ICDS 2026 – Bengali Language MCQ (Set 10)
১. ‘দেশি > দিশি’—এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন নিয়মের উদাহরণ?
  • (ক) স্বরভক্তি
  • (খ) স্বরসংগতি
  • (গ) অপিনিহিতি
  • (ঘ) সমীভবন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) স্বরসংগতি

ব্যাখ্যা: শব্দের অন্তর্গত একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির সংগতি বা পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসংগতি বলে। এখানে ‘দেশি’-র উচ্চারের শেষ ‘ই’-কারের প্রভাবে পূর্ববর্তী ‘এ’-কার পরিবর্তিত হয়ে ‘ই’ হয়েছে (দিশি)।

২. ‘শাক > শাগ’—এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রূপান্তরকে নির্দেশ করে?
  • (ক) অঘোষীভবন
  • (খ) ঘোষীভবন
  • (গ) মহাপ্রাণীভবন
  • (ঘ) নাসিক্যভবন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ঘোষীভবন

ব্যাখ্যা: শব্দের শেষে বা মধ্যে অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন ‘ক’) যদি ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনিতে (যেমন ‘গ’) রূপান্তরিত হয়, তাকে ঘোষীভবন বলে। যেমন: শাক > শাগ, কাক > কাগ।

৩. ‘বৃহস্পতি’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) বৃহৎ + পতি
  • (খ) বৃহ + পতি
  • (গ) বৃহঃ + পতি
  • (ঘ) বৃহস্ + পতি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) বৃহৎ + পতি

ব্যাখ্যা: এটি কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না। যে ব্যঞ্জন সন্ধি কোনো নিয়ম ছাড়াই গঠিত হয়, তাকে ‘নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি’ বলে। যেমন: বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, বন + পতি = বনস্পতি, তৎ + কর = তস্কর।

৪. ‘উন্নতি’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) উন্ + নতি
  • (খ) উৎ + নতি
  • (গ) উদ্ + নতি
  • (ঘ) উন + নতি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) উৎ + নতি

ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত-বর্গের বর্ণের (ত, দ) পর যদি নাসিক্য ব্যঞ্জন ‘ন’ থাকে, তবে ত/দ স্থানে সেই বর্গের নাসিক্য বর্ণ ‘ন’ হয় এবং দুটি ‘ন’ মিলে ‘ন্ন’ গঠিত হয়। যেমন: উৎ + নতি = উন্নতি, উৎ + নাম = উন্নাম।

৫. ‘অহরহ’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) অহ + রহ
  • (খ) অহঃ + অহ
  • (গ) অহঃ + রঃ
  • (ঘ) অহন্ + অহ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অহঃ + অহ

ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর অ-কার থাকলে র-জাত বিসর্গের স্থানে ‘র’ বা রেফ হয় এবং তা পরবর্তী স্বরের সাথে যুক্ত হয়। যেমন: অহঃ + অহ = অহরহ, পুনঃ + অপি = পুনরপি।

৬. ‘দুশ্চিন্তা’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) দুশ + চিন্তা
  • (খ) দুঃ + চিন্তা
  • (গ) দুর্ + চিন্তা
  • (ঘ) দুস্ + চিন্তা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) দুঃ + চিন্তা

ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে তালব্য ‘শ’ (শ্চ) হয়। যেমন: দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা, নিঃ + চয় = নিশ্চয়।

৭. ‘উপকূল’ শব্দটির ব্যাসবাক্য ও সমাস কোনটি?
  • (ক) কূলের সমীপে = অব্যয়ীভাব সমাস
  • (খ) কূলের সদৃশ = কর্মধারয় সমাস
  • (গ) কূলের অভাব = তৎপুরুষ সমাস
  • (ঘ) কূল এবং কূল = দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) কূলের সমীপে = অব্যয়ীভাব সমাস

ব্যাখ্যা: পূর্বপদে অব্যয় পদ বসে যদি সমীপ বা নিকটবর্তী অর্থ প্রকাশ করে এবং অব্যয়ের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। ‘কূলের সমীপে (কাছে) = উপকূল’। অনুরূপ: অক্ষির সমীপে = সমক্ষ।

