SLST Bengali Practice Set 3 | SLST Bengali Mock Test

১. সত্যজিৎ রায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ক) ১৯২১
  • খ) ১৯২২
  • গ) ১৯২৩
  • ঘ) ১৯২৪

উত্তর: ক) ১৯২১

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় ১৯২১ সালের ২ মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক, চিত্রকর এবং সঙ্গীত পরিচালক।

২. সত্যজিৎ রায় তাঁর চলচ্চিত্র জীবনের জন্য কোন পুরস্কার পেয়েছিলেন?

  • ক) অস্কার
  • খ) নোবেল
  • গ) ভারতরত্ন
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: ক) অস্কার

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় ১৯৯২ সালে তাঁর চলচ্চিত্র জীবনের সামগ্রিক অবদানের জন্য সম্মানসূচক অস্কার পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি ভারতরত্ন, ফ্রান্সের লিজিয়ন অব অনার সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।

৩. প্রফেসর শঙ্কু সত্যজিৎ রায়ের কোন ধরনের রচনা?

  • ক) গোয়েন্দা কাহিনী
  • খ) কল্পবিজ্ঞান
  • গ) ভৌতিক
  • ঘ) ঐতিহাসিক

উত্তর: খ) কল্পবিজ্ঞান

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় কল্পবিজ্ঞান চরিত্র। শঙ্কু একজন বিজ্ঞানী, যিনি নিত্যনতুন আবিষ্কার করেন এবং রোমাঞ্চকর অভিযানের সম্মুখীন হন।

৪. সত্যজিৎ রায়ের লেখা প্রথম প্রফেসর শঙ্কু গল্প কোনটি?

  • ক) ব্যোমযাত্রীর ডায়রি
  • খ) প্রফেসর শঙ্কু ও গোলক রহস্য
  • গ) প্রফেসর শঙ্কু ও হাড়
  • ঘ) একশৃঙ্গ অভিযান

উত্তর: ক) ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

বিস্তারিত উত্তর: ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ সত্যজিৎ রায় রচিত প্রথম প্রফেসর শঙ্কু গল্প, যা ১৯৬১ সালে ‘সন্দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

৫. প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটি কোন বিখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানীর দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে মনে করা হয়?

  • ক) জগদীশচন্দ্র বসু
  • খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  • গ) প্রফুল্লচন্দ্র রায়
  • ঘ) মেঘনাদ সাহা

উত্তর: ক) জগদীশচন্দ্র বসু

বিস্তারিত উত্তর: যদিও সত্যজিৎ রায় সরাসরি কোনো বিজ্ঞানীর নাম উল্লেখ করেননি, তবে প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্র এবং তাঁর আবিষ্কারগুলি জগদীশচন্দ্র বসুর মতো বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণামূলক কাজের দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে অনেকে মনে করেন।

৬. প্রফেসর শঙ্কু কোথায় বসবাস করেন?

  • ক) রাঁচি
  • খ) গিরিডি
  • গ) দার্জিলিং
  • ঘ) কলকাতা

উত্তর: খ) গিরিডি

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু পশ্চিমবঙ্গের গিরিডিতে তাঁর নিজস্ব ল্যাবরেটরি ও বাড়িতে বাস করেন।

৭. প্রফেসর শঙ্কুর পোষা বিড়ালের নাম কী?

  • ক) নিউটন
  • খ) টাইগর
  • গ) ম্যাক্স
  • ঘ) ফ্রেডি

উত্তর: ক) নিউটন

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর এক পোষা বিড়াল আছে, যার নাম নিউটন। নিউটন প্রায়শই তাঁর গবেষণার সঙ্গী হয়।

৮. প্রফেসর শঙ্কুর ল্যাবরেটরিতে কোন ধরনের যন্ত্রপাতি দেখতে পাওয়া যায়?

  • ক) সাধারণ ল্যাব যন্ত্রপাতি
  • খ) অত্যাধুনিক ও অভিনব যন্ত্রপাতি
  • গ) প্রাচীন ল্যাব যন্ত্রপাতি
  • ঘ) কৃষি যন্ত্রপাতি

উত্তর: খ) অত্যাধুনিক ও অভিনব যন্ত্রপাতি

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর ল্যাবরেটরি তাঁর নিজস্ব আবিষ্কারে পূর্ণ। এখানে তিনি নিত্যনতুন যন্ত্র তৈরি করেন যা সাধারণত অন্য কোথাও দেখা যায় না।

৯. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ গ্রন্থে প্রফেসর শঙ্কু তাঁর অভিজ্ঞতা কীসের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করেন?

  • ক) চিঠি
  • খ) বই
  • গ) ডায়েরি
  • ঘ) ইন্টারনেট

উত্তর: গ) ডায়েরি

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর বিভিন্ন আবিষ্কার, অভিজ্ঞতা এবং ভ্রমণের কথা একটি ডায়েরিতে লিখে রাখেন। এই ডায়েরিই তাঁর বিভিন্ন অভিযানের বর্ণনা দেয়।

১০. প্রফেসর শঙ্কুর প্রধান সহকারী কে?

  • ক) অবিনাশচন্দ্র মজুমদার
  • খ) প্রহ্লাদ
  • গ) ভোলানাথ বাবু
  • ঘ) তিনি একাই কাজ করেন

উত্তর: খ) প্রহ্লাদ

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর বাড়িতে প্রহ্লাদ নামে একজন ভৃত্য আছেন, যিনি শঙ্কুর কাজের কিছু ক্ষেত্রে সাহায্য করেন।

১১. প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক) ভীতু ও দুর্বল
  • খ) মেধাবী ও সাহসী
  • গ) অলস ও চিন্তাহীন
  • ঘ) বোকা ও অদক্ষ

উত্তর: খ) মেধাবী ও সাহসী

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু একজন অসাধারণ মেধাবী বিজ্ঞানী। তিনি নতুন নতুন আবিষ্কার করেন এবং বিভিন্ন বিপদের সম্মুখীন হলেও সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করেন।

১২. অবিনাশচন্দ্র মজুমদার প্রফেসর শঙ্কুর কী হন?

  • ক) বন্ধু
  • খ) প্রতিবেশী
  • গ) ছাত্র
  • ঘ) আত্মীয়

উত্তর: খ) প্রতিবেশী

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশচন্দ্র মজুমদার প্রফেসর শঙ্কুর প্রতিবেশী। তিনি প্রায়শই শঙ্কুর বিভিন্ন আবিষ্কার বা কাজ নিয়ে কৌতূহল প্রকাশ করেন, যদিও তিনি বিজ্ঞান সম্পর্কে খুব বেশি বোঝেন না।

১৩. প্রহ্লাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক) চালাক ও ধূর্ত
  • খ) বিশ্বস্ত ও অনুগত
  • গ) লোভী ও স্বার্থপর
  • ঘ) অলস ও বেখেয়ালি

উত্তর: খ) বিশ্বস্ত ও অনুগত

বিস্তারিত উত্তর: প্রহ্লাদ প্রফেসর শঙ্কুর বিশ্বস্ত ভৃত্য। সে শঙ্কুর প্রতি অনুগত এবং তাঁর বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে।

১৪. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণার প্রতি অবিনাশবাবুর মনোভাব কেমন?

  • ক) প্রশংসা ও উৎসাহ
  • খ) ঈর্ষা ও বিরোধিতা
  • গ) কৌতূহল ও মাঝে মাঝে ব্যঙ্গ
  • ঘ) উদাসীনতা

উত্তর: গ) কৌতূহল ও মাঝে মাঝে ব্যঙ্গ

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু শঙ্কুর কাজ সম্পর্কে কৌতূহলী হলেও প্রায়শই তাঁর আবিষ্কারগুলিকে অবাস্তব বা পাগলামি মনে করেন এবং মাঝে মাঝে ব্যঙ্গ করেন।

১৫. প্রফেসর শঙ্কুর অভিযানে তাঁর পোষা নিউটনের ভূমিকা কী?

  • ক) কোনো ভূমিকা নেই
  • খ) শুধুমাত্র একটি পোষ্য
  • গ) মাঝে মাঝে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
  • ঘ) বিপদে ফেললে সাহায্য করে

উত্তর: গ) মাঝে মাঝে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

বিস্তারিত উত্তর: নিউটন শুধুমাত্র একটি পোষ্য নয়, মাঝে মাঝে সে প্রফেসর শঙ্কুর অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে যখন তার বিড়ালসুলভ প্রবৃত্তি বা জ্ঞান কাজে লাগে।

১৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে কোন ধরনের হাস্যরসের ব্যবহার দেখা যায়?

  • ক) স্থূল হাস্যরস
  • খ) বুদ্ধিদীপ্ত ও পরিস্থিতিগত হাস্যরস
  • গ) বিদ্রূপাত্মক হাস্যরস
  • ঘ) শ্লেষাত্মক হাস্যরস

উত্তর: খ) বুদ্ধিদীপ্ত ও পরিস্থিতিগত হাস্যরস

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের লেখায় বুদ্ধিদীপ্ত এবং পরিস্থিতিগত হাস্যরসের ব্যবহার দেখা যায়, যা চরিত্রগুলির কথোপকথন বা তাদের আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। অবিনাশবাবুর মন্তব্য প্রায়শই হাস্যরসের জন্ম দেয়।

১৭. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’র প্রধান আকর্ষণ কী?

  • ক) সাধারণ জীবনের বর্ণনা
  • খ) বিজ্ঞান ও কল্পনার এক অপূর্ব মেলবন্ধন
  • গ) ঐতিহাসিক ঘটনা
  • ঘ) সামাজিক সমস্যা

উত্তর: খ) বিজ্ঞান ও কল্পনার এক অপূর্ব মেলবন্ধন

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলির মূল আকর্ষণ হলো বিজ্ঞানসম্মত ধারণা এবং লেখকের কল্পনার এক অসাধারণ মিশ্রণ, যা পাঠককে এক অন্য জগতে নিয়ে যায়।

১৮. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে লেখকের ভাষা কেমন?

  • ক) জটিল ও দুর্বোধ্য
  • খ) সরল ও প্রাঞ্জল
  • গ) কাব্যিক ও অলঙ্কারপূর্ণ
  • ঘ) আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার

উত্তর: খ) সরল ও প্রাঞ্জল

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের লেখার ভাষা অত্যন্ত সরল, সাবলীল এবং প্রাঞ্জল, যা যেকোনো বয়সের পাঠকের কাছে সহজবোধ্য।

১৯. এই গ্রন্থটি পাঠকদের মধ্যে কোন ধরনের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে?

  • ক) ভয় ও আতঙ্ক
  • খ) কৌতূহল ও বিস্ময়
  • গ) দুঃখ ও বিষণ্ণতা
  • ঘ) বিরক্তি ও ক্লান্তি

উত্তর: খ) কৌতূহল ও বিস্ময়

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরি পাঠকদের মধ্যে নতুন কিছু জানার কৌতূহল, আবিষ্কারের প্রতি বিস্ময় এবং অ্যাডভেঞ্চারের রোমাঞ্চ জাগিয়ে তোলে।

২০. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের মূল বার্তা কী?

  • ক) বিজ্ঞানের অপব্যবহার
  • খ) বিজ্ঞানের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আবিষ্কারের গুরুত্ব
  • গ) প্রকৃতি ধ্বংসের বিপদ
  • ঘ) মানুষের কুসংস্কার

উত্তর: খ) বিজ্ঞানের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আবিষ্কারের গুরুত্ব

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলি বিজ্ঞানের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলে এবং নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবজাতির কল্যাণের সম্ভাবনা তুলে ধরে।

২১. “আমার নতুন আবিষ্কার ‘অ্যানাইহিলিন’ নিয়ে কাজ করছিলাম।” – অ্যানাইহিলিন কী?

  • ক) একটি শক্তিশালী বোমা
  • খ) একটি ধ্বংসকারী রাসায়নিক পদার্থ
  • গ) একটি ওষুধ যা সব রোগ সারিয়ে তোলে
  • ঘ) একটি যন্ত্র যা বস্তুকে অদৃশ্য করে দেয়

উত্তর: খ) একটি ধ্বংসকারী রাসায়নিক পদার্থ

বিস্তারিত উত্তর: অ্যানাইহিলিন প্রফেসর শঙ্কুর একটি আবিষ্কার, যা যেকোনো বস্তুকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিতে পারে। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে তিনি নানা সমস্যার সমাধান বা সম্মুখীন হন।

২২. “ল্যাবরেটরিতে সেদিন থার্মোমিটারের পারদ শূন্যের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল।” – এই উক্তির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ল্যাবরেটরিতে খুব ঠান্ডা ছিল
  • খ) থার্মোমিটার খারাপ হয়ে গিয়েছিল
  • গ) প্রফেসর শঙ্কু কোনো ঠান্ডাজনিত গবেষণা করছিলেন
  • ঘ) অদ্ভুত কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল

উত্তর: ঘ) অদ্ভুত কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি সাধারণত কোনো অস্বাভাবিক বা রহস্যময় পরিবেশ বা ঘটনার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে তাপমাত্রা অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যায়, যা কোনো বৈজ্ঞানিক বা অতিপ্রাকৃত কারণের ফল হতে পারে।

২৩. “অবশেষে আমার ‘কম্পু’ যন্ত্রটি কাজ করতে শুরু করলো।” – ‘কম্পু’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) একটি সাধারণ ক্যালকুলেটর
  • খ) একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার
  • গ) একটি খেলার সরঞ্জাম
  • ঘ) একটি বাদ্যযন্ত্র

উত্তর: খ) একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার

বিস্তারিত উত্তর: ‘কম্পু’ হলো প্রফেসর শঙ্কুর একটি উদ্ভাবিত বিশেষ ধরনের কম্পিউটার, যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব করতে বা তথ্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। এটি তাঁর অনেক গবেষণায় সহায়ক।

২৪. “অবিনাশবাবু প্রায়শই আমার কাজকে পাগলামি বলে উড়িয়ে দেন।” – ‘উড়িয়ে দেন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) প্রশংসা করেন
  • খ) গুরুত্ব দেন না
  • গ) সমর্থন করেন
  • ঘ) ব্যঙ্গ করেন

উত্তর: খ) গুরুত্ব দেন না

বিস্তারিত উত্তর: ‘উড়িয়ে দেন’ বলতে বোঝায় কোনো কিছুকে তুচ্ছ জ্ঞান করা বা গুরুত্ব না দেওয়া। অবিনাশবাবু প্রায়শই শঙ্কুর আবিষ্কারগুলিকে অবাস্তব বা অসম্ভব মনে করে গুরুত্ব দেন না।

২৫. “আমার এই ডায়েরিই হয়তো আমার জীবনের শেষ লেখা হবে।” – এই উক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?

  • ক) লেখকের হতাশা
  • খ) চরম বিপদ বা অনিশ্চয়তা
  • গ) অবসরের ইঙ্গিত
  • ঘ) নতুন কোনো গবেষণার সূচনা

উত্তর: খ) চরম বিপদ বা অনিশ্চয়তা

বিস্তারিত উত্তর: এই ধরনের উক্তি সাধারণত প্রফেসর শঙ্কুর কোনো চরম বিপদ বা এমন কোনো পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে তাঁর জীবন বিপন্ন হতে পারে এবং ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ অনিশ্চিত।

২৬. “প্রহ্লাদ ভয়ে কাঠ।” – এখানে ‘কাঠ’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক) কাঠের মতো শক্ত
  • খ) খুব বেশি ভয় পেয়েছে
  • গ) নিশ্চল হয়ে গেছে
  • ঘ) কথা বলতে পারছে না

উত্তর: খ) খুব বেশি ভয় পেয়েছে

বিস্তারিত উত্তর: ‘ভয়ে কাঠ’ একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো অত্যাধিক ভয়ে জমে যাওয়া বা এতটাই ভয় পাওয়া যে নড়াচড়া করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলা।

২৭. “আমার বৈজ্ঞানিক কৌতূহল আমাকে ঘুমোতে দেয় না।” – এর দ্বারা প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?

