ICDS 2026 – Bengali Language MCQ (Set 6)
১. ‘রত্ন > রতন’—এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন নিয়মের উদাহরণ?
  • (ক) আদি স্বরাগম
  • (খ) স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ
  • (গ) অপিনিহিতি
  • (ঘ) অভিশ্রুতি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ

ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে যদি কোনো স্বরধ্বনি আসে, তবে তাকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ বা মধ্য স্বরাগম বলে। যেমন: রত্ন > রতন (অ-কার এসেছে), ধর্ম > ধরম।

২. ‘পরিষ্কার’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) পরি + কার
  • (খ) পরিঃ + কার
  • (গ) পরি + ষ্কার
  • (ঘ) পরিষ্ + কার
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) পরিঃ + কার

ব্যাখ্যা: এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গের স্থলে ‘ষ’ হয়। যেমন: পরিঃ + কার = পরিষ্কার, আবিঃ + কার = আবিষ্কার।

৩. ‘দম্পতি’ শব্দটি কোন সমাসের অন্তর্গত?
  • (ক) বহুব্রীহি সমাস
  • (খ) দ্বন্দ্ব সমাস
  • (গ) কর্মধারয় সমাস
  • (ঘ) তৎপুরুষ সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) দ্বন্দ্ব সমাস

ব্যাখ্যা: ‘দম্পতি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘জায়া ও পতি’। যে সমাসে পূর্বপদ ও উত্তরপদ উভয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

৪. ‘মেঘে বৃষ্টি হয়’—এখানে ‘মেঘে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  • (ক) অধিকরণে সপ্তমী
  • (খ) অপাদানে সপ্তমী
  • (গ) কর্তায় সপ্তমী
  • (ঘ) করণে সপ্তমী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অপাদানে সপ্তমী

ব্যাখ্যা: যা থেকে কোনো কিছু গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ বা উৎপন্ন বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে। মেঘ থেকে বৃষ্টি জাত বা উৎপন্ন হচ্ছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী (এ-বিভক্তি) বিভক্তি।

৫. নিচের কোন বানানটি ষত্ব-বিধানের নিয়ম অনুযায়ী শুদ্ধ?
  • (ক) অনুসংগ
  • (খ) অনুষঙ্গ
  • (গ) আনুসঙ্গ
  • (ঘ) অনুশঙ্গ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অনুষঙ্গ

ব্যাখ্যা: ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুর দন্ত্য ‘স’ মূর্ধন্য ‘ষ’ হয়ে যায়। ‘অনু’ একটি উ-কারান্ত উপসর্গ, তাই ‘সঙ্গ’-এর ‘স’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ষ’ হয়েছে (অনুষঙ্গ)।

৬. ‘শ্রবণ’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  • (ক) শ্রু + অনট (অন)
  • (খ) শ্রব + অন
  • (গ) শ্রী + অন
  • (ঘ) শ্রু + তব্য
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) শ্রু + অনট (অন)

ব্যাখ্যা: ‘শ্রু’ হলো মূল ধাতু (শোনা) এবং কৃৎ প্রত্যয় ‘অনট’ (যার অবশিষ্টাংশ ‘অন’) যুক্ত হয়ে ‘শ্রবণ’ গঠিত হয়েছে। এটি একটি কৃদন্ত শব্দ।

৭. ‘জল’ শব্দের বিশেষণ পদ কোনটি?
  • (ক) জলা
  • (খ) জলীয়
  • (গ) জলো
  • (ঘ) জলবৎ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) জলীয়

ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ ‘জল’-এর বিশেষণ রূপ হলো ‘জলীয়’ (যেমন: জলীয় বাষ্প)। পদ পরিবর্তন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

৮. ‘টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে’—এখানে ‘টিপটিপ’ কী ধরনের শব্দ?
  • (ক) অনুকার বা ধনাত্মক দ্বিরুক্তি
  • (খ) নাম বিশেষণ
  • (গ) সর্বনামের দ্বিরুক্তি
  • (ঘ) সমার্থক শব্দ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অনুকার বা ধনাত্মক দ্বিরুক্তি

