বাংলা শব্দভাণ্ডার
১. ‘অগ্নি’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ কোনটি?
উত্তর: (খ) পাবক
ব্যাখ্যা: ‘পাবক’, ‘অনল’, ‘বহ্নি’ হলো আগুনের সমার্থক শব্দ। অম্বুদ মানে মেঘ, অনিল মানে বাতাস।
ব্যাখ্যা: ‘পাবক’, ‘অনল’, ‘বহ্নি’ হলো আগুনের সমার্থক শব্দ। অম্বুদ মানে মেঘ, অনিল মানে বাতাস।
২. ‘আবির্ভাব’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর: (খ) তিরোভাব
ব্যাখ্যা: আবির্ভাব মানে প্রকাশ পাওয়া, আর তিরোভাব মানে অদৃশ্য হওয়া।
ব্যাখ্যা: আবির্ভাব মানে প্রকাশ পাওয়া, আর তিরোভাব মানে অদৃশ্য হওয়া।
৩. ‘যা দমন করা যায় না’ – এক কথায় কী হবে?
উত্তর: (ক) অদম্য
ব্যাখ্যা: যাকে দমন করা যায় না তাকে ‘অদম্য’ বলা হয়। যাকে জয় করা যায় না তাকে ‘অজেয়’ বলে।
ব্যাখ্যা: যাকে দমন করা যায় না তাকে ‘অদম্য’ বলা হয়। যাকে জয় করা যায় না তাকে ‘অজেয়’ বলে।
৪. ‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: (খ) মারা যাওয়া
ব্যাখ্যা: ‘অক্কা পাওয়া’ একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা যার অর্থ হলো মৃত্যু হওয়া।
ব্যাখ্যা: ‘অক্কা পাওয়া’ একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা যার অর্থ হলো মৃত্যু হওয়া।
৫. ‘তদ্ভব’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: (খ) সংস্কৃত থেকে উৎপন্ন
ব্যাখ্যা: ‘তৎ’ (তার/সংস্কৃত) থেকে ‘ভব’ (উৎপন্ন)। অর্থাৎ যা সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
ব্যাখ্যা: ‘তৎ’ (তার/সংস্কৃত) থেকে ‘ভব’ (উৎপন্ন)। অর্থাৎ যা সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
৬. নিচের কোনটি ‘তৎসম’ শব্দ?
উত্তর: (গ) চন্দ্র
ব্যাখ্যা: ‘চন্দ্র’ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ। ‘হাত’ তদ্ভব (হস্ত থেকে)।
ব্যাখ্যা: ‘চন্দ্র’ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ। ‘হাত’ তদ্ভব (হস্ত থেকে)।
৭. ‘শর্বরী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: (গ) রাত্রি
ব্যাখ্যা: ‘শর্বরী’, ‘যামিনী’, ‘বিভাবরী’ – এগুলি রাত্রির সমার্থক শব্দ।
ব্যাখ্যা: ‘শর্বরী’, ‘যামিনী’, ‘বিভাবরী’ – এগুলি রাত্রির সমার্থক শব্দ।
৮. ‘উড়নচণ্ডী’ বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: (খ) অমিতব্যয়ী
ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি খুব বেশি খরচ করে বা হিসাব ছাড়া চলে তাকে ‘উড়নচণ্ডী’ বলা হয়।
ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি খুব বেশি খরচ করে বা হিসাব ছাড়া চলে তাকে ‘উড়নচণ্ডী’ বলা হয়।
৯. শুদ্ধ বানানটি চিহ্নিত করো:
উত্তর: (ক) মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা: ম-এ হ্রস্ব উ, ম-এ দীর্ঘ উ এবং ষ-এ হ্রস্ব উ রেফ (মুমূর্ষু) সঠিক বানান।
ব্যাখ্যা: ম-এ হ্রস্ব উ, ম-এ দীর্ঘ উ এবং ষ-এ হ্রস্ব উ রেফ (মুমূর্ষু) সঠিক বানান।
১০. ‘হাতটান’ কথাটির অর্থ কী?
উত্তর: (খ) চুরির অভ্যাস
ব্যাখ্যা: কারো ছোটখাটো চুরির স্বভাব থাকলে তাকে ‘হাতটান’ বলা হয়।
ব্যাখ্যা: কারো ছোটখাটো চুরির স্বভাব থাকলে তাকে ‘হাতটান’ বলা হয়।
… আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো …
১১. ‘অরণ্যে রোদন’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: (খ) বৃথা আবেদন।
১২. ‘আকস্মিক’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর: (ক) চিরন্তন। আকস্মিক মানে হঠাৎ, চিরন্তন মানে যা চিরকাল থাকে।
১৩. ‘যিনি অনেক দেখেছেন’ – এক কথায় কী হবে?