  • ক) অস্থিরতা
  • খ) অনুসন্ধিৎসু মন
  • গ) ঘুমের অভাব
  • ঘ) অতিরিক্ত কাজ

উত্তর: খ) অনুসন্ধিৎসু মন

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর প্রচণ্ড অনুসন্ধিৎসু মন এবং বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহকে প্রকাশ করে। নতুন কিছু আবিষ্কারের চিন্তা তাঁকে নিরন্তর চালিত করে।

২৮. “আফ্রিকার জঙ্গলে এক অদ্ভুত প্রাণীর সন্ধান পেলাম।” – এখানে ‘সন্ধান পেলাম’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) প্রাণীকে ধরে আনা হলো
  • খ) প্রাণীটিকে দেখা গেল বা তার অস্তিত্ব জানা গেল
  • গ) প্রাণীটি সম্পর্কে গবেষণা করা হলো
  • ঘ) প্রাণীটিকে হত্যা করা হলো

উত্তর: খ) প্রাণীটিকে দেখা গেল বা তার অস্তিত্ব জানা গেল

বিস্তারিত উত্তর: ‘সন্ধান পেলাম’ বলতে কোনো কিছু খুঁজে পাওয়া বা তার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারাকে বোঝায়। এখানে আফ্রিকার জঙ্গলে একটি নতুন বা অদ্ভুত প্রাণীর উপস্থিতি আবিষ্কারের কথা বলা হয়েছে।

২৯. “আমার উদ্ভাবিত ‘মিরাকিউরল’ ওষুধটি এক অভাবনীয় সাফল্য এনেছিল।” – ‘মিরাকিউরল’ কী ধরনের ওষুধ ছিল?

  • ক) শুধু জ্বর সারানোর ওষুধ
  • খ) সব রোগ সারানোর ওষুধ
  • গ) মন ভালো করার ওষুধ
  • ঘ) ঘুম পাড়ানোর ওষুধ

উত্তর: খ) সব রোগ সারানোর ওষুধ

বিস্তারিত উত্তর: ‘মিরাকিউরল’ প্রফেসর শঙ্কুর একটি সর্বরোগহর ওষুধ, যা তিনি তৈরি করেছিলেন এবং এটি বিভিন্ন জটিল রোগ সারিয়ে তুলতে সক্ষম ছিল।

৩০. “আমার ডায়েরির পাতাগুলো ভিজে সপসপে হয়ে গেল।” – এই বাক্যে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে?

  • ক) ডায়েরিতে জল পড়েছিল
  • খ) প্রফেসর শঙ্কু খুব ঘেমেছিলেন
  • গ) চরম আবেগ বা দুঃখের প্রকাশ
  • ঘ) কোনো বৃষ্টির দিনের ঘটনা

উত্তর: গ) চরম আবেগ বা দুঃখের প্রকাশ

বিস্তারিত উত্তর: ডায়েরির পাতা ভিজে সপসপে হওয়ার ঘটনাটি সাধারণত চরম আবেগ, যেমন – ভয়, দুঃখ, উদ্বেগ বা মানসিক চাপের কারণে ঘামের আধিক্যকে ইঙ্গিত করে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে বোঝায়।

৩১. “গিরিডির নির্জনতা আমার গবেষণার পক্ষে আদর্শ।” – এই উক্তির দ্বারা প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?

  • ক) তিনি কোলাহল পছন্দ করেন না
  • খ) তিনি একা থাকতে পছন্দ করেন
  • গ) তিনি শান্ত পরিবেশে কাজ করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন
  • ঘ) তিনি সমাজবিচ্ছিন্ন

উত্তর: গ) তিনি শান্ত পরিবেশে কাজ করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি শঙ্কুর গবেষণার প্রতি গভীর একাগ্রতা এবং একটি শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশের প্রয়োজনীয়তাকে বোঝায়, যেখানে তিনি নির্বিঘ্নে তাঁর কাজ করতে পারেন।

৩২. “আমার বুদ্ধিভ্রম হয়েছে ভেবে অবিনাশবাবু মুচকি হাসলেন।” – এখানে ‘মুচকি হাসলেন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) খুশি হলেন
  • খ) ব্যঙ্গ করলেন
  • গ) কৌতুক অনুভব করলেন
  • ঘ) সমবেদনা জানালেন

উত্তর: খ) ব্যঙ্গ করলেন

বিস্তারিত উত্তর: ‘মুচকি হাসা’ এখানে ব্যঙ্গ বা তাচ্ছিল্যের হাসি বোঝায়। অবিনাশবাবু শঙ্কুর কথাকে অবাস্তব মনে করে তাঁর বুদ্ধিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

৩৩. “চাঁদের মাটিতে প্রথম বাঙালি বিজ্ঞানী হিসাবে পা রাখার স্বপ্ন দেখলাম।” – এই উক্তির মধ্যে প্রফেসর শঙ্কুর কীসের প্রকাশ?

  • ক) আকাশকুসুম কল্পনা
  • খ) বৈজ্ঞানিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা
  • গ) দুঃসাহসিকতা
  • ঘ) খ্যাতি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা

উত্তর: খ) বৈজ্ঞানিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা

বিস্তারিত উত্তর: এটি শঙ্কুর অপরিসীম বৈজ্ঞানিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরে, যা তাঁকে নতুন নতুন আবিষ্কার এবং দুঃসাহসিক অভিযানের দিকে চালিত করে।

৩৪. “আমার ল্যাবরেটরির পরিবেশ সেদিন ছিল থমথমে।” – এখানে ‘থমথমে’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক) শান্ত ও নিরিবিলি
  • খ) উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়ে ভরা
  • গ) অন্ধকারচ্ছন্ন
  • ঘ) পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন

উত্তর: খ) উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়ে ভরা

বিস্তারিত উত্তর: ‘থমথমে’ পরিবেশ সাধারণত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার পূর্বাভাস বা ভয় ও উত্তেজনাময় পরিস্থিতিকে বোঝায়।

৩৫. “আমি নির্ভয়ে বিপদের মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম।” – এই বাক্যটি প্রফেসর শঙ্কুর কোন গুণের পরিচয় দেয়?

  • ক) আত্মবিশ্বাস
  • খ) সাহসিকতা
  • গ) অবিবেচকতা
  • ঘ) ঔদ্ধত্য

উত্তর: খ) সাহসিকতা

বিস্তারিত উত্তর: এই বাক্যটি প্রফেসর শঙ্কুর অদম্য সাহসিকতা এবং যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিক দৃঢ়তার প্রমাণ।

৩৬. “আমার মস্তিষ্ক অবিরাম কাজ করে চলেছে।” – এর দ্বারা প্রফেসর শঙ্কুর কোন বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশিত হয়?

  • ক) অস্থিরতা
  • খ) প্রখর চিন্তাশক্তি
  • গ) মানসিক চাপ
  • ঘ) ঘুমের অভাব

উত্তর: খ) প্রখর চিন্তাশক্তি

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি শঙ্কুর প্রখর চিন্তাশক্তি এবং নতুন নতুন ধারণা ও আবিষ্কারের প্রতি তাঁর নিরন্তর ভাবনাকে প্রকাশ করে।

৩৭. “নিউটন আমার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে ছিল।” – এখানে ‘অদ্ভুতভাবে তাকানো’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) বিস্ময়ের সাথে
  • খ) ভয়ের সাথে
  • গ) কৌতূহলের সাথে
  • ঘ) অস্বাভাবিক দৃষ্টিতে

উত্তর: গ) কৌতূহলের সাথে

বিস্তারিত উত্তর: নিউটন প্রায়শই শঙ্কুর গবেষণার প্রতি কৌতূহল প্রকাশ করে, এবং তার এই অদ্ভুত দৃষ্টি শঙ্কুর প্রতি তার বিশেষ মনোযোগকে বোঝায়।

৩৮. “আমার আবিষ্কারগুলি মানবজাতির কল্যাণে ব্যবহৃত হোক, এটাই আমার একমাত্র প্রার্থনা।” – এই উক্তির মাধ্যমে প্রফেসর শঙ্কুর কীসের পরিচয় মেলে?

  • ক) অহংকার
  • খ) মানবিকতা
  • গ) সরলতা
  • ঘ) স্বার্থপরতা

উত্তর: খ) মানবিকতা

বিস্তারিত উত্তর: এটি শঙ্কুর গভীর মানবিকতাবোধকে প্রকাশ করে, যেখানে তিনি তাঁর আবিষ্কারগুলিকে ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং মানবজাতির মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করতে চান।

৩৯. “সেইদিন আমার ডায়েরিতে আমি একটি নতুন অধ্যায় শুরু করলাম।” – এই বাক্যটি কীসের ইঙ্গিত দেয়?

  • ক) নতুন একটি গবেষণার সূচনা
  • খ) জীবনের নতুন একটি ধাপ
  • গ) একটি বই লেখা শুরু করা
  • ঘ) ডায়েরি বদলানো

উত্তর: ক) নতুন একটি গবেষণার সূচনা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি সাধারণত প্রফেসর শঙ্কুর জীবনে বা তাঁর গবেষণায় একটি নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সূচনার ইঙ্গিত দেয়।

৪০. “প্রহ্লাদ ভয়ে কাঁপছিল।” – এখানে ‘কাঁপছিল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ঠান্ডা লাগছিল
  • খ) প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিল
  • গ) অসুস্থ হয়েছিল
  • ঘ) উত্তেজনায় কাঁপছিল

উত্তর: খ) প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিল

বিস্তারিত উত্তর: ‘ভয়ে কাঁপছিল’ বাগধারাটি তীব্র ভয়ের কারণে শারীরিক অস্থিরতা বা কাঁপুনিকে বোঝায়।

৪১. প্রফেসর শঙ্কুর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে কোনটির নাম আপনি ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’তে পেয়েছেন?

  • ক) সময় পরিমাপক যন্ত্র
  • খ) প্রাণী ভাষা বোঝার যন্ত্র
  • গ) অদৃশ্য হওয়ার যন্ত্র
  • ঘ) দূরবর্তী স্থান দেখার যন্ত্র

উত্তর: খ) প্রাণী ভাষা বোঝার যন্ত্র

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর বিভিন্ন আবিষ্কারের মধ্যে ‘অ্যানিম্যালট্রন’ বা প্রাণী ভাষা বোঝার যন্ত্রও তৈরি করেছিলেন, যা তাঁকে নিউটনের মতো প্রাণীদের কথা বুঝতে সাহায্য করে।

৪২. প্রফেসর শঙ্কুর কাছে অবিনাশবাবুর গুরুত্ব কী?

  • ক) বৈজ্ঞানিক আলোচনা করার জন্য
  • খ) বন্ধু হিসাবে পাশে থাকার জন্য
  • গ) তাঁর আবিষ্কারের প্রতি কৌতূহল ও মাঝে মাঝে সমালোচনার জন্য
  • ঘ) তাঁর ল্যাবরেটরির কাজে সাহায্য করার জন্য

উত্তর: গ) তাঁর আবিষ্কারের প্রতি কৌতূহল ও মাঝে মাঝে সমালোচনার জন্য

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু শঙ্কুর প্রতিবেশীর ভূমিকায় তাঁর আবিষ্কারের প্রতি সাধারণ মানুষের কৌতূহল এবং সংশয় প্রকাশ করেন, যা গল্পে হাস্যরস যোগ করে।

৪৩. নিউটনের আচরণ প্রায়শই মানুষের মতো হয়, এর কারণ কী?

  • ক) সে একটি জাদুকরী বিড়াল
  • খ) প্রফেসর শঙ্কু তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়েছেন
  • গ) সে ‘অ্যানিম্যালট্রন’ যন্ত্রের সাহায্যে মানুষের কথা বোঝে
  • ঘ) সত্যজিৎ রায় বিড়ালকে এভাবেই দেখিয়েছেন

উত্তর: গ) সে ‘অ্যানিম্যালট্রন’ যন্ত্রের সাহায্যে মানুষের কথা বোঝে

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর উদ্ভাবিত ‘অ্যানিম্যালট্রন’ যন্ত্রের মাধ্যমেই নিউটন মানুষের কথা বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া জানায়, যা তাকে গল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র করে তোলে।

৪৪. প্রফেসর শঙ্কু তাঁর ডায়েরিতে সাধারণত কাদের কথা উল্লেখ করেন?

  • ক) তার পরিবারের সদস্যদের
  • খ) তার সহকর্মী বিজ্ঞানীদের
  • গ) অবিনাশবাবু, প্রহ্লাদ এবং তার পোষা নিউটন
  • ঘ) ঐতিহাসিক চরিত্রদের

উত্তর: গ) অবিনাশবাবু, প্রহ্লাদ এবং তার পোষা নিউটন

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর ডায়েরিতে মূলত তাঁর দৈনন্দিন জীবন, গবেষণা এবং অভিযানের সঙ্গী হিসেবে অবিনাশবাবু, প্রহ্লাদ এবং পোষা নিউটনের কথাই বেশি উল্লেখ করেন।

৪৫. গল্পের প্রধান চরিত্র প্রফেসর শঙ্কু কিসের প্রতীক?

  • ক) সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি
  • খ) বিজ্ঞানের প্রতি অদম্য স্পৃহা ও আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা
  • গ) ভাগ্যান্বেষী ব্যক্তি
  • ঘ) একজন সাধারণ শিক্ষক

উত্তর: খ) বিজ্ঞানের প্রতি অদম্য স্পৃহা ও আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু বিজ্ঞানের প্রতি মানুষের অদম্য স্পৃহা, নতুন কিছু জানার কৌতূহল এবং আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবজাতির কল্যাণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

৪৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে সাধারণত কোন ধরনের বিপদ বা সমস্যার সম্মুখীন হন তিনি?

  • ক) সামাজিক সমস্যা
  • খ) রাজনৈতিক সমস্যা
  • গ) বৈজ্ঞানিক বা অতিপ্রাকৃতিক বিপদ
  • ঘ) অর্থনৈতিক সমস্যা

উত্তর: গ) বৈজ্ঞানিক বা অতিপ্রাকৃতিক বিপদ

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু প্রায়শই তাঁর নিজের আবিষ্কারের ফলস্বরূপ অথবা অভিযানকালে বৈজ্ঞানিক বা অতিপ্রাকৃতিক বিপদের সম্মুখীন হন, যা তাঁর বুদ্ধি ও সাহসিকতার পরীক্ষা নেয়।

৪৭. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে প্রায়শই দেখা যায় যে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করেন। এর কারণ কী?

  • ক) তিনি ভ্রমণ ভালোবাসেন
  • খ) তাঁর গবেষণার কাজে বা কোনো রহস্যের উন্মোচনে তাঁকে ভ্রমণ করতে হয়
  • গ) তিনি একজন পর্যটক
  • ঘ) তিনি বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি জানতে চান

উত্তর: খ) তাঁর গবেষণার কাজে বা কোনো রহস্যের উন্মোচনে তাঁকে ভ্রমণ করতে হয়

বিস্তারিত উত্তর: শঙ্কুর ভ্রমণগুলি তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নতুন আবিষ্কারের সন্ধান অথবা কোনো রহস্যের উন্মোচনের অংশ হিসেবেই ঘটে।

৪৮. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’তে কোন ধরনের বর্ণনা প্রাধান্য পায়?

  • ক) আবেগঘন বর্ণনা
  • খ) নিরেট বৈজ্ঞানিক বর্ণনা
  • গ) ঘটনাবহুল ও রোমাঞ্চকর বর্ণনা
  • ঘ) সামাজিক চিত্র তুলে ধরা

উত্তর: গ) ঘটনাবহুল ও রোমাঞ্চকর বর্ণনা

বিস্তারিত উত্তর: এই ডায়েরিতে প্রফেসর শঙ্কুর রোমাঞ্চকর অভিযান এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা প্রাধান্য পায়, যা পাঠককে আকৃষ্ট করে।

৪৯. প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারগুলো প্রায়শই কী ধরনের প্রভাব ফেলে?

