিশু যখন নিজের মতো করে কোনো নির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝাতে একটি নির্দিষ্ট আওয়াজ ব্যবহার করে (যেমন জল-কে ‘মম’), তাকে প্রোটোওয়ার্ডস বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) দলগত বা গোষ্ঠী যোগাযোগ (Group Communication)
ব্যাখ্যা: যখন নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য বা বার্তা নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ও মাঝারি আকারের গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিনিময় করা হয়, তাকে গোষ্ঠী বা গ্রুপ কমিউনিকেশন বলা হয়।