উত্তর: (ক) বহুদর্শী।
১৪. ‘তাসের ঘর’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ?
উত্তর: (খ) ক্ষণস্থায়ী বস্তু।
১৫. ‘নদী’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
উত্তর: (ক) তটিনী। ‘বারিদ’ ও ‘জলদ’ মানে মেঘ, ‘অর্ণব’ মানে সমুদ্র।
১৬. ‘অর্ধচন্দ্র’ দেওয়া – এর অর্থ কী?
উত্তর: (ক) গলাধাক্কা দেওয়া।
১৭. ‘পাউরুটি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর: (খ) পর্তুগিজ। পাউরুটি, আলমারি, বালতি পর্তুগিজ শব্দ।
১৮. ‘কুলটা’ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর: (খ) পতিব্রতা।
১৯. ‘উত্তম’ শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
উত্তর: (খ) অধম।
২০. ‘অকালে যাকে জাগানো হয়েছে’ – এক কথায় কী?
উত্তর: (খ) অকালবোধন। (বিশেষত দুর্গাপূজার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত)।
২১. ‘খয়ের খাঁ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: (ক) চাটুকার। তোষামোদকারী ব্যক্তিকে খয়ের খাঁ বলা হয়।
২২. ‘বরুণ’ কিসের সমার্থক শব্দ?
উত্তর: (গ) সমুদ্র/জল। বরুণ হলেন জলের দেবতা।
২৩. নিচের কোনটি দেশি শব্দ?
উত্তর: (গ) কুলা। কুলা, ডাব, ডিঙি এগুলি খাঁটি দেশি শব্দ।
২৪. ‘একাদশে বৃহস্পতি’ এর অর্থ কী?
উত্তর: (খ) সুসময়। সৌভাগ্যের সময়কে একাদশে বৃহস্পতি বলা হয়।
২৫. ‘আবিলে’র বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর: (খ) নির্মল। আবিল মানে কলুষিত বা ঘোলাটে।
২৬. ‘যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু’ – এক কথায় কী?
উত্তর: (ক) বন্ধুর।
২৭. ‘বিবাগী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: (খ) উদাসীন। গৃহত্যাগী বা সংসারে মন নেই এমন।
২৮. ‘জঙ্গম’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর: (ক) স্থাবর। স্থাবর মানে যা স্থির থাকে, জঙ্গম মানে যা গতিশীল।
২৯. ‘সাপে বর’ বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: (খ) অনিষ্টে ইষ্ট লাভ। অর্থাৎ খারাপের মধ্যে ভালো হওয়া।
৩০. ‘অহিফেন’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর: (ক) তৎসম। এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ আফিম।
৩১. ‘অর্বাচীন’ শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
উত্তর: (ক) প্রাচীন।
৩২. ‘অহি’ ও ‘নকুল’ এর সম্বন্ধ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: (খ) ভীষণ শত্রুতা। অহি (সাপ) ও নকুল (বেজি) এর জন্মগত শত্রুতা।
৩৩. ‘চক্ষুদান করা’ বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: (খ) চুরি করা। উপহাসের ছলে চুরি করাকে চক্ষুদান করা বলা হয়।
৩৪. ‘যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই’ – এক কথায় কী হবে?
উত্তর: (খ) অবিরা। অনূঢ়া মানে যার বিয়ে হয়নি।
৩৫. ‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি নয়?
উত্তর: (ঘ) অম্বু। ‘অম্বু’ মানে জল। বাকি তিনটিই গাছের নাম।
৩৬. ‘উড়নচণ্ডী’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: (ক) বেহিসেবী।
৩৭. ‘গৌরীদান’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: (খ) বাল্যবিবাহ। হিন্দু শাস্ত্রে আট বছর বয়সে কন্যার বিবাহকে গৌরীদান বলা হতো।
৩৮. ‘সংশয়’ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর: (খ) প্রত্যয়। সংশয় মানে সন্দেহ, প্রত্যয় মানে দৃঢ় বিশ্বাস।
৩৯. ‘যা পূর্বে দেখা যায়নি’ – এক কথায় কী হবে?
উত্তর: (ক) অদৃষ্টপূর্ব। যা পূর্বে ঘটেনি তা ‘অভূতপূর্ব’।
৪০. ‘লিপ্সা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: (গ) লাভের ইচ্ছা।