  • ক) নেতিবাচক প্রভাব
  • খ) সমাজের উন্নতি ঘটায়
  • গ) অদ্ভুত বা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটায়
  • ঘ) সাধারণ মানুষের জীবনকে জটিল করে তোলে

উত্তর: গ) অদ্ভুত বা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটায়

বিস্তারিত উত্তর: শঙ্কুর আবিষ্কারগুলি প্রায়শই অপ্রত্যাশিত বা অদ্ভুত পরিস্থিতির জন্ম দেয়, যা গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং রোমাঞ্চ বাড়ায়।

৫০. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কিসের অভাব দেখা যায় না?

  • ক) বাস্তবতার
  • খ) কৌতূহল ও অ্যাডভেঞ্চারের
  • গ) ভালোবাসার
  • ঘ) রাজনৈতিক উপাদানের

উত্তর: খ) কৌতূহল ও অ্যাডভেঞ্চারের

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর প্রতিটি গল্পই নতুন নতুন আবিষ্কার, রহস্য এবং রোমাঞ্চকর অভিযানের দ্বারা পূর্ণ, যা পাঠকদের কৌতূহল এবং অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ যোগায়।

৫১. সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে কোন ধরনের বৈজ্ঞানিক উপাদান ব্যবহার করেছেন?

  • ক) শুধুমাত্র বাস্তবসম্মত বিজ্ঞান
  • খ) বাস্তব বিজ্ঞান ও কল্পনার মিশ্রণ
  • গ) শুধুমাত্র কাল্পনিক বিজ্ঞান
  • ঘ) ছদ্ম-বিজ্ঞান

উত্তর: খ) বাস্তব বিজ্ঞান ও কল্পনার মিশ্রণ

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে বাস্তব বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলোর সাথে নিজের কল্পনার মিশেল ঘটিয়েছেন, যা গল্পগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

৫২. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’র জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ কী?

  • ক) এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব
  • খ) এতে উপস্থাপিত রোমাঞ্চকর অভিযান ও বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার
  • গ) লেখকের লেখার জটিলতা
  • ঘ) চরিত্রগুলির সাধারণ জীবনযাপন

উত্তর: খ) এতে উপস্থাপিত রোমাঞ্চকর অভিযান ও বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার

বিস্তারিত উত্তর: শঙ্কুর ডায়েরির জনপ্রিয়তার মূল কারণ হলো তাঁর অভাবনীয় আবিষ্কার এবং রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার, যা পাঠককে এক কল্পবিজ্ঞানের জগতে নিয়ে যায়।

৫৩. এই গ্রন্থটি কোন বয়সের পাঠকদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী?

  • ক) শুধুমাত্র ছোটদের জন্য
  • খ) শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য
  • গ) সকল বয়সের পাঠকের জন্য
  • ঘ) গবেষকদের জন্য

উত্তর: গ) সকল বয়সের পাঠকের জন্য

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের লেখনী এবং প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের আবেদন এমন যে এটি ছোট থেকে বড় সকল বয়সের পাঠকের কাছেই সমানভাবে আকর্ষণীয়।

৫৪. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের শেষে প্রায়শই কী ধরনের বার্তা থাকে?

  • ক) একটি নৈতিক শিক্ষা
  • খ) বিজ্ঞানের জয়
  • গ) একটি অপ্রত্যাশিত মোড়
  • ঘ) কোনো নির্দিষ্ট বার্তা থাকে না

উত্তর: খ) বিজ্ঞানের জয়

বিস্তারিত উত্তর: প্রায়শই শঙ্কুর গল্পগুলি বিজ্ঞানের শক্তি এবং আবিষ্কারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানকে তুলে ধরে, যা বিজ্ঞানের জয়কে বোঝায়।

৫৫. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ বাংলা সাহিত্যের কোন ধারার একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন?

  • ক) গোয়েন্দা কাহিনী
  • খ) ঐতিহাসিক উপন্যাস
  • গ) কল্পবিজ্ঞান
  • ঘ) সামাজিক নাটক

উত্তর: গ) কল্পবিজ্ঞান

বিস্তারিত উত্তর: ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় সংযোজন।

৫৬. সত্যজিৎ রায় তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য মূলত কোন ভাষায় লিখেছেন?

  • ক) ইংরেজি
  • খ) বাংলা
  • গ) হিন্দি
  • ঘ) উর্দু

উত্তর: খ) বাংলা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় মূলত তাঁর সমস্ত সাহিত্যকর্ম বাংলায় রচনা করেছেন, যদিও তাঁর কিছু চলচ্চিত্র হিন্দি বা ইংরেজি ভাষায়ও ছিল।

৫৭. সত্যজিৎ রায় কত সালে মারা যান?

  • ক) ১৯৯০
  • খ) ১৯৯১
  • গ) ১৯৯২
  • ঘ) ১৯৯৩

উত্তর: গ) ১৯৯২

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল কলকাতায় মারা যান।

৫৮. সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে কী নামে পরিচিত ছিলেন?

  • ক) ভারতরত্ন
  • খ) অস্কার বিজয়ী
  • গ) রায় সাহেব
  • ঘ) পরিচালক সম্রাট

উত্তর: খ) অস্কার বিজয়ী

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর চলচ্চিত্র কর্মের জন্য ১৯৯২ সালে মরণোত্তর সম্মানসূচক অস্কার পুরস্কার লাভ করেন, তাই তিনি অস্কার বিজয়ী পরিচালক হিসেবেও পরিচিত।

৫৯. সত্যজিৎ রায় কোন পত্রিকার সম্পাদনা করতেন?

  • ক) আনন্দমেলা
  • খ) শুকতারা
  • গ) সন্দেশ
  • ঘ) কিশোর ভারতী

উত্তর: গ) সন্দেশ

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত শিশু পত্রিকা ‘সন্দেশ’-এর সম্পাদনা করতেন এবং সেখানেই প্রথম প্রফেসর শঙ্কু গল্প প্রকাশিত হয়।

৬০. সত্যজিৎ রায়ের লেখার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক) জটিল বাক্য গঠন
  • খ) সহজবোধ্যতা ও সাবলীলতা
  • গ) বিদেশি শব্দের ব্যবহার
  • ঘ) আঞ্চলিকতার প্রভাব

উত্তর: খ) সহজবোধ্যতা ও সাবলীলতা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের লেখার ভাষা অত্যন্ত সহজবোধ্য, সাবলীল এবং আকর্ষণীয়, যা তাঁর লেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

৬১. “নিউটন যেন আমার প্রতিটি কথা বুঝছিল।” – এই বাক্যে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে?

  • ক) নিউটন আসলে একটি বুদ্ধিমান প্রাণী
  • খ) প্রফেসর শঙ্কুর প্রতি নিউটনের গভীর সংযোগ
  • গ) অ্যানিম্যালট্রন যন্ত্রের কার্যকারিতা
  • ঘ) প্রফেসর শঙ্কুর কল্পনা

উত্তর: গ) অ্যানিম্যালট্রন যন্ত্রের কার্যকারিতা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর অ্যানিম্যালট্রন যন্ত্রের কার্যকারিতা প্রকাশ করে, যা তাকে প্রাণীদের ভাষা বুঝতে এবং তাদের আচরণ ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।

৬২. “আমার ল্যাবরেটরি থেকে অদ্ভুত আওয়াজ ভেসে আসছিল।” – ‘অদ্ভুত আওয়াজ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) পাখির কিচিরমিচির
  • খ) যন্ত্রের অজানা শব্দ বা কোনো রহস্যময় সুর
  • গ) মানুষের চিৎকার
  • ঘ) সাধারণ কোলাহল

উত্তর: খ) যন্ত্রের অজানা শব্দ বা কোনো রহস্যময় সুর

বিস্তারিত উত্তর: এই ধরনের আওয়াজ সাধারণত প্রফেসর শঙ্কুর নতুন আবিষ্কারের পরীক্ষা বা কোনো অস্বাভাবিক ঘটনার ইঙ্গিত দেয়, যা ল্যাবরেটরিতে ঘটছে।

৬৩. “অবিনাশবাবুর মুখ ভয়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেল।” – ‘ফ্যাকাসে হয়ে গেল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) অসুস্থ হয়ে গেল
  • খ) রক্তশূন্য হয়ে গেল
  • গ) প্রচণ্ড ভয় পেল
  • ঘ) হতাশ হয়ে গেল

উত্তর: গ) প্রচণ্ড ভয় পেল

বিস্তারিত উত্তর: ‘মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া’ একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো তীব্র ভয় বা মানসিক চাপের কারণে মুখের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।

৬৪. “আমার ডায়েরি আমার বিশ্বস্ত সঙ্গী।” – এই উক্তির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ডায়েরি ছাড়া শঙ্কু বাঁচতে পারেন না
  • খ) ডায়েরিতে শঙ্কু তাঁর সমস্ত গোপন কথা লেখেন
  • গ) ডায়েরি তাঁর অভিজ্ঞতা ও চিন্তাভাবনার একমাত্র অবলম্বন
  • ঘ) ডায়েরি তার একমাত্র বন্ধু

উত্তর: গ) ডায়েরি তাঁর অভিজ্ঞতা ও চিন্তাভাবনার একমাত্র অবলম্বন

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর জীবনে ডায়েরির গুরুত্বকে তুলে ধরে, যেখানে তিনি তাঁর গবেষণা, অভিযান ও ব্যক্তিগত অনুভূতি লিপিবদ্ধ করেন।

৬৫. “আমি কোনো বিপদের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।” – এই বাক্যটি কীসের ইঙ্গিত দেয়?

  • ক) শঙ্কু সবসময় প্রস্তুত থাকেন না
  • খ) বিপদটি ছিল আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত
  • গ) শঙ্কু ভয়ে ভীত ছিলেন
  • ঘ) শঙ্কু অবহেলা করেছিলেন

উত্তর: খ) বিপদটি ছিল আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত

বিস্তারিত উত্তর: এই বাক্যটি বোঝায় যে যে বিপদটি এসেছিল, তা পূর্বাভাসবিহীন ছিল এবং প্রফেসর শঙ্কু তার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না।

৬৬. “আমার মাথায় নতুন একটি ধারণা বিদ্যুৎ চমকের মতো খেলে গেল।” – এই বাক্যে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) শঙ্কুর মাথায় ব্যথা করছিল
  • খ) তিনি হঠাৎ একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা পেলেন
  • গ) বিদ্যুৎ তাঁকে আঘাত করেছিল
  • ঘ) তিনি খুব দ্রুত চিন্তা করতে পারছিলেন

উত্তর: খ) তিনি হঠাৎ একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা পেলেন

বিস্তারিত উত্তর: এটি প্রফেসর শঙ্কুর উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং হঠাৎ করে একটি নতুন ধারণার জন্মকে প্রকাশ করে, যা প্রায়শই তার আবিষ্কারের ভিত্তি হয়।

৬৭. “প্রহ্লাদ ভয়ে দু’পা পিছিয়ে গেল।” – এই উক্তিটি প্রহ্লাদের কোন মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে?

  • ক) দ্বিধা
  • খ) অনিচ্ছা
  • গ) ভয়
  • ঘ) বিস্ময়

উত্তর: গ) ভয়

বিস্তারিত উত্তর: ভয় পেলে মানুষ প্রায়শই আত্মরক্ষার জন্য পিছিয়ে যায়। এই বাক্যটি প্রহ্লাদের ভীত অবস্থা প্রকাশ করে।

৬৮. “আমার আবিষ্কার হয়তো পৃথিবীর ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।” – এই উক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?

  • ক) শঙ্কুর আত্মগরিমা
  • খ) তাঁর আবিষ্কারের গভীর তাৎপর্য
  • গ) ভবিষ্যৎবাণী
  • ঘ) কেবলই কল্পনা

উত্তর: খ) তাঁর আবিষ্কারের গভীর তাৎপর্য

বিস্তারিত উত্তর: এটি প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারের বিশাল প্রভাব এবং মানবজাতির জন্য তার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে নির্দেশ করে।

৬৯. “গিরিডির নির্জনতা মাঝে মাঝে আমাকে অস্থির করে তোলে।” – এই উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) শঙ্কু নিঃসঙ্গ বোধ করেন
  • খ) তিনি মাঝে মাঝে উত্তেজনা অনুভব করেন
  • গ) তিনি আরও গবেষণার জন্য নতুন স্থান চান
  • ঘ) তিনি একঘেয়েমি অনুভব করেন

উত্তর: খ) তিনি মাঝে মাঝে উত্তেজনা অনুভব করেন

বিস্তারিত উত্তর: যদিও গিরিডির নির্জনতা তার গবেষণার জন্য ভালো, মাঝে মাঝে সেই নির্জনতা তাকে নতুন কিছু করার বা অনুসন্ধানের জন্য অস্থির করে তোলে, যা তার অনুসন্ধিৎসু মনের পরিচয়।

৭০. “আমি দৃঢ় সংকল্পে এগিয়ে চললাম।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন গুণটি প্রকাশ পেয়েছে?

  • ক) জেদ
  • খ) আত্মবিশ্বাস
  • গ) গোঁড়ামি
  • ঘ) একাগ্রতা

উত্তর: খ) আত্মবিশ্বাস

বিস্তারিত উত্তর: এই বাক্যটি প্রফেসর শঙ্কুর অটল আত্মবিশ্বাস এবং তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য দৃঢ় সংকল্পকে প্রকাশ করে।

৭১. প্রফেসর শঙ্কু তাঁর ডায়েরিতে কোন প্রাণীর প্রতি বিশেষ মমতা দেখান?

  • ক) কুকুর
  • খ) বিড়াল (নিউটন)
  • গ) পাখি
  • ঘ) মাছ

উত্তর: খ) বিড়াল (নিউটন)

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর পোষা বিড়াল নিউটন-এর প্রতি গভীর মমতা এবং ভালোবাসা দেখান, যা তাঁর ডায়েরিতেও প্রতিফলিত হয়।

৭২. অবিনাশচন্দ্র মজুমদারের চরিত্রটি গল্পের কোন দিকটি তুলে ধরে?

  • ক) বিজ্ঞানের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস
  • খ) বিজ্ঞানের প্রতি সাধারণ মানুষের অবিশ্বাস ও কৌতূহল
  • গ) বিজ্ঞানীদের প্রতি সহানুভূতি
  • ঘ) কুসংস্কারাচ্ছন্নতা

উত্তর: খ) বিজ্ঞানের প্রতি সাধারণ মানুষের অবিশ্বাস ও কৌতূহল

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজ্ঞানের প্রতি তাদের অবিশ্বাস, সংশয় এবং একই সাথে কৌতূহলকে তুলে ধরেন।

৭৩. প্রহ্লাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে কোনটি উল্লেখযোগ্য?

  • ক) বুদ্ধিমত্তা
  • খ) সাহসী
  • গ) আনুগত্য ও ভয়
  • ঘ) বিশ্বাসঘাতকতা

উত্তর: গ) আনুগত্য ও ভয়

বিস্তারিত উত্তর: প্রহ্লাদ প্রফেসর শঙ্কুর প্রতি অত্যন্ত অনুগত হলেও, বিপদ বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সে প্রায়শই ভয় পেয়ে যায়।

৭৪. প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের মূল প্রেরণা কী?

  • ক) খ্যাতি ও অর্থ
  • খ) আবিষ্কার ও মানবজাতির কল্যাণ
  • গ) ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতা অর্জন
  • ঘ) রহস্য সমাধান

উত্তর: খ) আবিষ্কার ও মানবজাতির কল্যাণ

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের মূল প্রেরণা হলো নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করা এবং সেই আবিষ্কারগুলিকে মানবজাতির কল্যাণে ব্যবহার করা।

৭৫. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে অবিনাশবাবুর ভূমিকা কী?