ব্যাখ্যা: কোনো কাল্পনিক বা বাস্তব ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণে যে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং যা দুইবার ব্যবহৃত হয়, তাকে ধনাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি বলে। যেমন: টিপটিপ, মড়মড়, ঝনঝন।

৯. ‘অনুজ্ঞা’ কোন কোন কালে ব্যবহৃত হয়?
  • (ক) কেবল বর্তমান কালে
  • (খ) বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে
  • (গ) অতীত ও ভবিষ্যৎ কালে
  • (ঘ) তিন কালেই ব্যবহৃত হয়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে

ব্যাখ্যা: আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে রূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা বলে। অতীত কালের কোনো অনুজ্ঞা হয় না, এটি কেবল বর্তমান (যেমন- কাজটি করো) ও ভবিষ্যৎ (যেমন- কাল এসো) কালে হয়।

১০. ‘ত্রিভুবন’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  • (ক) দ্বিগু সমাস
  • (খ) বহুব্রীহি সমাস
  • (গ) অব্যয়ীভাব সমাস
  • (ঘ) তৎপুরুষ সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) দ্বিগু সমাস

ব্যাখ্যা: পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ এবং উত্তরপদের সাথে সমাহার বা সমষ্টির মিলন ঘটলে তাকে দ্বিgu সমাস বলে। ‘ত্রিভুবন’-এর ব্যাসবাক্য হলো ‘ত্রি (তিন) ভুবনের সমাহার’।

১১. ‘মরূদ্যান’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  • (ক) মরূ + উদ্যান
  • (খ) মরু + উদ্যান
  • (গ) মরু + উদ্যান
  • (ঘ) মরূ + উদ্যান
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) মরু + উদ্যান

ব্যাখ্যা: দীর্ঘ উ-কার গঠনে উ-কার ও উ-কার মিলে দীর্ঘ ঊ-কার হয়। অর্থাৎ মরু (হ্রস্ব উ) + উদ্যান (হ্রস্ব উ) = মরূদ্যান (দীর্ঘ ঊ)।

১২. ‘আমায় একখানা বই দাও’—এখানে ‘আমায়’ কোন ধরনের কর্মপদ?
  • (ক) মুখ্য কর্ম
  • (খ) গৌণ কর্ম
  • (গ) সমধাতুজ কর্ম
  • (ঘ) উদ্দেশ্য কর্ম
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) গৌণ কর্ম

ব্যাখ্যা: দ্বিকর্মক ক্রিয়ার ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে গৌণ কর্ম এবং বস্তুবাচক কর্মপদটিকে মুখ্য কর্ম বলে। এখানে ‘আমায়’ (ব্যক্তিবাচক) হলো গৌণ কর্ম এবং ‘বই’ (বস্তুবাচক) হলো মুখ্য কর্ম।

১৩. বাংলা বর্ণমালায় ‘স্পৃষ্ট’ বা বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কয়টি?
  • (ক) ২০টি
  • (খ) ২৫টি
  • (গ) ৩০টি
  • (ঘ) ৩৯টি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ২৫টি

ব্যাখ্যা: ‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের ভেতরের কোনো না কোনো স্থান স্পর্শ করে, তাই এদের স্পৃষ্ট বা বর্গীয় বর্ণ বলে। এদের ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে।

১৪. ‘আমার যাওয়া হলো না’—এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  • (ক) কর্তৃবাচ্য
  • (খ) কর্মবাচ্য
  • (গ) ভাববাচ্য
  • (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) ভাববাচ্য

ব্যাখ্যা: যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তাকে ভাববাচ্য বলে। এখানে কর্তায় ষষ্ঠী বিভক্তি (আমার) এবং ক্রিয়া প্রধান (যাওয়া হলো না)।

১৫. ‘আমি কাল কলকাতা গিয়েছিলাম’—ক্রিয়াটি কোন কালের উদাহরণ?
  • (ক) সাধারণ অতীত
  • (খ) ঘটমান অতীত
  • (গ) পুরাঘটিত অতীত
  • (ঘ) নিত্যবৃত্ত অতীত
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) পুরাঘটিত অতীত