৮. ‘পীতাম্বর’ শব্দটির ব্যাসবাক্য ও সঠিক সমাস কোনটি?
  • (ক) পীত যে অম্বর = কর্মধারয় সমাস
  • (খ) পীত অম্বর যার = বহুব্রীহি সমাস
  • (গ) পীতের অম্বর = তৎপুরুষ সমাস
  • (ঘ) পীত ও অম্বর = দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) পীত অম্বর যার = বহুব্রীহি সমাস

ব্যাখ্যা: পীত (হলুদ) অম্বর (বস্ত্র) যার—তিনি হলেন শ্রীকৃষ্ণ বা বিষ্ণু। পূর্বপদ ও উত্তরপদের অর্থকে না বুঝিয়ে শ্রীকৃষ্ণকে নির্দেশ করায় এটি একটি বহুব্রীহি সমাস। আর যদি বলা হতো ‘পীত যে অম্বর = পীতাম্বর’ (হলুদ কাপড়), তখন সেটি কর্মধারয় সমাস হতো।

৯. ‘স্মৃতিসৌধ’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
  • (ক) স্মৃতি ও সৌধ
  • (খ) স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ
  • (গ) স্মৃতির সৌধ
  • (ঘ) স্মৃতিময় যে সৌধ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ

ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী ব্যাখ্যামূলক পদ ‘রক্ষার্থে’ লোপ পেয়ে ‘স্মৃতিসৌধ’ গঠিত হয়েছে।

১০. ‘অনুরূপ’ শব্দটি কোন সমাসের অন্তর্গত?
  • (ক) অব্যয়ীভাব সমাস
  • (খ) কর্মধারয় সমাস
  • (গ) তৎপুরুষ সমাস
  • (ঘ) বহুব্রীহি সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব সমাস

ব্যাখ্যা: ‘উপকূল’ বা ‘অনুরূপ’ অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। ‘অনুরূপ’-এর ব্যাসবাক্য হলো ‘রূপের যোগ্য’। এখানে যোগ্যতা অর্থে ‘অনু’ উপসর্গ বা অব্যয়টি বসেছে।

১১. ‘তিলে তৈল আছে’—এখানে ‘তিলে’ কোন প্রকার অধিকরণ কারক?
  • (ক) কালাধিকরণ
  • (খ) আধারাদিকরণ
  • (গ) বিষয়াধিকরণ
  • (ঘ) ভাবাধিকরণ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) আধারাদিকরণ

ব্যাখ্যা: যে আধার বা স্থানে কোনো কিছু অবস্থান করে, তাকে আধারাদিকরণ বলে। তৈল তিলের সর্বত্র আধার বা স্থান জুড়ে রয়েছে, তাই এটি আধারাদিকরণ বা অভিব্যপ্ত আধারাদিকরণ অধিকরণ কারক।

১২. ‘পরাজয়ে ডরে না বীর’—এখানে ‘পরাজয়ে’ কোন কারকের উদাহরণ?
  • (ক) কর্ম কারক
  • (খ) অপাদান কারক
  • (গ) অধিকরণ কারক
  • (ঘ) করণ কারক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অপাদান কারক

ব্যাখ্যা: যা থেকে কোনো ভীতি, বিরত হওয়া বা উৎপন্ন হওয়া বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে। বীর পরাজয়কে ভয় পায় না, অর্থাৎ পরাজয় থেকে তার ভীতি জন্মায় না। তাই এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি।

১৩. ‘বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খায়’—এখানে ‘বাঘে মহিষে’ কোন প্রকার কর্তা?
  • (ক) প্রযোজক কর্তা
  • (খ) ব্যতিহার কর্তা
  • (গ) সমধাতুজ কর্তা
  • (ঘ) আলঙ্কারিক কর্তা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ব্যতিহার কর্তা

ব্যাখ্যা: কোনো বাক্যে দুটি কর্তা যখন একত্রে একটি পারস্পরিক কাজ বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা বোঝায়, তাকে ব্যতিহার কর্তা বলে। এখানে বাঘ ও মহিষ এক ঘাটে জল খাওয়ার পারস্পরিক কাজ সম্পন্ন করছে। অনুরূপ: রাজায় রাজায় যুদ্ধ।

১৪. ‘তিনি হেলায় সুযোগ হারালেন’—এখানে ‘হেলায়’ কোন কারক?
  • (ক) অপাদান কারক
  • (খ) করণ কারক
  • (গ) অধিকরণ কারক
  • (ঘ) কর্ম কারক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) করণ কারক