  • ক) তিনি গল্পের খলনায়ক
  • খ) তিনি প্রফেসর শঙ্কুকে সাহায্য করেন
  • গ) তিনি গল্পের হাস্যরসের উৎস ও শঙ্কুর প্রতিবেশীর ভূমিকা পালন করেন
  • ঘ) তিনি একজন বিজ্ঞানী

উত্তর: গ) তিনি গল্পের হাস্যরসের উৎস ও শঙ্কুর প্রতিবেশীর ভূমিকা পালন করেন

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু তাঁর অবিশ্বাসী মনোভাব এবং শঙ্কুর প্রতি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে গল্পের হাস্যরস তৈরি করেন।

৭৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে প্রায়শই কোন স্থানটি তাঁর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু?

  • ক) কলকাতা
  • খ) গিরিডির বাড়ি ও ল্যাবরেটরি
  • গ) সুদূর পর্বতমালা
  • ঘ) গভীর সমুদ্র

উত্তর: খ) গিরিডির বাড়ি ও ল্যাবরেটরি

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের মূল প্রেক্ষাপট হলো তাঁর গিরিডির বাড়ি এবং সেখানে অবস্থিত অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি, যেখানে তাঁর অধিকাংশ গবেষণা সম্পন্ন হয়।

৭৭. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’র গল্পগুলিতে কোন বিষয়টি বারবার উঠে আসে?

  • ক) সামাজিক কুসংস্কার
  • খ) বিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন ও তার প্রতিকূলতা
  • গ) ব্যক্তিগত সম্পর্ক
  • ঘ) ঐতিহাসিক ঘটনা

উত্তর: খ) বিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন ও তার প্রতিকূলতা

বিস্তারিত উত্তর: এই গল্পগুলিতে বিজ্ঞানের অসীম সম্ভাবনা এবং আবিষ্কারের পথে আসা বিভিন্ন বাধা ও বিপদ বারবার উঠে আসে।

৭৮. প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারগুলি প্রায়শই কী ধরনের হয়?

  • ক) সাধারণ গৃহস্থালীর জিনিস
  • খ) সামরিক অস্ত্র
  • গ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যা মানবজীবনের ওপর প্রভাব ফেলে
  • ঘ) কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত যন্ত্র

উত্তর: গ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যা মানবজীবনের ওপর প্রভাব ফেলে

বিস্তারিত উত্তর: শঙ্কুর আবিষ্কারগুলি সাধারণত বৈজ্ঞানিক প্রকৃতির হয় এবং সেগুলোর মানবজীবন বা পৃথিবীর ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকে, যা প্রায়শই অপ্রত্যাশিত হয়।

৭৯. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কিসের বর্ণনা খুব সমৃদ্ধভাবে পাওয়া যায়?

  • ক) চরিত্রগুলির মানসিক দ্বন্দ্ব
  • খ) প্রাকৃতিক দৃশ্য
  • গ) বিভিন্ন যন্ত্রপাতির বিস্তারিত বিবরণ ও তাদের কার্যকারিতা
  • ঘ) ঐতিহাসিক পটভূমি

উত্তর: গ) বিভিন্ন যন্ত্রপাতির বিস্তারিত বিবরণ ও তাদের কার্যকারিতা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় শঙ্কুর গল্পগুলিতে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির বিস্তারিত এবং কল্পনাপ্রসূত বিবরণ দেন, যা পাঠককে আকর্ষণ করে।

৮০. প্রফেসর শঙ্কুর অভিযানগুলিতে প্রায়শই কোন দিকটি মুখ্য থাকে?

  • ক) অর্থ উপার্জন
  • খ) বিখ্যাত হওয়া
  • গ) বৈজ্ঞানিক সত্যের উন্মোচন বা রহস্যের সমাধান
  • ঘ) ব্যক্তিগত শখ পূরণ

উত্তর: গ) বৈজ্ঞানিক সত্যের উন্মোচন বা রহস্যের সমাধান

বিস্তারিত উত্তর: শঙ্কুর অভিযানগুলির মূল উদ্দেশ্য হলো বৈজ্ঞানিক রহস্যের উন্মোচন বা অজানা কোনো কিছুর অনুসন্ধান, যা মানবজাতির জ্ঞান বৃদ্ধি করে।

৮১. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে বাংলা গদ্যের কোন বিশেষত্ব লক্ষ্য করা যায়?

  • ক) উচ্চাঙ্গের সাহিত্যিক গদ্য
  • খ) চলিত ও সহজবোধ্য গদ্য
  • গ) সাধু ভাষা
  • ঘ) আঞ্চলিক গদ্য

উত্তর: খ) চলিত ও সহজবোধ্য গদ্য

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে চলিত এবং অত্যন্ত সহজবোধ্য গদ্য ব্যবহার করেছেন, যা সকল পাঠকের কাছে গল্পগুলিকে সহজলভ্য করে তোলে।

৮২. এই গল্পের মাধ্যমে সত্যজিৎ রায় পাঠকদের মধ্যে কী ধরনের অনুভূতি জাগিয়ে তোলেন?

  • ক) ভয় ও ঘৃণা
  • খ) বিজ্ঞানমনস্কতা ও কৌতূহল
  • গ) উদাসীনতা
  • ঘ) কুসংস্কার

উত্তর: খ) বিজ্ঞানমনস্কতা ও কৌতূহল

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর লেখনীর মাধ্যমে পাঠকদের মধ্যে বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের প্রতি আগ্রহ এবং নতুন কিছু জানার কৌতূহল জাগিয়ে তোলেন।

৮৩. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কিসের মাধ্যমে একটি নিজস্ব জগৎ তৈরি করা হয়েছে?

  • ক) বাস্তবতার কঠিন চিত্র
  • খ) কল্পনা ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন
  • গ) হাস্যরস ও বিদ্রূপ
  • ঘ) জটিল চরিত্র বিশ্লেষণ

উত্তর: খ) কল্পনা ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় কল্পনা ও বিজ্ঞানের এক অসাধারণ সমন্বয় ঘটিয়ে প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে একটি সম্পূর্ণ নিজস্ব, আকর্ষণীয় জগৎ তৈরি করেছেন।

৮৪. গল্পের বর্ণনা ভঙ্গিতে কোন বৈশিষ্ট্যটি পরিলক্ষিত হয়?

  • ক) খুব সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • খ) বিস্তারিত ও চিত্রধর্মী বর্ণনা
  • গ) অলঙ্কারপূর্ণ বর্ণনা
  • ঘ) কাব্যিক বর্ণনা

উত্তর: খ) বিস্তারিত ও চিত্রধর্মী বর্ণনা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের বর্ণনাভঙ্গি বিস্তারিত এবং চিত্রধর্মী, যা পাঠকের মনে গল্পের দৃশ্যগুলিকে জীবন্ত করে তোলে।

৮৫. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিগুলি পাঠককে কেন আকর্ষণ করে?

  • ক) শুধুমাত্র তথ্যের জন্য
  • খ) এতে থাকা অ্যাডভেঞ্চার ও নতুনত্বের জন্য
  • গ) এতে থাকা জটিল দার্শনিক আলোচনার জন্য
  • ঘ) গল্পের নৈতিক শিক্ষার জন্য

উত্তর: খ) এতে থাকা অ্যাডভেঞ্চার ও নতুনত্বের জন্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিগুলি পাঠককে আকর্ষণ করে কারণ এতে অভাবনীয় আবিষ্কার, রোমাঞ্চকর অভিযান এবং নিত্যনতুন বিষয়বস্তুর বর্ণনা থাকে।

৮৬. সত্যজিৎ রায় তাঁর চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য কোন ধরনের কাহিনী বেছে নিতেন?

  • ক) শুধুমাত্র নিজের লেখা কাহিনী
  • খ) দেশি-বিদেশি সাহিত্যের বিভিন্ন কাহিনী
  • গ) শুধুমাত্র ঐতিহাসিক কাহিনী
  • ঘ) শুধুমাত্র সামাজিক কাহিনী

উত্তর: খ) দেশি-বিদেশি সাহিত্যের বিভিন্ন কাহিনী

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য দেশি-বিদেশি সাহিত্যের বিভিন্ন উৎস থেকে কাহিনী বেছে নিতেন, যা তাঁর কাজের বৈচিত্র্য প্রকাশ করে।

৮৭. সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র ছাড়াও আর কোন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন?

  • ক) রাজনীতি
  • খ) সঙ্গীত, চিত্রাঙ্কন ও লেখালেখি
  • গ) বিজ্ঞান গবেষণা
  • ঘ) খেলাধুলা

উত্তর: খ) সঙ্গীত, চিত্রাঙ্কন ও লেখালেখি

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি সঙ্গীত পরিচালনা, চিত্রাঙ্কন এবং লেখালেখিতেও অসামান্য অবদান রেখেছেন।

৮৮. সত্যজিৎ রায়ের সাহিত্যকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক কী?

  • ক) জটিল দার্শনিক আলোচনা
  • খ) শিশু ও কিশোরদের জন্য উপযোগী রচনা
  • গ) ঐতিহাসিক গবেষণা
  • ঘ) রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

উত্তর: খ) শিশু ও কিশোরদের জন্য উপযোগী রচনা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো শিশু ও কিশোরদের জন্য তাঁর অসংখ্য জনপ্রিয় রচনা, যার মধ্যে প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরি অন্যতম।

৮৯. সত্যজিৎ রায়কে সাধারণত কী নামে ডাকা হয়?

  • ক) সাহিত্য সম্রাট
  • খ) চলচ্চিত্র গুরু
  • গ) মাস্টারজি
  • ঘ) রে স্যার

উত্তর: খ) চলচ্চিত্র গুরু

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর চলচ্চিত্র শিল্পের অসামান্য অবদানের জন্য দেশ-বিদেশে ‘চলচ্চিত্র গুরু’ হিসেবে পরিচিত।

৯০. সত্যজিৎ রায় তাঁর জীবনকালে কতগুলি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন?

  • ক) প্রায় ১০টি
  • খ) প্রায় ২০টি
  • গ) প্রায় ৩০টি
  • ঘ) প্রায় ৪০টি

উত্তর: গ) প্রায় ৩০টি

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্র জীবনে ৩০টিরও বেশি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র নির্মাণ করেছেন।

৯১. “আমি প্রকৃতির বুকে নতুন রহস্যের সন্ধান করি।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন গুণটি প্রকাশ পায়?

  • ক) ভ্রমণ পিপাসা
  • খ) প্রকৃতি প্রেম
  • গ) অনুসন্ধিৎসু মন ও আবিষ্কারের নেশা
  • ঘ) দার্শনিক মন

উত্তর: গ) অনুসন্ধিৎসু মন ও আবিষ্কারের নেশা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর প্রকৃতির প্রতি কৌতূহল এবং সেখানে নতুন বৈজ্ঞানিক রহস্য উদঘাটনের অদম্য ইচ্ছাকে তুলে ধরে।

৯২. “আমার ল্যাবরেটরিতে প্রবেশ নিষেধ।” – এর কারণ কী?

  • ক) ল্যাবরেটরিটি ব্যক্তিগত সম্পত্তি
  • খ) গবেষণার গোপনীয়তা ও সুরক্ষার জন্য
  • গ) ল্যাবরেটরিটি অগোছালো
  • ঘ) সেখানে বিপদ হতে পারে

উত্তর: খ) গবেষণার গোপনীয়তা ও সুরক্ষার জন্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর গবেষণার গোপনীয়তা এবং সৃষ্টির সুরক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ রাখেন।

৯৩. “অবিনাশবাবুর আগমন প্রায়শই আমার কাজের ব্যাঘাত ঘটায়।” – এখানে ‘ব্যাঘাত ঘটায়’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) সাহায্য করে
  • খ) বিরক্ত করে বা কাজে বাধা সৃষ্টি করে
  • গ) কৌতুক করে
  • ঘ) আলোচনা করে

উত্তর: খ) বিরক্ত করে বা কাজে বাধা সৃষ্টি করে

বিস্তারিত উত্তর: ‘ব্যাঘাত ঘটায়’ মানে হলো কোনো কাজে বিরক্তি উৎপাদন করা বা অপ্রয়োজনীয় বাধা সৃষ্টি করা, যা অবিনাশবাবু প্রায়শই করে থাকেন।

৯৪. “আমার ডায়েরি আমার নিঃসঙ্গতার সঙ্গী।” – এই উক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?

  • ক) শঙ্কু একাকী জীবনযাপন করেন
  • খ) শঙ্কু ডায়েরিতে তার মনের কথা লেখেন
  • গ) ডায়েরি তার মানসিক আশ্রয়
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: গ) ডায়েরি তার মানসিক আশ্রয়

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রকাশ করে যে ডায়েরি প্রফেসর শঙ্কুর মানসিক আশ্রয় এবং তাঁর গভীর চিন্তাভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশের একটি মাধ্যম, বিশেষ করে যখন তিনি একা থাকেন।

৯৫. “পৃথিবী এক রহস্যময় গ্রহ।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়?

  • ক) হতাশাবোধ
  • খ) বিশ্ব সম্পর্কে কৌতূহল ও বিস্ময়
  • গ) বিজ্ঞানের প্রতি অবিশ্বাস
  • ঘ) জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা

উত্তর: খ) বিশ্ব সম্পর্কে কৌতূহল ও বিস্ময়

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর বিশ্ব এবং মহাবিশ্ব সম্পর্কে নিরন্তর কৌতূহল এবং তার রহস্যময় প্রকৃতির প্রতি বিস্ময়কে প্রকাশ করে।

৯৬. “নিউটন আমার দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল।” – ‘জিজ্ঞাসু দৃষ্টি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) রাগ ভরা দৃষ্টি
  • খ) প্রশ্নবোধক বা কৌতূহলী দৃষ্টি
  • গ) ভয় পাওয়া দৃষ্টি
  • ঘ) উদাসীন দৃষ্টি

উত্তর: খ) প্রশ্নবোধক বা কৌতূহলী দৃষ্টি

বিস্তারিত উত্তর: ‘জিজ্ঞাসু দৃষ্টি’ বোঝায় কৌতূহল বা কিছু জানার আগ্রহ নিয়ে তাকানো, যা নিউটনের বুদ্ধিমত্তা ও শঙ্কুর প্রতি তার মনোযোগকে প্রকাশ করে।

৯৭. “সময় ফুরিয়ে আসছে, আমার কাজ শেষ করতে হবে।” – এই বাক্যে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে?

  • ক) মৃত্যুর পূর্বাভাস
  • খ) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা বিপদের তাগিদ
  • গ) কাজ শেষ করার চাপ
  • ঘ) কেবলই সাধারণ একটি উক্তি

উত্তর: খ) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা বিপদের তাগিদ

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রায়শই প্রফেসর শঙ্কুর জীবনে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা আসন্ন কোনো বিপদের ইঙ্গিত দেয়, যার আগে তাকে তার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

৯৮. “আমার আবিষ্কার হয়তো কোনোদিন ভুল হাতে পড়বে।” – এই উক্তির মাধ্যমে শঙ্কুর কোন উদ্বেগ প্রকাশ পায়?

  • ক) তার আবিষ্কারের প্রতি অবিশ্বাস
  • খ) আবিষ্কারের অপব্যবহারের সম্ভাবনা
  • গ) চুরির ভয়
  • ঘ) খ্যাতি হারানোর ভয়

উত্তর: খ) আবিষ্কারের অপব্যবহারের সম্ভাবনা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর গভীর উদ্বেগকে প্রকাশ করে যে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলি অযোগ্য বা মন্দ মানুষের হাতে পড়ে অপব্যবহার হতে পারে।

৯৯. “গিরিডির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে।” – এই বাক্যে প্রফেসর শঙ্কুর কোন দিকটি প্রকাশ পায়?

