ICDS 2026 – Bengali Language MCQ (Set 8)
১. ‘আজ > আইজ’—এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন নিয়মের উদাহরণ?
  • (ক) স্বরভক্তি
  • (খ) অপিনিহিতি
  • (গ) অভিশ্রুতি
  • (ঘ) স্বরসংগতি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অপিনিহিতি

ব্যাখ্যা: শব্দের মধ্যে ই-কার বা উ-কার থাকলে তা যদি নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়, তবে তাকে অপিনিহিতি বলে। যেমন: আজ > আইজ, সাধু > সাউধ।

২. ‘করিয়া > করে’—এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রূপান্তরকে নির্দেশ করে?
  • (ক) সমীভবন
  • (খ) অপিনিহিতি
  • (গ) অভিশ্রুতি
  • (ঘ) অসমীকরণ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) অভিশ্রুতি

ব্যাখ্যা: অপিনিহিতি-জাত ই-কার বা উ-কার পরবর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে যদি একপ্রকার রূপান্তর ঘটায় এবং চলিত ভাষারীতি তৈরি করে, তাকে অভিশ্রুতি বলে। যেমন: করিয়া > কইর‍্যা (অপিনিহিতি) > করে (অভিশ্রুতি)।

৩. ‘উচ্ছ্বাস’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) উচ্ + শ্বাস
  • (খ) উৎ + শ্বাস
  • (গ) উৎ + ছ্বাস
  • (ঘ) উছ্ + শ্বাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) উৎ + শ্বাস

ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত বা দ-এর পর যদি তালব্য ‘শ’ থাকে, তবে ত/দ স্থানে ‘চ’ এবং শ স্থানে ‘ছ’ হয়। দুটি মিলে ‘চ্ছ’ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। যেমন: উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস।

৪. ‘জনৈক’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) জন + এক
  • (খ) জন + ঐক
  • (গ) জনো + এক
  • (ঘ) জনৈ + এক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) জন + এক

ব্যাখ্যা: স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়। ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন: জন + এক = জনৈক, সদা + এব = সদৈব।

৫. ‘ষষ্ঠ’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) ষষ্ + থ
  • (খ) ষষ্ + ট
  • (গ) ষষ + থ
  • (ঘ) ষষ + ট
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) ষষ্ + থ

ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, মূর্ধন্য ‘ষ’-এর পর যদি ত বা থ থাকে, তবে ত-এর স্থানে ‘ট’ এবং থ-এর স্থানে ‘ঠ’ হয়। যেমন: ষষ্ + থ = ষষ্ঠ, কৃষ্ + তি = সৃষ্টি।

৬. ‘হাতাহাতি’ শব্দটি কোন সমাসের অন্তর্গত?
  • (ক) বহুব্রীহি সমাস
  • (খ) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
  • (গ) দ্বন্দ্ব সমাস
  • (ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস

ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থ বা একই কাজ বারবার করা বোঝালে যে সমাস হয় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। এর ব্যাসবাক্য: ‘হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি’। অনুরূপ: লাঠালাঠি, কানাকানি।

৭. ‘মহাকীর্তি’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য ও সমাস কোনটি?
  • (ক) মহতী যে কীর্তি = কর্মধারয় সমাস
  • (干) মহা যে কীর্তি = তৎপুরুষ সমাস
  • (গ) মহৎ যে কীর্তি = বহুব্রীহি সমাস
  • (ঘ) মহান কীর্তি যার = বহুব্রীহি সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) মহতী যে কীর্তি = কর্মধারয় সমাস

ব্যাখ্যা: বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের সমাস হলে এবং পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকলে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। স্ত্রীবাচক বিশেষণ পূর্বপদে থাকলে তা পুরুষবাচক হয় (মহতী > মহা)। তাই ব্যাসবাক্য হবে ‘মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি’।