ব্যাখ্যা: হেলা বা অবহেলা হলো সুযোগ হারানোর উপায় বা মাধ্যম। অবহেলার দ্বারা সুযোগ নষ্ট হয়েছে, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী (য়-বিভক্তি) বিভক্তি।

১৫. ‘দর্শন’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  • (ক) দর্শ + অন
  • (খ) দৃশ + অনট (অন)
  • (গ) দৃশ্ + ক্তি
  • (ঘ) দর্শ + অনট
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) দৃশ + অনট (অন)

ব্যাখ্যা: ‘দৃশ্’ (দেখা) হলো সংস্কৃত মূল ধাতু। এর সাথে ‘অনট’ (যার অবশিষ্টাংশ থাকে ‘অন’) কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘দর্শন’ গঠিত হয়েছে।

১৬. ‘জেঠামি’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  • (ক) জেঠা + আমি (তদ্ধিত প্রত্যয়)
  • (খ) জেঠ + আমি
  • (গ) জেঠা + মি
  • (ঘ) জেঠা + অনট
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) জেঠা + আমি (তদ্ধিত প্রত্যয়)

ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ ‘জেঠা’ শব্দের সাথে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় ‘আমি’ যুক্ত হয়ে ভাববাচক শব্দ ‘জেঠামি’ গঠিত হয়েছে (উচ্চারণে ‘জেঠামো’ও হয়ে থাকে)।

১৭. ‘ঢাকাই’ শব্দটির সঠিক তদ্ধিত প্রত্যয় নির্ণয় কোনটি?
  • (ক) ঢাকা + আই
  • (খ) ঢাক + আই
  • (গ) ঢাকা + ই
  • (ঘ) ঢাকাই + আ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) ঢাকা + আই

ব্যাখ্যা: ‘ঢাকা’ নামপদের সাথে বাংলা প্রত্যয় ‘আই’ যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ ‘ঢাকাই’ (যেমন- ঢাকাই জামদানি) গঠিত হয়েছে। এটি স্থানের সাথে সম্পর্কিত একটি তদ্ধিত শব্দ।

১৮. ‘শরৎ’ শব্দটির সঠিক বিশেষণ পদ কোনটি?
  • (ক) শারদ
  • (খ) শারদীয়
  • (গ) শরৎকালীন
  • (ঘ) উপরের সবকটিই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটিই

ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ ‘শরৎ’-এর বিশেষণ রূপ একাধিক হতে পারে। সংস্কৃত মতে আদি স্বরের বৃদ্ধি হয়ে ‘শারদ’ বা ‘শারদীয়’ (যেমন- শারদীয় শুভেচ্ছা) হয়, এবং চলিত বাংলায় ‘শরৎকালীন’-ও বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

১৯. ‘দক্ষিণ’ শব্দটির বিশেষ্য রূপ কোনটি?
  • (ক) দাক্ষিণাত্য
  • (খ) দক্ষিণা
  • (গ) দক্ষিণত্ব
  • (ঘ) দক্ষিণায়ন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) দাক্ষিণাত্য

ব্যাখ্যা: ‘দক্ষিণ’ দিকবাচক পদের বিশেষ্য রূপ হলো ‘দাক্ষিণাত্য’ (দক্ষিণ অঞ্চলের ভূখণ্ড বা সংস্কৃতি)। ‘দক্ষিণা’ শব্দের অর্থ ব্রাহ্মণকে দেওয়া দান।

২০. ‘কৃপণ’ শব্দটির সঠিক বিশেষ্য পদ কোনটি?
  • (ক) কার্পণ্য
  • (খ) কৃপণতা
  • (গ) (ক) এবং (খ) উভয়ই
  • (ঘ) কৃপণী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয়ই

ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদ ‘কৃপণ’-এর বিশেষ্য রূপ দুইভাবে গঠিত হতে পারে: তদ্ধিত প্রত্যয় ‘তা’ যুক্ত করে ‘কৃপণতা’ অথবা ‘য’ প্রত্যয় যুক্ত করে আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটিয়ে ‘কার্পণ্য’। দুটি রূপই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।

২১. ‘পক্ষী’ শব্দটির সঠিক বহুবচন রূপ কোনটি?
  • (ক) পক্ষীগণ
  • (খ) পক্ষীকুল
  • (গ) পক্ষীসমূহ
  • (ঘ) পক্ষীসব
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) পক্ষীকুল