  • ক) তিনি একজন প্রকৃতিপ্রেমী
  • খ) তিনি অবসর জীবন ভালোবাসেন
  • গ) গবেষণার বাইরেও তার রুচিবোধ আছে
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: গ) গবেষণার বাইরেও তার রুচিবোধ আছে

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রকাশ করে যে প্রফেসর শঙ্কু কেবল একজন বিজ্ঞানীই নন, তাঁর প্রকৃতির প্রতি অনুরাগ এবং সুকুমার রুচিবোধও রয়েছে।

১০০. “আমার প্রতিটি অভিযান ছিল এক নতুন চ্যালেঞ্জ।” – এই বাক্যে ‘চ্যালেঞ্জ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  • খ) পরীক্ষা বা কঠিন পরিস্থিতি
  • গ) খেলা
  • ঘ) বিতর্ক

উত্তর: খ) পরীক্ষা বা কঠিন পরিস্থিতি

বিস্তারিত উত্তর: ‘চ্যালেঞ্জ’ বলতে বোঝায় কঠিন একটি পরিস্থিতি বা কাজ যা সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা, বুদ্ধি বা সাহসের প্রয়োজন হয়।

১০১. প্রফেসর শঙ্কুর কোন গুণের জন্য তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্থির থাকতে পারেন?

  • ক) কঠোরতা
  • খ) আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা
  • গ) নির্লিপ্ততা
  • ঘ) চালাকি

উত্তর: খ) আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর অসীম আত্মবিশ্বাস এবং মানসিক দৃঢ়তার কারণেই যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতেও শান্ত ও স্থির থাকতে পারেন।

১০২. প্রফেসর শঙ্কুর জীবনে প্রহ্লাদের ভূমিকা কী?

  • ক) তার একমাত্র শিষ্য
  • খ) একজন বিশ্বস্ত ভৃত্য ও সহচর
  • গ) তার প্রতিপক্ষ
  • ঘ) তার গবেষণা সহযোগী

উত্তর: খ) একজন বিশ্বস্ত ভৃত্য ও সহচর

বিস্তারিত উত্তর: প্রহ্লাদ প্রফেসর শঙ্কুর বিশ্বস্ত ভৃত্য এবং প্রায়শই তাঁর অভিযানের সঙ্গী হিসেবে কাজ করে।

১০৩. প্রফেসর শঙ্কুর মানসিক গঠন কেমন?

  • ক) অস্থির ও আবেগপ্রবণ
  • খ) যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক
  • গ) কুসংস্কারাচ্ছন্ন
  • ঘ) ভীরু ও দুর্বল

উত্তর: খ) যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর মানসিক গঠন অত্যন্ত যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক, তিনি যেকোনো ঘটনাকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেন।

১০৪. অবিনাশবাবুর চরিত্রটি গল্পের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

  • ক) তিনি গল্পের মূল প্লট তৈরি করেন
  • খ) তিনি বিজ্ঞানীদের সমালোচক
  • গ) তিনি হাস্যরস যোগ করেন এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন
  • ঘ) তিনি গল্পের সমস্যার সমাধান করেন

উত্তর: গ) তিনি হাস্যরস যোগ করেন এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু তাঁর অবিশ্বাস এবং ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে গল্পের হাস্যরস বাড়ান এবং সাধারণ মানুষের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রতি প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন।

১০৫. নিউটন কিভাবে প্রফেসর শঙ্কুর অভিযানে সাহায্য করে?

  • ক) সে কথা বলে সাহায্য করে
  • খ) তার বিশেষ বিড়ালসুলভ জ্ঞান ও সূক্ষ্ম ইন্দ্রিয়ের দ্বারা
  • গ) সে শক্তি প্রদান করে
  • ঘ) সে যন্ত্র তৈরি করে

উত্তর: খ) তার বিশেষ বিড়ালসুলভ জ্ঞান ও সূক্ষ্ম ইন্দ্রিয়ের দ্বারা

বিস্তারিত উত্তর: নিউটন প্রায়শই তার বিড়ালসুলভ তীক্ষ্ণ ইন্দ্রিয় এবং বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে প্রফেসর শঙ্কুকে বিপদে সাহায্য করে বা নতুন তথ্য পেতে সহায়তা করে।

১০৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে সাধারণত কোন ধরনের সমস্যা দেখা যায়?

  • ক) মানবসৃষ্ট দূষণ
  • খ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের অপ্রত্যাশিত ফল বা নতুন প্রজাতির জীবের আগমন
  • গ) সামাজিক অন্যায়
  • ঘ) ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব

উত্তর: খ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের অপ্রত্যাশিত ফল বা নতুন প্রজাতির জীবের আগমন

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে প্রায়শই তাঁর নিজের আবিষ্কারের অপ্রত্যাশিত ফলাফল অথবা অজানা বা নতুন প্রজাতির জীবের আগমনের মতো সমস্যা দেখা যায়।

১০৭. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিগুলি সাধারণত কী দিয়ে শুরু হয়?

  • ক) একটি কবিতার লাইন দিয়ে
  • খ) একটি নির্দিষ্ট তারিখ এবং দিনের ঘটনা দিয়ে
  • গ) একটি বৈজ্ঞানিক সূত্র দিয়ে
  • ঘ) লেখকের ব্যক্তিগত অনুভূতি দিয়ে

উত্তর: খ) একটি নির্দিষ্ট তারিখ এবং দিনের ঘটনা দিয়ে

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিগুলি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট তারিখ এবং সেই দিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দিয়ে শুরু হয়, যা ডায়েরির প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১০৮. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কীসের বর্ণনা খুব বেশি গুরুত্ব পায় না?

  • ক) ভৌগোলিক অবস্থান
  • খ) বিজ্ঞান ও আবিষ্কার
  • গ) চরিত্রগুলির ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্ক
  • ঘ) রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চার

উত্তর: গ) চরিত্রগুলির ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্ক

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে চরিত্রগুলির ব্যক্তিগত জীবন বা তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের গভীর বিশ্লেষণ তেমন গুরুত্ব পায় না, বরং বিজ্ঞান ও অ্যাডভেঞ্চারই মুখ্য থাকে।

১০৯. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণার মূল উদ্দেশ্য কী?

  • ক) কেবল ব্যক্তিগত খ্যাতি অর্জন
  • খ) প্রকৃতির অজানা রহস্য উন্মোচন ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টি
  • গ) সম্পদ আহরণ
  • ঘ) সামরিক শক্তি বৃদ্ধি

উত্তর: খ) প্রকৃতির অজানা রহস্য উন্মোচন ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টি

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃতির অজানা রহস্য উন্মোচন করা এবং এর মাধ্যমে নতুন বৈজ্ঞানিক জ্ঞান সৃষ্টি করা।

১১০. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কোন ধরনের ঘটনার ঘনঘটা থাকে?

  • ক) ঐতিহাসিক ঘটনা
  • খ) রোমাঞ্চকর ও অপ্রত্যাশিত বৈজ্ঞানিক ঘটনা
  • গ) সামাজিক ঘটনা
  • ঘ) রাজনৈতিক ঘটনা

উত্তর: খ) রোমাঞ্চকর ও অপ্রত্যাশিত বৈজ্ঞানিক ঘটনা

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে রোমাঞ্চকর এবং প্রায়শই অপ্রত্যাশিত বৈজ্ঞানিক ঘটনার ঘনঘটা থাকে, যা পাঠককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে।

১১১. সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে যে কল্পবিজ্ঞানের পরিবেশ তৈরি করেছেন, তা কেমন?

  • ক) ভীতিপ্রদ ও অন্ধকারাচ্ছন্ন
  • খ) কৌতুকপূর্ণ ও আকর্ষণীয়
  • গ) মনমরা ও হতাশাজনক
  • ঘ) শুধুমাত্র শিক্ষামূলক

উত্তর: খ) কৌতুকপূর্ণ ও আকর্ষণীয়

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে হাস্যরস এবং কৌতূহল দিয়ে ভরা একটি আকর্ষণীয় কল্পবিজ্ঞানের পরিবেশ তৈরি করেছেন।

১১২. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’র মাধ্যমে সত্যজিৎ রায় কী ধরনের বার্তা দিতে চেয়েছেন?

  • ক) বিজ্ঞানের অপব্যবহারের বিপদ
  • খ) বিজ্ঞান মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ হতে পারে, যদি তা সঠিকভাবে পরিচালিত হয়
  • গ) বিজ্ঞানীদের একাকী জীবন
  • ঘ) বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা

উত্তর: খ) বিজ্ঞান মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ হতে পারে, যদি তা সঠিকভাবে পরিচালিত হয়

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় এই গল্পের মাধ্যমে বিজ্ঞানের ইতিবাচক দিক এবং মানবজাতির কল্যাণে তার অসীম সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে চেয়েছেন।

১১৩. এই গ্রন্থের ভাষা পাঠকদের মনে কোন ধরনের প্রভাব ফেলে?

  • ক) জটিলতার কারণে বিরক্তি
  • খ) সরলতা ও গতিশীলতার কারণে আনন্দ ও কৌতূহল
  • গ) কঠিন শব্দের কারণে বিভ্রান্তি
  • ঘ) আবেগের আতিশয্য

উত্তর: খ) সরলতা ও গতিশীলতার কারণে আনন্দ ও কৌতূহল

বিস্তারিত উত্তর: এই গ্রন্থের সরল ও গতিশীল ভাষা পাঠকদের মনে আনন্দ এবং নতুন কিছু জানার কৌতূহল জাগিয়ে তোলে।

১১৪. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কিসের সমন্বয় দেখা যায়?

  • ক) ইতিহাস ও ভূগোল
  • খ) বিজ্ঞান ও অ্যাডভেঞ্চার
  • গ) সাহিত্য ও রাজনীতি
  • ঘ) দর্শন ও ধর্ম

উত্তর: খ) বিজ্ঞান ও অ্যাডভেঞ্চার

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে বিজ্ঞানসম্মত ধারণা এবং রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারের এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।

১১৫. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ বাংলা সাহিত্যে কী হিসেবে উল্লেখযোগ্য?

  • ক) একটি নতুন ধারার সূচনা
  • খ) কল্পবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক
  • গ) ঐতিহাসিক ঘটনার নির্ভুল বিবরণ
  • ঘ) শুধুমাত্র ছোটদের জন্য একটি গ্রন্থ

উত্তর: খ) কল্পবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক

বিস্তারিত উত্তর: ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ বাংলা সাহিত্যে কল্পবিজ্ঞান ধারাকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

১১৬. সত্যজিৎ রায়কে কোন দেশের চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন?

  • ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • খ) ভারত
  • গ) যুক্তরাজ্য
  • ঘ) ফ্রান্স

উত্তর: খ) ভারত

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় ভারত থেকে তাঁর চলচ্চিত্র পরিচালনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।

১১৭. সত্যজিৎ রায় কোন বিখ্যাত সাহিত্যিক পরিবারের সন্তান ছিলেন?

  • ক) ঠাকুর পরিবার
  • খ) রায় পরিবার (উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায়)
  • গ) বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার
  • ঘ) চট্টোপাধ্যায় পরিবার

উত্তর: খ) রায় পরিবার (উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায়)

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় বিখ্যাত রায় পরিবারের সন্তান ছিলেন, যেখানে তাঁর পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং পিতা সুকুমার রায় ছিলেন বাংলার একনিষ্ঠ সাহিত্যিক ও শিল্পী।

১১৮. সত্যজিৎ রায়ের লেখার ধরন কেমন?

  • ক) কঠিন ও জটিল
  • খ) সহজবোধ্য ও রসবোধ সম্পন্ন
  • গ) দার্শনিক ও গভীর
  • ঘ) প্রতীকী ও রূপকধর্মী

উত্তর: খ) সহজবোধ্য ও রসবোধ সম্পন্ন

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের লেখার ধরন সহজবোধ্য, সাবলীল এবং রসবোধ সম্পন্ন, যা তাঁর গল্পগুলিকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

১১৯. সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রগুলির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক) হলিউডের অনুকরণ
  • খ) বাস্তবতার নিপুণ চিত্রণ ও মানবিকতা
  • গ) শুধুমাত্র কাল্পনিক কাহিনী
  • ঘ) গ্ল্যামার ও তারকা নির্ভরতা

উত্তর: খ) বাস্তবতার নিপুণ চিত্রণ ও মানবিকতা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রগুলির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানবজীবনের গভীর বাস্তবতাকে নিপুণভাবে তুলে ধরা এবং মানবিক অনুভূতিগুলিকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে উপস্থাপন করা।

১২০. সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট অন্য একটি জনপ্রিয় চরিত্র হলো?

  • ক) ফেলুদা
  • খ) কাকাবাবু
  • গ) ঘনাদা
  • ঘ) তিন গোয়েন্দা

উত্তর: ক) ফেলুদা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট ফেলুদা বাংলা সাহিত্যের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র, যা কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক সকলের কাছেই সমানভাবে আদৃত।

১২১. “আমার মস্তিষ্কের কোষে কোষে বিদ্যুতের ঝলক বইছিল।” – এই বাক্যে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) শঙ্কু ইলেকট্রিক শক খেয়েছিলেন
  • খ) তিনি খুব দ্রুত এবং গভীরভাবে চিন্তা করছিলেন
  • গ) তার মাথা ব্যাথা করছিল
  • ঘ) তিনি উত্তেজিত ছিলেন

উত্তর: খ) তিনি খুব দ্রুত এবং গভীরভাবে চিন্তা করছিলেন

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর প্রখর চিন্তাশক্তি এবং দ্রুতগতিতে নতুন ধারণা তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।

১২২. “অবিনাশবাবুর সন্দেহ প্রবণতা মাঝে মাঝে আমাকে হাসায়।” – ‘সন্দেহ প্রবণতা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) বিশ্বাস করার প্রবণতা
  • খ) অবিশ্বাস বা সন্দেহ করার প্রবণতা
  • গ) ভুলে যাওয়ার প্রবণতা
  • ঘ) মজা করার প্রবণতা

উত্তর: খ) অবিশ্বাস বা সন্দেহ করার প্রবণতা

বিস্তারিত উত্তর: ‘সন্দেহ প্রবণতা’ বলতে বোঝায় সহজেই কোনো কিছু বিশ্বাস না করে সন্দেহ করা বা অবিশ্বাস পোষণ করা, যা অবিনাশবাবুর চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

১২৩. “আমার ডায়েরির পাতাগুলোয় বিপদ ঘনাচ্ছিল।” – ‘বিপদ ঘনাচ্ছিল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ডায়েরি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল
  • খ) একটি বড় বিপদ আসন্ন ছিল
  • গ) ডায়েরি থেকে পাতা হারিয়ে যাচ্ছিল
  • ঘ) ডায়েরিতে ভুল লেখা ছিল

উত্তর: খ) একটি বড় বিপদ আসন্ন ছিল

বিস্তারিত উত্তর: ‘বিপদ ঘনাচ্ছিল’ একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো একটি বড় বিপদ বা প্রতিকূল পরিস্থিতি ক্রমশ ঘনিয়ে আসছিল বা আসন্ন ছিল।

১২৪. “প্রহ্লাদ ভয়ে দু’হাতে কান চাপা দিল।” – এই উক্তির মাধ্যমে প্রহ্লাদের কোন মানসিক অবস্থা প্রকাশ পায়?

  • ক) রাগ
  • খ) অসহায়তা ও প্রচণ্ড ভয়
  • গ) উদাসীনতা
  • ঘ) ঘুমের অভাব

উত্তর: খ) অসহায়তা ও প্রচণ্ড ভয়

বিস্তারিত উত্তর: প্রচণ্ড ভয় বা আতঙ্কের মুহূর্তে মানুষ প্রায়শই চোখ বা কান চেপে ধরে, যা প্রহ্লাদের অসহায়তা ও তীব্র ভয়কে প্রকাশ করে।

১২৫. “আমার এই আবিষ্কার হয়তো পৃথিবীর চেহারা বদলে দেবে।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়?