৮. ‘উপশহর’—এখানে ‘উপ’ উপসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?
  • (ক) অভাব
  • (খ) ক্ষুদ্র বা সদৃশ
  • (গ) সমীপ
  • (ঘ) সীমা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ক্ষুদ্র বা সদৃশ

ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব সমাসের ক্ষেত্রে ‘উপ’ উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে বসে। এখানে শহরের সদৃশ বা ক্ষুদ্র শহর অর্থে ‘উপশহর’ গঠিত হয়েছে। এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাস।

৯. ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে’—এখানে ‘বুলবুলিতে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  • (ক) কর্তায় সপ্তমী
  • (খ) কর্মে সপ্তমী
  • (গ) করণে সপ্তমী
  • (ঘ) অপাদানে সপ্তমী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) কর্তায় সপ্তমী

ব্যাখ্যা: যে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তা বলে। এখানে ধান খাওয়ার কাজটি বুলবুলি করছে, তাই এটি কর্তাকারক এবং শেষে ‘তে’ বিভক্তি থাকায় এটি কর্তায় সপ্তমী বিভক্তি।

১০. ‘টাকায় টাকা হয়’—এখানে ‘টাকায়’ কোন কারকের উদাহরণ?
  • (ক) করণ কারক
  • (খ) অপাদান কারক
  • (গ) অধিকরণ কারক
  • (ঘ) কর্তৃ কারক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অপাদান কারক

ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো ‘টাকা হতে টাকা উৎপন্ন বা জাত হয়’। যা থেকে কোনো কিছু জাত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। তাই এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি।

১১. ‘ব্যায়ামে শরীর ভালো থাকে’—এখানে ‘ব্যায়ামে’ কোন কারক?
  • (ক) অপাদান কারক
  • (খ) অধিকরণ কারক
  • (গ) করণ কারক
  • (ঘ) কর্ম কারক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) করণ কারক

ব্যাখ্যা: কর্তা যার সাহায্যে বা যে উপায়ের দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। ব্যায়ামের দ্বারা শরীর ভালো থাকে, অর্থাৎ ব্যায়াম হলো শরীর ভালো রাখার উপায়। তাই এটি করণে সপ্তমী।

১২. ‘পাঠক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  • (ক) পাঠ্ + অক
  • (খ) পঠ্ + ণক (অক)
  • (গ) পঠ্ + অনট
  • (ঘ) পাঠ + ক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) পঠ্ + ণক (অক)

ব্যাখ্যা: সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়ম অনুযায়ী, মূল ধাতু ‘পঠ্’ (পড়া)-এর সাথে প্রত্যয় ‘ণক’ (যার অবশিষ্টাংশ থাকে ‘অক’) যুক্ত হয়ে ‘পাঠক’ গঠিত হয়েছে। প্রত্যয়যুক্ত হওয়ার পর ধাতুর আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটেছে (প > পা)।

১৩. ‘উক্তি’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  • (ক) উচ্ + ক্তি
  • (খ) বচ্ + ক্তি (ক্তিন্)
  • (গ) উক + তি
  • (ঘ) বল্ + ক্তি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বচ্ + ক্তি (ক্তিন্)

ব্যাখ্যা: ‘বচ্’ হলো মূল ধাতু (বলা)। এর সাথে ক্তি বা ক্তিন্ প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুর রূপ পরিবর্তিত হয়ে ‘উক্তি’ হয় (ব-এর স্থানে উ এবং চ-এর স্থানে ক)। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি ও প্রত্যয়গত রূপান্তর।

১৪. ‘উদার’ শব্দটির বিশেষ্য রূপ কোনটি?
  • (ক) উদারতা
  • (খ) ঔদার্য
  • (গ) উদারী
  • (ঘ) (ক) এবং (খ) উভয়ই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) (ক) এবং (খ) উভয়ই

ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদ ‘উদার’-এর বিশেষ্য রূপ দুইভাবে গঠিত হতে পারে: তদ্ধিত প্রত্যয় ‘তা’ যুক্ত করে ‘উদারতা’ অথবা ‘য’ প্রত্যয় যুক্ত করে আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটিয়ে ‘ঔদার্য’। দুটি রূপই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।