ব্যাখ্যা: সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী, পশু বা পাখি জাতীয় প্রাণীর বহুবচন বোঝাতে সমষ্টিবাচক শব্দ হিসেবে ‘কুল’ বা ‘কূল’ ব্যবহার করা ব্যাকরণসম্মত। তাই পক্ষী + কুল = পক্ষীকুল।

২২. ‘ননদ’ শব্দটির সঠিক পুংলিঙ্গ রূপ কোনটি?
  • (ক) ননদা
  • (খ) নন্দাই
  • (গ) দেবর
  • (ঘ) ভাই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) নন্দাই

ব্যাখ্যা: এটি লিঙ্গান্তরের একটি বিশেষ নিয়ম। ননদ (স্বামীর বোন)-এর স্বামী হলেন ‘নন্দাই’ (পুংলিঙ্গ)। অন্য দিকে ‘দেবর’ হলো স্বামীর ছোট ভাই।

২৩. ‘উনপাঁজুরে’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কী?
  • (ক) অত্যন্ত দুর্বল বা হতভাগ্য
  • (খ) পাঁচ বছর বয়সের শিশু
  • (গ) খুব শক্তিশালী লোক
  • (ঘ) অলস প্রকৃতির মানুষ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অত্যন্ত দুর্বল বা হতভাগ্য

ব্যাখ্যা: পঞ্জরাস্থি বা পাঁজরের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হওয়া শারীরিক দুর্বলতা বা মন্দভাগ্যের প্রতীক। তাই অপদার্থ, হতভাগ্য বা অতি দুর্বল মানুষকে ‘উনপাঁজুরে’ বলা হয়।

২৪. ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  • (ক) তীব্র আগুন
  • (খ) চির অশান্তি
  • (গ) গভীর শোক
  • (ঘ) চির সত্য
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) চির অশান্তি

ব্যাখ্যা: পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী রাবণের চিতার আগুন কখনো নেভে না। এই রূপক থেকে যে দুঃখ বা পারিবারিক গোলমাল মনের ভেতর অনবরত জ্বলতে থাকে এবং কখনো শেষ হয় না, তাকে ‘রাবণের চিতা’ বলা হয়।

২৫. ‘কূপমণ্ডূক’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কী?
  • (ক) কুয়োর ব্যাং বা অত্যন্ত সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি
  • (খ) পুকুরের মাছ
  • (গ) বোকা প্রকৃতির মানুষ
  • (ঘ) অহংকারী লোক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) কুয়োর ব্যাং বা অত্যন্ত সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি

ব্যাখ্যা: কুয়োর ব্যাং (মণ্ডূক) যেমন মনে করে তার কুয়োটিই পৃথিবীর একমাত্র জলাশয় এবং বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকে, তেমনি ঘরের কোণে থাকা সংকীর্ণ চেতনার মানুষকে ‘কূপমণ্ডূক’ বলা হয়।

২৬. ‘উত্তম-মধ্যম’ বাগধারাটির অর্থ কী?
  • (ক) খুব ভালো ও মাঝারি গুণমান
  • (খ) প্রহার বা মারধর
  • (গ) বড় ও মেঝ ভাই
  • (ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) প্রহার বা মারধর

ব্যাখ্যা: কাউকে খুব মারধর করা বা উত্তম সাজা দেওয়াকে চলিত বাংলায় বা বাগধারায় ‘উত্তম-মধ্যম দেওয়া’ বলা হয়।

২৭. ‘যার কোনো কিছুতেই ভয় নেই’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) নির্ভীক
  • (খ) অকুতোভয়
  • (গ) সাহসী
  • (ঘ) অপরাজিত
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অকুতোভয়

ব্যাখ্যা: ‘যার কোনো ভয় নেই’ সে হলো ‘নির্ভীক’। কিন্তু ‘যার কোনো দিক থেকেই বা কোনো কিছুতেই ভয় বা ভীতি জন্মায় না’, তাকে এককথায় বলে ‘অকুতোভয়’।

২৮. ‘যে ভূমিতে কোনো ফসল জন্মায় না’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) মরুভূমি
  • (খ) ঊষর বা বন্ধ্যা
  • (গ) অনুর্বর
  • (ঘ) পতিত জমি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ঊষর বা বন্ধ্যা