ব্যাখ্যা: যে কাজ অনেক আগে শেষ হয়ে গেছে এবং যার ফল এখন আর নেই, তাকে পুরাঘটিত অতীত বলে। এর ক্রিয়াপদের শেষে ‘িয়াছিলাম’, ‘িয়াছিলে’ ইত্যাদি বিভক্তি থাকে।

১৬. ‘লুঙ্গি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  • (ক) ওলন্দাজ
  • (খ) বর্মী (মায়ানমার)
  • (গ) জাপানি
  • (ঘ) পর্তুগিজ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বর্মী (মায়ানমার)

ব্যাখ্যা: লুঙ্গি এবং ফুঙ্গি শব্দ দুটি বর্মী বা মায়ানমারের ভাষা থেকে বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে।

১৭. ‘আনারস’ এবং ‘আলপিন’ কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) পর্তুগিজ
  • (খ) ফরাসি
  • (গ) ওলন্দাজ
  • (ঘ) তুর্কি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) পর্তুগিজ

ব্যাখ্যা: পর্তুগিজরা ব্যবসা-বাণিজ্যের সূত্রে বাংলায় এলে তাদের অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় স্থায়ী হয়ে যায়। যেমন: আনারস, আলপিন, চাবি, পাউরুটি, আলমারি ইত্যাদি।

১৮. ‘তুলসী বনের বাঘ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কী?
  • (ক) সাহসী ব্যক্তি
  • (খ) ভণ্ড সাধু
  • (গ) অত্যন্ত চালাক লোক
  • (ঘ) নিরীহ প্রকৃতির মানুষ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ভণ্ড সাধু

ব্যাখ্যা: বাইরে সাধুর মতো আচরণ কিন্তু অন্তরে অতি কুটিল ও ক্ষতিকর মনোভাব সম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝাতে ‘তুলসী বনের বাঘ’ বলা হয়।

১৯. ‘তামার বিষ’ বাগধারাটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  • (ক) ক্ষতিকর ওষুধ
  • (খ) অর্থের কুপ্রভাব
  • (গ) রাগের তীব্রতা
  • (ঘ) তীব্র অহংকার
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অর্থের কুপ্রভাব

ব্যাখ্যা: হঠাৎ প্রচুর অর্থ বা টাকা পাওয়ার পর মানুষের যে নৈতিক অবক্ষয় বা অহংকার জন্মায়, তাকে বোঝাতে ‘তামার বিষ’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।

২০. ‘যা পূর্বে দেখা যায়নি’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) অভূতপূর্ব
  • (খ) অদৃষ্টপূর্ব
  • (গ) অপূর্ব
  • (ঘ) অগোচর
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অদৃষ্টপূর্ব

ব্যাখ্যা: যা পূর্বে দেখা যায়নি তা হলো ‘অদৃষ্টপূর্ব’। আর ‘যা পূর্বে ঘটেনি’ তাকে এককথায় বলে ‘অভূতপূর্ব’। এই দুটির পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।

২১. ‘উপকারীর অপকার করে যে’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) অকৃতজ্ঞ
  • (খ) কৃতঘ্ন
  • (গ) কৃতজ্ঞ
  • (ঘ) শত্রু
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) কৃতঘ্ন

ব্যাখ্যা: যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না সে হলো ‘অকৃতজ্ঞ’। কিন্তু যে উপকারের বদলে অপকার করে বা ক্ষতি করে, তাকে বলে ‘কৃতঘ্ন’।

২২. নিচের কোনটি খাঁটি ‘দেশি’ শব্দের উদাহরণ?
  • (ক) কুলা
  • (খ) কুপি
  • (গ) ডাব
  • (ঘ) উপরের সবকটিই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটিই

ব্যাখ্যা: বাংলার আদিম অধিবাসী (যেমন- কোল, ভিল, মুণ্ডা) দের ভাষা থেকে যে সমস্ত শব্দ সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলিকে দেশি শব্দ বলে। কুলা, কুপি, ডাব, ঢেঁকি, চঙ এগুলি সব দেশি শব্দ।

২৩. ‘গিন্নি’ কোন শ্রেণীর শব্দের উদাহরণ?
  • (ক) তৎসম
  • (খ) অর্ধ-তৎসম
  • (গ) তদ্ভব
  • (ঘ) দেশি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অর্ধ-তৎসম

