বাংলা ব্যাকরণ
১. ‘সংবাদ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: (খ) সম্ + বাদ
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম্-এর পরে বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম্-এর পরে বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।
২. ‘বাবা আমাকে একটি কলম দিলেন’ – এখানে ‘আমাকে’ কোন কারক?
উত্তর: (খ) কর্মকারক
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াকে ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। এখানে ‘কাকে দিলেন?’ উত্তর ‘আমাকে’।
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াকে ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। এখানে ‘কাকে দিলেন?’ উত্তর ‘আমাকে’।
৩. ‘আমি ভাত খাচ্ছি’ – এটি ক্রিয়ার কোন কাল?
উত্তর: (খ) ঘটমান বর্তমান
ব্যাখ্যা: যে কাজ বর্তমানে চলছে বা ঘটছে তা ঘটমান বর্তমান। ‘খাচ্ছি’ (খা + চ্ছি) বর্তমানে চলছে বোঝাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: যে কাজ বর্তমানে চলছে বা ঘটছে তা ঘটমান বর্তমান। ‘খাচ্ছি’ (খা + চ্ছি) বর্তমানে চলছে বোঝাচ্ছে।
৪. ‘শরীর’ থেকে ‘শরীল’ – এটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
উত্তর: (খ) বিষমীভবন
ব্যাখ্যা: দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। এখানে ‘র’ থেকে ‘ল’ হয়েছে।
ব্যাখ্যা: দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। এখানে ‘র’ থেকে ‘ল’ হয়েছে।
৫. ‘উপশহর’ শব্দটি কোন সমাস?
উত্তর: (গ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা: শহরের সাদৃশ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে।
ব্যাখ্যা: শহরের সাদৃশ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে।
৬. ‘লবণ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: (খ) লো + অন
ব্যাখ্যা: ও-কার এর পর অন্য স্বরবর্ণ থাকলে ও-কার স্থানে ‘অব্’ হয়। (লো + অন = লবণ)।
ব্যাখ্যা: ও-কার এর পর অন্য স্বরবর্ণ থাকলে ও-কার স্থানে ‘অব্’ হয়। (লো + অন = লবণ)।
৭. ‘জল’ শব্দের বিশেষণ রূপ (Adjective form) কোনটি?
উত্তর: (ক) জলীয়
ব্যাখ্যা: ‘জল’ বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ হলো ‘জলীয়’ (যেমন: জলীয় বাষ্প)।
ব্যাখ্যা: ‘জল’ বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ হলো ‘জলীয়’ (যেমন: জলীয় বাষ্প)।
৮. ‘বিনা লাভে তিনি কাজ করেন না’ – এখানে ‘বিনা’ কোন পদ?
উত্তর: (খ) অব্যয়
ব্যাখ্যা: ‘বিনা’ একটি পদান্বয়ী অব্যয় যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্বন্ধ স্থাপন করে।
ব্যাখ্যা: ‘বিনা’ একটি পদান্বয়ী অব্যয় যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্বন্ধ স্থাপন করে।
৯. ‘নীল যে আকাশ = নীলাকাশ’ – এটি কোন সমাস?
উত্তর: (ক) কর্মধারয়
ব্যাখ্যা: বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হলে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
ব্যাখ্যা: বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হলে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
১০. ‘তিনি ভাত খেয়ে স্কুলে গেলেন’ – এখানে ‘খেয়ে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
উত্তর: (খ) অসমাপিকা
ব্যাখ্যা: যে ক্রিয়ার দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এখানে ‘স্কুলে গেলেন’ বললে অর্থ পূর্ণ হয়।
ব্যাখ্যা: যে ক্রিয়ার দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এখানে ‘স্কুলে গেলেন’ বললে অর্থ পূর্ণ হয়।
১১. ‘তিল থেকে তেল হয়’ – এখানে ‘তিল থেকে’ কোন কারক?
উত্তর: (ক) অপাদান কারক। ব্যাখ্যা: যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, উৎপন্ন বা জাত হয় তাকে অপাদান কারক বলে।
১২. ‘বৃষ্টি পড়ছে’ – এখানে ‘বৃষ্টি’ কোন পদ?
উত্তর: (ক) বিশেষ্য। ব্যাখ্যা: ‘বৃষ্টি’ হলো একটি নাম বা বস্তুর নাম, তাই এটি বিশেষ্য পদ।
১৩. ‘মন্বন্তর’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
উত্তর: (খ) মনু + অন্তর। ব্যাখ্যা: উ-কার বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বর থাকলে উ/ঊ স্থানে ‘ব্’ হয়।
১৪. ‘দাতা’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ কোনটি?
উত্তর: (খ) দাত্রী। ব্যাখ্যা: সংস্কৃত নিয়ম অনুসারে ‘তা’ থাকলে স্ত্রীলিঙ্গে ‘ত্রী’ হয় (যেমন- নেতা-নেত্রী)।
১৫. ‘সে বই পড়ছে’ – এখানে ক্রিয়ার কাল কোনটি?
