উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে যদি কোনো স্বরধ্বনি আসে, তবে তাকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ বা মধ্য স্বরাগম বলে। যেমন: রত্ন > রতন (অ-কার এসেছে), ধর্ম > ধরম।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) পরিঃ + কার
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গের স্থলে ‘ষ’ হয়। যেমন: পরিঃ + কার = পরিষ্কার, আবিঃ + কার = আবিষ্কার।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা: ‘দম্পতি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘জায়া ও পতি’। যে সমাসে পূর্বপদ ও উত্তরপদ উভয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অপাদানে সপ্তমী
ব্যাখ্যা: যা থেকে কোনো কিছু গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ বা উৎপন্ন বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে। মেঘ থেকে বৃষ্টি জাত বা উৎপন্ন হচ্ছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী (এ-বিভক্তি) বিভক্তি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অনুষঙ্গ
ব্যাখ্যা: ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুর দন্ত্য ‘স’ মূর্ধন্য ‘ষ’ হয়ে যায়। ‘অনু’ একটি উ-কারান্ত উপসর্গ, তাই ‘সঙ্গ’-এর ‘স’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ষ’ হয়েছে (অনুষঙ্গ)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) শ্রু + অনট (অন)
ব্যাখ্যা: ‘শ্রু’ হলো মূল ধাতু (শোনা) এবং কৃৎ প্রত্যয় ‘অনট’ (যার অবশিষ্টাংশ ‘অন’) যুক্ত হয়ে ‘শ্রবণ’ গঠিত হয়েছে। এটি একটি কৃদন্ত শব্দ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) জলীয়
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ ‘জল’-এর বিশেষণ রূপ হলো ‘জলীয়’ (যেমন: জলীয় বাষ্প)। পদ পরিবর্তন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) অনুকার বা ধনাত্মক দ্বিরুক্তি
ব্যাখ্যা: কোনো কাল্পনিক বা বাস্তব ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণে যে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং যা দুইবার ব্যবহৃত হয়, তাকে ধনাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি বলে। যেমন: টিপটিপ, মড়মড়, ঝনঝন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে
ব্যাখ্যা: আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে রূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা বলে। অতীত কালের কোনো অনুজ্ঞা হয় না, এটি কেবল বর্তমান (যেমন- কাজটি করো) ও ভবিষ্যৎ (যেমন- কাল এসো) কালে হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) দ্বিগু সমাস
ব্যাখ্যা: পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ এবং উত্তরপদের সাথে সমাহার বা সমষ্টির মিলন ঘটলে তাকে দ্বিgu সমাস বলে। ‘ত্রিভুবন’-এর ব্যাসবাক্য হলো ‘ত্রি (তিন) ভুবনের সমাহার’।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মরু + উদ্যান
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ উ-কার গঠনে উ-কার ও উ-কার মিলে দীর্ঘ ঊ-কার হয়। অর্থাৎ মরু (হ্রস্ব উ) + উদ্যান (হ্রস্ব উ) = মরূদ্যান (দীর্ঘ ঊ)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) গৌণ কর্ম
ব্যাখ্যা: দ্বিকর্মক ক্রিয়ার ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে গৌণ কর্ম এবং বস্তুবাচক কর্মপদটিকে মুখ্য কর্ম বলে। এখানে ‘আমায়’ (ব্যক্তিবাচক) হলো গৌণ কর্ম এবং ‘বই’ (বস্তুবাচক) হলো মুখ্য কর্ম।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ২৫টি
ব্যাখ্যা: ‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের ভেতরের কোনো না কোনো স্থান স্পর্শ করে, তাই এদের স্পৃষ্ট বা বর্গীয় বর্ণ বলে। এদের ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা: যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তাকে ভাববাচ্য বলে। এখানে কর্তায় ষষ্ঠী বিভক্তি (আমার) এবং ক্রিয়া প্রধান (যাওয়া হলো না)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) পুরাঘটিত অতীত
ব্যাখ্যা: যে কাজ অনেক আগে শেষ হয়ে গেছে এবং যার ফল এখন আর নেই, তাকে পুরাঘটিত অতীত বলে। এর ক্রিয়াপদের শেষে ‘িয়াছিলাম’, ‘িয়াছিলে’ ইত্যাদি বিভক্তি থাকে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) বর্মী (মায়ানমার)
ব্যাখ্যা: লুঙ্গি এবং ফুঙ্গি শব্দ দুটি বর্মী বা মায়ানমারের ভাষা থেকে বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা: পর্তুগিজরা ব্যবসা-বাণিজ্যের সূত্রে বাংলায় এলে তাদের অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় স্থায়ী হয়ে যায়। যেমন: আনারস, আলপিন, চাবি, পাউরুটি, আলমারি ইত্যাদি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ভণ্ড সাধু