ব্যাখ্যা: যে জমি চাষের অযোগ্য বা যেখানে কোনো ঘাস বা ফসল জন্মায় না, তাকে এককথায় ‘ঊষর’ বা ‘বন্ধ্যা’ বলা হয়।

২৯. ‘অনুসন্ধান করার ইচ্ছা’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) অনুসন্ধানকারী
  • (খ) অনুসন্ধিৎসা
  • (গ) অনুসন্ধিৎসু
  • (ঘ) জিজ্ঞাসা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অনুসন্ধিৎসা

ব্যাখ্যা: কোনো কিছু খোঁজার বা অনুসন্ধান করার প্রবল ইচ্ছাকে এককথায় ‘অনুসন্ধিৎসা’ বলা হয়। আর ‘যে ব্যক্তি অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক’, তাকে বলে ‘অনুসন্ধিৎসু’।

৩০. ‘যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) বিধবা
  • (খ) অবিরা
  • (গ) অনূঢ়া
  • (ঘ) অসহায়া
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অবিরা

ব্যাখ্যা: যে নারীর স্বামী নেই সে হলো ‘বিধবা’। কিন্তু যার স্বামী ও পুত্র (সন্তান) উভয়ের কেউই জীবিত নেই, তাকে এককথায় ‘অবিরা’ বলা হয়। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এককথায় প্রকাশ।

৩১. ‘দারোগা’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  • (ক) তুর্কি
  • (খ) ফারসি
  • (গ) পর্তুগিজ
  • (ঘ) ওলন্দাজ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) তুর্কি

ব্যাখ্যা: দারোগা, বেগম, বাহাদুর, কোর্তা, কাঁচি, কুলি এগুলি সবই তুর্কি মূলের শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত।

৩২. ‘তহশিল’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) আরবি
  • (খ) ফারসি
  • (গ) তুর্কি
  • (ঘ) হিন্দি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) আরবি

ব্যাখ্যা: খাজনা আদায় বা রাজস্ব সংক্রান্ত শব্দ ‘তহশিল’ একটি আরবি শব্দ (তহশিলদার)। অনুরূপ: খাজনা, দাখিলা এগুলি প্রশাসনিক আরবি শব্দ।

৩৩. ‘ফিতে’ এবং ‘কেরানি’ কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) পর্তুগিজ
  • (খ) ফরাসি
  • (গ) ওলন্দাজ
  • (ঘ) ফারসি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) পর্তুগিজ

ব্যাখ্যা: ফিতে, কেরানি, আলমারি, চাবি, বোতল, বালতি এগুলি সবই পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় স্থায়ী স্থান পেয়েছে।

৩৪. ‘তুফান’ কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) চীনা
  • (খ) ফারসি
  • (গ) জাপানি
  • (ঘ) আরবি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) চীনা

ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক ঝড় ‘তুফান’ একটি চীনা শব্দ (Typhoon থেকে উদ্ভূত)। চীনা অন্যান্য শব্দ হলো চা, চিনি, লিচু ইত্যাদি। (অনেক মতে এটি আরবি উৎস থেকেও হতে পারে, তবে ব্যাকরণে সাধারণত চীনা শব্দ হিসেবেই গণ্য)।

৩৫. নিচের কোনটি ‘নদী’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
  • (ক) স্রোতস্বতী
  • (খ) তরঙ্গিনী
  • (গ) তটিনী
  • (ঘ) জলধি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) জলধি

ব্যাখ্যা: ‘জলধি’ শব্দের অর্থ হলো সাগর বা সমুদ্র (যিনি জলকে ধারণ করেন)। স্রোতস্বতী, তরঙ্গিনী, তটিনী, শৈবলিনী এগুলি সবই নদী শব্দের সমার্থক।

৩৬. ‘রত্নাকর’ নিচের কোন শব্দটির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) রত্ন খনি
  • (খ) সমুদ্র
  • (গ) নদী
  • (ঘ) পাহাড়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) সমুদ্র

ব্যাখ্যা: সমুদ্রকে রত্নের খনি বা আধার বলা হয়, তাই এর নাম ‘রত্নাকর’। সমুদ্রের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো অর্ণব, পারাবার, জলধি, বারীশ, সিন্ধু।

৩৭. ‘খগ’ নিচের কোনটির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) পাখি
  • (খ) হাতি
  • (গ) আকাশ
  • (ঘ) তীর
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) পাখি