উত্তর: (খ) ঘটমান বর্তমান। ব্যাখ্যা: কাজটি বর্তমানে চলছে বোঝাচ্ছে।
১৬. ‘অরণ্য’ শব্দের পদ পরিবর্তন করলে কী হবে?
উত্তর: (ক) আরণ্যক। ব্যাখ্যা: বিশেষ্য ‘অরণ্য’ থেকে বিশেষণ ‘আরণ্যক’ গঠিত হয়েছে।
১৭. ‘বিপদ হতে রক্ষা করো’ – এখানে ‘বিপদ হতে’ কোন কারক?
উত্তর: (ক) অপাদান কারক। ব্যাখ্যা: যা থেকে ভয় বা মুক্তি বোঝায় তা অপাদান কারক।
১৮. ‘যথাযোগ্য’ কোন সমাস?
উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব। ব্যাখ্যা: ‘যোগ্যতাকে অতিক্রম না করে’ – এখানে অব্যয় পদের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে।
১৯. ‘দিব’ – এটি ক্রিয়ার কোন রূপ?
উত্তর: (ক) উত্তম পুরুষ। ব্যাখ্যা: ‘আমি দিব’ – উত্তম পুরুষের সাথে এই ক্রিয়া রূপটি যুক্ত হয়।
২০. ‘গায়ক’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: (খ) গৈ + অক। ব্যাখ্যা: ঐ-কার এর পর অন্য স্বর থাকলে ঐ-কার স্থানে ‘আয়’ হয়।
২১. ‘চক্ষুদান করা’ – এটি কোন প্রকারের বাগধারা?
উত্তর: (খ) ক্রিয়ামূলক।
২২. ‘তিনি বাড়ি নেই’ – এখানে ‘বাড়ি’ কোন কারক?
উত্তর: (খ) অধিকরণ কারক। ব্যাখ্যা: স্থান বোঝাচ্ছে বলে এটি অধিকরণ।
২৩. ‘উপকূল’ কোন সমাস?
উত্তর: (খ) অব্যয়ীভাব।
২৪. ‘অহংকার’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ?
উত্তর: (খ) অহম্ + কার।
২৫. ‘আমি গতকাল গিয়েছিলাম’ – এটি কোন কাল?
উত্তর: (ক) সাধারণ অতীত।
২৬. ‘তপোবন’ কোন সন্ধি?
উত্তর: (গ) বিসর্গ সন্ধি (তপঃ + বন)।
২৭. ‘দুধ থেকে দই হয়’ – দুধে কোন কারক?
উত্তর: (ক) অপাদান কারক।
২৮. ‘পড়াশোনায় মন দাও’ – পড়াশোনায় কোন কারক?
উত্তর: (ক) অধিকরণ কারক। (বিষয়াধিকরণ)।
২৯. ‘মনুষ্যত্ব’ কোন পদ?
উত্তর: (ক) বিশেষ্য (গুণবাচক বিশেষ্য)।
৩০. ‘অন্ধজনে দেহ আলো’ – অন্ধজনে কোন কারক?
উত্তর: (ক) সম্প্রদান (বা নিমিত্ত)। ব্যাখ্যা: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বোঝাচ্ছে।
৩১. ‘প্রত্যেক’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
উত্তর: (ক) প্রতি + এক।
৩২. ‘বসন্তকালে কোকিল ডাকে’ – বসন্তকালে কোন কারক?
উত্তর: (ক) কালাধিকরণ। ব্যাখ্যা: সময় বোঝাচ্ছে।
৩৩. ‘হা-ভাতে’ কোন সমাস?
উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব। ব্যাখ্যা: ভাতের অভাব (হা-ভাতে)।
৩৪. ‘সে অংকে কাঁচা’ – অংকে কোন কারক?
উত্তর: (ক) অধিকরণ কারক। (বিষয়াধিকরণ)।
৩৫. ‘উপবন’ শব্দটির ব্যাসবাক্য কী?
উত্তর: (খ) ক্ষুদ্র বন।
৩৬. ‘হাতে খড়ি’ কোন সমাস?
উত্তর: (ক) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি।
৩৭. ‘মহা’ যে আকাশ – এটি কোন সমাস?
উত্তর: (ক) কর্মধারয়।
৩৮. ‘সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়’ – এখানে ‘উঠলে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
উত্তর: (ক) অসমাপিকা ক্রিয়া।
৩৯. ‘নিশিথ’ এর বিশেষণ রূপ কী?
উত্তর: (গ) নৈশ। (যেমন: নৈশ ভোজ)।
৪০. ‘পরীক্ষা’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: (ক) পরি + ঈক্ষা। ব্যাখ্যা: ই-কার এর পর ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে ঈ-কার হয়।