ব্যাখ্যা: সংস্কৃত শব্দ ‘গৃহিণী’ লোকমুখে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ‘গিন্নি’ রূপ নিয়েছে। এই রকম আংশিক পরিবর্তিত শব্দকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। যেমন: জোছনা, কুচ্ছিত।

২৪. ‘কাঁচি’ কোন ভাষার শব্দ?
  • (ক) ফরাসি
  • (二) তুর্কি
  • (গ) ফারসি
  • (ঘ) হিন্দি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) তুর্কি

ব্যাখ্যা: কাঁচি, কোর্তা, তোপ, বন্দুক, কুলি, চাদর, বাবা এগুলি তুর্কি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।

২৫. ‘যার কোনো উপায় নেই’—এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) নিরুপায়
  • (খ) অনন্যোপায়
  • (গ) অগত্যা
  • (ঘ) অসহায়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) অনন্যোপায়

ব্যাখ্যা: ‘যার অন্য কোনো উপায় নেই’ বা ‘যার কোনো উপায় নেই’—এর সবচেয়ে ব্যাকরণসম্মত শুদ্ধ এককথায় প্রকাশ হলো ‘অনন্যোপায়’।

২৬. নিচের কোনটি ‘পৃথিবী’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
  • (ক) ধরিত্রী
  • (খ) মেদিনী
  • (গ) অর্ণব
  • (ঘ) অবনী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) অর্ণব

ব্যাখ্যা: ‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ হলো সাগর বা সমুদ্র। ধরিত্রী, মেদিনী, অবনী, বসুন্ধরা এগুলি সবই পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ।

২৭. ‘সবিতা’ কোন শব্দের সমার্থক শব্দ?
  • (ক) পৃথিবী
  • (খ) সূর্য
  • (গ) গঙ্গা
  • (ঘ) চন্দ্র
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) সূর্য

ব্যাখ্যা: ‘সবিতা’ শব্দের অর্থ হলো সূর্য। সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলি হলো আদিত্য, ভাস্কর, দিবাকর, অংশুমালী, তপন।

২৮. ‘পরভৃত’ কোন পাখির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) কোকিল
  • (খ) কাক
  • (গ) ময়ূর
  • (ঘ) বক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) কোকিল

ব্যাখ্যা: কোকিল নিজে বাসা বাঁধে না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাকের দ্বারা লালিত-পালিত বা প্রতিপালিত হয়। তাই কোকিলের অন্য নাম ‘পরভৃত’ (অন্যের দ্বারা লালিত)। মনে রাখবেন, ‘পরভৃৎ’ (খ-এর জায়গায় ত-এ হসন্ত) মানে কাক, যে অন্যকে পালন করে।

২৯. ‘আকুঞ্চন’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) কুঞ্চন
  • (খ) সংকোচন
  • (গ) প্রসারণ
  • (ঘ) বিকোচন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) প্রসারণ

ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন শব্দের অর্থ সংকুচিত করা বা গোটানো। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রসারণ (ছড়ানো)।

৩০. ‘অনাবিল’ শব্দটির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) আবিল
  • (খ) স্বচ্ছ
  • (গ) মলিন
  • (ঘ) অশুদ্ধ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) আবিল

ব্যাখ্যা: অনাবিল শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত নির্মল বা স্বচ্ছ। এর বিপরীত শব্দ হলো আবিল (যার অর্থ ঘোলাটে বা পঙ্কিল)।

৩১. ‘ঋজু’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) সোজা
  • (খ) বক্র
  • (গ) নরম
  • (ঘ) কঠিন
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বক্র

ব্যাখ্যা: ঋজু শব্দের অর্থ হলো সোজা বা সরল। এর বিপরীত শব্দ হলো বক্র বা বাঁকা।

৩২. ‘তীক্ষ্ণ’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  • (ক) ধারালো
  • (খ) ভোঁতা
  • (গ) নরম
  • (ঘ) ক্ষুদ্র
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ভোঁতা

ব্যাখ্যা: তীক্ষ্ণ শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম বা ধারালো। এর বিপরীত শব্দ ভোঁতা (ধারহীন)।