ব্যাখ্যা: ‘খ’ মানে আকাশ এবং ‘গ’ মানে যে গমন করে। অর্থাৎ আকাশে যে উড়ে বেড়ায় বা গমন করে তাকে ‘খগ’ বলা হয় (পাখি)। পাখির অন্যান্য সমার্থক শব্দ: বিহগ, পক্ষী, বিহঙ্গম, শকুন্ত।

৩৮. ‘ব্যোম’ নিচের কোনটির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) পাহাড়
  • (খ) নদী
  • (গ) আকাশ
  • (ঘ) বাতাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) আকাশ

ব্যাখ্যা: ‘ব্যোম’ শব্দের অর্থ হলো আকাশ। আকাশের অন্যান্য সমার্থক শব্দ: গগন, অম্বর, অন্তরীক্ষ, নভঃ।

৩৯. ‘প্রাচীন’ শব্দটির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) অর্বাচীন
  • (খ) পুরাতন
  • (গ) আধুনিক
  • (ঘ) নতুন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অর্বাচীন

ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরাতন বা পূর্বকালীন। এর সঠিক সংস্কৃত ব্যাকরণসম্মত বিপরীতার্থক শব্দ হলো অর্বাচীন (অর্থ আধুনিক বা সাম্প্রতিক)। চলিত বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘নব্য’ বা ‘আধুনিক’ও হতে পারে।

৪০. ‘অনুগ্রহ’ শব্দটির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) দয়া
  • (খ) নিগ্রহ
  • (গ) অবহেলা
  • (ঘ) শাসন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) নিগ্রহ

ব্যাখ্যা: অনুগ্রহ শব্দের অর্থ দয়া বা কৃপা করা। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো নিগ্রহ (যার অর্থ পীড়ন, শাস্তি বা কষ্ট দেওয়া)।

৪১. ‘আকর্ষণ’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) অনাভিমুখ
  • (খ) বিকর্ষণ
  • (গ) আকর্ষণীয়
  • (ঘ) সুষুপ্তি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বিকর্ষণ

ব্যাখ্যা: নিজের দিকে টেনে নেওয়াকে আকর্ষণ বলে। এর বিপরীত শব্দ বিকর্ষণ (দূরে ঠেলে দেওয়া)।

৪২. ‘অসীম’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) সসীম
  • (খ) ক্ষুদ্র
  • (গ) সীমিত
  • (ঘ) অল্প
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) সসীম

ব্যাখ্যা: যার কোনো সীমা নেই তা অসীম। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ সসীম (সীমানা যুক্ত)।

৪৩. ‘উত্তেজিত’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) শান্ত বা প্রশমিত
  • (খ) রাগী
  • (গ) অনুত্তেজিত
  • (ঘ) নরম
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) শান্ত বা প্রশমিত

ব্যাখ্যা: উত্তেজিত শব্দের অর্থ ক্ষিপ্ত বা চঞ্চল। এর সঠিক বিপরীত শব্দ শান্ত বা প্রশমিত।

৪৪. ‘অপরাহ্ণ’ শব্দটির সঠিক ও ব্যাকরণসম্মত বানান কোনটি?
  • (ক) অপরাহ্ন (হ-এর পাশে ন)
  • (খ) অপরাহ্ণ (হ-এর নিচে ণ)
  • (গ) অপরাহ্ণ (হ-এর পাশে ণ)
  • (ঘ) অপরাহন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অপরাহ্ণ (হ-এর নিচে ণ)

ব্যাখ্যা: নত্ব-বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ‘ঋ, র, ষ’-এর পর স্বরধ্বনি, ক-বর্গ, প-বর্গ থাকলে দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। ‘অপরাহ্ণ’ শব্দের পূর্বে ‘র’ আছে, তাই এটি মূর্ধন্য ‘ণ’ (হ-এর নিচে)।

৪৫. ‘মধ্যাহ্ন’ শব্দটির সঠিক বানান কোনটি?
  • (ক) মধ্যাহ্ন (হ-এর পাশে ন)
  • (খ) মধ্যাহ্ণ (হ-এর নিচে ণ)
  • (গ) মধ্যাহ্ন (হ-এর নিচে ন)
  • (ঘ) মধ্যাহন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) মধ্যাহ্ন (হ-এর পাশে ন)