  • ক) কল্পনাপ্রবণতা
  • খ) উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও আত্মবিশ্বাস
  • গ) ঔদ্ধত্য
  • ঘ) অসাবধানতা

উত্তর: খ) উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও আত্মবিশ্বাস

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর অসীম উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং তাঁর আবিষ্কারের ক্ষমতা সম্পর্কে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসকে প্রকাশ করে, যা বিশ্বের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

১২৬. “নিউটন আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল।” – ‘অপলক দৃষ্টি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) চোখের পলক না ফেলে
  • খ) রাগ নিয়ে
  • গ) দুঃখ নিয়ে
  • ঘ) ঘুমিয়ে

উত্তর: ক) চোখের পলক না ফেলে

বিস্তারিত উত্তর: ‘অপলক দৃষ্টি’ মানে হলো চোখের পলক না ফেলে একটানা তাকিয়ে থাকা, যা নিউটনের গভীর মনোযোগ বা কৌতূহলকে বোঝায়।

১২৭. “আমার ল্যাবরেটরিই আমার স্বর্গ।” – এই বাক্যের মাধ্যমে শঙ্কুর কোন মানসিকতা প্রকাশ পায়?

  • ক) তিনি ল্যাবরেটরি ছাড়া থাকতে পারেন না
  • খ) ল্যাবরেটরি তার সবচেয়ে প্রিয় স্থান ও কাজের উৎস
  • গ) তিনি একা থাকতে পছন্দ করেন
  • ঘ) তিনি প্রকৃতি ভালোবাসেন না

উত্তর: খ) ল্যাবরেটরি তার সবচেয়ে প্রিয় স্থান ও কাজের উৎস

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর কাছে তাঁর ল্যাবরেটরির গুরুত্বকে প্রকাশ করে, যেখানে তিনি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য এবং আনন্দ অনুভব করেন। এটি তার কাজের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রতীক।

১২৮. “অবিনাশবাবুর মন্তব্য আমাকে প্রায়শই বিরক্ত করে।” – এখানে ‘বিরক্ত করে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) রাগিয়ে তোলে
  • খ) কাজে বাধা দেয়
  • গ) মন খারাপ করে দেয়
  • ঘ) জ্বালাতন করে বা অস্থির করে তোলে

উত্তর: ঘ) জ্বালাতন করে বা অস্থির করে তোলে

বিস্তারিত উত্তর: ‘বিরক্ত করা’ মানে হলো মনকে জ্বালাতন করা বা অস্থির করে তোলা, যা অবিনাশবাবুর অপ্রয়োজনীয় বা ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের কারণে ঘটে।

১২৯. “আমার হাতে আর সময় নেই, মিশন শেষ করতেই হবে।” – ‘মিশন শেষ করতে হবে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ব্যক্তিগত কাজ শেষ করা
  • খ) কোনো গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বা অভিযানিক লক্ষ্য পূরণ করা
  • গ) অফিসিয়াল কাজ শেষ করা
  • ঘ) একটি ভ্রমণ শেষ করা

উত্তর: খ) কোনো গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বা অভিযানিক লক্ষ্য পূরণ করা

বিস্তারিত উত্তর: ‘মিশন শেষ করা’ বলতে প্রফেসর শঙ্কুর কোনো গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক লক্ষ্য বা কোনো অভিযানিক কাজ সম্পন্ন করাকে বোঝায়, যা প্রায়শই সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার প্রয়োজন হয়।

১৩০. “গিরিডির বাতাস আজও বিশুদ্ধ।” – এই উক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?

  • ক) লেখকের প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি সচেতনতা
  • খ) শঙ্কুর প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা
  • গ) গিরিডির দূষণহীন পরিবেশের বর্ণনা
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: গ) গিরিডির দূষণহীন পরিবেশের বর্ণনা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি গিরিডির প্রাকৃতিক পরিবেশের বিশুদ্ধতা এবং দূষণমুক্ত আবহাওয়াকে তুলে ধরে, যা প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণার জন্য অনুকূল।

১৩১. প্রফেসর শঙ্কু তাঁর চরিত্রগত দিক থেকে একজন?

  • ক) স্বপ্নদর্শী বিজ্ঞানী
  • খ) ভীরু মানুষ
  • গ) লোভী ব্যক্তি
  • ঘ) সাধারণ নাগরিক

উত্তর: ক) স্বপ্নদর্শী বিজ্ঞানী

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু একজন দূরদর্শী ও স্বপ্নদর্শী বিজ্ঞানী, যিনি নিত্যনতুন আবিষ্কারের স্বপ্ন দেখেন এবং তা বাস্তবায়নে আত্মনিয়োগ করেন।

১৩২. প্রহ্লাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে কোনটি তাকে প্রফেসর শঙ্কুর বিশ্বস্ত করে তোলে?

  • ক) তার বুদ্ধিমত্তা
  • খ) তার নির্ভীকতা
  • গ) তার সরলতা ও আনুগত্য
  • ঘ) তার উদ্ভাবনী ক্ষমতা

উত্তর: গ) তার সরলতা ও আনুগত্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রহ্লাদের সরলতা, বিশ্বস্ততা এবং প্রফেসর শঙ্কুর প্রতি অটুট আনুগত্য তাকে একজন অপরিহার্য ও বিশ্বস্ত সহচরে পরিণত করেছে।

১৩৩. প্রফেসর শঙ্কুর কাছে অবিনাশবাবু কী ধরনের চরিত্র?

  • ক) একজন সহকারী
  • খ) একজন প্রতিদ্বন্দ্বী
  • গ) একজন কৌতূহলী ও মাঝে মাঝে বিরক্তিকর প্রতিবেশী
  • ঘ) একজন পরামর্শদাতা

উত্তর: গ) একজন কৌতূহলী ও মাঝে মাঝে বিরক্তিকর প্রতিবেশী

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু প্রফেসর শঙ্কুর কাছে একজন কৌতূহলী প্রতিবেশী, যিনি প্রায়শই শঙ্কুর আবিষ্কার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং মাঝে মাঝে তাকে বিরক্ত করেন।

১৩৪. নিউটনের চরিত্রটি গল্পে কীসের প্রতীক?

  • ক) সাধারণ পোষা প্রাণী
  • খ) প্রাণীদের বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সঙ্গে তাদের সংযোগের সম্ভাবনা
  • গ) বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রতি সহানুভূতি
  • ঘ) বিপদের পূর্বাভাস

উত্তর: খ) প্রাণীদের বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সঙ্গে তাদের সংযোগের সম্ভাবনা

বিস্তারিত উত্তর: নিউটনের চরিত্রটি প্রাণীদের বুদ্ধিমত্তা এবং মানুষের সাথে তাদের গভীর সংযোগের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে, বিশেষ করে যখন বিজ্ঞান এই সংযোগকে বাড়িয়ে তোলে।

১৩৫. প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারের প্রতি তার নিজের মনোভাব কেমন?

  • ক) উদাসীনতা
  • খ) আবেগহীনতা
  • গ) গর্ব ও দায়বদ্ধতা
  • ঘ) ভয়

উত্তর: গ) গর্ব ও দায়বদ্ধতা

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর আবিষ্কারের প্রতি অত্যন্ত গর্বিত এবং একই সাথে সেগুলির সঠিক ব্যবহারের প্রতি দায়বদ্ধ।

১৩৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলি সাধারণত কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়?

  • ক) প্রেম ও সম্পর্ক
  • খ) নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও তার প্রয়োগ
  • গ) সামাজিক অন্যায় ও প্রতিবাদ
  • ঘ) রাজনৈতিক উত্থান-পতন

উত্তর: খ) নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও তার প্রয়োগ

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলি মূলত নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং সেই আবিষ্কারগুলির প্রয়োগ, তার ফলাফল ও অপ্রত্যাশিত বিপদকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

১৩৭. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’র গল্পগুলিতে কোন ধরনের ঘটনার বর্ণনা প্রায়শই অনুপস্থিত?

  • ক) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের বর্ণনা
  • খ) বিপদ ও রহস্যের বর্ণনা
  • গ) ব্যক্তিগত শোক বা আনন্দ
  • ঘ) ভ্রমণের অভিজ্ঞতা

উত্তর: গ) ব্যক্তিগত শোক বা আনন্দ

বিস্তারিত উত্তর: এই ডায়েরিগুলিতে প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণা ও অভিযানের উপরই বেশি জোর দেওয়া হয়, ব্যক্তিগত জীবনের গভীর শোক বা আনন্দের মতো অনুভূতিগুলির বর্ণনা সাধারণত অনুপস্থিত থাকে।

১৩৮. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলির মূল বার্তা কী?

  • ক) বিজ্ঞান সর্বনাশের কারণ
  • খ) বিজ্ঞান মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসে
  • গ) বিজ্ঞান ও কুসংস্কারের দ্বন্দ্ব
  • ঘ) বিজ্ঞানের কোনো মূল্য নেই

উত্তর: খ) বিজ্ঞান মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসে

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলির মূল বার্তা হলো বিজ্ঞান মানবজাতির জীবনে নতুন সম্ভাবনা, জ্ঞান এবং সমাধান নিয়ে আসে।

১৩৯. এই ডায়েরিগুলি কিসের মাধ্যমে লিখিত হয়েছে?

  • ক) চিঠির মাধ্যমে
  • খ) ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে
  • গ) সংবাদপত্রের রিপোর্টের মাধ্যমে
  • ঘ) গবেষণাপত্রের মাধ্যমে

উত্তর: খ) ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে

বিস্তারিত উত্তর: ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’গুলি প্রফেসর শঙ্কুর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ এবং চিন্তাভাবনার মাধ্যমে লিখিত হয়েছে।

১৪০. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণাগুলি প্রায়শই কোথায় সম্পন্ন হয়?

  • ক) বিশ্ববিদ্যালয়
  • খ) তার ব্যক্তিগত ল্যাবরেটরি
  • গ) সরকারি গবেষণা কেন্দ্র
  • ঘ) বিদেশি গবেষণা কেন্দ্র

উত্তর: খ) তার ব্যক্তিগত ল্যাবরেটরি

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর বেশিরভাগ গবেষণা এবং আবিষ্কার তার গিরিডির ব্যক্তিগত ল্যাবরেটরিতে সম্পন্ন হয়।

১৪১. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের মূল টোন (সুর) কী?

  • ক) গুরুতর ও শোকপূর্ণ
  • খ) কৌতূহল উদ্দীপক ও রোমাঞ্চকর
  • গ) আবেগপূর্ণ ও দুঃখজনক
  • ঘ) ব্যঙ্গাত্মক ও বিদ্রূপাত্মক

উত্তর: খ) কৌতূহল উদ্দীপক ও রোমাঞ্চকর

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের মূল সুর হলো কৌতূহল জাগানো এবং রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারের মাধ্যমে পাঠককে আটকে রাখা।

১৪২. এই গল্পগুলি কোন ধরনের পাঠকদের জন্য বেশি উপযোগী?

  • ক) শুধুমাত্র বিজ্ঞানীরা
  • খ) যারা কল্পবিজ্ঞান এবং অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন
  • গ) ঐতিহাসিক ঘটনার গবেষকরা
  • ঘ) শুধুমাত্র বয়স্ক পাঠক

উত্তর: খ) যারা কল্পবিজ্ঞান এবং অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন

বিস্তারিত উত্তর: এই গল্পগুলি বিশেষভাবে তাদের জন্য উপযোগী, যারা কল্পবিজ্ঞান, নতুন আবিষ্কার এবং রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার পড়তে ভালোবাসেন।

১৪৩. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’তে কোন ধরনের সাহিত্যরস প্রাধান্য পায়?

  • ক) করুণ রস
  • খ) হাস্যরস ও বিস্ময়রস
  • গ) শান্ত রস
  • ঘ) ভয়ানক রস

উত্তর: খ) হাস্যরস ও বিস্ময়রস

বিস্তারিত উত্তর: এই গ্রন্থে হাস্যরস (অবিনাশবাবুর মাধ্যমে) এবং বিস্ময়রস (অভাবনীয় আবিষ্কার ও ঘটনার মাধ্যমে) প্রাধান্য পায়।

১৪৪. সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পে যে বিজ্ঞানভিত্তিক ধারণা ব্যবহার করেছেন, তা কেমন?

  • ক) সম্পূর্ণরূপে অবাস্তব
  • খ) বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে কল্পনার মিশ্রণ
  • গ) শুধুমাত্র তাত্ত্বিক
  • ঘ) পুরনো দিনের বিজ্ঞান

উত্তর: খ) বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে কল্পনার মিশ্রণ

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় বাস্তব বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলোর উপর ভিত্তি করে তাঁর কল্পনার মিশেল ঘটিয়েছেন, যা গল্পগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য ও আকর্ষণীয় করে তোলে।

১৪৫. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলির দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার কারণ কী?

  • ক) এর গভীর দার্শনিক ভিত্তি
  • খ) এর চিরন্তন কৌতূহল, অ্যাডভেঞ্চার এবং বিজ্ঞানমনস্কতা
  • গ) এর রাজনৈতিক বার্তা
  • ঘ) এর প্রাচীন ভাষার ব্যবহার

উত্তর: খ) এর চিরন্তন কৌতূহল, অ্যাডভেঞ্চার এবং বিজ্ঞানমনস্কতা

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলির দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার কারণ হলো তাদের চিরন্তন কৌতূহল, রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার এবং বিজ্ঞানমনস্কতা, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পাঠকদের আকর্ষণ করে।

১৪৬. সত্যজিৎ রায় প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন কত সালে?

  • ক) ১৯৫০
  • খ) ১৯৫৫
  • গ) ১৯৬০
  • ঘ) ১৯৬৫

উত্তর: খ) ১৯৫৫

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ ১৯৫৫ সালে মুক্তি দেন।

১৪৭. সত্যজিৎ রায়ের উপাধি কী ছিল?

  • ক) মহারাজা
  • খ) দেশিকোত্তম
  • গ) পথের পাঁচালী
  • ঘ) মাস্টারমাইন্ড

উত্তর: খ) দেশিকোত্তম

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশিকোত্তম উপাধি লাভ করেন।

১৪৮. সত্যজিৎ রায়ের লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক) ভাষার জটিলতা
  • খ) চরিত্রগুলির মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
  • গ) সহজবোধ্যতা ও গল্পের গতিশীলতা
  • ঘ) প্রচুর উপমা ও রূপকের ব্যবহার

উত্তর: গ) সহজবোধ্যতা ও গল্পের গতিশীলতা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়ের লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সহজবোধ্য ভাষা এবং গল্পের দ্রুত ও আকর্ষণীয় গতিশীলতা।

১৪৯. সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পগুলিতে কোন ধরনের ছবি আঁকতেন?

  • ক) কার্টুন ছবি
  • খ) প্রচ্ছদ ও ইলাস্ট্রেশন
  • গ) ক্যালিগ্রাফি
  • ঘ) বিমূর্ত ছবি

উত্তর: খ) প্রচ্ছদ ও ইলাস্ট্রেশন

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর নিজের লেখা বইগুলির জন্য প্রচ্ছদ ও ইলাস্ট্রেশন (ছবি) নিজেই আঁকতেন, যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেয়।

১৫০. সত্যজিৎ রায়কে বিশ্ব চলচ্চিত্র জগতে কী হিসেবে স্মরণ করা হয়?

  • ক) একজন শুধুমাত্র ভারতীয় পরিচালক
  • খ) একজন সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে একজন
  • গ) একজন বিনোদনমূলক পরিচালক
  • ঘ) একজন প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা

উত্তর: খ) একজন সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে একজন

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায়কে বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা নির্মাতাদের মধ্যে একজন হিসেবে স্মরণ করা হয়, তাঁর কাজ আজও বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করে।

১৫১. “আমার যন্ত্রপাতির প্রতি অগাধ বিশ্বাস।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন মানসিকতা প্রকাশ পায়?