৩৩. ‘অটবি’ নিচের কোনটির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) অরণ্য
  • (খ) বাতাস
  • (গ) নদী
  • (ঘ) আকাশ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অরণ্য

ব্যাখ্যা: অটবি শব্দের অর্থ হলো বন বা অরণ্য। অরণ্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলি হলো কানন, বিপিন, জঙ্গল, বনানী।

৩৪. ‘ঐহিক’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  • (ক) ভৌত
  • (খ) পারত্রিক
  • (গ) আত্মিক
  • (ঘ) অপার্থিব
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) পারত্রিক

ব্যাখ্যা: ঐহিক শব্দের অর্থ এই ইহলোকের সাথে সম্পর্কিত (পার্থিব)। এর বিপরীত শব্দ হলো পারত্রিক বা পারলৌকিক (পরলোকের সাথে যুক্ত)।

৩৫. ‘অরবিন্দ’ নিচের কোন শব্দটির সমার্থক শব্দ?
  • (ক) কোকিল
  • (খ) পদ্ম
  • (গ) সমুদ্র
  • (ঘ) মেঘ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) পদ্ম

ব্যাখ্যা: অরবিন্দ হলো পদ্ম ফুলের সমার্থক শব্দ। পদ্মের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো উৎপল, কমল, শতদল, রাজীব, নলিনী।

৩৬. নিচের কোন বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ?
  • (ক) গীতাঞ্জলী
  • (খ) গীতাঞ্জলি
  • (গ) গিতাঞ্জলি
  • (ঘ) গিতাঞ্জলী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) গীতাঞ্জলি

ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ‘অঞ্জলি’ যুক্ত সমস্ত বানানেই হ্রস্ব ই-কার হবে। যেমন: গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, পুষ্পাঞ্জলি।

৩৭. নিচের কোন বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ?
  • (ক) জীবানু
  • (খ) জীবাণু
  • (গ) জিবাণু
  • (ঘ) জীবানূ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) জীবাণু

ব্যাখ্যা: ‘জীবাণু’ বানানে বর্গীয় ‘জ’-এ দীর্ঘ ঈ-কার, ব-এ আকার এবং মূর্ধন্য ‘ণ’-এ হ্রস্ব উ-কার হবে। এটি নত্ব-বিধানের নিয়ম দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত।

৩৮. “সকল ছাত্রগণ আজ উপস্থিত আছে”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কোনটি?
  • (ক) সকল ছাত্রগণই উপস্থিত আছে।
  • (খ) ছাত্রগণ আজ উপস্থিত আছে।
  • (গ) সব ছাত্রগণ আজ উপস্থিত।
  • (ঘ) ছাত্র আজ উপস্থিত আছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) ছাত্রগণ আজ উপস্থিত আছে। (অথবা ‘সকল ছাত্র আজ উপস্থিত আছে’)

ব্যাখ্যা: একই বাক্যে একাধিক বহুবচন বোধক শব্দ ব্যবহার করলে ‘বাহুল্য দোষ’ ঘটে। এখানে ‘সকল’ এবং ‘গণ’ একই সাথে ব্যবহারে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছিল। শুদ্ধ রূপ হবে ‘ছাত্রগণ উপস্থিত আছে’ অথবা ‘সকল ছাত্র উপস্থিত আছে’।

৩৯. “অকারণে দৈন্যতা প্রকাশ করো না”—এই বাক্যটির ভুল কোথায় এবং তার শুদ্ধ রূপ কী?
  • (ক) দৈন্যতা শব্দটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ হলো দীনতা বা দৈন্য
  • (খ) অকারণে শব্দটি অশুদ্ধ
  • (গ) প্রকাশ শব্দটি অশুদ্ধ
  • (ঘ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ আছে
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) দৈন্যতা শব্দটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ হলো দীনতা বা দৈন্য

ব্যাখ্যা: বিশেষ্য গঠনে একই সাথে দুইবার প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘দৈন্যতা’ গঠিত হতে পারে না। শুদ্ধ রূপ হবে ‘দীনতা’ অথবা ‘দৈন্য’। তাই শুদ্ধ বাক্য: “অকারণে দীনতা (বা দৈন্য) প্রকাশ করো না”।