ব্যাখ্যা: বাইরে সাধুর মতো আচরণ কিন্তু অন্তরে অতি কুটিল ও ক্ষতিকর মনোভাব সম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝাতে ‘তুলসী বনের বাঘ’ বলা হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অর্থের কুপ্রভাব
ব্যাখ্যা: হঠাৎ প্রচুর অর্থ বা টাকা পাওয়ার পর মানুষের যে নৈতিক অবক্ষয় বা অহংকার জন্মায়, তাকে বোঝাতে ‘তামার বিষ’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অদৃষ্টপূর্ব
ব্যাখ্যা: যা পূর্বে দেখা যায়নি তা হলো ‘অদৃষ্টপূর্ব’। আর ‘যা পূর্বে ঘটেনি’ তাকে এককথায় বলে ‘অভূতপূর্ব’। এই দুটির পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) কৃতঘ্ন
ব্যাখ্যা: যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না সে হলো ‘অকৃতজ্ঞ’। কিন্তু যে উপকারের বদলে অপকার করে বা ক্ষতি করে, তাকে বলে ‘কৃতঘ্ন’।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটিই
ব্যাখ্যা: বাংলার আদিম অধিবাসী (যেমন- কোল, ভিল, মুণ্ডা) দের ভাষা থেকে যে সমস্ত শব্দ সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলিকে দেশি শব্দ বলে। কুলা, কুপি, ডাব, ঢেঁকি, চঙ এগুলি সব দেশি শব্দ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যা: সংস্কৃত শব্দ ‘গৃহিণী’ লোকমুখে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ‘গিন্নি’ রূপ নিয়েছে। এই রকম আংশিক পরিবর্তিত শব্দকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। যেমন: জোছনা, কুচ্ছিত।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) তুর্কি
ব্যাখ্যা: কাঁচি, কোর্তা, তোপ, বন্দুক, কুলি, চাদর, বাবা এগুলি তুর্কি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) অনন্যোপায়
ব্যাখ্যা: ‘যার অন্য কোনো উপায় নেই’ বা ‘যার কোনো উপায় নেই’—এর সবচেয়ে ব্যাকরণসম্মত শুদ্ধ এককথায় প্রকাশ হলো ‘অনন্যোপায়’।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) অর্ণব
ব্যাখ্যা: ‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ হলো সাগর বা সমুদ্র। ধরিত্রী, মেদিনী, অবনী, বসুন্ধরা এগুলি সবই পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) সূর্য
ব্যাখ্যা: ‘সবিতা’ শব্দের অর্থ হলো সূর্য। সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলি হলো আদিত্য, ভাস্কর, দিবাকর, অংশুমালী, তপন।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) কোকিল
ব্যাখ্যা: কোকিল নিজে বাসা বাঁধে না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাকের দ্বারা লালিত-পালিত বা প্রতিপালিত হয়। তাই কোকিলের অন্য নাম ‘পরভৃত’ (অন্যের দ্বারা লালিত)। মনে রাখবেন, ‘পরভৃৎ’ (খ-এর জায়গায় ত-এ হসন্ত) মানে কাক, যে অন্যকে পালন করে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) প্রসারণ
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন শব্দের অর্থ সংকুচিত করা বা গোটানো। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রসারণ (ছড়ানো)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) আবিল
ব্যাখ্যা: অনাবিল শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত নির্মল বা স্বচ্ছ। এর বিপরীত শব্দ হলো আবিল (যার অর্থ ঘোলাটে বা পঙ্কিল)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) বক্র
ব্যাখ্যা: ঋজু শব্দের অর্থ হলো সোজা বা সরল। এর বিপরীত শব্দ হলো বক্র বা বাঁকা।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ভোঁতা
ব্যাখ্যা: তীক্ষ্ণ শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম বা ধারালো। এর বিপরীত শব্দ ভোঁতা (ধারহীন)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) অরণ্য
ব্যাখ্যা: অটবি শব্দের অর্থ হলো বন বা অরণ্য। অরণ্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলি হলো কানন, বিপিন, জঙ্গল, বনানী।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) পারত্রিক
ব্যাখ্যা: ঐহিক শব্দের অর্থ এই ইহলোকের সাথে সম্পর্কিত (পার্থিব)। এর বিপরীত শব্দ হলো পারত্রিক বা পারলৌকিক (পরলোকের সাথে যুক্ত)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) পদ্ম
ব্যাখ্যা: অরবিন্দ হলো পদ্ম ফুলের সমার্থক শব্দ। পদ্মের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো উৎপল, কমল, শতদল, রাজীব, নলিনী।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ‘অঞ্জলি’ যুক্ত সমস্ত বানানেই হ্রস্ব ই-কার হবে। যেমন: গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, পুষ্পাঞ্জলি।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) জীবাণু