  • ক) গর্ব
  • খ) তার বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতা ও দক্ষতার প্রতি দৃঢ় আস্থা
  • গ) অন্ধ বিশ্বাস
  • ঘ) প্রযুক্তির প্রতি নির্ভরশীলতা

উত্তর: খ) তার বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতা ও দক্ষতার প্রতি দৃঢ় আস্থা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর নিজস্ব তৈরি যন্ত্রপাতির নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে তাঁর গভীর বিশ্বাসকে তুলে ধরে, যা তাঁর আত্মবিশ্বাসের পরিচায়ক।

১৫২. “অবিনাশবাবু সব সময় আমার সঙ্গে তর্কে প্রবৃত্ত হন।” – ‘তর্কে প্রবৃত্ত হওয়া’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) আলোচনায় অংশগ্রহণ করা
  • খ) ঝগড়া করা
  • গ) কোনো বিষয়ে যুক্তি দিয়ে বিতর্ক করা
  • ঘ) বিরোধিতা করা

উত্তর: গ) কোনো বিষয়ে যুক্তি দিয়ে বিতর্ক করা

বিস্তারিত উত্তর: ‘তর্কে প্রবৃত্ত হওয়া’ মানে হলো কোনো বিষয়ে মতবিরোধের কারণে যুক্তিপূর্ণ আলোচনা বা বিতর্কে অংশ নেওয়া, যা অবিনাশবাবুর স্বভাবের একটি দিক।

১৫৩. “আমার ডায়েরিতে এক অদ্ভুত ঘটনার বিবরণ লিখলাম।” – ‘অদ্ভুত ঘটনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) সাধারণ দৈনন্দিন ঘটনা
  • খ) অপ্রত্যাশিত, রহস্যময় বা অস্বাভাবিক ঘটনা
  • গ) দুঃখজনক ঘটনা
  • ঘ) মজার ঘটনা

উত্তর: খ) অপ্রত্যাশিত, রহস্যময় বা অস্বাভাবিক ঘটনা

বিস্তারিত উত্তর: ‘অদ্ভুত ঘটনা’ বলতে সাধারণত अप्रत्याशित, রহস্যময় বা স্বাভাবিকের চেয়ে অস্বাভাবিক কোনো ঘটনাকে বোঝায়, যা প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিতে প্রায়শই স্থান পায়।

১৫৪. “প্রহ্লাদ ভয়ে নীল হয়ে গিয়েছিল।” – ‘ভয়ে নীল হয়ে যাওয়া’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) সে ঠান্ডা অনুভব করছিল
  • খ) তার ত্বকের রঙ নীল হয়ে গিয়েছিল
  • গ) সে প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিল, যার কারণে তার চেহারা ফ্যাকাশে বা অসুস্থ দেখাচ্ছিল
  • ঘ) সে সাঁতার কাটছিল

উত্তর: গ) সে প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিল, যার কারণে তার চেহারা ফ্যাকাশে বা অসুস্থ দেখাচ্ছিল

বিস্তারিত উত্তর: ‘ভয়ে নীল হয়ে যাওয়া’ একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো তীব্র ভয় বা আতঙ্কের কারণে রক্তচাপ কমে গিয়ে চেহারা ফ্যাকাশে বা ফ্যাকাসে নীলচে হয়ে যাওয়া।

১৫৫. “আমার এই গবেষণা বিশ্বকে নতুন আলো দেখাবে।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন আবেগ প্রকাশ পায়?

  • ক) গর্ব
  • খ) উচ্চাশা ও আশাবাদ
  • গ) অহংকার
  • ঘ) নির্লিপ্ততা

উত্তর: খ) উচ্চাশা ও আশাবাদ

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর অসীম উচ্চাশা এবং তাঁর গবেষণার ভবিষ্যৎ প্রভাব সম্পর্কে গভীর আশাবাদকে প্রকাশ করে।

১৫৬. “নিউটন একটি অস্বাভাবিক শব্দ শুনে সতর্ক হয়ে উঠল।” – ‘সতর্ক হয়ে উঠল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ঘুমিয়ে পড়ল
  • খ) ভয় পেল
  • গ) মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুত হলো বা মনোযোগী হলো
  • ঘ) পালিয়ে গেল

উত্তর: গ) মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুত হলো বা মনোযোগী হলো

বিস্তারিত উত্তর: ‘সতর্ক হয়ে উঠল’ মানে হলো কোনো বিপদ বা অস্বাভাবিকতার আশঙ্কায় মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া বা মনোযোগী হওয়া, যা নিউটনের তীক্ষ্ণ ইন্দ্রিয়কে বোঝায়।

১৫৭. “আমার ল্যাবরেটরিতে নিরন্তর নতুন কিছু সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলে।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়?

  • ক) অস্থিরতা
  • খ) উদ্ভাবনী শক্তি ও কর্মনিষ্ঠা
  • গ) বিশৃঙ্খলা
  • ঘ) মানসিক চাপ

উত্তর: খ) উদ্ভাবনী শক্তি ও কর্মনিষ্ঠা

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর অদম্য উদ্ভাবনী শক্তি এবং তাঁর গবেষণার প্রতি নিরন্তর কর্মনিষ্ঠাকে প্রকাশ করে।

১৫৮. “অবিনাশবাবুর রসিকতা আমাকে মাঝে মাঝে হাসায়।” – ‘রসিকতা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) ব্যঙ্গ
  • খ) মজা বা পরিহাস
  • গ) সমালোচনা
  • ঘ) উপদেশ

উত্তর: খ) মজা বা পরিহাস

বিস্তারিত উত্তর: ‘রসিকতা’ মানে হলো হাস্যরস সৃষ্টিকারী কথা বা পরিহাস, যা অবিনাশবাবুর চরিত্রে প্রায়শই দেখা যায়।

১৫৯. “আমার ডায়েরি আমার গোপনীয়তার একমাত্র সঙ্গী।” – এই উক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?

  • ক) শঙ্কু খুব গোপনীয়তা রক্ষা করেন
  • খ) ডায়েরিতে শঙ্কু তার ব্যক্তিগত সব কথা লেখেন
  • গ) ডায়েরি তার নির্জন জীবনের অংশ
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: ঘ) সবকটি

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি তার গুরুত্ব, ডায়েরিকে তার একান্ত সঙ্গী হিসেবে দেখা, এবং নির্জন জীবনে তার অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ডায়েরির ভূমিকাকে তুলে ধরে।

১৬০. “আমি প্রতিকূলতার মুখেও অবিচল ছিলাম।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন গুণটি প্রকাশ পায়?

  • ক) ভীরুতা
  • খ) দৃঢ়তা ও ধৈর্য
  • গ) ঔদ্ধত্য
  • ঘ) উদাসীনতা

উত্তর: খ) দৃঢ়তা ও ধৈর্য

বিস্তারিত উত্তর: ‘অবিচল’ থাকা মানে হলো কঠিন পরিস্থিতিতেও বিচলিত না হয়ে দৃঢ় ও ধৈর্যশীল থাকা, যা প্রফেসর শঙ্কুর চারিত্রিক শক্তিকে প্রকাশ করে।

১৬১. প্রফেসর শঙ্কুর কাছে নিউটনের ভূমিকা কী?

  • ক) শুধুমাত্র একটি সাধারণ পোষা প্রাণী
  • খ) একটি অনুগত সহচর ও প্রায়শই একটি সহকারী
  • গ) একটি পরীক্ষামূলক প্রাণী
  • ঘ) গল্পের একজন নীরব দর্শক

উত্তর: খ) একটি অনুগত সহচর ও প্রায়শই একটি সহকারী

বিস্তারিত উত্তর: নিউটন প্রফেসর শঙ্কুর কাছে শুধুমাত্র একটি পোষ্য নয়, সে তার অনুগত সহচর এবং অনেক সময় অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সহকারী হিসেবেও কাজ করে।

১৬২. অবিনাশবাবুর চরিত্রের দুর্বলতা কী?

  • ক) জ্ঞানহীনতা
  • খ) কুসংস্কারাচ্ছন্নতা ও অবিশ্বাস প্রবণতা
  • গ) হিংসা
  • ঘ) অলসতা

উত্তর: খ) কুসংস্কারাচ্ছন্নতা ও অবিশ্বাস প্রবণতা

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবুর চরিত্রের একটি দুর্বলতা হলো কুসংস্কারাচ্ছন্নতা এবং বিজ্ঞান ও নতুন আবিষ্কারের প্রতি সহজে বিশ্বাস করতে না পারার প্রবণতা।

১৬৩. প্রহ্লাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কোনটি তাকে শঙ্কুর বিশ্বস্ত করে তোলে?

  • ক) তার হাস্যরস
  • খ) তার কর্মদক্ষতা
  • গ) তার বিশ্বস্ততা ও শঙ্কুর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য
  • ঘ) তার বুদ্ধিমত্তা

উত্তর: গ) তার বিশ্বস্ততা ও শঙ্কুর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রহ্লাদের অটুট বিশ্বস্ততা এবং প্রফেসর শঙ্কুর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য তাকে শঙ্কুর জীবনে এক অপরিহার্য চরিত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

১৬৪. প্রফেসর শঙ্কু কেন গিরিডিতে বসবাস করেন?

  • ক) সেখানে তার জন্মস্থান
  • খ) গবেষণার জন্য নিরিবিলি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য
  • গ) সেখানে তার প্রচুর জমি আছে
  • ঘ) আত্মীয়দের কাছাকাছি থাকার জন্য

উত্তর: খ) গবেষণার জন্য নিরিবিলি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু গিরিডির শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে তাঁর গবেষণা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারেন, তাই তিনি সেখানে বসবাস করেন।

১৬৫. প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের মূল মন্ত্র কী?

  • ক) অর্থ উপার্জন
  • খ) জ্ঞান অর্জন ও নতুন আবিষ্কার
  • গ) খ্যাতি অর্জন
  • ঘ) ভ্রমণ

উত্তর: খ) জ্ঞান অর্জন ও নতুন আবিষ্কার

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের মূল মন্ত্র হলো অবিরাম জ্ঞান অর্জন করা এবং নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবজাতির কল্যাণে কাজ করা।

১৬৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কীসের বর্ণনা খুব জীবন্তভাবে উঠে আসে?

  • ক) সামাজিক সমস্যা
  • খ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের বিস্তারিত প্রক্রিয়া ও অ্যাডভেঞ্চার
  • গ) রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
  • ঘ) প্রেম কাহিনী

উত্তর: খ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের বিস্তারিত প্রক্রিয়া ও অ্যাডভেঞ্চার

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের খুঁটিনাটি প্রক্রিয়া এবং তাঁর রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারগুলির বর্ণনা অত্যন্ত জীবন্তভাবে উঠে আসে।

১৬৭. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরি লেখার উদ্দেশ্য কী?

  • ক) ব্যক্তিগত স্মৃতি ধরে রাখা
  • খ) তার আবিষ্কার ও অভিযানের বিবরণ লিপিবদ্ধ করা
  • গ) ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞান দান করা
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: খ) তার আবিষ্কার ও অভিযানের বিবরণ লিপিবদ্ধ করা

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রক্রিয়া, ফলাফল এবং তার বিভিন্ন অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ করার উদ্দেশ্যেই ডায়েরি লেখেন।

১৬৮. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে প্রায়শই দেখা যায় যে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যান। এর কারণ কী?

  • ক) ছুটি কাটাতে
  • খ) বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজনে বা কোনো রহস্যের উন্মোচনে
  • গ) বিভিন্ন সংস্কৃতি জানতে
  • ঘ) বন্ধুদের সাথে দেখা করতে

উত্তর: খ) বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজনে বা কোনো রহস্যের উন্মোচনে

বিস্তারিত উত্তর: শঙ্কুর বিশ্বজুড়ে ভ্রমণগুলি তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন, অজানা রহস্যের উন্মোচন অথবা বিশেষ কোনো অনুসন্ধানের কারণেই ঘটে থাকে।

১৬৯. প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারগুলি সমাজে কী ধরনের প্রভাব ফেলে?

  • ক) কোনো প্রভাব ফেলে না
  • খ) প্রায়শই অপ্রত্যাশিত বা যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে
  • গ) নেতিবাচক প্রভাব ফেলে
  • ঘ) মানুষের জীবনে জটিলতা বাড়ায়

উত্তর: খ) প্রায়শই অপ্রত্যাশিত বা যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারগুলি প্রায়শই অপ্রত্যাশিত বা যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে, যা মানবজাতির জন্য নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করে।

১৭০. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলির মাধ্যমে সত্যজিৎ রায় কী ধরনের বার্তা দেন?

  • ক) মানবতা ধ্বংসের বার্তা
  • খ) বিজ্ঞানের প্রতি আশা ও সম্ভাবনার বার্তা
  • গ) কুসংস্কারের বার্তা
  • ঘ) অতীতের গৌরব

উত্তর: খ) বিজ্ঞানের প্রতি আশা ও সম্ভাবনার বার্তা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের মাধ্যমে বিজ্ঞানকে মানবজাতির জন্য আশা ও সম্ভাবনার উৎস হিসেবে উপস্থাপন করেন।

১৭১. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে হাস্যরস কিভাবে তৈরি হয়?

  • ক) মূল চরিত্রের বোকামির মাধ্যমে
  • খ) অবিনাশবাবুর চরিত্র ও তাঁর ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে
  • গ) দুঃখজনক পরিস্থিতি থেকে
  • ঘ) ভয়ের পরিবেশ থেকে

উত্তর: খ) অবিনাশবাবুর চরিত্র ও তাঁর ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে

বিস্তারিত উত্তর: গল্পের হাস্যরস মূলত অবিনাশবাবুর সন্দেহ প্রবণতা এবং তাঁর বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রতি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে তৈরি হয়।

১৭২. ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’র জনপ্রিয়তার পেছনে অন্যতম কারণ কী?

  • ক) লেখকের ব্যক্তিগত জীবন
  • খ) কল্পবিজ্ঞান, অ্যাডভেঞ্চার এবং কৌতূহলপূর্ণ বিষয়বস্তুর সফল মিশ্রণ
  • গ) শিক্ষামূলক মূল্য
  • ঘ) ঐতিহাসিক নির্ভুলতা

উত্তর: খ) কল্পবিজ্ঞান, অ্যাডভেঞ্চার এবং কৌতূহলপূর্ণ বিষয়বস্তুর সফল মিশ্রণ

বিস্তারিত উত্তর: এই গ্রন্থের জনপ্রিয়তার মূল কারণ হলো কল্পবিজ্ঞান, রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার এবং কৌতূহল উদ্দীপক বিষয়বস্তুর এক অসাধারণ মিশ্রণ।

১৭৩. এই গ্রন্থটি পাঠকদের মধ্যে কোন ধরনের আগ্রহ তৈরি করে?

  • ক) ইতিহাস জানার
  • খ) বিজ্ঞান ও নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে জানার
  • গ) মানুষের সম্পর্কের জটিলতা জানার
  • ঘ) সামাজিক সমস্যা জানার

উত্তর: খ) বিজ্ঞান ও নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে জানার

বিস্তারিত উত্তর: এই গ্রন্থটি পাঠকদের মধ্যে বিজ্ঞান, নতুন আবিষ্কার এবং অজানা রহস্য সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি করে।

১৭৪. সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পে যে কল্পনার ব্যবহার করেছেন, তা কেমন?

  • ক) বাস্তবের থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন
  • খ) বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে যুক্তিগ্রাহ্য ও বিশ্বাসযোগ্য
  • গ) শুধুমাত্র শিশুদের জন্য
  • ঘ) অলীক ও ভিত্তিহীন

উত্তর: খ) বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে যুক্তিগ্রাহ্য ও বিশ্বাসযোগ্য

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পে বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে যুক্তিগ্রাহ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য কল্পনা ব্যবহার করেছেন, যা পাঠকদের আকর্ষণ করে।

১৭৫. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলি বাংলা সাহিত্যে কী প্রভাব ফেলেছে?

  • ক) এটি একটি নতুন সাহিত্য ধারার জন্ম দিয়েছে
  • খ) এটি কল্পবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করেছে এবং অসংখ্য লেখককে অনুপ্রাণিত করেছে
  • গ) এটি শিশুদের সাহিত্যকে সীমাবদ্ধ করেছে
  • ঘ) এটি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর পাঠকের জন্য লেখা হয়েছিল

উত্তর: খ) এটি কল্পবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করেছে এবং অসংখ্য লেখককে অনুপ্রাণিত করেছে

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলি বাংলা সাহিত্যে কল্পবিজ্ঞান ধারাকে জনপ্রিয় করেছে এবং অনেক নতুন লেখককে এই ধারায় লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে।

১৭৬. সত্যজিৎ রায় তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য কোন পুরস্কার পেয়েছিলেন?