৪০. “তিনি সস্ত্রীক সহ সভায় হাজির হলেন”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কী?
  • (ক) তিনি সস্ত্রীক সভায় হাজির হলেন।
  • (খ) তিনি স্ত্রীসহ সভায় হাজির হলেন।
  • (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
  • (ঘ) তিনি সস্ত্রীকসহ হাজির হলেন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা: ‘সস্ত্রীক’ শব্দের অর্থই হলো ‘স্ত্রীসহ’। তাই সস্ত্রীক শব্দের পর আবার ‘সহ’ লিখলে তা অতিরিক্ত বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়। শুদ্ধ বাক্য হবে: “তিনি সস্ত্রীক সভায় হাজির হলেন” অথবা “তিনি স্ত্রীসহ সভায় হাজির হলেন”।

৪১. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  • (ক) মূহুর্ত
  • (খ) মুহূর্ত
  • (গ) মূহূর্ত
  • (ঘ) মুহুূর্ত
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) মুহূর্ত

ব্যাখ্যা: ‘মুহূর্ত’ বানানে ম-এ হ্রস্ব উ-কার, হ-এ দীর্ঘ ঊ-কার এবং ত-এ রেফ হবে। এটি খুবই সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বানান ভুলের উদাহরণ।

৪২. “অপরাধী শাস্তি পাইবার যোগ্য”—এই বাক্যটির অধিকতর ব্যাকরণসম্মত শুদ্ধ সংক্ষেপণ রূপ কোনটি?
  • (ক) অপরাধী দণ্ডনীয়।
  • (খ) অপরাধী দণ্ড পাওয়ার যোগ্য।
  • (গ) অপরাধী দণ্ডার্হ।
  • (ঘ) অপরাধীর দণ্ড হওয়া উচিত।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) অপরাধী দণ্ডার্হ। (অথবা ‘অপরাধী দণ্ডনীয়’)

ব্যাখ্যা: ‘দণ্ড পাওয়ার যোগ্য’-কে এককথায় বলে ‘দণ্ডার্হ’ বা ‘দণ্ডনীয়’। বাক্যটিকে সংক্ষিপ্ত ও মার্জিত করতে এটি ব্যবহার করা সবচেয়ে শ্রেয়।

৪৩. “তার সৌজন্যতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি”—এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ কী?
  • (ক) তার সৌজন্যে আমি মুগ্ধ হয়েছি।
  • (খ) তার সুজনতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি।
  • (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
  • (ঘ) তার সৌজন্যতাতে আমি মুগ্ধ হয়েছি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা: ‘সুজন’-এর ভাব বা ধর্মকে ‘সৌজন্য’ বা ‘সুজনতা’ বলে। ‘সৌজন্যতা’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। অতএব, শুদ্ধ বাক্য হবে: “তার সৌজন্যে আমি মুগ্ধ হয়েছি” বা “তার সুজনতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি”।

৪৪. নিচের কোন বানানজোড়টি সম্পূর্ণ শুদ্ধ?
  • (ক) সান্তনা, উজ্জ্বল
  • (খ) সান্ত্বনা, উজ্জ্বল
  • (গ) সান্ত্বনা, উজ্বল
  • (ঘ) সান্তনা, উজ্বল
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) সান্ত্বনা, উজ্জ্বল

ব্যাখ্যা: ‘সান্ত্বনা’ বানানে দন্ত্য ‘ন’-এর নিচে একটি ‘ত-ব’ ফলার সংযুক্তি থাকে (ন্ত্ব) এবং ‘উজ্জ্বল’ বানানে বর্গীয় ‘জ’-এর নিচে ‘ব’-ফলা থাকে (জ্জ্ব)।

৪৫. “মেয়েটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান”—এই বাক্যটিতে কী ভুল রয়েছে?
  • (ক) অত্যন্ত শব্দটি অশুদ্ধ
  • (খ) মেয়েটির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ ‘বুদ্ধিমান’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা অশুদ্ধ
  • (গ) বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ আছে
  • (ঘ) ক্রিয়াপদ নেই
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) মেয়েটির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ ‘বুদ্ধিমান’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা অশুদ্ধ