ব্যাখ্যা: ‘জীবাণু’ বানানে বর্গীয় ‘জ’-এ দীর্ঘ ঈ-কার, ব-এ আকার এবং মূর্ধন্য ‘ণ’-এ হ্রস্ব উ-কার হবে। এটি নত্ব-বিধানের নিয়ম দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ছাত্রগণ আজ উপস্থিত আছে। (অথবা ‘সকল ছাত্র আজ উপস্থিত আছে’)
ব্যাখ্যা: একই বাক্যে একাধিক বহুবচন বোধক শব্দ ব্যবহার করলে ‘বাহুল্য দোষ’ ঘটে। এখানে ‘সকল’ এবং ‘গণ’ একই সাথে ব্যবহারে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছিল। শুদ্ধ রূপ হবে ‘ছাত্রগণ উপস্থিত আছে’ অথবা ‘সকল ছাত্র উপস্থিত আছে’।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) দৈন্যতা শব্দটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ হলো দীনতা বা দৈন্য
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য গঠনে একই সাথে দুইবার প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘দৈন্যতা’ গঠিত হতে পারে না। শুদ্ধ রূপ হবে ‘দীনতা’ অথবা ‘দৈন্য’। তাই শুদ্ধ বাক্য: “অকারণে দীনতা (বা দৈন্য) প্রকাশ করো না”।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: ‘সস্ত্রীক’ শব্দের অর্থই হলো ‘স্ত্রীসহ’। তাই সস্ত্রীক শব্দের পর আবার ‘সহ’ লিখলে তা অতিরিক্ত বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়। শুদ্ধ বাক্য হবে: “তিনি সস্ত্রীক সভায় হাজির হলেন” অথবা “তিনি স্ত্রীসহ সভায় হাজির হলেন”।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মুহূর্ত
ব্যাখ্যা: ‘মুহূর্ত’ বানানে ম-এ হ্রস্ব উ-কার, হ-এ দীর্ঘ ঊ-কার এবং ত-এ রেফ হবে। এটি খুবই সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বানান ভুলের উদাহরণ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) অপরাধী দণ্ডার্হ। (অথবা ‘অপরাধী দণ্ডনীয়’)
ব্যাখ্যা: ‘দণ্ড পাওয়ার যোগ্য’-কে এককথায় বলে ‘দণ্ডার্হ’ বা ‘দণ্ডনীয়’। বাক্যটিকে সংক্ষিপ্ত ও মার্জিত করতে এটি ব্যবহার করা সবচেয়ে শ্রেয়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) (ক) এবং (খ) উভয় বাক্যই শুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: ‘সুজন’-এর ভাব বা ধর্মকে ‘সৌজন্য’ বা ‘সুজনতা’ বলে। ‘সৌজন্যতা’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। অতএব, শুদ্ধ বাক্য হবে: “তার সৌজন্যে আমি মুগ্ধ হয়েছি” বা “তার সুজনতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি”।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) সান্ত্বনা, উজ্জ্বল
ব্যাখ্যা: ‘সান্ত্বনা’ বানানে দন্ত্য ‘ন’-এর নিচে একটি ‘ত-ব’ ফলার সংযুক্তি থাকে (ন্ত্ব) এবং ‘উজ্জ্বল’ বানানে বর্গীয় ‘জ’-এর নিচে ‘ব’-ফলা থাকে (জ্জ্ব)।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) মেয়েটির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ ‘বুদ্ধিমান’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা অশুদ্ধ
ব্যাখ্যা: লিঙ্গগত অশুদ্ধির কারণে বাক্যটি ভুল। স্ত্রীবাচক কর্তার ক্ষেত্রে বিশেষণটিও স্ত্রীবাচক হওয়া প্রয়োজন। শুদ্ধ বাক্য হবে: “মেয়েটি অত্যন্ত বুদ্ধিমতী”।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) দেদীপ্যমান
ব্যাখ্যা: ‘যা দীপ্তি পাচ্ছে’ তার এককথায় প্রকাশ ‘দেদীপ্যমান’। আর ‘যা জ্বলছে’ তার এককথায় প্রকাশ হলো ‘জাজ্বল্যমান’।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) মন রূপ মাঝি = রূপক কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা: উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হলে তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে মনের সাথে মাঝির অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) অপাদান কারক
ব্যাখ্যা: তিল থেকে তৈল উৎপন্ন বা জাত হয়, তাই এটি অপাদান কারক। কিন্তু যদি বলা হতো ‘তিলে তৈল আছে’, তখন সেটি তিলের আধার বা স্থান নির্দেশ করায় ‘অধিকরণ কারক’ হতো। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি মনে রাখা দরকার।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) বাতাস
ব্যাখ্যা: ‘অনিল’ শব্দের অর্থ হলো বাতাস বা বায়ু। মনে রাখবেন, ‘অনল’ শব্দের অর্থ হলো আগুন। বানানের এই সামান্য পরিবর্তনের কারণে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) ‘অশ্রু’ শব্দের অর্থই চোখের জল, তাই অশ্রুজল শব্দে বাহুল্য দোষ আছে। শুদ্ধ বাক্য: “অশ্রুতে তার বুক ভেসে গেল।”
ব্যাখ্যা: ‘অশ্রু’ শব্দের অর্থই যেহেতু জল (চোখের জল), তাই তার সাথে পুনরায় ‘জল’ যুক্ত করে ‘অশ্রুজল’ লেখা বাহুল্য দোষের সৃষ্টি করে। শুদ্ধ রূপটি হবে “অশ্রুতে তার বুক ভেসে গেল” অথবা “চোখের জলে তার বুক ভেসে গেল”।