১৫. ‘অরণ্য’ শব্দের বিশেষণ পদ কোনটি?
  • (ক) বন্য
  • (খ) আরণ্যক
  • (গ) অরণ্যময়
  • (ঘ) আরণ্য
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) আরণ্যক

ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ ‘অরণ্য’ (বন)-এর বিশেষণ রূপ হলো ‘আরণ্যক’ (যেমন- বিভূতিভূষণের আরণ্যক উপন্যাস)। ‘বন্য’ শব্দটি ‘বন’ শব্দের বিশেষণ।

১৬. ‘ধাত্রী’ শব্দটির পুংলিঙ্গ রূপ কোনটি?
  • (ক) ধাতা
  • (খ) দাতা
  • (গ) ধাত্রিকা
  • (ঘ) স্বামী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) ধাতা

ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে ‘তা’ থাকলে স্ত্রীলিঙ্গে তা ‘ত্রী’ হয়। যেমন: ধাতা > ধাত্রী, দাতা > দাত্রী, নেতা > নেত্রী।

১৭. নিচের কোনটি ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ?
  • (ক) মালিকা
  • (খ) নাটিকা
  • (গ) পুস্তিকা
  • (ঘ) উপরের সবকটিই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটিই

ব্যাখ্যা: কিছু পুংলিঙ্গ বা ক্লীবলিঙ্গ শব্দের শেষে ‘ইকা’ প্রত্যয় যুক্ত করে ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করা হয়, যা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। যেমন: মালা > মালিকা, নাটক > নাটিকা, পুস্তক > পুস্তিকা।

১৮. ‘বাঁশি বাজে ওই মধুর লগনে’—এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  • (ক) কর্তৃবাচ্য
  • (খ) কর্মবাচ্য
  • (গ) কর্মকর্তৃবাচ্য
  • (ঘ) ভাববাচ্য
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) কর্মকর্তৃবাচ্য

ব্যাখ্যা: যে বাক্যে কর্মপদটিই কর্তার মতো আচরণ করে এবং নিজে নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে বলে মনে হয়, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। এখানে ‘বাঁশি’ (কর্মপদ) নিজেই বাজছে বলে মনে হচ্ছে। অনুরূপ: গাড়ি চলে, সাইরেন বাজে।

১৯. ‘আকাশ কুসুম’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কী?
  • (ক) অসম্ভব কল্পনা
  • (খ) অত্যন্ত সুন্দর জিনিস
  • (গ) স্বর্গীয় অনুভূতি
  • (ঘ) দুর্লভ সুযোগ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অসম্ভব কল্পনা

ব্যাখ্যা: আকাশে ফুল ফোটার মতো অলীক বা অসম্ভব কোনো কল্পনা বা স্বপ্ন দেখাকে বোঝাতে ‘আকাশ কুসুম’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।

২০. ‘গোবর গণেশ’ বাগধারাটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  • (ক) পূজনীয় ব্যক্তি
  • (খ) নিরেট মূর্খ
  • (গ) অত্যন্ত গরিব মানুষ
  • (ঘ) সৌভাগ্যশালী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) নিরেট মূর্খ

ব্যাখ্যা: বুদ্ধিহীন, অলস বা কোনো কাজে অযোগ্য অপদার্থ মানুষকে ব্যঙ্গ করে ‘গোবর গণেশ’ বলা হয়।

২১. ‘ইঁদুর কপালে’ বাগধারাটির অর্থ কী?
  • (ক) মন্দ ভাগ্য
  • (খ) চোরের মতো স্বভাব
  • (গ) কৃপণ ব্যক্তি
  • (ঘ) চালাক লোক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) মন্দ ভাগ্য

ব্যাখ্যা: অত্যন্ত দুর্ভাগ্য বা মন্দ ভাগ্য বোঝাতে ‘ইঁদুর কপালে’ বলা হয়। এর বিপরীত বাগধারা হলো ‘একাদশে বৃহস্পতি’ (যার অর্থ সৌভাগ্য)।