ব্যাখ্যা: লিঙ্গগত অশুদ্ধির কারণে বাক্যটি ভুল। স্ত্রীবাচক কর্তার ক্ষেত্রে বিশেষণটিও স্ত্রীবাচক হওয়া প্রয়োজন। শুদ্ধ বাক্য হবে: “মেয়েটি অত্যন্ত বুদ্ধিমতী”।

৪৬. ‘যা দীপ্তি পাচ্ছে’—এর সঠিক এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  • (ক) দীপ্তমান
  • (খ) দেদীপ্যমান
  • (গ) উজ্জ্বল
  • (ঘ) দীপ্যমান
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) দেদীপ্যমান

ব্যাখ্যা: ‘যা দীপ্তি পাচ্ছে’ তার এককথায় প্রকাশ ‘দেদীপ্যমান’। আর ‘যা জ্বলছে’ তার এককথায় প্রকাশ হলো ‘জাজ্বল্যমান’।

৪৭. ‘মনমাঝি’—এর সঠিক ব্যাসবাক্য ও সমাস কোনটি?
  • (ক) মন রূপ মাঝি = রূপক কর্মধারয় সমাস
  • (খ) মনের মাঝি = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
  • (গ) মন ও মাঝি = দ্বন্দ্ব সমাস
  • (ঘ) মন যে মাঝি = সাধারণ কর্মধারয় সমাস
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) মন রূপ মাঝি = রূপক কর্মধারয় সমাস

ব্যাখ্যা: উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হলে তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে মনের সাথে মাঝির অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।

৪৮. ‘তিলে তৈল হয়’—এখানে ‘তিলে’ কোন কারক?
  • (ক) অপাদান কারক
  • (খ) অধিকরণ কারক
  • (গ) করণ কারক
  • (ঘ) কর্ম কারক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) অপাদান কারক

ব্যাখ্যা: তিল থেকে তৈল উৎপন্ন বা জাত হয়, তাই এটি অপাদান কারক। কিন্তু যদি বলা হতো ‘তিলে তৈল আছে’, তখন সেটি তিলের আধার বা স্থান নির্দেশ করায় ‘অধিকরণ কারক’ হতো। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি মনে রাখা দরকার।

৪৯. ‘অনিল’ শব্দটির সঠিক অর্থ কী?
  • (ক) আগুন
  • (খ) বাতাস
  • (গ) আকাশ
  • (ঘ) জল
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (খ) বাতাস

ব্যাখ্যা: ‘অনিল’ শব্দের অর্থ হলো বাতাস বা বায়ু। মনে রাখবেন, ‘অনল’ শব্দের অর্থ হলো আগুন। বানানের এই সামান্য পরিবর্তনের কারণে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।

৫০. “অশ্রুজলে তার বুক ভেসে গেল”—এই বাক্যটি অশুদ্ধ কেন এবং এর শুদ্ধ রূপ কী?
  • (ক) ‘অশ্রু’ শব্দের অর্থই চোখের জল, তাই অশ্রুজল শব্দে বাহুল্য দোষ আছে। শুদ্ধ বাক্য: “অশ্রুতে তার বুক ভেসে গেল।”
  • (খ) ভেসে গেল শব্দটি অশুদ্ধ
  • (গ) বুক শব্দটি অপপ্রয়োগ হয়েছে
  • (ঘ) বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

সঠিক উত্তর: (ক) ‘অশ্রু’ শব্দের অর্থই চোখের জল, তাই অশ্রুজল শব্দে বাহুল্য দোষ আছে। শুদ্ধ বাক্য: “অশ্রুতে তার বুক ভেসে গেল।”

ব্যাখ্যা: ‘অশ্রু’ শব্দের অর্থই যেহেতু জল (চোখের জল), তাই তার সাথে পুনরায় ‘জল’ যুক্ত করে ‘অশ্রুজল’ লেখা বাহুল্য দোষের সৃষ্টি করে। শুদ্ধ রূপটি হবে “অশ্রুতে তার বুক ভেসে গেল” অথবা “চোখের জলে তার বুক ভেসে গেল”।

Scroll to Top