ব্যাখ্যা: ‘মধ্যাহ্ন’ শব্দে কোনো ‘ঋ, র, ষ’ নেই, তাই নত্ব-বিধানের নিয়ম অনুযায়ী এটি মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে না, দন্ত্য ‘ন’ হবে। হ-এর ডানপাশে দন্ত্য ‘ন’ (হ্ন) বসে।

৪৬. ‘সতিন’ ও ‘সতীন’—এর মধ্যে সঠিক বানান কোনটি?
  • (ক) সতিন (ত-এ হ্রস্ব ই)
  • (খ) সতীন (ত-এ দীর্ঘ ঈ)
  • (গ) উভয় বানানই শুদ্ধ
  • (ঘ) সতিন্নি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) সতিন (ত-এ হ্রস্ব ই)

ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমির আধুনিক বানানের নিয়ম অনুসারে, সমস্ত অতৎসম বা তদ্ভব শব্দের বানানে কেবল হ্রস্ব ই-কার হবে। ‘সতিন’ একটি খাঁটি বাংলা শব্দ, তাই ত-এ হ্রস্ব ই-কার হবে।

৪৭. “আজকে সভায় শুধুমাত্র ছাত্ররা উপস্থিত ছিল”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) আজ সভায় কেবল ছাত্ররা উপস্থিত ছিল।
  • (খ) আজ সভায় শুধুমাত্র ছাত্ররাই উপস্থিত ছিল।
  • (গ) আজকে সভায় শুধু ছাত্ররা উপস্থিত ছিল।
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) আজ সভায় কেবল ছাত্ররা উপস্থিত ছিল।

ব্যাখ্যা: ‘শুধুমাত্র’ শব্দটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। ‘শুধু’ এবং ‘মাত্র’ একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই একই সাথে দুটি অব্যয় ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। শুদ্ধ রূপ হবে “আজ সভায় কেবল (বা শুধু) ছাত্ররা উপস্থিত ছিল”।

৪৮. “তিনি সসম্মানে আমন্ত্রিত হয়েছেন”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) তিনি সসম্মান আমন্ত্রিত হয়েছেন।
  • (খ) তিনি সম্মানের সহিত আমন্ত্রিত হয়েছেন।
  • (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা: ‘সসম্মান’ শব্দের অর্থই হলো ‘সম্মানের সহিত’। এর সাথে আবার বিভক্তিসূচক ‘এ’ যোগ করে ‘সসম্মানে আমন্ত্রিত’ লেখা ভুল, কারণ ‘সসম্মান’ নিজেই একটি বিশেষণ। শুদ্ধ রূপ হবে “তিনি সসম্মান আমন্ত্রিত হয়েছেন” বা “সম্মানের সহিত আমন্ত্রিত হয়েছেন”।

৪৯. “আমি এই কথা প্রমাণ করব”—এই বাক্যটিতে কী ভুল রয়েছে?
  • (ক) প্রমাণ করব কথাটি ভুল, ‘প্রমাণিত করব’ হওয়া উচিত ছিল
  • (খ) বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ
  • (গ) আমি কথাটি ভুল
  • (ঘ) করব ক্রিয়াপদটি অশুদ্ধ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ

ব্যাখ্যা: ‘প্রমাণ’ বিশেষ্য এবং এর সাথে ‘করব’ ক্রিয়াযুক্ত হয়ে বাক্যটি গঠিত হয়েছে যা সম্পূর্ণ শুদ্ধ। অনেকেই ভুল করে “আমি কথাটি প্রমাণিত করব” লেখেন। ‘প্রমাণিত’ একটি বিশেষণ পদ, তাই ‘প্রমাণিত করব’ লেখা ব্যাকরণসম্মত নয়।

五十. “তাহার সচ্চরিত্রতা প্রশংসনীয়”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) তাহার সচ্চরিত্র প্রশংসনীয়।
  • (খ) তাহার চরিত্রবত্তা প্রশংসনীয়।
  • (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা: ‘সচ্চরিত্র’ নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, এর সাথে পুনরায় ‘তা’ যোগ করে ‘সচ্চরিত্রতা’ লেখা অশুদ্ধ। শুদ্ধ রূপ হবে “তাহার সচ্চরিত্র প্রশংসনীয়” অথবা “তাহার চরিত্রবত্তা প্রশংসনীয়”।

Scroll to Top