২২. ‘অগাধ জলের মাছ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
  • (ক) খুব শান্ত ব্যক্তি
  • (খ) সুচতুর বা অতি চালাক ব্যক্তি
  • (গ) গভীর জ্ঞানী মানুষ
  • (ঘ) বড়লোক ব্যক্তি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) সুচতুর বা অতি চালাক ব্যক্তি

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি অত্যন্ত চতুর এবং নিজের আসল উদ্দেশ্য বাইরে প্রকাশ না করে গোপনে নিজের কার্যসিদ্ধি করে, তাকে ‘অগাধ জলের মাছ’ বলা হয়।

২৩. ‘যার দুই হাত সমান চলে’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) সব্যসাচী
  • (খ) দ্বিপাণি
  • (গ) দক্ষ
  • (ঘ) সব্যপাণি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) সব্যসাচী

ব্যাখ্যা: বাম হাত ও ডান হাত উভয় হাত দিয়েই যিনি সমান দক্ষতার সাথে কাজ বা ধনুর্বিদ্যা চর্চা করতে পারেন, তাঁকে এককথায় ‘সব্যসাচী’ বলা হয় (যেমন মহাভারতের অর্জুন)।

২৪. ‘যা জয় করা কঠিন’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) অজয়
  • (খ) দুর্জয়
  • (গ) পরাজয়
  • (ঘ) দুস্প্রাপ্য
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) দুর্জয়

ব্যাখ্যা: যা কোনোমতেই জয় করা যায় না তা হলো ‘অজেয়’। কিন্তু যা অত্যন্ত কষ্ট বা আয়াসের সাথে জয় করা সম্ভব, তাকে বলে ‘দুর্জয়’।

২৫. ‘যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয়’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) স্বয়ংবরা
  • (খ) অনুঢ়া
  • (গ) প্রোষিতভর্তৃকা
  • (ঘ) কুমারী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) স্বয়ংবরা

ব্যাখ্যা: প্রাচীনকালে স্বয়ংবর সভায় যে নারী নিজের ইচ্ছায় স্বামী নির্বাচন করতেন, তাকে ‘স্বয়ংবরা’ বলা হয়। অন্য দিকে ‘অনুঢ়া’ মানে যে নারীর বিয়ে হয়নি।

২৬. ‘পা থেকে মাথা পর্যন্ত’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) নখশিখ
  • (খ) আপাদমস্তক
  • (গ) সর্বাঙ্গ
  • (ঘ) শিরপাদ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) আপাদমস্তক

ব্যাখ্যা: পা (পাদ) হতে মস্তক (মাথা) পর্যন্ত—এর সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো ‘আপাদমস্তক’।

২৭. ‘হরিণের চামড়া’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) অজিন
  • (খ) কৃত্তিকা
  • (গ) মৃগচর্ম
  • (ঘ) কুটির
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অজিন

ব্যাখ্যা: হরিণের চামড়াকে এককথায় ‘অজিন’ বলা হয় (বিশেষ করে ঋষিদের আসন হিসেবে ব্যবহৃত মৃগচর্ম)। বাঘের চামড়াকে এককথায় বলে ‘কৃত্তি’।

২৮. ‘রিকশা’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  • (ক) চীনা
  • (খ) জাপানি
  • (গ) ওলন্দাজ
  • (ঘ) ফরাসি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) জাপানি

ব্যাখ্যা: ‘রিকশা’ এবং ‘হারাকিরি’ শব্দ দুটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।

২৯. ‘চা’ এবং ‘চিনি’ কোন ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে?
  • (ক) চীনা
  • (খ) ফারসি
  • (গ) জাপানি
  • (ঘ) পর্তুগিজ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) চীনা

ব্যাখ্যা: চীন দেশের সাথে প্রাচীন বাণিজ্যিক সম্পর্কের সূত্রে ‘চা’, ‘চিনি’, ‘লিচু’ এই শব্দগুলি আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে।