  • ক) বুকার পুরস্কার
  • খ) সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার
  • গ) পুলিৎজার পুরস্কার
  • ঘ) জ্ঞানপীঠ পুরস্কার

উত্তর: খ) সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।

১৭৭. সত্যজিৎ রায়ের বহুমুখী প্রতিভার অন্যতম দিক কী ছিল?

  • ক) একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে
  • খ) চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক, চিত্রকর ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে
  • গ) বিজ্ঞানী হিসেবে
  • ঘ) ক্রীড়াবিদ হিসেবে

উত্তর: খ) চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক, চিত্রকর ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব, যিনি চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক, চিত্রকর এবং সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

১৭৮. সত্যজিৎ রায়ের গল্পে চরিত্র সৃষ্টির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক) চরিত্রগুলির জটিল মানসিক দ্বন্দ্ব
  • খ) বাস্তবসম্মত ও প্রাণবন্ত চরিত্র সৃষ্টি
  • গ) শুধুমাত্র কাল্পনিক চরিত্র
  • ঘ) ফ্ল্যাট চরিত্র

উত্তর: খ) বাস্তবসম্মত ও প্রাণবন্ত চরিত্র সৃষ্টি

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পে বাস্তবসম্মত এবং প্রাণবন্ত চরিত্র সৃষ্টিতে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন, যা পাঠককে সহজেই চরিত্রের সঙ্গে পরিচিত হতে সাহায্য করে।

১৭৯. সত্যজিৎ রায়ের লেখা ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ কোন ধরনের প্রকাশনা?

  • ক) মাসিক পত্রিকা
  • খ) উপন্যাস
  • গ) ছোট গল্পের সংকলন
  • ঘ) প্রবন্ধ সংকলন

উত্তর: গ) ছোট গল্পের সংকলন

বিস্তারিত উত্তর: ‘প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়েরি’ হলো প্রফেসর শঙ্কুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন ছোট গল্পের একটি সংকলন।

১৮০. সত্যজিৎ রায়ের সাহিত্যকর্মের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল?

  • ক) শুধুমাত্র আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে
  • খ) শিল্প ও সাহিত্যের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা
  • গ) খ্যাতি অর্জনের জন্য
  • ঘ) অবসর বিনোদন

উত্তর: খ) শিল্প ও সাহিত্যের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা

বিস্তারিত উত্তর: সত্যজিৎ রায় তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতি শিল্প ও সাহিত্যের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতেন, যা তাঁর লেখার গুণমানকে প্রতিফলিত করে।

১৮১. “আমার মস্তিষ্কের জট খুলছিল ধীরে ধীরে।” – এই বাক্যে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) শঙ্কু অসুস্থ ছিলেন
  • খ) তিনি একটি জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে পাচ্ছিলেন
  • গ) তিনি ঘুম থেকে উঠছিলেন
  • ঘ) তার চুল জট পাকিয়েছিল

উত্তর: খ) তিনি একটি জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে পাচ্ছিলেন

বিস্তারিত উত্তর: ‘মস্তিষ্কের জট খোলা’ বলতে বোঝায় একটি জটিল সমস্যা বা রহস্যের সমাধান ধীরে ধীরে উন্মোচন করা বা বুঝতে পারা।

১৮২. “অবিনাশবাবু ভয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন।” – ‘চেঁচিয়ে উঠলেন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) জোরে কথা বললেন
  • খ) ভয়ে চিৎকার করলেন
  • গ) হাসি পেলো
  • ঘ) গান গাইলেন

উত্তর: খ) ভয়ে চিৎকার করলেন

বিস্তারিত উত্তর: ‘চেঁচিয়ে ওঠা’ এখানে আকস্মিক ভয় বা আতঙ্কের কারণে জোরে চিৎকার করাকে বোঝায়, যা অবিনাশবাবুর ভীতু স্বভাবের পরিচয়।

১৮৩. “আমার ডায়েরি আমার নিঃসঙ্গতার সঙ্গী।” – এই উক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?

  • ক) শঙ্কু খুব বন্ধুহীন
  • খ) শঙ্কু ডায়েরিতে তার মনের কথা লেখেন
  • গ) ডায়েরি তার মানসিক আশ্রয়
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: ঘ) সবকটি

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রকাশ করে যে ডায়েরি প্রফেসর শঙ্কুর মানসিক আশ্রয়, তার নির্জন জীবনে তার একান্ত সঙ্গী এবং তার গোপন অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা প্রকাশের মাধ্যম।

১৮৪. “প্রহ্লাদ ভয়ে কম্পমান ছিল।” – ‘কম্পমান’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) খুশি
  • খ) ভয় বা ঠান্ডায় কাঁপছিল
  • গ) উত্তেজিত
  • ঘ) অসুস্থ

উত্তর: খ) ভয় বা ঠান্ডায় কাঁপছিল

বিস্তারিত উত্তর: ‘কম্পমান’ মানে হলো কাঁপছে এমন অবস্থা, যা এখানে প্রহ্লাদের প্রচণ্ড ভয় বা আতঙ্কের কারণে শারীরিক কম্পনকে বোঝায়।

১৮৫. “আমার এই গবেষণা হয়তো ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন মানসিকতা প্রকাশ পায়?

  • ক) অহংকার
  • খ) আত্মবিশ্বাস ও দূরদৃষ্টি
  • গ) অলীক কল্পনা
  • ঘ) খ্যাতি লাভের আকাঙ্ক্ষা

উত্তর: খ) আত্মবিশ্বাস ও দূরদৃষ্টি

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রফেসর শঙ্কুর গভীর আত্মবিশ্বাস এবং তাঁর গবেষণার ভবিষ্যৎ প্রভাব সম্পর্কে দূরদৃষ্টিকে প্রকাশ করে, যা ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিতে পারে।

১৮৬. “নিউটন আমার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল।” – ‘অবাক দৃষ্টি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) রাগ ভরা দৃষ্টি
  • খ) কৌতূহল ও বিস্ময় ভরা দৃষ্টি
  • গ) ভয় পাওয়া দৃষ্টি
  • ঘ) উদাসীন দৃষ্টি

উত্তর: খ) কৌতূহল ও বিস্ময় ভরা দৃষ্টি

বিস্তারিত উত্তর: ‘অবাক দৃষ্টি’ মানে হলো আশ্চর্য বা বিস্ময়ের সাথে তাকানো, যা নিউটনের বুদ্ধিমত্তা এবং প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারের প্রতি তার কৌতূহলকে বোঝায়।

১৮৭. “আমার ল্যাবরেটরিতে প্রবেশাধিকার অত্যন্ত সীমিত।” – এর কারণ কী?

  • ক) ল্যাবরেটরিটি ছোট
  • খ) নিরাপত্তার কারণে এবং গবেষণার গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য
  • গ) শঙ্কু একা কাজ করতে পছন্দ করেন
  • ঘ) ল্যাবরেটরিটি পরিপাটি নয়

উত্তর: খ) নিরাপত্তার কারণে এবং গবেষণার গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর গবেষণার নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলির গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ল্যাবরেটরিতে প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে সীমিত রাখেন।

১৮৮. “অবিনাশবাবুর উপস্থিতি প্রায়শই আমাকে দ্বিধায় ফেলে।” – ‘দ্বিধায় ফেলে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) সাহায্য করে
  • খ) মনকে অস্থির করে বা সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়
  • গ) উত্তেজিত করে
  • ঘ) অনুপ্রাণিত করে

উত্তর: খ) মনকে অস্থির করে বা সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়

বিস্তারিত উত্তর: ‘দ্বিধায় ফেলা’ মানে হলো সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা সৃষ্টি করা বা মনকে অস্থির করে তোলা, যা অবিনাশবাবুর অপ্রয়োজনীয় মন্তব্যের কারণে শঙ্কুর ক্ষেত্রে ঘটে।

১৮৯. “আমার হাতে নতুন একটি মিশন।” – ‘মিশন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক) একটি ছুটি
  • খ) একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা অভিযান
  • গ) একটি বিনোদনমূলক কাজ
  • ঘ) একটি সাধারণ কাজ

উত্তর: খ) একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা অভিযান

বিস্তারিত উত্তর: ‘মিশন’ বলতে প্রফেসর শঙ্কুর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক কাজ বা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত অভিযানকে বোঝায়।

১৯০. “গিরিডির নির্জনতা আমার মনকে শান্ত রাখে।” – এই বাক্যে শঙ্কুর কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়?

  • ক) তিনি একাকীত্ব পছন্দ করেন
  • খ) তিনি প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন
  • গ) তিনি শান্ত পরিবেশে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন
  • ঘ) সবকটি

উত্তর: গ) তিনি শান্ত পরিবেশে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন

বিস্তারিত উত্তর: এই উক্তিটি প্রকাশ করে যে প্রফেসর শঙ্কু গিরিডির শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে তাঁর গবেষণা এবং চিন্তাভাবনার জন্য স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক শান্তি অনুভব করেন।

১৯১. প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্রের একটি দুর্বল দিক কী?

  • ক) অলসতা
  • খ) অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, যা মাঝে মাঝে তাঁকে বিপদে ফেলে
  • গ) লোভ
  • ঘ) জেদ

উত্তর: খ) অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, যা মাঝে মাঝে তাঁকে বিপদে ফেলে

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর অত্যধিক আত্মবিশ্বাস মাঝে মাঝে তাঁকে এমন বিপদের মুখে ফেলে দেয়, যার জন্য তিনি হয়তো পুরোপুরি প্রস্তুত থাকেন না।

১৯২. প্রহ্লাদ কেন প্রফেসর শঙ্কুর জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

  • ক) সে ল্যাবরেটরির কাজ বোঝে
  • খ) সে শঙ্কুর একমাত্র পারিবারিক সদস্য
  • গ) সে বিশ্বস্ত ও অনুগত, শঙ্কুর দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য
  • ঘ) সে আর্থিক দিক থেকে সাহায্য করে

উত্তর: গ) সে বিশ্বস্ত ও অনুগত, শঙ্কুর দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য

বিস্তারিত উত্তর: প্রহ্লাদ তার বিশ্বস্ততা এবং প্রফেসর শঙ্কুর দৈনন্দিন জীবনে সাহায্য করার কারণে তার কাছে অপরিহার্য।

১৯৩. অবিনাশবাবুর চরিত্রের একটি ইতিবাচক দিক কী?

  • ক) তিনি খুব বুদ্ধিমান
  • খ) তিনি শঙ্কুকে সর্বদা সমর্থন করেন
  • গ) তিনি গল্পে হাস্যরস যোগ করেন এবং সাধারণ পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন
  • ঘ) তিনি খুব সহানুভূতিশীল

উত্তর: গ) তিনি গল্পে হাস্যরস যোগ করেন এবং সাধারণ পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন

বিস্তারিত উত্তর: অবিনাশবাবু তাঁর অবিশ্বাস এবং কৌতূহলের মাধ্যমে গল্পে হাস্যরস যোগ করেন এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন।

১৯৪. প্রফেসর শঙ্কুর কাছে নিউটনের গুরুত্ব কী?

  • ক) সে কেবল একটি পোষ্য
  • খ) সে গবেষণার অংশীদার ও মানসিক সমর্থন দেয়
  • গ) সে ল্যাবরেটরির সুরক্ষাকারী
  • ঘ) সে বাইরে থেকে খবর এনে দেয়

উত্তর: খ) সে গবেষণার অংশীদার ও মানসিক সমর্থন দেয়

বিস্তারিত উত্তর: নিউটন প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণার একজন অংশীদার এবং তাকে মানসিক সমর্থন দেয়, যা তাঁর একাকী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৫. প্রফেসর শঙ্কুর বিজ্ঞান চর্চার পেছনে মূল চালিকা শক্তি কী?

  • ক) পুরস্কার ও সম্মান লাভ
  • খ) নতুন কিছু আবিষ্কারের অদম্য ইচ্ছা ও জ্ঞান অন্বেষণ
  • গ) সমাজসেবা
  • ঘ) অর্থ উপার্জন

উত্তর: খ) নতুন কিছু আবিষ্কারের অদম্য ইচ্ছা ও জ্ঞান অন্বেষণ

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর বিজ্ঞান চর্চার মূল চালিকা শক্তি হলো নতুন কিছু আবিষ্কারের অদম্য ইচ্ছা এবং জ্ঞান অন্বেষণের আকাঙ্ক্ষা।

১৯৬. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে কিসের অভাব দেখা যায় না?

  • ক) মানবীয় আবেগের গভীর বিশ্লেষণ
  • খ) অপ্রত্যাশিত মোড় ও রোমাঞ্চ
  • গ) ঐতিহাসিক তথ্য
  • ঘ) রাজনৈতিক সমালোচনা

উত্তর: খ) অপ্রত্যাশিত মোড় ও রোমাঞ্চ

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে অপ্রত্যাশিত মোড় এবং রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারের কোনো অভাব নেই, যা পাঠককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে।

১৯৭. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিগুলিতে প্রায়শই কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন তিনি?

  • ক) ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যা
  • খ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের অনিয়ন্ত্রিত প্রভাব বা নতুন বিপদের আগমন
  • গ) অর্থসংক্রান্ত সমস্যা
  • ঘ) সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে সমস্যা

উত্তর: খ) বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের অনিয়ন্ত্রিত প্রভাব বা নতুন বিপদের আগমন

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু প্রায়শই নিজের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের অনিয়ন্ত্রিত প্রভাব অথবা তার সূত্র ধরে নতুন কোনো বিপদের সম্মুখীন হন।

১৯৮. এই ডায়েরিগুলি কোন সময়কালে লেখা হয়েছে বলে মনে করা হয়?

  • ক) প্রাচীনকালে
  • খ) আধুনিককালে, যেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নত
  • গ) মধ্যযুগে
  • ঘ) ভবিষ্যৎকালে

উত্তর: খ) আধুনিককালে, যেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নত

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিগুলি আধুনিককালে লেখা হয়েছে বলে মনে করা হয়, যখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে।

১৯৯. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণার ক্ষেত্র কেমন?

  • ক) শুধুমাত্র পদার্থবিজ্ঞান
  • খ) জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান সহ বিবিধ ক্ষেত্র
  • গ) শুধুমাত্র জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • ঘ) শুধুমাত্র ভূতত্ত্ব

উত্তর: খ) জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান সহ বিবিধ ক্ষেত্র

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু একজন বহুমুখী বিজ্ঞানী, তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তৃত।

২০০. প্রফেসর শঙ্কুর গল্পে সাধারণত কোন ধরনের পরিবেশ বর্ণনা করা হয়?

  • ক) শহুরে ও ব্যস্ত পরিবেশ
  • খ) নির্জন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ, যা গবেষণার জন্য অনুকূল
  • গ) যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবেশ
  • ঘ) বাণিজ্যিক পরিবেশ

উত্তর: খ) নির্জন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ, যা গবেষণার জন্য অনুকূল

বিস্তারিত উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলিতে সাধারণত গিরিডির মতো নির্জন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বর্ণনা করা হয়, যা তাঁর গবেষণার জন্য অত্যন্ত অনুকূল।

আপনি  কি WB SSC SLSTএর পরিক্ষার্থী ssc slst bengali syllabus দেখেছেন তাহলে slst bengali practice set দেখুন এবং slst bengali question paper গুলো কেমন হবে ভাবুন তাই slst bengali notes তৈরি করুন এবূং slst bengali mock test দিন  slst bengali question গুলো ভালো ভাবে Details এ পড়ুন wb slst bengali mock test Practice করুন

Scroll to Top