৩০. ‘খদ্দর’ শব্দটি মূলত কোন ভারতীয় ভাষার অন্তর্গত?
  • (ক) গুজরাটি
  • (খ) পাঞ্জাবি
  • (গ) তামিল
  • (ঘ) মারাঠি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) গুজরাটি

ব্যাখ্যা: মহাত্মা গান্ধীর চরকায় কাটা খাদি বা মোটা সুতোর কাপড়কে গুজরাটি ভাষায় ‘খদ্দর’ বলা হতো, যা বর্তমানে বাংলা ভাষায় একটি বহুল প্রচলিত শব্দ। ‘হরতাল’ শব্দটিও গুজরাটি শব্দ।

৩১. ‘কুপন’ এবং ‘ডিপো’ কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) ফরাসি (ফ্রেঞ্চ)
  • (খ) ওলন্দাজ
  • (গ) পর্তুগিজ
  • (ঘ) ইংরেজি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) ফরাসি (ফ্রেঞ্চ)

ব্যাখ্যা: ফরাসি বা ফ্রেঞ্চ ভাষার বহু শব্দ বাংলায় ব্যবহৃত হয়। যেমন: কুপন, ডিপো, কার্তুজ, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।

৩২. তাস খেলার তাসগুলির নাম—’রুইতন’, ‘হরতন’, ‘ইস্কাবন’ মূলত কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) ওলন্দাজ
  • (খ) পর্তুগিজ
  • (গ) স্প্যানিশ
  • (ঘ) ফরাসি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) ওলন্দাজ

ব্যাখ্যা: ওলন্দাজ বা ডাচ নাবিকদের সূত্রে বাংলায় তাসের নামগুলি প্রবেশ করে। যেমন: রুইতন, হরতন, ইস্কাবন, টেক্কা, ইস্কুপ ইত্যাদি ওলন্দাজ শব্দ।

৩৩. নিচের কোনটি ‘রাত্রি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
  • (ক) যামিনী
  • (খ) শর্বরী
  • (গ) তিমির
  • (ঘ) বিভাবরী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) তিমির

ব্যাখ্যা: ‘তিমির’ শব্দের অর্থ অন্ধকার বা আঁধার। যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী, নিশীথিনী এগুলি সবই রাত্রি শব্দের সমার্থক শব্দ।

৩৪. ‘জীমূত’ কোন শব্দটির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) মেঘ
  • (খ) বিদ্যুৎ
  • (গ) পাহাড়
  • (ঘ) সাগর
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) মেঘ

ব্যাখ্যা: ‘জীমূত’ শব্দের অর্থ হলো মেঘ। মেঘের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলি হলো নীরদ, জলদ, বারিদ, অম্বুদ, ঘন।

৩৫. নিচের কোনটি ‘অগ্নি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
  • (ক) পাবক
  • (খ) বহ্নি
  • (গ) হুতাশন
  • (ঘ) অম্বু
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) অম্বু

ব্যাখ্যা: ‘অম্বু’ শব্দের অর্থ হলো জল বা বারি। পাবক, বহ্নি, হুতাশন, অনল, কৃশানু এগুলি অগ্নি শব্দের সমার্থক।

৩৬. ‘করী’ নিচের কোন প্রাণীর সমার্থক শব্দ?
  • (ক) হাতি
  • (খ) সিংহ
  • (গ) ঘোড়া
  • (ঘ) বাঘ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) হাতি

ব্যাখ্যা: শুঁড় বা কর আছে যার তাকে ‘করী’ বলা হয়, অর্থাৎ হাতি। হাতির অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো হস্তী, গজ, দ্বিপ, কুঞ্জর, দন্তী।

৩৭. ‘তিমির’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) অন্ধকার
  • (খ) আলোক
  • (গ) নীরব
  • (ঘ) শান্ত
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) আলোক

ব্যাখ্যা: তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো আলোক বা আলো।

৩৮. ‘স্থাবর’ শব্দটির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) অস্থাবর
  • (খ) জঙ্গম
  • (গ) সচল
  • (ঘ) স্থির
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) জঙ্গম

ব্যাখ্যা: যা এক জায়গায় স্থির থাকে তাকে স্থাবর বলে। আর যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গতিশীল বা সচল হতে পারে, তাকে বলে জঙ্গম। এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ।

৩৯. ‘উদ্ধত’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) বিনীত
  • (খ) শান্ত
  • (গ) অবিনয়
  • (ঘ) কঠিন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) বিনীত

ব্যাখ্যা: উদ্ধত শব্দের অর্থ অহংকারী বা অবাধ্য। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ বিনীত বা নম্র।

৪০. ‘অনুলোম’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) অনুলোমা
  • (খ) প্রতিলোম
  • (গ) বিলোম
  • (ঘ) সুলোম
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) প্রতিলোম

ব্যাখ্যা: অনুলোম শব্দের অর্থ হলো সোজা বা অনুকূল দিক। এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো প্রতিলোম (বাঁকা বা প্রতিকূল)।

৪১. ‘সংশয়’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) দ্বিধা
  • (খ) প্রত্যয়
  • (গ) বিশ্বাস
  • (ঘ) নিশ্চয়তা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) প্রত্যয়

ব্যাখ্যা: সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা দ্বিধা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রত্যয় (যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা নিশ্চয়তা)।

৪২. নিচের কোন বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ?
  • (ক) সমিচীন
  • (খ) সমীচীন
  • (গ) সমিচিন
  • (ঘ) সমীচিন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) সমীচীন

ব্যাখ্যা: ‘সমীচীন’ বানানে ম-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং চ-এ দীর্ঘ ঈ-কার উভয়ই দীর্ঘ ঈ-কার হবে। এটি পরীক্ষায় সচরাচর ভুল বানানের তালিকায় আসে।

৪৩. নিচের কোন বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ?
  • (ক) শুশ্রূষা
  • (খ) শশ্রূষা
  • (গ) শুশ্রুষা
  • (ঘ) শশ্রুষা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) শুশ্রূষা

ব্যাখ্যা: ‘শুশ্রূষা’ বানানে তালব্য শ-এ হ্রস্ব উ-কার, শ্র-এ দীর্ঘ ঊ-কার (শ্রূ) এবং মূর্ধন্য ষ-এ আকার হবে। এর অর্থ সেবা করা।

৪৪. নিচের কোন বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ?
  • (ক) বুদ্ধিজীবি
  • (খ) বুদ্ধিজীবী
  • (গ) বুদ্বিজীবী
  • (ঘ) বুদ্দিজীবি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বুদ্ধিজীবী

ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ‘জীবী’ প্রত্যয় যুক্ত সমস্ত পদেই উভয় ‘ই’ দীর্ঘ ঈ-কার হবে। যেমন: বুদ্ধিজীবী, চাকরিজীবী, পেশাজীবী।

৪৫. ‘মনীষী’ শব্দটির সঠিক বানান কোনটি?
  • (ক) মনিষি
  • (খ) মনীষী
  • (গ) মনিষী
  • (ঘ) মনীষি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) মনীষী

ব্যাখ্যা: মনীষী (অর্থ পরম জ্ঞানী ব্যক্তি) বানানে দন্ত্য ‘ন’-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য ‘ষ’-এ দীর্ঘ ঈ-কার হবে।

৪৬. “দারিদ্রতা আমাদের প্রধান অভিশাপ”—এই বাক্যটির ভুল কোথায় এবং তার শুদ্ধ রূপ কী?
  • (ক) দারিদ্রতা শব্দটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ হলো দরিদ্রতা বা দারিদ্র্য
  • (খ) প্রধান শব্দটি বাহুল্য দোষযুক্ত
  • (গ) অভিশাপ শব্দে বানান ভুল আছে
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ আছে
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) দারিদ্রতা শব্দটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ হলো দরিদ্রতা বা দারিদ্র্য

ব্যাখ্যা: বিশেষ্য গঠনে ‘দরিদ্র’ শব্দের সাথে একই সাথে দুই প্রকার প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘দারিদ্রতা’ গঠিত হতে পারে না। শুদ্ধ বিশেষ্য রূপ হবে ‘দরিদ্রতা’ অথবা ‘দারিদ্র্য’। শুদ্ধ বাক্য: “দারিদ্র্য (বা দরিদ্রতা) আমাদের প্রধান অভিশাপ”।

৪৭. “তাহার জীবন সংশয়াপন্ন”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) তাহার জীবন সংশয়ময়।
  • (খ) তাহার জীবন সংশয়াকুল।
  • (গ) তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ।
  • (ঘ) (খ) এবং (গ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) (খ) এবং (গ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা: ‘সংশয়াপন্ন’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। সঠিক প্রয়োগ হবে ‘সংশয়াকুল’ অথবা ‘সংশয়পূর্ণ’। তাই শুদ্ধ বাক্য: “তাহার জীবন সংশয়াকুল (বা সংশয়পূর্ণ)”।

৪৮. “উপরোক্ত বাক্যটি সঠিক”—এই বাক্যটির ব্যাকরণগত শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) উপরুক্ত বাক্যটি সঠিক।
  • (খ) উপরিউক্ত বাক্যটি সঠিক।
  • (গ) উপোরোক্ত বাক্যটি সঠিক।
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ আছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) উপরিউক্ত বাক্যটি সঠিক। (অথবা ‘উপর্যুক্ত’)

ব্যাখ্যা: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ‘উপরি + উক্ত’ মিলে গঠিত হয় ‘উপরিবুক্ত’ বা ‘উপর্যুক্ত’। বাংলায় ‘উপরোক্ত’ বলে কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই, এটি বহুল প্রচলিত একটি ভুল প্রয়োগ।

৪৯. “তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষী দিয়েছেন”—এই বাক্যটিতে কী ভুল রয়েছে?
  • (ক) সাক্ষী শব্দটি ব্যক্তিবাচক, এখানে কর্ম হিসেবে ‘সাক্ষ্য’ হওয়া উচিত
  • (খ) মোকদ্দমায় বানানে ভুল আছে
  • (গ) দিয়েছেন ক্রিয়াপদটি অশুদ্ধ
  • (ঘ) বাক্যটিতে কোনো ভুল নেই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) সাক্ষী শব্দটি ব্যক্তিবাচক, এখানে কর্ম হিসেবে ‘সাক্ষ্য’ হওয়া উচিত

ব্যাখ্যা: ‘সাক্ষী’ হলো ব্যক্তি নিজে (যিনি ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন) এবং তিনি আদালতে বা সভায় যা জবানবন্দি দেন তা হলো ‘সাক্ষ্য’। তাই জবানবন্দি দেওয়ার ক্ষেত্রে কর্মটি হবে ‘সাক্ষ্য’। শুদ্ধ বাক্য: “তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিয়েছেন”।

৫০. “সবুজপত্র একটি উৎকৃষ্ট মানের পত্রিকা”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) সবুজপত্র একটি উৎকৃষ্ট পত্রিকা।
  • (খ) সবুজপত্র একটি অতি উৎকৃষ্ট মানের পত্রিকা।
  • (গ) সবুজপত্র একটি উন্নত পত্রিকা।
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ আছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) সবুজপত্র একটি উৎকৃষ্ট পত্রিকা।

ব্যাখ্যা: ‘উৎকৃষ্ট’ শব্দটির অর্থই হলো ‘উচ্চ মানের বা খুব ভালো’। তাই উৎকৃষ্ট পদের পর আবার ‘মানের’ শব্দটির প্রয়োগ বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করে। শুদ্ধ বাক্য হবে: “সবুজপত্র একটি উৎকৃষ্ট পত্রিকা”।

Scroll to Top